সাপোর্ট কমিটি কখন কিভাবে কি উদ্যেশ্যে কত নিয়ে গঠিত হয়।
যেকোনো সংগঠনে আহবায়ক কমিটি, নির্বাহী কমিটি এবং বিভিন্ন উপ-কমিটি বা সাব কমিটির সাথে আমরা পরিচিত। এছাড়া রয়েছে উপদেষ্ঠা কমিটি, পরামর্শক কমিটি, অডিট কমিটি, অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটি। কিন্তু সাপোর্ট কমিটির ব্যাপারটা একেবারে নতুন। ফলে সাপোর্ট কমিটি নিয়ে অনেকের মধ্যে ধোঁয়াশা রয়েছে। অনেকে এর কার্যপরিধি এবং ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়।
সাপোর্ট কমিটি কি?
সাপোর্ট কমিটি বা সহায়ক কমিটি আসলে এমন একটি কমিটি যারা নিজেরা নিজেদের নাম ও পদবির বলে কোনো কার্য সম্পাদন করতে পারেন না। তারা অন্যকে কার্য সম্পাদনে সহযোগিতা করতে পারেন বা সহায়তা করতে পারেন। মানে যার দায়িত্ব সে পালন করবে এই কমিটি তাদেরকে সহযোগিতা করবে মাত্র।
সাপোর্ট কমিটি কখন কিভাবে গঠিত হয়?
সাপোর্ট কমিটি মূলত একটি বিশেষ সময়ে গঠিত হতে পারে। যদি কোনো এসোসিয়েশনে কমিটি ভেঙ্গে যায় বা নির্বাচন ব্যতিরেকে কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যায় বা কোনো কারণে কমিটি কার্যকারিতা হারায় এবং এই অবস্থায় যদি সরকার একজন সরকারী কর্মকর্তাকে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করে। তখন প্রশাসক যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে নির্বাচন বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য উক্ত কমিটি গঠন করেন।
কমিটি গঠিত হয় মূলত সদস্যদের মধ্য থেকে তবে সদস্যদের মধ্য থেকে কমিটির জন্য সদস্য কিভাবে নির্বাচন করবেন এটা একান্ত প্রশাসকের নিজস্ব বিষয়। এখানে কোনো প্রক্রিয়াগত বিষয় নেই। যেহেতু এই কমিটির নির্বাহী ও সাংগঠনিক কোনো ক্ষমতা নেই। তাই এখানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রশ্ন নেই।
প্রশাসক চাইলে যারা এই বিষয়ে আগ্রহী তাদের মধ্য থেকেও সদস্য বাছাই করতে পারেন। অথবা তিনি চাইলে যাদেরকে উক্ত কাজের জন্য যোগ্য মনে করেন তাদের নিয়েও গঠন করতে পারেন।
কারা সহায়ক কমিটিতে আসবে তাদের সংখ্যা কত?
সহায়ক কমিটির একটাই যোগ্যতা। তারা সকলে ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্য হবেন। তবে সংখ্যা সম্পর্কে বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০২২ এ কিছু বলা হয়নি। সাধারণত ৫ থেকে ৭ জনের হয়ে থাকে। কদাচিত ৯ জন হয়। তবে ৩ জনের কমিটি বেশী নিরাপদ ও জনপ্রিয়।
সাধারণত প্রশাসকেরা পূর্বের নির্বাহী পরিষদ মনোনীত ১ জন, তাদের বিপরীতে যারা থাকে তাদের পক্ষ থেকে ১ জন এবং প্রশাসক নিজে নিরপেক্ষ একজনকে নির্বাচন করেন। আবার এমনও হতে পারে পূর্বের নির্বাহী পরিষদ মনোনীত ২ জন, তাদের বিপরীতে যারা থাকে তাদের পক্ষ থেকে ২ জন এবং প্রশাসক নিজে নিরপেক্ষ ১ জনকে নির্বাচন করেন। প্রকিয়াটি নিরপেক্ষ এবং একপক্ষীয় না হওয়ার জন্য এমনটা করেন। কখনো কখনো তারা সদস্যদের কাছ থেকে নাম আহবান করেন এবং নাম থেকে তিনি বাছাই করেন।
সাধাণত ২ সংখ্যায় বা এর বেশী পরিমাণে সহায়ক কমিটিতে সদস্য নেয়া হয় না কারণ এতে করে কাজ করা কঠিন হয়ে যায় কখনো কখনো সভায় কোরাম পূর্ণ হয় না। কারণ কমিটির কার্যপরিধি সীমিত হওয়ার কারণে অনেকে পরবর্তীতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
যেহেতু সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় এই কমিটির কাজ থাকে না। তাই বেশী সদস্য হলে সিদ্ধান্তগ্রহণ জটিলতার বিষয়টি সমস্যা হয়ে উঠে না। তবে প্রশাসক যদি নিজে সিদ্ধান্ত না দিয়ে অধিক মাত্রায় তাদের পরামর্শ নির্ভর হয়ে পড়েন তাহলে মারাত্মক জটিলতা দেয়া দেয়।
তবে সাধারণত প্রশাসকেরা আমলা হোন বলে তারা সহায়ক কমিটি দিতে চান না। এর কারণ হলো সহায়ক কমিটি হলে দলাদলি সৃষ্টি হয় এবং সরকারী কর্মকর্তারা যেভাবে বিধিবদ্ধভাবে কাজ করেন ও গুচিয়ে সিদ্ধান্ত নেন বেসরকারী খাতে তেমনটা খুব হয়। তারউপর সহায়ক কমিটিতে যদি এমন সব লোক থাকেন যারা সংগঠন বোঝেন না বা বাণিজ্য সংগঠন এর গঠন, কাঠামো এবং কোন সিদ্ধান্তের কি ফল হবে এগুলো জানেন না তাহলে প্রশাসকেরা আশংকা করেন যে, কাজের চেয়ে সমস্যা বেশী তৈরী হবে।
সহায়ক কমিটির কাজ কি?
সহায়ক কমিটির কাজ একেবারে সুনির্দিষ্ঠ । তারা ভোকার্য সম্পাদনে ভোটার তালিকা তৈরীতে সহায়তা করবে।
বাণিজ্য সংগঠন আইনের (১৮/১/ক বিধি অনুসারে- (ক) স্বীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করিবার জন্য উক্ত বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যগণের মধ্য হইতে একাধিক সদস্য সমন্বয়ে সহায়ক কমিটি গঠন করিতে পারিবেন;
তাহলে প্রশাসকের স্বীয় কাজ কি কি ?
(খ) তাহার মেয়াদের মধ্যে নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিমিত্ত নির্বাচন বোর্ড ও আপিল বোর্ড গঠন এবং উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিধি-বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন;
(ঘ) নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করিবার উদ্দেশ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সভা ব্যতীত, অপসারিত নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদে সাধারণ সভা স্থগিত করিতে পারিবেন;
(ঘ) নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করিবার উদ্দেশ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সভা ব্যতীত, অপসারিত নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদে সাধারণ সভা স্থগিত করিতে পারিবেন;
(ঙ) যে মেয়াদের জন্য সাধারণ সভা স্থগিত করা হইয়াছে সেই মেয়াদে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাধারণ সদস্যগণের অনুমোদন বা সম্মতি আবশ্যক হইলে উক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন;
(চ) প্রশাসক ও সহায়ক কমিটির সদস্যগণের সম্মানি, ভাতা, পারিশ্রমিক ও সংগঠন পরিচালনার নিমিত্ত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করিতে পারিবেন;
(ছ) বাণিজ্য সংগঠন সুচারুরূপে পরিচালনার উদ্দেশ্যে এই আইন ও বিধির সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া যেইরূপ প্রয়োজন মনে করিবেন সেইরূপ কার্যসম্পাদন করিতে পারিবেন;
(জ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত বা অন্য যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করিবেন।
এখানে প্রশাসক কি করতে পারবেন তা বলার পাশাপাশি কি করতে পারবেন না, সেটাও বলা হয়েছে, যেমন-
(গ) সাধারণ সভায় আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন এবং নিরীক্ষকের প্রতিবেদন পাঠ সম্পর্কিত বিধানাবলী ব্যতীত বাণিজ্য সংগঠনের জন্য প্রযোজ্য বিদ্যমান কোম্পানি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার নির্দেশাবলী প্রতিপালন করিবেন;
এই বিধান নিয়ে কিছু মতদ্বৈততা রয়েছে। কারো মতে যেহেতু প্রশাসক সাধারণ সভায় আর্থিক বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পাঠ করতে পারবেন না তার অর্থ হলো তিনি সাধারণ সভাও আয়োজন করতে পারবেন না। কারণ কোম্পানী আইন অনুসারে বার্ষিক সাধারণ সভায় ৫টি জরুরী কার্যবিধির অন্যতম হলো আর্থিক বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পাঠ- উপস্থাপন।
আবার কারো মতে, তিনি আসলে যাই করুন না করুন আর্থিক বিবরনী তৈরী ও পাঠ ও অডিট সম্পর্কিত কোনো কাজ করতে পারবেন না। প্রথমত, তিনি একটি নির্দিষ্ঠ সময়ের জন্য সাধারণ ১২০ থেকে ১৮০ দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন এছাড়া যেহেতু সাধারণ সভা স্থগিত করার কথা ঙ ধারাতে বলা হয়েছে। সূতরাং সাধারণ সভার সাথে সম্পর্কিত কোনো কাজ করার এখতিয়ার তার নেই।
তবে কোনো কোনো সংগঠনে সংঘবিধি যদি আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হয়। তাহলে বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের অনুমতিক্রমে তিনি বিশেষ সাধারণ সভা বা ইজিএম আয়োজন করে অন্যান্য বিধান প্রতিপালনের মাধ্যমে সংঘবিধি পরিবর্তন করতে পারেন। যেহেতু ইজিএম এর এজেন্ডার মধ্যে আর্থিক বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পাঠ অন্তভূক্ত নেই।
এছাড়া এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ করতে প্রশাসক ও সহায়ক কমিটি পছন্দ করেন না বা করতে চান না। তার আরেকটি কারণ হলো- আইনগত জটিলতা। এখানে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ যেখানে বাণিজ্য সংগঠন আইনের ২০/১ ধারায় বলা হয়েছে বাণিজ্য সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায় না। তবে ফেডারেশন কতৃক গঠিত ট্রাইবুনালে অভিযোগ করা যায়। যদিও সাধারণ ভাষায় সেটাও এক ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া হলেও আইনের ভাষায় তাকে মামলা বলা হয়নি।
কিন্তু ১৮/৩ বা ১৮/জ-৩ অনুসারে (৩) প্রশাসক ও সহায়ক কমিটির সদস্যগণের সম্মানি, ভাতা, পারিশ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন কর্তৃক দায়েরকৃত বা উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পরিচালনাসহ বাণিজ্য সংগঠন পরিচালনার যাবতীয় ব্যয় উক্ত সংগঠনের তহবিল হইতে নির্বাহ করা হইবে।
এখানে উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বলতে বাণিজ্য সংগঠন এর বিরুদ্ধে মামলা বা অভিযোগ বোঝানো হয়েছে অথবা সহায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মামলার কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি আলাদাভাবে উল্লেখ করার কারণে এই কমিটির বিরুদ্ধে মামলা করার বৈধতা পেয়েছে। যা সংক্ষুব্দ ব্যক্তিদের মামলা করতে প্ররোচিত করতে পারে।
তবে এই বিধানে উল্লেখিত সহায়ক কমিটির বেতন, ভাতা ও মামলার খরচের যে বিধান রয়েছে তা বাস্তবায়ন হয় না কারণ যে ধরনের এসোসিয়েশনে প্রশাসক আসেন সে ধরনের অ্যাসোসিয়েশনে সাধারণত তহবিল সংকট থাকে। ফলে একদিকে কোনো সম্মানি পাওয়া যায়না অন্যদিকে মামলার খরচ তখন নিজ পকেট থেকে দেয়ার আশংকায় সহায়ক কমিটি তাদের সীমা লঙগন করতে চান না।
এমনকি যদি ভাতা দেয়ার সক্ষমতা থাকেও তাতেও তেমন সুবিধা হয় না। কারণ যেখানে প্রশাসক এর ভাতা মন্ত্রণালয় থেকে মাসিক ১০,০০০ টাকা নির্ধারিত সেখানে সহায়ক কমিটির সদস্যরা মাসিক যদি ৫ হাজার টাকা পান তাহলে সেটা এই বাজারে কোনো আর্থিক সুবিধার মধ্যে পড়ে না।
আরো একটি বিষয় হলো, যদি সহায়ক কমিটির কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে মামলা হয় এবং সে মামলার খরচ যদি অ্যাসোসিয়েশন তহবিল থেকে বহন করা হয় তাহলে পরবর্তী কমিটি এই বিষয়ে তাদেরকে জবাবদিহি করতে পারে এমনকি সদস্যরাও তাদের প্রতি ক্ষুব্দ হতে পারেন।
ধারা ২০/১ বাণিজ্য সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা
২০। (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন বা কোনো নিবন্ধিত বাণিজ্য সংগঠনের কোনো সংঘবিধি বা সংঘস্মারকে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অনুরূপ বাণিজ্য সংগঠন বা উহার নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদ বা উহার অন্যান্য সংস্থার বৈধতা বা উহার কোনো কার্য বা কার্যধারার যথার্থতা অথবা উহার গঠন বা উক্ত কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের বা সংস্থার নির্বাচন বা নিয়োগ সম্পর্কিত বিষয়ে অনুরূপ বাণিজ্য সংগঠনের কোনো সদস্য কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা অন্য কোনো বাণিজ্য সংগঠনের কোনো সদস্য কর্তৃক কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে, অনুরূপ বাণিজ্য সংগঠন বা উহার কোনো সদস্য বা অনুরূপ বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাহী কমিটির বা পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের বা আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ বা রুজু করা যাইবে না, যদি না উক্ত সদস্য বা অন্যান্য বাণিজ্য সংগঠন বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফিসহ ফেডারেশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদানের উদ্দেশ্যে গঠিত সালিশ ট্রাইব্যুনালের নিকট বিষয়টি নিষ্পত্তির আবেদন করে এবং অনুরূপ সালিশ ট্রাইব্যুনাল উক্ত বিষয়ে উহার সিদ্ধান্ত বা রোয়েদাদ প্রদান করে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদ বা প্রশাসক কর্তৃক নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হইলে নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে গঠিত নির্বাচন বোর্ড বা নির্বাচন আপিল বোর্ড বা সালিশ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বা রোয়েদাদ ব্যতীত মহাপরিচালকের নিকট এই বিষয়ে কোনো আবেদন বা অভিযোগ করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সালিশ ট্রাইব্যুনাল ফেডারেশন অব চেম্বার্স অব কমার্স এণ্ড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত অন্যূন ৩ (তিন) বা অনধিক ৫ (পাঁচ) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত বা রোয়েদাদ প্রদান করিবে।
-লেখা : জাহাঙ্গীর আলম শোভন
