পরিবেশ, সংষ্কার

পাথর ছোড়াছুড়ির গল্প

 পাথরের গল্প ও পাথর ছোড়াছুড়ির গল্প

 

হাওয়া গরম পাথরে

পাথর নিয়ে যা হচ্ছে গত কয়েকদিন ধরে তাকে কাঁদা ছোড়াছোড়ি না বলে পাথর ছোড়াছোড়ি বলা ভাল। কারণ ঘটনার ঘণঘটা এতটাই প্রকট হয়েছে যে, মামলা হয়েছে, লোকজন পালিয়েছে, কেউ কেউ পাথর ফিরিয়ে দিয়েছে। সেরকমই ভিডিও দেখা গেছে। এবং পাথর তোলা নিয়ে প্রায় সকল দলের নেতাদের ঐক্যমতও দেখা গেছে।

সিলেটের ভোলাগঞ্জের হঠাৎ একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে আসে। তাতে দেখা যায় কতিপয় লোকজন পাথর তুলছে। এবং সেথানে সাদামাটি পড়ে আছে। তার মধ্যে পড়ে আছে ২/১টা পাথর কণা। তারপর শুরু হলো হৈচৈ রব।

একদল বিএনপিকে দুষলো, আরেক দল সরকারকে দুষলো, আরেক দল জামাতকে। পরে দেখা গেলে লীগসহ সব দলই জড়িত।

আসলে পাথর সব সময় উত্তোলন হয়। আগেও হতো। দেশের পাথরের বড় একটা অংশ এখান থেকে পূরণ করা হয়। গত ৪ বছর এই হার কমেছে মাত্র।

এই পাথর নদীর বালির মতোই স্রোতের সাথে আসে।

 

লুট কি পাথর হয়, লুটতো হয় দেশের মানুষের স্বপ্ন

 

প্রথম কথা হলো, পাথর লুট হয়েছে কিনা? কিভাবে হয়েছে? কারা করেছে?

দ্বিতীয় কথা হলো পাথর তোলা হলে আসলে পরিবেশের ক্ষতি হবে কিনা? নাকি পাথর না তুললে নদী নাব্যতা হারাবে।

প্রথম প্রশ্নের উত্তর হলো যবে থেকে দেশে পাথরের কাজ শুরু হয়েছে। তবে থেকে বালুর মতো পাথরও তোলা হয়। পাথর বালির মতো মহাল ইজারা হয়। ইজারাদার নির্দিষ্ঠ লোককে সেটা তোলার সুযোগ দেন। আর যে সরকার ক্ষমতায় থাকে। সে সরকারের লোক বা তাদের সাথে যাদের সম্পর্ক আছে। তারা ইজারা পায়। কে ভাল দাম বলল? আর কে পরিবেশ রক্ষা করে পাথর তুলল তা দেখে হয়না। আর যে সীমানা ও পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় তা কখনো মানা হয়না।

২০০৯ সালে মৌলভী বাজার গিয়ে দেখেছি। কিভাবের ক্ষমতাসীনেরা রাস্তার পাশের সব গাছ একসাথে একরাতে কেটে গিয়ে গেছে। না নিউজও হয়নি সোস্যাল মিডিয়ার চর্চাও তখন এতো বেশী ছিলনা। হাতে ক্যামেরা থাকলে  আমি হয়তো একটা ছবি তুলে রাখতাম বৈকি।

২০১৬ সালে কক্সাবাজারে দেখেছি। সাধারণ লোকজন কিভাবে বাচ্চাদের গিয়ে বনের গাছ চুরি করছে। রাতের বেলায় ট্রাক কিভাবে টেকনাফে পাহাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে। সেটা সাযোমাতে শেয়ার করেছি। আমার ‘‘দেখব বাংলাদেশ গড়ব বাংলাদেশ বইতে লিখেছি।

 

ভোলাগঞ্জের পাথরের উপর বাংলাদেশের নির্মাণশিল্প নির্ভর করে। সেখানে যে পরিমাণ পাথর তোলা হয় তা নিয়ে পরিবেশবিদদের আপত্তি রয়েছে। আর বিছানাকান্দির বিষয়ে অনেকের ধারণা এখানে পাথর তুললে সমস্যা নেই। তবে বেশী তুললে সৌন্দর্য বিঘ্নিত হয়। কিন্তু আসলে পাথর তোলা ভাল কিনা এবং কতটুকু তুললে ভাল সেটা রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে নয় পরিবেশবিদদের কাছ থেকে জানা উচিৎ।

যদি ঠিক হয় একটি নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যে এতটুকু গভীরতা পর্যন্ত পাথর তোলা যাবে। তাহলে তা মনিটরিং এবং সঠিক পরিমাণ ও স্থান নিশ্চিত করার জন্য সঠিক পদ্ধতি দরকার।

তবে, আবারো বলছি, বার বার বলছি। বাংলাদেশের বর্তমান কাঠামোতে সরকার সেটা পারবেনা। হয়তো কখনো কমবেশী করতে পারবে। কিন্তু আইন, আমলাতন্ত্র, ও প্রশাসনিক কাঠামো বিশাল বিশাল ফাঁক ফোকর আছে। যার জন্য এটা হবে না। সেখানে হাত দিতে হবে।

আমি অগ্রিম বলে রাখলাম, এই পাথর লুটের সাথে জড়িত সরকারী কর্মচারীদের কিছুই হবে না। হয়তো বেসরকারীদেরও না। পাঠক সাক্ষী থাকলো।

 

আর এই কারণে প্রতিনিয়ত লুট হয় এদেশের মানুষের স্বপ্ন আশা আর  ভাগ্য। পাথরটা আমরা ছবি তুলে দেখাতে পারি। ভাগ্যটা ছুবি তুলে দেখাতে পারি না। তবে বিগত বছরের লুটের পরিসংখ্যান একটা বড় ছবি। তবে আমাদেরকে তো সাইকো বানিয়ে রেখে গেছে। সেটা বোঝার ক্ষমতা কোথায় পাবো।

 

নতুন লুটেরা

 

 

এবার দুটো ব্যতিক্রম হয়েছে। লীগের লোকেরা পালিয়ে যাওয়ার পর বিএনপির লোকেরা এসব জায়গায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সেটা তাদের জন্য সহজ হয়েছে তাদের মাঠ পর্যায়ে সংগঠন ও অঙ্গসংগঠন রয়েছে। তারা এই পাথর তুলে বিক্রি করেছে বা কোথাও জমাট করেছে। এবং তারা যে কাজ করেছে সেটা মাত্রাতিরিক্ত পাথর তুলেছে। এই ভরা বর্ষায় পর্যটন স্থানটি খালি হয়ে গেছে।  এভাবে তুললে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং বাংলাদেশের একটি সুন্দর পর্যটন গন্তব্য নষ্ট হবে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে পাথর তোলা বন্ধ রাখলে এই ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে। প্রথমত পানিতে মাটিগুলো ধুয়ে যাবে এবং নতুন পাথর এসে বসবে। কয়েকদিন অপেক্ষা করলেই তা দেখা যাবে। বালির ক্ষেত্রেও এটা হয়।

বালি তোলার মাধ্যমে যেমন নদীর নাব্যতা বজায় থাকে আবার বেশী তোলার কারণে নদীর ভাঙন ও গতিপথ নষ্ট হতে পারে। পাথরের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়।

তাহলে করনীয় কি?

তা আমরা এই লেখার শেষে আলোচনা করবো। আপাতত আমরা এই পাথর কোথা থেকে কিভাবে আসে। সে গল্পটা জেনে নিই।

 

পাথরের গল্প

মেঘালয়ের পাহাড় থেকে বাংলাদেশে সাদা পাথর আসার গল্প কেবল একটি ভৌগোলিক বিবরণ নয়; এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার গল্প, মানুষের জীবিকার গল্প এবং দীর্ঘ সময়ের ভূতাত্ত্বিক চক্রের গল্প।

ভারতের মেঘালয় মালভূমি (Meghalaya Plateau) মূলত গ্রানাইট ও নাইসের মতো শক্ত শিলায় গঠিত। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বৃষ্টি, বাতাস এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে এই শক্ত শিলাগুলো ক্রমশ ক্ষয় হতে থাকে। ক্ষয়ের এই প্রক্রিয়ায় শিলা থেকে কোয়ার্টজের মতো কঠিন খনিজ আলাদা হয়ে নুড়িতে পরিণত হয়।

বর্ষাকালে বা পাহাড়ি ঢলের সময়, খরস্রোতা পাহাড়ি নদীগুলো—যেমন পিয়াইন ও ধলাই—প্রবল শক্তি নিয়ে নেমে আসে। এই প্রবল স্রোত তখন ক্ষয়প্রাপ্ত নুড়ি, বালি ও পাথরগুলোকে ঠেলে বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসে। নদীগুলো যখন মেঘালয়ের খাড়া ঢাল বেয়ে বাংলাদেশের সমতল ভূমিতে প্রবেশ করে, তখন এদের গতি হঠাৎ কমে যায়। ফলে ভারী পাথর ও নুড়িগুলো নদী আর বহন করতে পারে না। তখন এই পাথরগুলো নদীর বাঁকে বা চরাঞ্চলে জমা হতে থাকে। ভোলাগঞ্জ ও জাফলং ঠিক এমন প্রাকৃতিক সঞ্চয় এলাকার উদাহরণ।

ভূতাত্ত্বিক ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্লাসার ডিপোজিট (Placer Deposit) বা এলুভিয়াল ডিপোজিট (Alluvial Deposit)। অর্থাৎ, মূল্যবান খনিজ—এখানে পাথর—নদীর স্রোতের মাধ্যমে এক জায়গায় সঞ্চিত হয়।

এখন, যেহেতু আমরা জানি এই পাথরগুলো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের তীরে জমা হয়, তাই পরবর্তী বিষয় হলো এর সম্পদের পরিমাণ (Estimated Resources) এবং খনির প্রকৃতি (Nature of Deposit)

পাথরগুলো কোনো সুরঙ্গ বা গভীর গর্ত খুঁড়ে তোলা হয় না। এগুলো সরাসরি নদীর তলদেশ এবং তীরে জেগে ওঠা চর থেকে সংগ্রহ করা হয়। অর্থাৎ, খনির প্রকৃতি হলো উন্মুক্ত বা সারফেস ডিপোজিট (Open/Surface Deposit)। এটি একটি নবায়নযোগ্য ভান্ডার। প্রতি বছর বর্ষায় উজান থেকে নতুন পাথর ভেসে এসে জমা হয়, তাই পরিমাণ স্থির নয়। পুরনো পাথর তুলে ফেলার পরও নতুন পাথর আসে।

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (GSB) বিভিন্ন সময়ে জরিপ চালিয়েছে। যেমন, শুধু ভোলাগঞ্জে প্রায় ১০.৬ কোটি ঘনফুট পাথরের মজুদ অনুমান করা হয়েছিল।  জাফলং, লোভাছড়া ও অন্যান্য অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাথর রয়েছে, তবে বাণিজ্যিক দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মজুদ ভোলাগঞ্জ ও বিছানাকান্দিতে।

উনবিংশ শতকে ব্রিটিশ ভূতত্ত্ববিদরা প্রথম এই স্তরকে বর্ণনা ও মানচিত্রে চিহ্নিত করেন সিলেট অঞ্চলের (তৎকালীন আসাম প্রদেশ) কাছাকাছি এলাকায়। তখন নাম হয় Sylhet Limestone। আসলে এই স্তর শিলং মালভূমি থেকে শুরু করে মেঘালয়, আসাম ও সিলেট সীমান্ত জুড়ে বিস্তৃত।

যদিও খনি মেঘালয়ে, বাংলাদেশ কিভাবে সুবিধা পায়? পাহাড় থেকে পাথর নদীপথে (ধলাই, পিয়াইন, গোয়াইন) নেমে এসে সিলেটের পাদদেশে—ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছানাকান্দি—জমা হয়। বাংলাদেশে নদী তীরের এই সঞ্চিত পাথর তুলতে খনি খনন লাগে না, শুধু সংগ্রহ করলেই হয়। এটি প্রাকৃতিক “ডেলিভারি” বা উপহার স্বরূপ।

পাথরগুলো অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভবন, সেতু, কালভার্ট এবং সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত কংক্রিটের জন্য এই পাথর অপরিহার্য। সিলেট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই পাথর সরবরাহ হয়। ভোলাগঞ্জ ও জাফলং অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবিকা এই পাথর উত্তোলনের ওপর নির্ভরশীল। তবে অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ভাঙন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও জলজ বাস্তুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

২০১৮ সালে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর দায়ের করা রিটের পর সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো Environmentally Critical Area (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। জাফলং, সাদাপাথরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো থেকে পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় স্থানীয় কোয়ারির শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হন বলে দাবী রয়েছে। যদিও এর আগে তারা কতটা লাভবান হয়েছে সেটা তারা বলে না।

২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সকল পাথর কোয়ারিতে উত্তোলন স্থগিতের নির্দেশ দেয়। ফলে সিলেটের কোয়ারিতেও পাথর উত্তোলন “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” বন্ধ থাকে। অবশেষে, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ সালে পূর্বের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এখন সিলেটসহ দেশের সব পাথর, বালি ও সাদা মাটি উত্তোলনের উপর আর কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত সংস্থাগুলো এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

অনেকে বলেন, ২০১৮ থেকে শুরু হওয়া নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেটে বড় বন্যা দেখা দেয়, যা পরবর্তী বছরগুলোতেও পুনরাবৃত্তি হয়। আবার ২০২২ ও ২০২৪ সালের বন্যা প্রমাণ করে যে, দীর্ঘকাল পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক কারণগুলোই বড় ভূমিকা রাখে। যদিও এটি কোনো গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত হয়নি।

তবে পাথর অপরিকল্পিত ভাবে তুললে যে সমস্যা হবে। সেটাও বলার অপেক্ষা রাখেন।

তাহলে করণীয় কি?

সরকার, পরিবেশবাদী সংগঠন ও প্রাইভেট সেক্টর ৩ পক্ষের উদ্যোগে অভিজ্ঞ গবেষকগণ ঠিক করে দেবেন। নদীর কত মিটার এলাকায় কত দিন পর কত ফুট পর্যন্ত পাথর তোলা যাবে। এমনও হতে পারে। নদীর বুক এর কেন্দ্র ঠিক করে তা থেকে ২ দিনে একটি এলাকা হতে পারে ১০ মিটার কিংবা ২০০ মিটার পাথর তোলা যাবে। এবং সেটা হয়তো ৫ মিটার নয়তো ২৫ মিটার এর বেশী গভীর হবে না।

এখন এই সীমা মেনে চলার গ্যারান্টি কে কাকে দিবে?

প্রথমত, প্রক্রিয়া বদলাতে হবে? যারা আগে অনিয়ম করে পাথর তুলেছে। তারা কালো তালিকাভুক্ত হবে। পাথর তোলার নতুন বিধিমালা হবে। এখানে ব্যবসায়ীদের সমিতি থাকবে। স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প থাকবে এবং পরিবেশ সংগঠনের উপস্থিতি থাকবে। প্রতিটি ট্রাক মাপা হবে। ইজারা ছাড়াও ট্রাক প্রতি শুল্ক দিতে হবে। প্রতিটি ট্রাকের শুল্ক ও ছাড়পত্র থাকতে হবে। ইজারাদারকে আলাদা পরিবশ ট্যাক্স দিতে হবে। পরিবেশ পুলিশ ও পরিবেশ আদালত প্রতিষ্ঠা করে এ ধরনের স্থানগুলোতে তাদের দপ্তর রাখতে হবে।

কোনো অনিয়ম হলে, প্রথম শাস্তি হলো সে ব্যক্তি ও কোম্পানী বাংলাদেশে আর কোনো ব্যবসা করতে পারবেনা। চূড়ান্ত শাস্তি পরিবেশ আইনে থাকবে, জেল ও জরিমানা। আর যারা দায়িত্ব থাকবে আমলারা তাদের জন্যও শাস্তির বিধান থাকতে হবে। হতে কম কিন্তু থাকতে হবে। বদতলি বা সাসপেন্ড কোনো শাস্তি নয়। জেল, জরিমানা, চাকুরিচ্যুতি, পেনশন কর্তন, ডিমোশণ, বেতন কমানো এধরনের শাস্তি থাকতে হবে।

লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন

ছবি: পিক্সাবে

নোট: এই ছবিটা অনেক আগের পিক্সাবে থেকে নেয়া। দেখা যায় পাথর তুলে নেয়ার গল্প মোটেই নতুন বিছানাকান্দির জন্য।