বদ অভ্যাস কাটিয়ে উঠার বিজ্ঞানসম্মত গাইডলাইন
“সফলতার প্রথম শর্ত হলো—অপব্যয়িত সময়, শক্তি ও সম্পদকে কাজে লাগানো”
একজন মানুষের প্রতিদিনের জীবন যাত্রা ও তার উপর ভিত্তি করে কিছু সমস্যা থাকে। থাকে ভুল এমনকি বদ অভ্যাসও অথবা কোনো অভ্যাস নেই কেবল কোনো সু-অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। এরকম পরিস্থিতিতে আমি ডিপসিককে কিছু সমস্যা ও অভ্যাস বদলানোর জন্য একটি গাইড লাইন চেয়েছিলাম। তার সে এভাবে লিখেছে যে, একজন সাধারণ মানুসের স্বাভাবিক দূর্সবলতার আলোকে সমস্যাগুলোকে ৩টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সমাধান দেওয়া হলো: ১. সময় ব্যবস্থাপনা, ২. আর্থিক শৃঙ্খলা, ৩. দক্ষতা ও ফোকাস
১. সময় ব্যবস্থাপনার সমস্যা ও সমাধান
সমস্যা ১: দেরিতে ঘুমানো ও ভোরে না ওঠা
কারণ রাতের নিস্তব্ধতা আপনার ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য উপযুক্ত মনে হয়। এবং কাজগুলো সুক্ষ্ম সেগুলো করতে করতে সময় চলে যায়। তাছাড়া সকালে উঠার কোনো কঠোর উদ্দেশ্য নেই। এমন কোনো কাজ নেই যেটা করার জন্য সকালে উঠতেই হবে। আপনার মনে হয় সকালের কাজটি একটু পরে করলেও সমস্যা নেই।
সমাধান: আপনি ২১ দিন চ্যালেঞ্জ নিন।
ঘুমের রুটিন: রাত ১১টার আগে বিছানায় যান, আলো নিভিয়ে দিন । ফোন/ল্যাপটপ বন্ধ করুন। এজন্য সকল কাজ ১০:৩০টার মধ্যে শেষ করুন। সকাল ৬টায় উঠার উদ্দেশ্য ঠিক করুন সহজ কথায় ভোরে কোনো কাজ ঠিক করুন। হতে পারে নামায, লেখাপড়া কিংবা ব্যায়াম। অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে ভিটামিন ডি ও এনার্জি নিন। সবচেয়ে ভাল হয়, দিনের গুরুত্বপূর্ণ ১টি কাজ সকালে সেরে ফেলা (যেমন: ইংরেজি শেখা)।
রিওয়ার্ড: ২১ দিন সফল হলে নিজেকে পুরস্কার দিন । যেমন: প্রিয় বই কিনুন, অনেক ধরে কিনতে চান কিন্তু নানা কারণে কিনতে পারছেন না। এমন শখের কিছু কিনুন। বা কাছে কোথাও ঘুরে আসুন।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: হ্যাবিট ফর্মেশনে “কিউ-রুটিন-রিওয়ার্ড” মডেল কাজ করে।
সমস্যা ২: লেখাপড়া (পত্রিকা বই টিভি) বা সৃজনশীল (গবেষনা ও ছবি, ডিজাইন) কাজে সময়ের অতিব্যয়
কেউ যদি লেখক, গবেষক বা বিজ্ঞানী হোন। কিংবা অন্যকোনো সৃজনশীল কাজ করে থাকেন। তিনি নিজের কাজে যত সময় দিবেন ততই লাভবান হবেন। কিন্তু একজন পেশাজীবি বা উদ্যোক্তা তার কাজের পরিমাপ বা হিসেবে ঠিকঠাক থাকতে হবে। তিনি একনিষ্ঠ মনোযোগ প্রয়োজন এমন কাজে সারাদিন পড়ে থাকলে তিনি মূল কাজে যথাযথ মনোযোগ দিতে পারবেন না।
কারণ হলো ফ্লো স্টেট (Flow State) বা কখনো সময়ের হিসেব হারিয়ে ফেলা। ক্রিয়েটিভ কাজের ক্ষেত্রে এরকম হয়ে থাকে।
সমাধান:
পোমোডোরো টেকনিক: যদি ধরি যে আপনি নিজের পেশার পাশাপাশি লিখতে পছন্দ করেন। তাহলে টাইমার সেট করুন ৫০ মিনিট (লেখা) + ১০ মিনিট ব্রেক। আগের ঠিক করুন আজকে কি লিখবেন কতটা লিখবেন। কেন যা মনে আসবে সব আজকে লিখতে হবে। মনে রাখতে হবে। আপনি প্রতিদিন ১ ঘন্টা লিখলে মাসে ৩০ ঘন্টা সময় পাবেন। এভাবে ১ দিন ৫ ঘন্টা লিখে ১০ দিন বসে না থাকাই ভাল।
ব্রেকে হাঁটুন বা চোখ বন্ধ করুন (মনোযোগ রিসেট হবে)। প্রতিদিন ৩০ মিনিট মেডিটেশন করুন। নিজের রিপোর্ট বই তৈরী করুন। বা কোনো অ্যাপ ব্যবহার করুন।
টুল: Focus To-Do বা Forest অ্যাপ ব্যবহার করুন।
ক. পড়ার ক্ষেত্রে এই কৌশল ব্যবহার করতে পারেন।
খ. আপনার ব্যবসা বা স্টাডি সম্পর্কে নিয়মিত পড়ুন এই কৌশলে।
তৃতীয় কোনো দক্ষতা বা ভাষা শিখুন একই কায়দায়।
গ. কাজটি প্রতিদিন করুন। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।
ঘ. অতিরিক্ত সময় নয় অথবা একেবারে নগন্য সময় নয়।
ঙ. ধারাবাহিকতা উন্নতির শর্ত, একসাথে অনেক কাজ নয়।
চ. অবশ্যই মূল কাজটিকে প্রাধান্য দিয়ে অন্য কাজ করুন।
ছ. তবে সে লেখাপড়াও যদি আপনার মূল কাজের সাথে সমন্বিত হয়। তাহলে আরো ভাল। এরজন আপনি ভাল ফল পাবেন।
উক্তি: “সময় হলো একমাত্র সম্পদ যা ফিরে পাওয়া যায় না।” — অ্যারিস্টটল
সমস্যা ৩: কাজ ফেলে রাখা (Procrastination)
কারণ: পারফেকশনিজম: “একদম সঠিক সময়ে শুরু করব” এমন মানসিকতা। এই কাজটা শেষ করে তার পর করবে এরকম চিন্তাও থাকে। বিশেষ করে বড় কাজগুলোকে আমরা ছোট কাজের পরে করবো এভাবে চিন্তা করি। কিন্তু আমাদের অসংখ্য ছোট ছোট কাজ কখনো শেষ হয়না। তাই সময় মেনে কাজ করাই ভাল। ছোট কাজের সময় ছোট কাজ। বড় কাজের সময় বড় কাজ। তাহলে একটা সময় পর সব কাজই হয়ে যাবে।
সমাধান:
২-মিনিট রুল: যদি কোনো কাজ ২ মিনিটে শুরু করা যায়, এখনই করুন (যেমন: ইমেইল রিপ্লাই)। এভাবে ২ মিনিটের ছোট ছোট ১০-১৫টি কাজগ ৩০ মিনিটে করে মূল কাজে বসে যান।
৫-সেকেন্ড রুল (মেল রবিন্স): ৫…৪…৩…২…১… গুনতে গুনতে কাজ শুরু করুন। মানে হচ্ছে যখনি কোনো কিছু করার কথা ভাববেন, সেটা আগামীকাল বা অমূক কাজ শেষ হওয়ার পর করবেন এমন চিন্তা না করে এখনি ১ থেকে ৫ গুনুন। এবং ৫ সেকেন্ডের মধ্যে কাজটির ১টি ধাপ করে এগিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখুন আপনি একটি যাত্রার মধ্যে বা রেসের মধ্যে আছেন। নিয়ম না মানলে আপনি অযোগ্য ডিসকোয়ালিফাই হবেন।
২. আর্থিক শৃঙ্খলার সমস্যা ও সমাধান
সমস্যা ৫: আয় আছে কিন্তু সঞ্চয়/বিনিয়োগ নেই
কারণ: বাজেটিং না করা: “টাকা তো আসছে” এই মনোভাব। প্রতিবার মনে হয়। এবার থাক। সামনের মাস থেকে। মনে হয় এই খরচটা করি। তারপর থেকে। বরং উল্টো চিন্তা করতে হবে। সঞ্চয়টা করি টাকা বাচলে খরচটা করব এভাবে চিন্তা করতে হবে।
’সমাধান: ৫০/৩০/২০ রুল অনুসরণ করতে পারেন। ৫০%: অপরিহার্য খরচ (বাড়ি ভাড়া, বিল)। ৩০%: লাইফস্টাইল (খাবার, ভ্রমণ)। ২০%: বিনিয়োগ (মিউচুয়াল ফান্ড, ফিক্সড ডিপোজিট)। আমি অন্য একটি লেখায় বাংলাদেশীদের জন্য এই রুলকে একটি সম্পাদনা করেছি।
অটোমেটিক সঞ্চয়: আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে আয়ের ২০% স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রান্সফার করুন।
সমস্যা ৪: মানুষকে সহজে বিশ্বাস করে ফাঁদে পড়া
সমাধান: “৩-দিন রুল”:
ক) কোনো টাকা লেনদেনের আগে কমপক্ষে ৩ দিন অপেক্ষা করুন। এই সময়ে ব্যক্তির ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করুন (সোশ্যাল মিডিয়া, রেফারেন্স)। যেকোনো লেনদেনে কাগজে স্বাক্ষর নিন (সাক্ষী সহ)।
খ) আরো ভাল আইডিয়া হলো কেউ যদি বিপদে আপদে সাহায্য বা বেশী টাকা ধার চায়। তাকে ৫০০ টাকা কিংবা ৫ হাজার টাকা (আপনার ও তার সামাজিক অবস্থান অনুসারে) দিয়ে বলুন। এই টাকা আর ফেরত দিতে হবে না। এই টাকা খরচ করে সে যেন অন্য কারো কাছে গিয়ে তার মূল টাকা সংগ্রহ করে নেয়। কর্জে হাসানা বা উত্তম ঋণ দিন।
গ) অংশীদারী বিনিয়োগের কথা বলে কেউ টাকা চাইলে
ঘ) শুধুমাত্র ২ জন অংশীদার নিয়ে কোনো ব্যবসা করতে যাবেন না।
ঙ) আপনি নিজে যে ব্যবসা বোঝেন না, আগ্রহ পান না অন্যের কথায় সে ব্যবসায় যাবেন না।
চ) যে অংশীদারী ব্যবসার নথি ও পরিকল্পনা আইন ও নিয়ম মোতাবেক হয়নি। সেটাতে যাবেন না।
ছ) কেউ অতি লাভ দেখালে এবং জরুরী টাকা লাগবে না দিলে সমস্যা হবে এরকম বললে সেখানে কখনো বিনিয়োগ করবেন না।
জ) নথিপত্র ছাড়া কোনো বিনিয়োগ করবেন না। মানে প্রমাণ ছাড়া।
ঝ) দীর্ঘদিনের পরিচিত বা পরীক্ষিত ছাড়া কোনো বিনিয়োগে যাবেন না।
ঞ) নিজে সময় দিতে না পারলে কোনো বিনিয়োগে যাবেন না।
- ৩. দক্ষতা ও ফোকাসের সমস্যা ও সমাধান
সমস্যা ৬: প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সময় না দেয়া ( যেমন ভাষা শেখা, আইটি স্কিল, সফ্ট স্কিল, পেশাগত দক্ষতা)
সমাধান:
ভাষা শেখা: ভাষার জন্য ডুয়োলিঙ্গো/রোজেটা স্টোন: দিনে ২০ মিনিট (সকালে)।, ইংরেজি পডকাস্ট শোনা: BBC 6 Minute English (গাড়িতে বা হাঁটতে হাঁটতে)। ইউটিউব ভিডিও, সে ভাষার খবর পড়া, মুভি দেখা ও পত্রিকা পড়া।
আইটি দক্ষতা: কোনো কোর্সে অংশ নেয়া, ইউটিউব ভিডিও দেখা, নিয়মিত চর্চা ও প্রজেক্ট শেষ করা।
পেশাগত দক্ষতা: কোনো কোর্সে অংশ নেয়া, ইউটিউব ভিডিও দেখা, নিয়মিত চর্চা ও প্রজেক্ট শেষ করা, কোথাও কাজ করা বা নিজের কাজ করা, দক্ষদের মেন্টর হিসেবে গ্রহণ করা।
স্টাডি বলছে:
হার্ভার্ড রিসার্চ বলছে, দিনে ৩০ মিনিট করে ৬ মাস ইংরেজি চর্চা করলে ৯২% মানুষ বেসিক কমিউনিকেশনে দক্ষ হয়।
সমস্যা ৭ ও ৮: একাধিক কাজ ও ফোকাসের অভাব
সমাধান:
-
আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স: এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার কাজের তালিকা করুন। তারপর সেগুলোর জরুরীর ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ঠিক করুন। তারপর আপনি কাজ শুরু করুন। আপনার জন্য দিনের নির্ধারিত সময়ে যতগুলো কাজ করার সেগুলো সম্পন্ন করুন।
* বেশী কাজ হলে ও আপনার টিম থাকলে। ঠিক করুন। কোন কোন কাজ ডেলিগেট করা যাবে। যতবেশী সম্ভব কাজ ডেলিগেট করুন। তাহলে আপনি বেশী কাজ করতে পারবেন।* প্রয়োজনে আস্তে আস্তে কাজ ডেলিগেট করে লোক তৈরী করুন। আপনার কাজ সহজ হয়ে যাবে।জরুরি কাজ না-জরুরি কাজ -
সিঙ্গেল টাস্কিং:
-
ফোন ডিএনডি মোডে রাখুন, একবারে ১টি কাজ করুন।
- সকালে খুব জরুরী কাজগুলো করার পর ফোন দেখুন। এটা হতে পারে বেলা (১১টা বা ২টা)
- ২য় কম জরুরী কাজগুলো করার পর মেইল চেক করুন বা হোয়াটস অ্যাপ দেখুন। ( ২টা বা ৫টা)
- ৩য় কম জরূরী কাজগুলো শেষে করে সোসাল মিডিয়া বা টিভি দেখুন ( ৫ টা বা ৯টা)
- ৪র্থ কম জরুরী কাজ শেষে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, ফোনে খোশালাপ করুন। (তবে সবকিছুই হবে লিমিটেড)
-
-
জরুরুৎ কাজের তালিকা অতি জরুরী কাজ খুব জরুরী কাজ -
জরুরী কাজ কম জরুরী কাজ জরুরী নয় এমন কাজ - এখন প্রশ্ন হলো কোন কাজটি কতটা জরুরী সেটা বুঝবেন কি করে?
- ক) যে কাজটি করার আজকে শেষ দিন বা আজ না কলে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। সেটা অতি জরুরী বা ১ম জরুরী কাজ।
- খ) যে কাজটি আপনার কাজ, পেশা ও জীবনের মূল লক্ষ্যের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সেটা খুব জরুরী বা ২য় জরুরী কাজ ।
- গ) যে কাজটি আপনার কাজকে সহজ করে দেবে। সহযোগিতা করবে বা পাশ্ব উদ্দেশ্যগুলো সাধনে সহায়ক হবে। সেটি জরুরী কাজ বা ৩য় জরুরী কাজ।
- ঘ) যে কাজটি আপনার অন্য কাজের সহায়ক। সেটা মোটামোটি জরুরী কাজ বা চর্তুর্থ জরুরী কাজ।
- ঙ) যে কাজটি আপনার জীবনে কোনো মূল্য যোগ বা ভ্যালু এডিশন করবে না। সেটা আপনার কাজই নয়।
- সমস্যা ৯: ফোনে সময় নষ্ট
সমাধান: কথা সংক্ষিপ্ত রাখুন:
ক) “আমি এখন ব্যস্ত, ৫ মিনিটে কলব্যাক দিচ্ছি” বলুন। বা বা Truecaller-এ অটোমেটেড মেসেজ সেট করুন (“কল ব্যাক লেটার”)।
খ) দিনের মধ্যে সময়কে কয়েকটি ভাগ ভাগ করে ফোনের কাজ সারুন। যেমন আপনার অতি ও খুব জরুরী কাজগুলো সকাল ০৯টা থেকে ১১টার মধ্যে শেষ করার পর। ১৫ মিনিটের ব্রেক নিন। ১৫ মিনিট ফোনে কথা বলুন।
ঘ) আপনার জরুরী ও মোটামোটি জরুরী কাজগুলো শেষ করার পর ১৫ মিনিটের বিরতি নিন এবং আরো ১৫ মিনিট ফোনে সময় দিন।
ঙ) আপনার অন্যান কাজ শেষে করে একইভাবে বিরতি ও ফোনে সময় দিন। হতে পারে ৫টা বা ৭টার পর।
চ) অভ্যাস তৈরী করার জন্য ২১/৩০/৪০/১২০/১৮০ দিনের েএকটি কোর্সের মনে করে রুটিন মেনে নিজেকে গুচিয়ে নেন।
চূড়ান্ত একশন প্ল্যান (৩০ দিনের)
| দিন | টাস্ক |
|---|---|
| ১-৭ | রাত ১১টায় ঘুম, সকাল ৬টায় উঠা + ২০ মিনিট ইংরেজি |
| ৮-১৪ | পোমোডোরো টেকনিকে লেখা + ৫০/৩০/২০ বাজেট |
| ১৫-২১ | ১টি ফোকাসড প্রোজেক্ট বাছাই (যেমন: আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্ট অর্জন) |
| ২২-৩০ | ফোন কল ম্যানেজমেন্ট + সপ্তাহে ১টি নতুন কানেকশন তৈরি |
“আজই প্রথম দিন আপনার নতুন জীবনের” — টনি রবিন্স।
এই লেখা অনুসরণ করে নিজের জন্য একটি রুটিন বানান। সুন্দর রঙীন ডিজাইন করুন। দৃশ্যমান জায়গায় ঝুলিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে নিজের বাসার উল্টোছাদেও লাগান। যাতে সকালে ঘুম ভাঙার পর এটি আপনার প্রথম চোখে পড়ে।
লেখাটি কেমন লাগলো তা জানাতে কমেন্ট করুন।
(ইন্টারনেট ও এআই এর সহযোগিতায় তৈরীকৃত কাঠামো থেকে লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন)
