Politics Eletion, ‍ Cader, Admin

বাংলাদেশের নির্বাচন পদ্ধতির ত্রুটি ও ভ্রান্তি

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা যেসব মিথ্যার বেসাতির উপর প্রতিষ্ঠিত

 

আমরা নির্বাচন আসলে নানা প্রতিশ্রুতি শুনি কিন্তু পরে আর কখনো সেগুলো বাস্তবায়িত হয়না। হয়তো  কেউ কারো চেয়ে কম খারাপ হয়, বা কেউ কারো চেয়ে কম ভালো হয়। কিন্তু মৌলিক সংষ্কার ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আমরা যাকে বলি তা আমরা কখনো দেখতে পাই না। সেটি দেখার কোনো সুযোগ নেই। এর প্রথান কারণ ৭২ এর সংবিধানের নৈতিক ও পদ্ধতিগত দূর্বলতা এবং ব্রিটিশ আইনের কাঠামোগত দূর্বলতা এর জন্য দায়ী

কারণ বাংলাদেশের আইনগুলো এমনভাবে তৈরী হয়েছে যাতে করে বিচারক, আমলা এবং সরকারী চাকুরীজীবিদের কোনো জবাবদিহিতা না থাকে। এর কারণ হলো ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ অফিসারের তাদের শীতের দেশের উন্নত সুবিধা রেখে গরমে আর ম্যালেরিয়াতে মরার ভয়ে ভারতে চাকরিতে আসতে চাইতো না।  তাদেরকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইনগুলো সেভাবে লেখা। পরবর্তীতে সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে। কারণ একটি দেশের  একটি আইন আরেকটা আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার ধারণা বা চর্চা প্রচলিত নয়।

ব্যাপারটা কেমন দেখুন-

যেমন ধরুন: ১৮ সালে রাতের ভোটে কয়েক হাজার মানুষ যুক্ত। তাকে উপর থেকে ফোনে বা মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তার প্রমাণ নেই। কিন্তু বিভিন্ন কাগজে সই করেছেন তিনি অপরাধী। কিন্তু চাইলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই। এবং সরকার কিন্তু অফিসারদের বিরিুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

যদিও আমাদের দেশে সরকার মাঝে মধ্যে সেটা করে। তা কিন্তু একরকম গায়ের জোরে করে। যদি স্বাধীন বিচার বিভাগ হয় তাহলে সরকার এটা করতে পারবেনা। কারণ অভিযুক্ত কর্মকর্তা আদালতে গেলে সরকারের নির্দেশ টিকবেনা। বাধ্য হয়ে সরকার তখন আদালতকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এভাবে একটি অনিয়মের জন্য আরেকটি অনিয়ম হয়, সেটার জন্য আরো, দুটি। দুটির জন্য চারটি। তারপর পুরো রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা অনিয়মের উপর চলে। তখন সেই অনিয়মের মাধ্যমে তাকে সচল রাখার জন্য একক নেতৃত্ব, স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, গডফাদার, ক্যাডার, দালাল শ্রেণীর জন্ম হয়। নেতৃত্ব যায় অযোগ্যতের হাতে, দেশ তারাই চালায়। কারণ তার সিস্টেমের এই দূর্বলতাকে একসময় কাজে লাগাতে শিখে যায়।

আমরা আজ মূলত নির্বাচন ব্যবস্থায় একই রকমের যেসব ভ্রান্তি বিলাস আছে। সেগুলো একবার চোখ বুলিয়ে নেব। চলুন শুরু করা যাক।

ক) প্রচারে এলাকার সর্বস্তরের জনগন

যে মিথ্যাটা দিয়ে বাংলাদেশের নির্বাচনের কাজ সর্বপ্রথম প্রার্থীরা শুরু করেন। তাহলো, তারা নিজেরা অথবা তারা শুভাকাংখীদের দ্বারা পোষ্টার ছাপিয়ে সে পোষ্টারের নিচে লিখেন ‘‘প্রচারে এলাকার সর্বস্তরের জনগন’’। যা মোটেও সত্য নয়। এলাকার সর্বস্তরের জনগন এক হয়ে প্রার্থীর জন্য কি পোষ্টার বানায়? তাছাড়া সবস্তরের জনগন যদি তার সাথে থাকে। তাহলে পোস্টারের কি দরকার?

মানে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয় একটা ডাহা মিথ্যা দিয়ে।

খ) এলাকার উন্নয়নের সুযোগ দিন

এই কথাটা সংসদ নির্বাচনের সাথে সাংঘর্ষিক এমনকি সংবিধান বিরোধীও কিছুটা বটে। কারণ সংসদ নির্বাচন হচ্ছে সাংসদ নির্বাচনের জন্য যিনি সংসদে গিয়ে দেশের জন্য আইন প্রণয়ন করবেন। অথচ তিনি হয়তো সেটা জানেনও না তার কাজ কি? তিনি পোষ্টারে সমাবেশে অনবরত বলে গেলেন ‘‘এলাকার উন্নয়নের সুযোগ দিন’’। অথচ এটা হলো স্থানীয় সরকার প্রতিনিধির কাজ।

যদিও একটা কারণে একেবারে ভুল বলা যায়না কারণ বাংলাদেশ এর রাজনৈতিক দল নিয়ন্ত্রিত সরকারগুলো তাদের জন্য কিছু উন্নয়ন বরাদ্ধ দেয়। যে কাজটা স্থানীয় সরকার করবে সে কাজটা এমপিরা করে রাজৈনৈতিক ক্ষমতা পোক্ত করার জন্য আর উন্নয়নের কাজ তদারক করলে কন্টাক্টরের কাছ থেকে নিজের অথবা চ্যালাবেলাদের জন্য সাব কন্টাক্ট কিংবা কমিশন নেয়ার সুযোগ তৈরী হয়। যাতে সে লোকগুলো নির্বাচনের সময় নেতার হয়ে কাজ করে।

অথচ সংবিধান অনুসারে এলাকার উন্নয়ন তার কাজ নয়। এটা স্থানীয় প্রতিনিধি উপজেলা ও ইউপি পরিষদ এর কাজ।  একজন সংসদ সদস্য যদি সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য কাজ শুরু করেন। তাহলে বাস্তবে দেশে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে কি?

গ) ভোটের ব্যয়ে চুরি

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এমনভাবে ভোটের খরচ নির্ধারণ করে যাতে এমপির বেতনের সাথে তার একটা সামঞ্জস্য থাকে। আর এখানেই শুভংকরের ফাঁকি। নির্বাচনের খরচ যা ধরা হয়েছে। আর নির্বাচনে যে সিস্টেম রাখা হয়েছে তা পরষ্পর সাংঘর্ষিক।

একজন প্রার্থী, পোষ্টার, ব্যানার, মিছিল মিটিং, মাইকিং, লিফলেট, সভা সব করবে মাত্র ২৫ লাখ টাকার মধ্যে? এটা কি করে সম্ভব? ফলে সব প্রার্থীই এখানে আসল খরচ দেখান না। যে দেশে সিস্টেম মধ্যে রয়েছে চুরি করার পদ্ধতি আর সে সিস্টেম কেউ পরিবর্তন না করে তাকে ফাঁকি দেয়ার পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তাহলে পরিবর্তন কিভাবে আসবে?

আপনি হয়তো খরচের পরিধি বাড়ান প্রয়োজনে বেতনও বাড়ান। অথবা আপনি কার্যক্রম সীমিত করেন যাতে একটাকা খরচ করতে না হয়। অথবা হিসেব চাওয়া বাদ দেন। মোটকথা হলো কাঠামোটা পাল্টান। সংবিধান প্রণেতাদেরকে সংবিধান লঙ্গন দ্বারা কাজ শুরুর পদ্ধতি কেন রাখবেন?

ঘ) ওপেন সিক্রেট: সবাই জানে কিন্তু কেউ জানে না

সারা পৃথিবীতে রাজনৈতিক দলের নিবাচনে প্রকাশ্যে এবং বৈধভাবে চাঁদা তুলে দলের বা প্রার্থীর নির্বাচনে ব্যয় মেটানো হয়। সেটা প্রকাশ্যে হয়। তারা সে আয় ব্যয়ের হিসেবও দেন। আর বাংলাদেশে সব গোপনে হয় এবং এই টাকার হিসেবও কেউ দেননা।

এতে করে,- একজন নেতা, জনপ্রতিনিধি বা আইনপ্রণেতা উনিতো যা্ত্রা শুরু করতেছে কালো টাকা দিয়ে। মানে তাকে যারা স্পন্সর করছেন তারা জ্ঞান আয় বহিভূত টাকা দিচ্ছেন। তার আয় হালাল কিংবা হারাম যাই হোক। তিনি ট্যাক্স দেননি। অথচ দরকার সকল টাকা স্বচ্চভাবে দেয়া এবং সে টাকার উপর সরকারের ট্যাক্স দেয়া।

সবাই জানে দল বা প্রার্থী প্রচুর টাকা ডোনেশন পান। সে টাকা নির্বাচনের খরচ দেন। কেউ কেউ টাকা নেন না। তাদের হয়ে তাদের শুভাকাংখীরা বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহ করে থাকেন। এটা একটা কৌশল বটে। কিন্তু এই বিষয়টা আবার সরকারী আইন বা বিধিতে পাশ কাটিয়ে গেছে যাতে করে প্রার্থীরা এই সুবিধাটা নিতে পারেন। এভাবে বিভিন্নভাবে বাংলাদেশে আইনের মধ্যে নানা গ্যাপ রাখা আছে। আমি বেশ কয়েকটি  আইনের রিভিউ করেছি।

দেখুন: দেখুন: মানি লন্ডারিং আইনের বজ্রআটুনি ফসকা গেরো- 

ঙ) ২০% ভোট আর ৮০% বিরোধী থাকলেও জেতা সম্ভব

এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটা ত্রুটি। কোনো এলাকায় কারো বিপক্ষে যদি ৮০% জনগন থাকে এবং মাত্র ২০% জনসমর্থন নিয়ে তিনি জিততে পারেন। ৮০% লোক না চাওয়া সত্বেও তিনি তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে যান। কিভাবে?

ধরুন একটা এলাকায় ১০জন প্রার্থী ভোটে দাড়ালো। তাদের ভোটের হার যথাক্রমে ২০%, ১৮% , ১৬%, ১৪%, ১২%, ১১%, ১০%, ৯% মোট ১০০%। তাহলে কে জিতলো যাকে ২০% লোক চাইলো আর ৮০% লোক চাইলোনা।

এই সমস্যার সমাধানের বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলো বিভিন্ন ধরনের সমাধান করেছে। আমরাতো এইটা সমস্যা সেটাই জানলাম ২০২৫ সালে। সমাধানতো অনেক দূরে। তবে তারা কি সমাধান বের করেছে সেটা দেখে নিতে পারি-

১) দ্বিতীয় দফা ভোট: অনেক প্রথম ও দ্বিতীয় প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট হয়। ফলে তাদের কেউ একজন ৫১%+ বা ৫০%+ ভোট পান। ফলে তুলনামূলক কম ভোট বা বেশী বিরোধী ভোটের তকমা নিয়ে কাউকে জন প্রতিনিধি হতে হয়না।

২) নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধিকে অংঙ্গীভূত করা: নিকট প্রতিদ্ধন্ধিকে ছায়া পরিষদ বা ছায়া সরকার বা কোনো একটি প্রক্রিয়ার তার মতামত নেয়ার একটি ব্যবস্থা থাকলে প্রথম ২ জনকে অঙ্গীভূত করার দ্বারা বেশীরভাগ ভোটারের মতকে গুরুত্ব দেয়া হয়।

৩) পিআর পদ্ধতির দ্বারা: ব্যক্তি প্রার্থী অনেক থাকলেও যখন দল প্রার্থী হয়। তখণ প্রতিন্ধন্ধিতা কমে যায়। ভোটের হারের উপর জয় নির্ধারিত হলে যারা বেশীরভাগ ভোট পায় তারা সরকার গঠন করে আর কম ভোট পেয়েও অন্যান্য দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।

পিআর এর অসুবিধা হলো। সাংসদদের সাথে জনগনের সম্পর্ক থাকে না। তবে সাংসদ যদি রাস্তাঘাট না করে শুধু আইন প্রনয়ন করেন। সে সম্পর্ক না থাকাই ভালো। তাহলে তিনি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন।

বাংলাদেশের জন্য পিআর এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এখানে পদগুলো টাকায় বিক্রি হবে। আর এটার জন্য বা এটাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য উপায় হলো উচ্চকক্ষে উচ্চতর যোগ্যতা সম্পন্ন সাংসদ নির্বাচন বিধিমালা ঠিক করা। সে সুযোগটা না থাকে বা সীমিত হয়ে যায়। আমি অন্য লেখায় বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

পিআর এর মাধ্যমে সরকার গঠন করলে সেটা দূর্বল হতে পারে যদি কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্টতা না পায়। সেটা কাটিয়ে উঠর উপায় হলো সরকার গঠন হবে সংখ্যাগরিষ্টতার ভিত্তিতে আর সংসদ হবে পিআর এর ভিত্তিতে। আরেকটা পদ্ধতি দ্বিকক্ষ সংসদের এক কক্ষ পিআর আরেক কক্ষ প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা।

তবে পিআর এবং প্রচলিত পদ্ধতির দুটোর সুবিধা অসুবিধা কাটিয়ে উঠতে সবচেয়ে উত্তম হলো মিশ্র পদ্ধতি বা এমএমপি। বিস্তারিত:

চ) মতামতের সীমাবদ্ধতা

এই সমস্যাটা শুধু বাংলাদেশের। আপনি যে দলের সাংসদ সে দলের বিপক্ষে সংসদ মত প্রকাশ করতে পারবেন না। আচ্চা আমাকে কেউ বলুন। যদি সংসদে এক দলের ১টাই মত হয় ৩শজন আলাদা আলাদা আলাদা মত প্রকাশ করতে না পারে। তাহলে কেন ৩শ আসনে নির্বাচন হবে? কেন ৩শ সদস্য মিলে অধিবেশন হবে? কেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা আলোচনা হবে? শুধু ধন্যবাদ প্রস্তাব আর একদল দ্বারা আরেকদলকে গালি দেয়ার জন্য?

এইযে নিয়ম ও সংবিধান একটা আরেকটার বিপরীত। আপনি যদি আইন প্রনয়নের ৩শজন সদস্য নির্বাচন করেন। আর সেখানে ১০টি দলের মাত্র ১০টি মতামত রাখার বিধান করেন। সংবিধান এবং রাষ্ট্র কে কার সাথে প্রতারণা করলো।

অনেকে বলবেন, এই বিধান না থাকলে তো এমপিরা সহজে বিক্রি হয়ে যাবে? আরে ভাই বিক্রি হওয়ার মতো লোক কেন নির্বাচিত হবে?

আরো কিছু বিষয়:

রাজনীতির কোনো বিধি- বিধান নেই: রাজনৈতিক সংগঠন আইন চাই

* দেশে সামাজিক সংগঠন আছে সামাজিক সংগঠন বিষয়ক একাধিক আইন আছে? দেশে বাণিজ্য সংগঠন আছে বাণিজ্য সংগঠন বিষয়ক আইন ও বিধি আছে। কিন্তু রাজনৈতিক সংগঠন আইনও নেই, বিধিও নেই। মানে রাজনৈতিক কাঠামো যোগ্যতা ও নীতি ও বিধান কোনো কিছু বালাই নেই? বুঝলেনতো কতবড় ফাঁকির মধ্যে আমরা আছে।

নাগরিক অধিকার আইন নেই: তাই ভোটাধিকার নিয়ে এত চিনিমিনি খেলা

* স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার নিয়ে চিনিমিনি খেলা হয়। তবুও  এসবের আইনি প্রতিকার নেই। নেই একটি ‘‘নাগরিক অধিকার আইন’’। তাই আপনাকে কোনো ব্যক্তি ও দল ভোট দিতে না দিলে, রাতে ভোট হলে সে দলকে শাস্তির আওতায় আনার সরাসরি কোনো বিধান নেই।

নাম দিয়ে দল নিষিদ্ধ কেন? দল নিষিদ্ধ হবে কর্ম দিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে

ন আপনাকে বলতে হবে, অমুক দল নিষিদ্ধ কর, কেন বলতে হবে না তাকে নিষিদ্ধ করার দরকার। সে আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে দিয়েছে আমাদের প্রতি জুলুম করে জালিম হয়েছে। আমরা তার উপর সদয় হবো। আপনার নাগরিক অধিকার আইনে থাকবে যারা ১৫ বছর জনগনের নাগরিক অথিকার হরণ করবে তারাও ১৫ বছর তা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে। কাজ শুধু তথ্য প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করা বা প্রমাণ করা যে, তারা আসলে নাগরিক অধিকার হরণ করেছে কিনা?

এজন্য বলি , এদেশের মানুষ ‘’৭২ এর সংবিধান’’ এক বিশাল ঘোরের মধ্যে বসবাস করছে। যা আপনাকে একটা ভাল অনুভূতি দেয় কিন্তু আপনার সমস্যার সমাধান করে না।

(বাংলাদেশের প্রশাসন যে উল্টো নীতি তে চলে সে বিষয়ে আমার আরেকটি লেখা:

আশাকরি বুঝতে পারছেন মৌলিক, নীতি, পদ্ধতি, কাঠামো ও ব্যবস্থপনা সংক্রান্ত সংষ্কার না হলে এখানে ভালো কিছু করা ভবিষ্যতে খুব কঠিন হয়ে যাবে। নির্বাচনে যে জিতুকনা কেন। ৭২ এর সংবিধান আর বৃটিশ আমলের আইন এই দুইয়ে মিলে গোলক ধাঁধা আর যে শুভংকরের ফাঁকি তৈরী করে রেখেছে তার যদি অবসান করতে না পারেন তাহলে এই জাতির মুক্তি নেই।

লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন