বাংলাদেশের ‘‘কান্ট্রি ইমেজ’’ উন্নয়ন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশের ‘‘কান্ট্রি ইমেজ’’ উন্নয়ন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশের ‘‘কান্ট্রি ইমেজ’’ উন্নয়ন প্রসঙ্গে

 

একটি রাষ্ট্রের শক্তিশালী জাতীয় পরিচয় ও ইতিবাচক আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি (state image) শুধু সম্মানের প্রতীক নয়, এটি রাষ্ট্রীয় ঐক্য, উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আজ বিশ্ব দরবারে পরিচিত হলেও, জাতীয় পরিচয় ও ভাবমূর্তি বিষয়ে এখনো সুসংহত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতির অভাব রয়েছে। এই লেখায় আমরা বিশ্লেষণ করব—সরকার কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে এবং সেগুলো কিভাবে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

 

১. একটি সুস্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় সংজ্ঞায়ন

করণীয়:

  • বিতর্কিত বিষয়গুলো সাইড লাইনে রেখে সবার সাধারণ ও কমন বিষয় সামনে নিয়ে জাতীয় ঐক্য ‍ও পরিচয়ের ডাক দেয়া।
  • বাংলাদেশের অনন্য ও লোকজন সংষ্কৃতিকে সামনে রেখে একটি ভিন্নতর বাংলাদেশকে তুলে ধরা।
  • ‘‘স্কিল বাংলাদেশ’’ দিয়ে ২০৩৫ সালের মাধ্য ৮০ ভাগ তরুন  এবং ৪০ ভাগ নাগরিককে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
  • একটি মানবিক ও গ্রহণযোগ্য, নতুন ও ব্যতিক্রম, আকর্ষনীয় ও অর্থপূর্ণ স্লোগানকে দেশের নামের পাশে রেখে ব্রান্ডিং করা।
  • ২৪ এর গণ অভ্যুত্থান,মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন,  সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভিত্তিতে একটি সম্মিলিত জাতীয় পরিচয়ের কাঠামো নির্ধারণ।

 বাস্তবায়ন কৌশল:

  • জাতীয় পরিচয় বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের “বাংলাদেশ (স্লোগান) কতৃপক্ষ” গঠন।
  • পাঠ্যপুস্তকে জাতির ইতিহাস, সংবিধান, এবং মূল্যবোধের যথাযথ অন্তর্ভুক্তি।
  • জাতীয় দিবসগুলোতে দলমতনির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং সব মতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  • বিদেশী সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সহজ করা। বিদেশীদের কমপক্ষে ১ বছরের জন্য ভিসা দেয়া।
  • প্রবাসী ও অনাবাসী বাংলাদেশীদের দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ ও স্বীকৃতি দেয়া।
  • একটি ‘‘মাষ্টারপ্লান’’ তৈরী করে তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

 

২. রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি উন্নয়নে একটি কেন্দ্রীয় “Brand Bangladesh” নীতি গঠন

করণীয়:

  • দেশের অর্জন, সংস্কৃতি, সম্ভাবনা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে একটি সুসংহত কৌশল তৈরি করা।
  • “Brand Bangladesh” ওয়েবসাইট বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তৈরী করা।
  • সকল ধরনের কনটেন্ট বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তৈরী করা।
  • বিদেশী নাগরিকদের সকল সেবা ১ সেবাডেস্ক থেকে নিশ্চিত করা।

 

বাস্তবায়ন কৌশল:

  • প্রধানমন্ত্রীর/প্রধান উপদেষ্ঠার কার্যালয়ের আওতায় একটি Brand Bangladesh সেল গঠন, যেখানে ICT, পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, পর্যটন, সংস্কৃতি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।
  • একটি “বাংলাদেশ গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর নেটওয়ার্ক” গঠন করে দেশের প্রখ্যাত নাগরিক, খেলোয়াড়, বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের আন্তর্জাতিকভাবে প্রচারক হিসেবে নিযুক্ত করা।
  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘State Image Volunteers Program’ চালু করা, যারা বিদেশে বাংলাদেশের পজিটিভ দিকগুলো তুলে ধরবেন।
  • তরুন ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বেচ্চাসেবি হিসেবে প্লাটফর্মের সাথে যুক্তকরা।
  • সারাবিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত বাংলাদেশীদেরে ১টি নোটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা।

 

৩. সরকারি-বেসরকারি কৌশলগত যোগাযোগ (Strategic Communication Policy)

 করণীয়:

  • আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ গণমাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম, সংস্কৃতি ও মানবিক অর্জন প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত যোগাযোগ নীতি গ্রহণ।
  • একটি আমব্রেলা প্লাটফর্ম তৈরী করে তার অধীনে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক তৈরী করা। যেমন যারা কনটেন্ট তৈরী করবে তাদের জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর নেটওয়ার্ক,যারা পাফর্মিং আর্ট করেন তাদের জন্য ১টি নেটওয়ার্ক। প্লাটফর্মের নাম হতে পারে ‘‘Let’s Move Bangladesh’’

 বাস্তবায়ন কৌশল:

  • বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা নিযুক্ত করা।
  • তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সেল গঠন করে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের দ্রুত জবাব প্রদান।
  • রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন, বিটিভি -কে আধুনিকায়ন করে ইংরেজি ও বিদেশি ভাষায় ভিডিও, ডকুমেন্টারি এবং ওয়েবসাইট চালু করা।
  • বেসরকারী মিডিয়াগুলোর জন্য এই বিষয়ে কাজ করতে ১টি গাইড লাইন দেয়া।

 

৪. রাজনৈতিক ঐক্য ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি রক্ষা

করণীয়:

  • জাতীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের বাইরে রাখা, এবং বিরোধী দলের মতামত মূল্যায়ন করা।
  • সকল পেশা,মত  ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ সর্বক্ষেত্রে নিশ্চিত করা।
  • কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজমের মাধ্যমে পর্যটকদেরকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া।

বাস্তবায়ন কৌশল:

  • জাতীয় দিবস এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ইভেন্টে সব মতের প্রতিনিধি যুক্ত করা।
  • সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে “বহুজাতিক সংস্কৃতি উৎসব” (Multinational Cultural Festival) আয়োজন করা যেখানে ধর্ম, ভাষা ও জাতিগত বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে।
  • ঢাকায় একটি আন্তজাতিক ব্যবসাকেন্দ্র ও ১টি আন্তজাতিক সাংষ্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।
  • পর্যটন শহরগুলোতে কমপক্ষে ১০টি জাতীয় সংষ্কৃতি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।

( এসবের রুপরেখা পরে প্রদান করা হবে)

 

৫. শিক্ষা ব্যবস্থায় জাতীয় পরিচয় ও মূল্যবোধ সংযোজন

 করণীয়:

  • আন্তজাতিক নাগরিকত্ব-বোধ ও জাতীয় ভাতৃত্ববোধের উপর গুরুত্ব দিয়ে পাঠ্যসুচী সাজানো।
  • পাঠ্যসূচিতে জাতীয় ইতিহাস, অভ্যুত্থান, নিজস্ব সংষ্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, সকল ধর্ম, সংবিধান, মানবিক মূল্যবোধ এবং বৈচিত্র্যকে সম্মান জানাতে শেখানো।
  • একটি অভিন্ন প্রচারণামুলক স্লোগান ঠিক করে সকলকে সে লক্ষ্যে কাজ করতে সকল পর্যায়ে বিষয়টির অন্তভূক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

 বাস্তবায়ন কৌশল:

  • প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে “ন্যাশনাল ক্যারেক্টার এডুকেশন মডিউল” চালু করা।
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণে জাতীয় চেতনা, ঐতিহাসিক সত্য, এবং বৈষম্যহীনতা শেখানো বাধ্যতামূলক করা।
  • শিক্ষক নিয়োগের সময় মানসিক সক্ষমতা ও ইতিবাচক মূল্যবোধ এর উপর আলাদা একটি পরীক্ষা নেয়া।
  • সরকারী চাকুরি নিয়োগে মানসিক সক্ষমতা ও ইতিবাচক মূল্যবোধ এর উপর আলাদা একটি পরীক্ষা নেয়া।

 

৬. দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম রোধে দৃঢ় অবস্থান

 করণীয়:

  • রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, যাতে রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
  • দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ, পদায়ন ও ট্রান্সফার করা।
  • সরকারী চাকুরিতে নিয়োগ বিধি,নীতি, প্রক্রিয়া,মুল্যায়নসহ সকল কিছু ঢেলে সাজাতে হবে।
  • তদবির প্রসানের পরিবর্তে মূল্যায়ন ভিত্তিক প্রশাসিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

(সরকার চাইলে এ সংক্রান্ত রুপরেখা প্রদান করা যাবে।

বাস্তবায়ন কৌশল:

  • দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল শক্তিশালী করা।
  • Citizen Charter ও e-Governance-কে বাধ্যতামূলক করে ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করা।
  • ‘Good Governance Index’ চালু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত ভালো শাসনের প্রতিযোগিতা তৈরি করা।
  • দূর্নীতির উপকারভোগীদের সামাজিক শাস্তি ও আর্থিক জরিমানার মুখোমুখী করা।
  • সামাজিক ভাবে দূর্নীতিবাজদের জন্য নেতিবাচক স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা।

৭. আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন

 করণীয়:

  • আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশের অবদান ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে কূটনৈতিক ভাবমূর্তি বৃদ্ধি।
  • কারো সাথে শত্রুতা নয় সকলের সাথে বন্ধুত্বে আসতে হবে।

 বাস্তবায়ন কৌশল:

  • “Bangladesh Economic Diplomacy Policy” চালু করে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক ভাবমূর্তি উন্নত করা।
  • প্রতিবছর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন (যেমন: Bangladesh Development Dialogue) আয়োজন করা যেখানে দেশের অর্জন ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরা হবে।

৮. গণমাধ্যম ও সৃজনশীল শিল্পে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা

 করণীয়:

  • চলচ্চিত্র, নাটক, সাহিত্য, অ্যানিমেশন ইত্যাদির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি তুলে ধরা।
  • গণমাধ্যমের মান, স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা। ( এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে)

 বাস্তবায়ন কৌশল:

  • জাতীয় ফিল্ম গ্রান্ট স্কিম” চালু করে মুক্তিযুদ্ধ, উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও মানবিকতা বিষয়ক চিত্রনাট্যকে উৎসাহ দেওয়া।
  • গণমাধ্যমে ইতিবাচক সংবাদ প্রচারে উৎসাহ ও পুরস্কার প্রদান করা।
  • বাংলাদেশী কনটেন্ট ও বুদ্ধিভিত্তিক পণ্যের আন্তজাতিক বাজার সৃষ্টিতে পেমেন্টে সমস্যার সমাধান করা।

 

 

প্রস্তাবিত ও সাম্ভাব্য ব্রান্ডিং: Let’s Move Bangladesh

ভূমিকা

বাংলাদেশ ২১ শতকে প্রবেশ করেছে একটি আত্মবিশ্বাসী, উদ্যমী ও সম্ভাবনাময় জাতি হিসেবে। তরুণসমাজ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, সামাজিক রূপান্তর এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সমন্বয়ে দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে। এই গতিশীলতাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে প্রয়োজন একটি নতুন, কার্যকর ও সমন্বিত রাষ্ট্রীয় ব্র্যান্ডিং কৌশল – যার নাম হতে পারে “Let’s Move Bangladesh”

ভিশন (Vision)

“To present Bangladesh as a progressive, resilient, and innovative nation committed to inclusive growth, culture, and global connectivity.”

 

মিশন (Mission)

  • বাংলাদেশের ইতিবাচক ও সমকালীন চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা।
  • তরুণ প্রজন্মকে জাতীয় ব্র্যান্ডিংয়ের অংশীদার করা।
  • আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, পর্যটন, ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানো।
  • সোশ্যাল মিডিয়া ও কনটেন্ট ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে সফট পাওয়ার গড়ে তোলা।

 

️ প্রধান স্তম্ভ (Core Pillars)

স্তম্ভ বিস্তারিত
1. Move With Youth তরুণ প্রজন্মকে জাতীয় অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত করা (উদ্যোক্তা, ইনোভেশন, স্কিল)।
2. Move With Culture লোকসংস্কৃতি, সঙ্গীত, সিনেমা ও ভাষার মাধ্যমে সফট পাওয়ার বৃদ্ধি।
3. Move With Green পরিবেশবান্ধব, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সচেতনতা প্রচার।
4. Move With Tech ডিজিটাল বাংলাদেশ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ইমেজ গঠন।
5. Move With Skill দক্ষ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ও পরিকল্পনা নিয়ে একসাথে অগ্রসর

 

কৌশলসমূহ (Strategic Approaches)

  1. State Branding Unit (SBU) প্রতিষ্ঠা – তথ্য মন্ত্রণালয়/পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি একক কেন্দ্রীয় ইউনিট।
  2. Content Diplomacy – নাটক, গান, সিনেমা, তথ্যচিত্র, YouTube, Netflix, Spotify ইত্যাদিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন কাহিনী তুলে ধরা।
  3. Global Bangladesh Forum – প্রবাসীদের মাধ্যমে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৈরি।
  4. Let’s Move Campaign Toolkit – স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, মন্ত্রণালয় ও বিদেশি মিশনে ব্যবহারযোগ্য কন্টেন্ট কিট।
  5. Tourism + Culture Integration – “Move to Bangladesh” নামে প্রচারাভিযান, Visit Bangladesh 2026 প্রস্তুতি।

 

️ বাস্তবায়ন কাঠামো (Implementation Framework)

স্তর দায়িত্বপ্রাপ্ত
নীতি নির্ধারণ ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ কমিটি (PMO-এর তত্ত্বাবধানে)
মজবুত ভিত্তি  যাতে করে যেকোনো সরকার এটি চলমান রাখে
কৌশল নিরূপণ তথ্য, সংস্কৃতি, পররাষ্ট্র, ICT বিভাগ
সার্বিক অংশগ্রহণ  সমাজের সকল স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রাইভেট সেক্টর, সিভিল সোসাইটি
মিডিয়া ও ডিজিটাল  BTV, MyGov, Influencer Network
ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সকলে মিলে
মূল্যায়ন ও সংশোধন সময়ের আলোকে মূল্যায়ন ও সংশোধন

প্রস্তাবনায়, জাহাঙ্গীর আলম শোভন