হলফনামা একটি আইনগত দলিল যা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য, নাগরিকত্ব ও বিবৃতি আইনসম্মতভাবে ঘোষণা করে। এটি সাধারণত নোটারি পাবলিক বা আইনজীবীর সামনে স্বাক্ষরিত হয়। নিচে একটি হলফনামার নমুনা দেওয়া হলো, যেখানে কাল্পনিক তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
হলফনামা
আমি, মোঃ রফিকুল ইসলাম, পিতা: মোঃ জাহিদ হাসান, মাতা: আয়েশা বেগম, সাং- ২৫/বি, গ্রাম: নয়াপাড়া, পোষ্ট: মোহাম্মদপুর, থানা: মোহাম্মদপুর, ঢাকা- ১২০৭, ধর্ম: ইসলাম, জাতীয়তা: বাংলাদেশী, এই মর্মে হলফপূর্বক ঘোষণা করিতেছি যে,
০১। আমি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা ও নাগরিক বটে।
০২। আমি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে সক্ষম।
০৩। আমার স্থায়ী ঠিকানা- গ্রাম: শ্যামনগর, পোষ্ট: কলারোয়া, থানা: কলারোয়া, জেলা: সাতক্ষীরা।
০৪। আমার জন্ম তারিখ: ১৫/০৯/১৯৭৫ ইং এবং জন্ম স্থান: সাতক্ষীরা।
০৫। আমার বিরুদ্ধে দেশের কোনো আদালতে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই।
০৬। আমি কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত নই এবং আমার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সঠিক।
উপরোক্ত বর্ণনা আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য ও সঠিক জেনে অদ্য ২০/১০/২০২৩ ইং তারিখে নোটারী পাবলিক-এর সম্মুখে হাজির হয়ে অত্র হলফনামায় নিজ নাম স্বাক্ষর করলাম।
_________________
হলফকারীর স্বাক্ষর
হলফকারী আমার পরিচিত, তিনি আমার সম্মুখে স্বাক্ষর করেছেন। আমি তাকে সনাক্ত করলাম।
_________________
এডভোকেট / নোটারী পাবলিক
নাম: মোঃ সাকিব আহমেদ
এনবিআর নম্বর: XXXXXXXXXX
ঢাকা জেলা বার কাউন্সিল
পরামর্শ:
১. হলফনামা দেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করে নিন।
২. নোটারি পাবলিক বা আইনজীবীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ গ্রহণ করুন।
৩. কোনো রকম ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, এতে আইনগত জটিলতা হতে পারে।
ব্যবহারের নির্দেশনা:
-
ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন করে ব্যবহার করুন।
-
প্রয়োজনে আইনজীবীর সহায়তা নিন।
-
দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট অফিসের নিয়ম কাঠামো নিশ্চিত করুন।

