প্রশিক্ষণ জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়
জীবনে শেখার কোনো শেষ নেই, এবং তাই প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা কখনোই ফুরায় না। নিজেকে দক্ষ এবং যোগ্য করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ একটি অপরিহার্য মাধ্যম। ক্যারিয়ারের যেকোনো পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে, কারণ পেশাগত জীবনে এমন অনেক কাজের সম্মুখীন হতে হয়, যা আগে জানা ছিল না। সেক্ষেত্রে সঠিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে সেই কাজগুলো অনেক সহজ এবং কার্যকরীভাবে করা সম্ভব হয়।
প্রশিক্ষণ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তাই শুরুতেই নির্ধারণ করা প্রয়োজন কোন ধরনের প্রশিক্ষণ আপনার জন্য উপযোগী। তবে আজকের বিশ্বায়নের যুগে, পেশা যাই হোক না কেন, কম্পিউটারে প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
চাকরিতে প্রবেশের পূর্বে আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী পছন্দের চাকরি অর্জন করা কঠিন হতে পারে, তবুও শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াবে।
বাংলাদেশ আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, এবং এর ধারাবাহিকতায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি দক্ষতা সম্পন্ন কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। অনেক শিক্ষিত তরুণ-তরুণীই ইংরেজি বলতে এবং লিখতে দ্বিধা বোধ করে। সেক্ষেত্রে চাকরির আগে ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্পোকেন ও রিটেন ইংরেজি কোর্সে প্রশিক্ষণ নেওয়া আপনার চাকরি ও সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রশিক্ষণের অন্যান্য নির্দেশনাঃ
প্রতিদিন কিছু হালকা শরীরচর্চার মাধ্যমে ক্লাস শুরু করলে ট্রেইনিদের জড়তা কাটানো সম্ভব হবে। প্রতি সপ্তাহে একজন করে দলনেতা নির্বাচন করা হবে, যিনি ক্লাসে সময়মতো উপস্থিতি, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চা সেশন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। এতে তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী প্রকাশ পাবে। পাশাপাশি পুরো দলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হবে, যাতে ব্যবহারিক ক্লাসগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং প্রতিটি দলের একজন করে দলনেতা নির্বাচিত হবেন, যার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান উন্নত হবে।
এভাবে প্রশিক্ষণ জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
– জাহাঙ্গীর আলম শোভন

