সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ২০২৫
২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে আয়োজিত হয়ে আসা সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প-এর ২০২৫ সেশনে এবারও আমরা অংশ নিচ্ছি। আগামী ১৭, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর ৩ দিন। সেন্টমার্টিন, শাহপরীর দ্বীপ ও কক্সবাজার মিলিয়ে মোট ৪ দিনের ট্রিপ। এই ভ্রমণে সামাজিক কাজ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, পরিবেশ সচেতনতা, বিনামূল্যে মেডিকেল সেবা ও দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ একসাথে থাকবে।
পরিকল্পনা
আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ আমরা সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্ন অভিযান এবং ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প করতে যাচ্ছি।
জনপ্রতি খরচ ধরা হয়েছে ৪৮০০/- টাকা।
জার্নি সহ ৪ রাত ৩ দিনের সফরে আমরা আমাদের ভলান্টিয়ারিং কাজ এবং অফ সিজনে দ্বীপের সৌন্দর্য আবলোকন করবো।
এই টাকার মধ্যে যে খরচগুলো থাকবে:
★ ঢাকা – টেকনাফ – কক্সবাজার – ঢাকা এসি বাস।
★ ট্রলারে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়া এবং আসা
★ ২ রাত সেন্টমার্টিন দ্বীপে থাকা। (প্রতি রুমে ৪ জন)
★ ৩ দিনের খাবার ৮ বেলা ( ৩ টা সকালের নাস্তা, ৩ টা দুপুরের খাবার, ২ টা রাতের খাবার)
★ আমাদের ক্যাম্পেইন এর সকল কার্যক্রম এবং এর জন্য সরঞ্জামাদি।
★ টি – শার্ট
আমাদের কাজের মধ্যে থাকবে
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক খোলা বৈঠক: ১৭ অক্টোবর, সন্ধ্যা ৭টা
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম: ১৮ ও ১৯ অক্টোবর, ভোর ৫টা–সকাল ৮টা
সেন্টমার্টিন দ্বীপে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: ১৮ অক্টোবর, বিকেল ৪টা
শাহপরীর দ্বীপে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: ১৯ অক্টোবর, সকাল ১০টা–দুপুর ১টা
সময়সূচী
ঢাকা থেকে শাহপরীর দ্বীপ যাত্রা: ১৬ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার | রাত ৮টা, ফকিরাপুল (এসি বাস)
শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্টমার্টিন যাত্রা: ১৭ অক্টোবর, শুক্রবার | সকাল ৯টা (সকালের নাস্তা শেষে ট্রলার)
সেন্টমার্টিন পৌঁছানো ও লাঞ্চ: ১৭ অক্টোবর, শুক্রবার | দুপুরের খাবার শেষে বিশ্রাম
সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপ যাত্রা: ১৯ অক্টোবর, রবিবার | সকাল ৯টা
শাহপরীর দ্বীপ থেকে কক্সবাজার যাত্রা: ১৯ অক্টোবর, রবিবার | দুপুর ৩টা (লাঞ্চ শেষে)
কক্সবাজারে সূর্যাস্ত দেখা: ১৯ অক্টোবর, রবিবার | সন্ধ্যা ৬টা
কক্সবাজার থেকে ঢাকা যাত্রা: ১৯ অক্টোবর, রবিবার | রাত ১০টা
_বিশেষ দ্রষ্টব্য:
যারা কক্সবাজারে থাকতে চান, তারা নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে থাকতে পারবেন। তবে বাসের টিকিট রিফান্ড হবে না।
_
এই সময়ে এই টিমের সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুবিধা
এই সময় ট্যুরিস্ট কম যায় তাই সেখানে কাজ করতে এবং ঘুরতে সহজ আনন্দদায়ক হয়।
এই সময়ে ভীড় কম থাকে বলে খরচ কম হয়। আমাদের নিজস্ব বাবুর্চি আমাদের জন্য খাবার রান্না করবে।
অবসর সময়ে দ্বীপে নিজের মতো করে ঘোরা যায়। নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি থাকে।
ভ্রমণ এবং একাধিক সামাজিক কাজ একসাথে করা যায়। ইতিপূর্বে যারা আমাদের সাথে গিয়েছেন। সকলে বলেছেন এটা তাদের জীবনের সেরা ট্রিপ। আমাদের ৫০% টিম মেম্বার নতুন থাকে এবং ৫০% থাকে পুরাতন। দলে প্রায় ৩ ভাগের ১ ভাগ নারী থাকেন।
কাজের সময় বাদ দিয়ে অন্য সময়ে নিজের মতো করে ঘোরাফেরা করা যায়।
নিয়মাবলী
অংশগ্রহণকারীদের সামাজিক কাজ বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশগ্রহণের মানসিকতা থাকতে হবে
সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িতদের অগ্রাধিকার
আসন নিশ্চিত করার শেষ তারিখ: ১০ অক্টোবর (সীমিত আসন)
খরচের ৫০% অগ্রিম প্রদান: ১২ অক্টোবর | বাকী অংশ ভ্রমণের শুরুতে
ট্রলারে ভ্রমণের মানসিকতা থাকতে হবে
নারী ও পুরুষদের মধ্যে সম্মানসূচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ আবশ্যক
শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ বা গর্ভবতী নারীদের জন্য সফর উপযোগী নয়
গরমের জন্য ক্যাপ, গামছা, হালকা কাপড়, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন সাথে নিতে হবে।
আবহাওয়ার খারাপ হলে যাত্রা বাতিল হতে পারে (পরবর্তী পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত নেবে)
সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা নিজের ব্যানার ও ফেস্টুন বহন করতে পারবেন (ডিজাইন আগে অনুমোদন করতে হবে)
ভ্রমণের খরচ
জনপ্রতি মূল ভ্রমণ: ৪,৮০০ টাকা (এসি বাস, ট্রলার, এক রুমে ৪ জন)
কাপল রুমে থাকলে: ৫,৮০০ টাকা (এক রুমে ২ জন, জনপ্রতি ১,০০০ টাকা বেশি)
ময়লার এলার্জি বা পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিতে না পারলে, অথবা বেশি ময়লা তুললে উপহার হিসেবে ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে
ঘোষণা
সেন্ট মার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প – ২০২৫
ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ ট্রাস্ট ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এবারও আমরা আসছি ১৭-১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নতুন উদ্যমে
আমাদের কার্যক্রম:
✅ সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
✅ স্থানীয় জনগণের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্প
✅ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
✅ সচেতনতামূলক লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ
এই যাত্রায় আপনারাও আমাদের সঙ্গে থাকতে পারেন সমাজ, পরিবেশ ও মানুষের কল্যাণে।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণের প্রস্তুতি
১) ১৬ থেকে ১৮ আমরা ৪রাত ৩ দিনের জন্য ঢাকা চাড়বো এর মধ্যে ২ রাত গাড়িতে থাকবো। সেভাবে মানসিক প্রস্তৃতি নিবেন।
২) মনে রাখতে হবে, যেখানে যাচ্ছি- সেখানে অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবেনা। তাই- আবহাওয়া খারাপ হলে যাত্রা পরিবর্তন হতে পারে।
৩) আমরা সরকারী বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাচ্ছি। যেখানে টেকনাফের লোকেরা বর্তমানে যেতে পারে না। তাই আমাদের সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।
8) সবাইকে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সংগে রাখতে হবে। এছাড়া পেশাগত ও শিক্ষার্থী হলে ছবিযুক্ত আইডিকার্ড সাথে রাখতে পারেন।
5) ২ দিন কমপক্ষে ৩ ঘন্টা করে ময়লা পরিষ্কার করার মানসিকতা থাকতে হবে। নিজেরা যত প্লাস্টিক মোড়কীপণ্য ব্যবহার করবো যেমন পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট, চায়ের কাপ এগুলো রাখার জন্য নিজের ব্যাগে জায়গা রাখতে হবে।
৬) আমরা ট্রলারে যাবো সেখানে লাইফ জ্যাকেট থাকবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে তাতে কোনো ঝুঁকি নেই। সারা বছর এমনকি বিগত ৩শ বছর ধরে স্থানীয় লোকেরা এভাবে যাতায়াত করে। কিন্তু রোদের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ছাতা, গামছা, ক্যাপ, সান-ক্রিম, পাতলা জামা, নিজস্ব পানির বোতল ইত্যাদি সাথে রাখবেন।
৭) ৪ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় জামাকাপড় নেবেন, সমুদ্রে নামা ও ঘোরার জন্য গরম উপযোগী কাপড় নিতে পারেন।
৮) খাবার স্যালাইন, প্যারাসিটামল, শরবত পাউডার এসব নিতে পারেন। তবে আশা করছি অনেকদিন যেহেতু ট্যুরিস্ট যাচ্ছে না, আমরা প্রথম বছর (২০১৭) এর মতো এবার ভাল ডাব পাবো।
৯) মোবাইল, ক্যামেরা, ল্যাপটপ ও পাওয়ার ব্যাংক থাকলে চার্জ দিয়ে নেবেন। নিজের খরচের জন্য বাড়তি টাকা নিবেন। কোনো কারণে আমরা পৌছানোর পর আবহাওয়া খারাপ হলে সেখানে ২/৪দিন থাকা লাগতে পারে তার একটা মানসিক প্রস্তুতি রাখবেন।
১১) ভ্রমনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু নিয়ম কানুন থাকবে যেমন- সময়মতো ঘুম থেকে উঠা, ডাইনিং রুমে হাজির হওয়া, মাঠে হাজির হওয়া। ইত্যাদি মেনে চলতে হবে। কমপক্ষে ২টি সেশন পাবেন নিজেদের ইচ্ছেমতা ঘোরাঘোরি করার জন্য।
১২) বাস যেখান থেকে ছাড়া হবে। সেখানে সময়মতো পৌছার জন্য রাস্তায় যতটা সময় দরকার। তারচেয়ে ১ ঘন্টা আগে বের হতে ভুলবেন না।
সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশিকা
ইতোপূর্বে ভ্রমণ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির বিষয়গুলো জানানো হয়েছে। এবার নির্দেশিকা আকারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানিয়ে দেয়া হলো-
১) ১৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে আরামবাগ নটরডেম কলেজ এর সামনে থেকে বাস ছাড়বে। সবাইকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে উপস্থিতি হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। যেহেতু বৃহস্প্রতিবার রাস্তায় জ্যাম থাকবে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
২) আবহাওয়া খারাপ হলে যাত্রা, বাতিল, পরিবর্তন ও সংক্ষিপ্ত হতে পারে। এই বিষয়ে মানসিক প্রস্তুতি রাখবেন।
৩) আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সাথে নেবেন সম্ভব হলে পেশাগত পরিচয়পত্রের মূলকপি সাথে নেবেন।
৪) আমাদের পুরো কাজে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। যেমন- ট্রলারে লাইফ জ্যাকেটও থাকবে। তারপরও আপনার সবচেয়ে বড়ো নিরাপত্তা আপনি নিজে। তাই রোদের তাপ ও গরম থেকে বাঁচতে ক্যাপ, ছাতা, গামছা যেকোনো ১টি রাখতে পারেন। সাথে সাগরে নামার জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক। সানগ্লাস ও সানক্রিম থাকলে ভাল।
৫) সকলকে বাসে উঠার আগে খরচের পুরো অংশ পরিশোধ করতে হবে। নিজের খরচের জন্য নিজস্ব ক্যাশ ও এমএফএস ব্যালেন্স রাখতে পারেন।
৬) আমরা আমাদের নিজস্ব টেরিটরির বাইরে কোথাও যাচ্ছি। যেখানে অনেক কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবেনা। তাই যেকোনো সমস্যা আমরা অস্থির ও অধৈয্য না হয়ে সবাই একসাথে সমাধান করবো। এই মানসিকতা রাখতে হবে।
৭) মূল দায়িত্বশীল এবং টিম মেম্বারদের অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে যারা প্রোগ্রামটি আয়োজন করছে তারা জনকল্যাণ ও স্বেচ্চাসেবি মানসিকতা থেকে করছে। এখানে আমরা কেউ কারো চাকরি করি না এবং কেউ কোনো কিছু কেনা-বেচাও করছিনা। তাই যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের ভালমন্দ আয়োজকরা দেখবেন আর আয়োজকদের সুবিধা ও অসুবিধা অংশগ্রহণকারীরা বিবেচনা করবেন। কেউ ইচ্ছেকৃত কোনো সমস্যা তৈরী না করলে তার জন্য আমরা তাকে দায়ী করবেনা বরং সবাই মিলে তাকে সহযোগিতা করবো।
৮) দ্বীপে পৌছানোর পর ‘‘সময়সূচী’’ অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত না হলে। দলীয় নেতারা ৫/৭ মিনিট বাড়তি সময় দিবেন। তারমধ্যে কেউ হাজির হতে না পারলে তাকে বাদ দিয়ে সে অংশটি শেষ করা হবে। এজন্য কোনো অভিযোগ করা চলবেনা। এমনকি আসার সময় কেউ গাড়ি বা ট্রলার মিস করলেও না।
৯) যেহেতু আমরা প্রায় ৪টি ডেস্টিনেশন ধরবো। তাই সময় ও খরচ খুব গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
১০) থাকা-খাওয়া-পরিবহন ও অন্যান্য বিষয়ে যেকোনো সমস্যা আপত্তি প্রথমে দলনেতাকে জানাবেন তারপর বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
১১) দুই-দিন ভোরে মূল কর্মসূচী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সকলকে অংশগ্রহণ করতে হবে। ১৮ বছরের নিচে কেউ অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকলে তাকে প্রতিদিনের জন্য ৫০০ টাকা বাড়তি প্রদান করতে হবে।
১২) সমস্ত কার্যক্রম দলীয়ভাবে সম্পন্ন হবে। তবে ২ দিন ২টি স্বাধীন সেশন থাকবে নিজেদের মতো ঘোরার জন্য এই সময়ে যারা যেখানে যাবেন দলীয় প্রধানকে বলে যাবেন এবং ফিরে এসে রিপোর্ট করবেন।
১৩) প্রত্যেকে তাদের জন্য রক্ষিত রেজিস্ট্রার খাতায় স্বাক্ষর করবেন এবং নিজের পরিবারের একজনের ফোন নাম্বার দিয়ে রাখবেন।
১৪) আয়োজকদের নাম্বারগুলো আপনার পরিবারের সদস্যদের কাছে দিয়ে রাখবেন।
১৫) কোনো কারণে দ্বীপে পৌঁছার পর আবহাওয়া খারাপ হলে ফেরা বিলম্বিত হতে পারে। তাই মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুত রাখবেন।
১৭) হালকা জামাকাপড় নিবেন। স্যালাইন ও প্যারাসিটামল ও সাধারণ ঔষধ নিতে পারেন যাদের দরকার হয়। পানির বোতল নিবেন।
১৮) ব্যাগের মধ্যে সকল ডিভাইস ও জামাকাপড় আলাদা আলাদা পলিথিনে মুড়ে পলিথিন ব্যাগ মুখ বন্ধ করে নেবেন যেন পানি প্রবেশের আশংকা না থাকে। চিপস ও পানি খেয়ে প্লাস্টিক ময়লা কোথাও ফেলা যাবে না। এটা রাখার জন্য ব্যাগে জায়গা রাখবেন।
১৮) ট্রলারে সকলকে লাইফজ্যাকেট দেয়া হবে। তবুও কেউ চাইলে নিজস্ব জ্যাকেট নিতে পারেন।
১৯) মোবাইল, পাওয়ার ব্যাংক, ল্যাপটপ ও ক্যামেরাসহ অন্যান্য ডিভাইসে প্রয়োজনীয় চার্জ দিয়ে নেবেন।
২০) যেকোনো পরিস্থিতি মাথা ঠান্ডা রেখে পরষ্পর পরষ্পর সহযোগিতায় কাজ করবেন। মেডিক্যাল ক্যাম্প করার সময় পারলে সহযোগিতা করবেন, না পারলে দলীয় নেতার নির্দেশ অনুসরণ করবেন।
২১) ভ্রমণ এলাকায় ও ভ্রমণের সময় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিষয়ে আলোচনা থেকে দূরে থাকবেন। স্থানীয় জনগনের সাথে ট্যুরিজম, দ্বীপের সমস্যা, সরকারী নিষেধাজ্ঞা ও পরিবেশ বিষয়ে আলোচনা করলে নিজস্ব মন্তব্য করার সময় সচেতন থাকবেন।
আপনাদের যাত্রা শুভ হোক। আল্লাহর নামে যাত্রা শুরু করুন। এটি আমাদের ৮ম বছরের কর্মসূচী। আমরা সফল হবো ইনশা-আল্লাহ। এই ভ্রমণটি প্রতিটি মানুষের সারাজীবন মনে রাখার মতো স্মৃতি।
সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প: সময়সূচী
১৬ অক্টোবর ২০২৫: বৃহস্প্রতিবার
ঢাকা ত্যাগ: ১৬ অক্টোবর, সন্ধ্যা টা : শ্যামলী শিশুমেলা থেকে
১৭ অক্টোবর: শুক্রবার
সকালের নাস্তা: ১৭ অক্টোবর, সকাল ৭টা: টেকনাফ
ট্রলার যাত্রা: সকাল ০৯টা: শাহপরীর দ্বীপ
সেন্টমার্টিন পৌছানো: দুপুর ০১টা
দুপুরের খাবার : দুপুর ২টা, সেন্টমার্টিন
দ্বীপ দেখা: ১৭ অক্টোবর বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা
মোটিভেশনাল সেশন- সন্ধ্যা ৮ থেকে রাত ৯টা ৩০
রাতের খাবার (১৭ অক্টোবর) : রাত ১০টা
১৮ অক্টোবর: শনিবার
ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা: পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জেটির দক্ষিণ পাশ
সকালের নাস্তা: সকাল ০৯টা
ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প (সেন্টমার্টিন): সকাল ১০টা থেকে ১২টা (ইসলামিয়া স্কুল)
দ্বীপ দেখা: বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা
সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান: সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা
রাতের খাবার : রাত ১০টা
১৯ অক্টোবর: রবিবার
ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা: পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সকালের নাস্তা: সকাল ০৮:৩০টা
শাহপরীর দ্বীপের উদ্যেশ্যে সেন্টমার্টিন ত্যাগ: সকাল ৯টা
শাহপরীর দ্বীপে মেডিক্যাল ক্যাম্প: ১১টা থেকে ১টা।
দুপুরের খাবার: ২টা
কক্সবাজারের উদ্দ্যেশ্যে শাহপরীর দ্বীপ ত্যাগ : বিকেল ৪টা
কক্সবাজার চা চক্র ও শপিং টাইম: সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা
রাতের খাবার কক্সবাজার: রাত ১০টা।
ঢাকার উদ্যেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ
