জাহাঙ্গীর আলম শোভন
(সংক্ষিপ্ত পরিচিতি)
জ্ঞানের সকল শাখায় তার আগ্রহ সমান। প্রতিদিন পত্রিকা পড়তেন চতুর্থ শ্রেণী থেকে। বই পড়ার অভ্যাসও ছোট বেলার। ফলে সাধারণ জ্ঞানে তার জ্ঞানভান্ডার ছিল চোখে পড়ার মতো। বন্ধুরা মজা করে বলতো দন্ডায়মান এনসাইক্লোপিডিয়া। আবার কোমলমতি স্বভাবের জন্য কলেজে বলতো মায়াবী মডেল। ছাত্র জীবন থেকে নিজেকে গড়ে তুলতে শিখেছেন নানা কিছু। ২৩ টির বেশী প্রশিক্ষণে নিজেকে করেছেন মজবুত। একটি রেডিও স্টেশনে ২০১৬ সাক্ষাৎ দিতে গেলে তারা বলে ‘‘ম্যান অব মোটিভেশন’’।
ছাত্রজীবন শেষ করে কিছুদিন চাকরি করে পারিবারিক শিপিং ব্যবসার মাধ্যমে ব্যবসায়ে হাতে খড়ি হয়। তবে ছাত্রজীবন থেকে প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি ভিত্তিক ব্যবসার প্রতি তার বোঁক ছিল। পরে অনলাইন ব্যবসায় আসেন।
রচনা, সাধারণ জ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্রজীবনে বেশকিছু পুরষ্কার পেয়েছেন। লেখালেখিও করেছেন নানা বিচিত্র বিষয়ে। রম্য, কবিতা, লোকসাহিত্য, ব্যবসা, ভ্রমণ, প্রযুক্তি, ইতিহাস নানা বিষয়ে লিখেছেন দেশে ও বিদেশে।
২০১৬ সালে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করেন তেুঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ। ৪৬ দিনে ১২৭৬ কিলোমিটার ভ্রমণ নিয়ে রয়েছে তার ২টি নতিদীর্ঘ বই।
২০১৭ সালে ‘‘দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন’’ এর একটি বিশেষ ক্রোড়পত্রে ৪০ জন প্রবাসী বাংলাদেশীর সাথে তাকে নিয়ে প্রকাশিত হয় একটি ফিচার।
২০১৮ সালে তার লেখা বই ‘‘ নিজেকে গড়ে তুলতে’’ স্থান পায় সরকারী ক্রয় তালিকায়।
২০১৯ সালে ই-কমার্স বিষয়ক লেখালেখির জন্য পান ‘‘ইয়ং দেশসেরা ই-কমার্স কনটেন্ট রাইটারের পুরষ্কার।
২০২০: ই-ক্যাবের প্রতিনিধি হয়ে সেন্ট্রাল লকডাউন ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনাকালীণ সময়ে ই-কমার্স সাপ্লাইচেইন সচল রাখার জন্য সম্মুখকর্মী (ফ্রন্টলাইনার) দায়িত্ব পালন করায় একই বছর ই-ক্যাব থেকে ১২ জন অগ্রসর ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট নাগরিকের সাথে তিনিও পান ই-ক্যাবের ‘‘ই-কমার্স মুভার্স’’ (ইকমা) এ্যাওয়ার্ড। এই বছরই করোনাকালীন সেবার জন্য ‘‘ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরষ্কার-২০২০’’ এবং সাধারণ ও ব্যক্তি পর্যায়ে ই-ক্যাব থেকে মনোনোয়ন পান। ই-বিজনেস স্কলার কতৃক বর্ষসেরা ই-কমার্স ব্লগারের পুরষ্কার শ্রীলংকান পত্রিকা সিংহল টুডেতে প্রকাশিত হয়েছে তাকে নিয়ে ছোট ফিচার, জাপানোর জেট্রোতে জাপানি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে তার সাক্ষাৎকার।
২০২১ সালে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের জন্য পান ‘‘ ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরষ্কার’’
২০২২ সালে পান উত্তরণ কতৃক বাংলাদেশের এসএমই খাতে অবদানের জন্য বিশেষ পুরষ্কার।
২০২৩: সালে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের জন্য পান স্মার্ট বাংলাদেশ পুরষ্কার।
প্রকাশিত বই ১৮টি, রয়েছে অনুবাদ ও সম্পাদনা। তবে তার মৌলিক বই ১৪টি । বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। সবচেয়ে বেশী লিখেছেন অনলাইন ব্লগ ও কমার্শিয়াল কনটেন্ট। হাজারের বেশী লেখনি তাকে অনলাইনে লাখ লাখ পাঠাকের কাছে নিয়ে গিয়েছে।
মূলত একজন লেখক ও পর্যটক ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কাজেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
প্রতিবছর ৬ ডিসেম্বর ফেনী মুক্ত দিবসে ৭১ জন তরুনকে নিয়ে ৪০ কিলোমিটারের পদযাত্রায় অংশ নেন।
লেখা: মাহমুদুর রহমান

