Documents Verification Code

ডিভিসি: ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড

ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড ও ডিজিটাল ভেরিফিকেশন কোড ডিভিসি

ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড,  বাংলাদেশে  ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখ থেকে Document Verification Code (DVC)চালু হয়। । এটি  ডিভিসি The Institute of Chartered Accountants of Bangladesh (ICAB) এর ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে মান নিশ্চিত করার কৌশল  কোড যার মাধ্যমে প্রতিটি Audit Report এর সঠিকতা যাচাই করা যায়।  ডিভিসি (DVC) হওয়ার ফলে কতিপয় Chartered Accountant কর্তৃক প্রদানকৃত ভুয়া (Fake) Audit Report বা কোম্পানির একই অর্থবছরে একের অধিক রিপোর্ট বা Manipulated Report করা বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে আরজেএসসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোম্পানী ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য তাদের চলতি বছরের ডিভিসি রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়।

 কোম্পানির অর্থ বছরে Income Tax জন্য একটি Audit Report, ব্যাংক থেকে Loan গ্রহনের জন্য একটি Audit report, কোম্পানির সঠিক আর্থিক অবস্থা বা লাভ লোকসান জানার জন্য Audit Report এ ধরনের তিন(০৩) থেকে চার (০৪) প্রকারের রিপোর্ট Chartered Accountant ফার্ম কর্তৃক প্রদান করা হতো।
 ডিভিসি সহ Audit Report গ্রহণ করার জন্য ICAB বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, RJSC সহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে Memorandum of Understanding (MoU) করে যার প্রেক্ষিতে অত্র প্রতিষ্ঠানগুলো DVC সহ Audit Report গ্রহণ করা শুরু করে।  সরকারের সকল ধরনের প্রতিষ্ঠান এফবিসিসিআই সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর আইসিএবির অত্র পদক্ষেপ কে সাধুবাদ জানায়।
 Financial Reporting Council (FRC) ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা জনস্বার্থ সংস্থাসমূহের Audit Report সমূহ যাচাই-বাছাই এবং দেখভাল করে থাকে।  ইতিমধ্যে FRC এর সুপারিশে ICAB প্রায় ৪২ জন Chartered Accountant এর Certificate of Practice (COP) ভুয়া Audit Report বা Substandard Audit Report বা লজিস্টিক সাপোর্ট কম থাকার পরেও অতিরিক্ত DVC গ্রহণ করার ফলে বিভিন্ন মেয়াদে বন্ধ করে দেয়।
 আগে প্রতিটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির Audit Report ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ফি প্রদান করলে Chartered Accountant ফার্ম এর কাছ থেকে Autograph নেয়া যেত।  ডিভিসি Mandatory হওয়ার ফলে এখন প্রতিটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির কোন অপারেশন না থাকলেও Audit Fee/ Autograph Fee সর্বনিম্ন ৩৪,৫০০ থেকে শুরু করে ৫৭,৫০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা লাগে। আর যদি Turnover থাকে তাহলে তা প্রকারভেদে ৬০,০০০ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
চলতি বছর থেকে এফবিসিসিআই বাণিজ্য সংগঠনগুলোর জন্য ডিবিসি বাধ্যতামূলক করেছে। মানে যে সংগঠন তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়ে ডিবিসি গ্রহণ করেছে তারাই শুধু সদস্য তালিকা ও ভোটার তালিকায় যুক্ত হতে পারবে।
তাদের সহযোগিতা করছে: কনসাল প্লাস
ডিজিটাল ভেরিফিকেশন কোড
ডিজিটাল ভেরিফিকেশন কোড একটি সাধারণ বিষয় যা ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তথ্য ও ব্যবহারকারীর পরিচয় সনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।  এটি সাধারণত একটি টেক্সট মেসেজ এর মধ্যে আসে, ইমেল বা গুগল অথেনটিকেশন অ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এই কোড ব্যবহার করে, আপনি নিশ্চিত করতে পারেন যে আপনি সেই অ্যাকাউন্টের আসল মালিক এবং আপনার একাউন্টটি নিরাপদ বা আপনার তথ্য যাচাই করা হয়েছে। 
ডিজিটাল ভেরিফিকেশন কোড সাধারণত দুই-থেকে তিন ধাপের প্রমাণীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা অনলাইন একাউন্টের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন হয়।  ইউজার যখন একাউন্টে লগ ইন করার চেষ্টা করে, তখন তাকে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর এই ভেরিফিকেশন কোড প্রবেশ করতে হতে পারে। এটি মূলত হ্যাকারদের জন্য অন্যকারো একাউন্টে প্রবেশ করা আরও কঠিন করে তোলে।  আর এটাই হলো ডিভিসি। কখনো এটাকে আমরা পিন নাম্বার বা পাসকোডও বলে থাকি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর বিভিন্ন নাম হয়। 
বাংলাদেশে এই শব্দটি বেশী পরিচয় পেয়েছে ব্যবসাক্ষেত্রে এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে। এখানে বাংলাদেশ এর কোম্পানী ও নন প্রফিট সংস্থার নিবন্ধন প্রতিষ্ঠান আরজেএসসি এই পদ্ধতি চালু করেছে। মূলত কোম্পানী আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলোকে প্রতিবছর নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। কারা জমা দিয়েছে বা কাদের প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়েছে তাদেরকে ভিন্নভাবে আলাদা করার জন্য দেয়া হয়।
Digital Verification Code হলো একটি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক কোড যা কোনো অফিসিয়াল ডকুমেন্ট, সার্টিফিকেট বা রেজিস্ট্রেশন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। RJSC এর মাধ্যমে ইস্যু করা ডকুমেন্টে এই কোড থাকলে সেটি অনলাইনে যাচাই করা যায়।
  • অ্যাকাউন্ট তৈরি:
    নতুন একাউন্ট খোলার সময়, আপনার পরিচয় যাচাই করার জন্য ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করা হতে পারে।
  • লগ ইন:
    কিছু ওয়েবসাইটে লগ ইন করার জন্য ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করা হয়।
  • পেমেন্ট:
    অনলাইনে কেনাকাটার সময়, আপনার পেমেন্ট নিরাপদ রাখতে ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করা হতে পারে।
  • অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার:
    আপনার একাউন্ট হারিয়ে গেলে বা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করে একাউন্ট পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে।

আপনি যদি কোনো ভেরিফিকেশন কোড না পেয়ে থাকেন, তাহলে রিসেন্ড করার জন্য বা অন্য কোনো মাধ্যমে কোড পাঠানোর জন্য অনুরোধ করতে পারেন। 

আপনি এই ভিডিওতে কিভাবে ভেরিফিকেশন নম্বর খুঁজে বের করতে হয় তা শিখতে পারবেন:
সূত্র: কনসাল প্লাস,  ডি কস্টা এন্ড এসোসিয়েটস ও ইন্টারনেট। ছবি: ফটোফুনিয়া
কনসাল প্লাস: 01784224465

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply