এবার চাই পর্যটনের উন্নয়ন: আর নয় বিমাতা সুলভ আচরণ
জাহাঙ্গীর আলম শোভন
পর্যটন খাতকে বিগত দিনে একটি বিমাতা খাত হিসেবে দেখা হয়েছে। এখানে মন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সরকারের অবহেলা ও উদাসীনতা বিদ্যমান ছিল। যারা কাজ করেছেন এই খাতকে বুঝতেন না। এবং এই খাতের উন্নয়ন নিয়েও তাদের কোনো মাথ্যব্যথা ছিলনা। ফলশ্রুতিতে পুরনো তিমিরে রয়ে গেছে বাংলাদেশ। কিন্তু নদী পাহাড় গ্রাম, সমূদ্র, দ্বীপ, চর আর বন, জমি ও মানুষের এই দেশে রয়েছে অমিত সম্ভাবনা। যা হারাতে বসেছে অবহেলা আর অনাদরে।
একটি প্রাসঙ্গিক বিষয় বলে রাখা ভাল, সরকার কতদিন থাকবে? আগে নির্বাচন নাকি আগে সংস্কার? এসব প্রশ্নের দিকে তাকিয়ে সময় নষ্ট না করে কাজ শুরু করে দেয়া হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সরকারের কাজগুলো কয়েকটি ভাগ ভাগ করা থাকবে। প্রথমত এমনসব কাজ যেগুলো রুটিন ওয়ার্ক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। যেগুলোর জন্য মেয়াদ, সংস্কার ও নির্বাচন কোনো বিষয় নয়।
ক) সার্বিক পর্যটন ব্যবস্থাপনা
১) জাতীয় পর্যটন বোর্ডকে ভেঙ্গে বিভাগ অনুযায়ী ৮টি ভাগে ভাগ করতে হবে। প্রতিটি ভাগ তাদের নির্দিষ্ট এলাকা নিয়ে কাজ করবে। লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করবে ও তা পূরণে কর্মসূচী পালন করবে।
২) বেসামরিক বিমান থেকে পর্যটন মন্ত্রণালয় আলাদা করতে হবে।
৩) বিসিএস ও সরকারী চাকুরীতে হোটেল, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি থেকে আগতদের নিয়ে আলাদা ক্যাডার চালু করতে হবে। যারা সংশ্লিষ্ঠ বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে কাজ করবে।
৪) উন্নয়ন পরিকলন্পনাগুলো পর্যটন রুট ভিত্তিক হতে হবে।
৫) বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রীক এলাকায় পর্যটন সম্পৃক্ত সকলকে নিয়ে স্থানীয় সমিতি, অ্যাসোসিয়েশন, সোসাইটি, ফোরাম, নেওয়ার্ক বা সিবিটি (কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম) ফরম্যাটে কমিটি গঠন করতে হবে। এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে অনিয়ম ও পর্যটক হয়রানি বন্ধ করা যাবে।
খ) পর্যটনমূখী উন্নয়ন
১) দেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথ এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে করে পর্যটকেরা নির্দিষ্ট গন্তব্যে একপথ দিয়ে যেতে পারে এবং একপথ দিয়ে আসতে পারে। যেমন-
* ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে কুমিল্লা-ফেণী-চট্টগ্রাম রুট হলে ফেরার সময় চট্টগ্রাম-নোয়াখালী-চাঁদপুর-মুন্সিগঞ্জ রুট হবে।
* ঢাকা থেকে সিলেট যেতে কুমিল্লা-হবিগঞ্জ রুট হলে আসার সময় সুনামগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুট হবে।
২) রেলপথ এমনভাবে সাজানো হবে যাতে সারাদেশ চক্রাকারে ভ্রমণ করা যায় এবং প্রধান প্রধান পর্যচনকেন্দগুলো ভ্রমণ তালিকায় রাখা যায়।
৩) পর্যটন এলাকায় বাড়ি ঘর, অফিস, রাস্তা, দোকান, হোটেল, রেস্তোরা, শপ, সবকিছু বিশেষ সুন্দর ডিজাইন ও কালার ঠিক রাখা যায়।
৪) পর্যটন এলাকায় স্ট্রিট ফুড, অটো চালনা সবকিছু মান, লাইসেন্স ও অথরিটির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।
৫) পর্যটন এলাকায় খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে ।
৬) পর্যটন এলাকায় বিদেশী পণ্যের উপর বাড়তি শুল্ক ও দেশীয় পণ্যের উপর বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৭) পর্যটন এলাকায় গাড়ির ফিটনেস, রং, আসন, শ্রমিকদের পোশাক ও আচরণের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা বহাল থাকতে হবে।
৮) পর্যটন এলাকায় ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অবকাঠামো সুবিধা, প্রণোদনা ও এসব কর্মকান্ডে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।
৯) পর্যটন এলাকায় পরিছ্ছন্ন ও উন্নত করতে বিশেষ কর গ্রহণ করে তা এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করতে হবে।
গ) সচেতন পর্যটক ও পর্যটন শিক্ষা
সচেতন পর্যটক দেশের পর্যটন উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। আমাদের দেশীয় পর্যটকেরা সচেতনতা, মনিটরিং ও ব্যবস্থাপনার অভাবে দেশের পর্যটন স্থানগুলোকে নোংরা করে তুলছে এই বিষয়ে এখনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী
১) স্কুলে বাংলা ও সমাজ বিষয়ে পর্যটন সংক্রান্ত প্রাথমিক ধারণা নিশ্চিত করতে হবে।
২) পর্যটন এলাকায় ৯ম বা একাদশ শ্রেণী থেকে ‘‘পর্যটন বিভাগ’’ ও চতুর্থ বিষয় হিসেবে পর্যটন যুক্ত করতে হবে।
৩) পর্যটন এলাকাগুলোতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধীনে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী কোর্স চালু করতে হবে।
৪) কারিগরি শিক্ষাবোর্ড পর্যটন বিষয়ক বর্তমান সিলেবাস ও কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। এই কাঠামোর ভেতর থেকে এই শিক্ষাকে বের করতে না পারলে বর্তমান প্রজন্মকে অকার্যকর ও দূর্বল পর্যটন শিক্ষার মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ নষ্টের হাত থেকে বাঁচানো যাবে না।
৫) পর্যটন এলাকায় পর্যটন সংশ্লিষ্ঠ সেবায় সকলের প্রশিক্ষন ও অভিজ্ঞতার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।
৬) স্নাতক সম্পন্ন করার শর্ত হিসেবে দেশের সকল নাগরিককে কমপক্ষে ১টি এবং সরকারী চাকুরিতে যোগদানের জন্য কমপক্ষে দুটি বিষয়ে জীবনমূখী প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিষয়গুলো হবে- ড্রাইভিং, রান্না, ট্যুরিস্ট গাইড, অগ্নি নির্বাপন ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।
৭) পর্যটন এলাকা নোংরা না করার জন্য এসব এলাকায় নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
৮) বর্তমান পর্যটন শিক্ষা কাঠামোকে উন্নত করতে হবে। এই বিষয়ে ২০% একাডেমিশিয়ান রেখে বা ৮০% বাস্তব অভিজ্ঞদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত করতে হবে। তাদেরকে বেতনভূক্ত নিয়মিত শিক্ষক ব্যবস্থা থেকে বের করে আনতে হবে
৯) ডিপ্লোমাসহ সকল কোর্স শেষে ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারিত করতে হবে। সকল হোটেলে ইন্টারনশিপ এর সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
ঘ) পরিচ্ছন্ন পর্যটন
১) প্রতিটি পর্যটন এলাকায় পরিবেশ পুলিশের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। সেজন্য পরিবেশ পুলিশ বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশকে এই দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।
২) পরিচ্ছন্ন পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করে পর্যটন এলাকাগুলো পরিষ্কার করতে হবে। পরিচ্ছন্ন পর্যন বিষয়ক লোগো ও স্লোগান ঘোষণা করে তা নিয়ে বিশেষ প্রমোশন চালাতে হবে।
৩) পর্যটন এলাকায় পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট ও অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্যের জন্য বাড়তি মূল্য আদায় করতে হবে। দোকানীদেরকে কতৃপক্ষ বিশেষ স্টিকার সরবরাহ করবে দোকানীরা স্টিকারগুলো প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেটের গায়ে লাগিয়ে বাড়তি টাকা নিয়ে ক্রেতাকে দিবে। ক্রেতা ব্যবহার শেষে বোতল ও প্যাকেট জমা দিয়ে তার টাকা ফেরত নেবে। পুরো কার্যক্রম সমিতির মাধ্যমে হতে পারে। তাতে দোকানের বাইরে এলাকা ত্যাগ করার গেটের কাছেও কাউন্টারে জমা নেয়া যেতে পারে। জমাতে ২০% এর ব্যবধান রাখলে উক্ত অর্থ নিয়ে এলাকার পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব।
৪) পরিচ্ছন্নতার উপর ভিত্তি করে হোটেল, রিজোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে গ্রেডিং করা যেতে পারে এবং তার স্টিকার সামনে লাগানো থাকতে পারে।
৫) পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রণোদনা ও পুরষ্কার অপরিচ্ছন্নতার জন্য জরিমানা ও তিরষ্কার চালু করা যেতে পারে।
ঙ) সামাজিক পর্যটন ও পর্যটন ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন
১) পর্যটনের উন্নয়নে সরকারী ব্যয় হ্রাস করতে এই কাজে জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সামাজিক পর্যন ধারণার উন্নয়ন ও প্রচার করতে হবে।
২) বিভিন্ন এলাকায় সমাজকল্যাণ, যুব উন্নয়ন, সমবায় বা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ট্যুরিস্ট ক্লাব বা পর্যটন সমিতি অনুমোদন দিয়ে তাদেরকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পর্যটনের সাথে যুক্ত হওয়ার পথ তৈরী করে দিতে হবে।
৩) ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে সামাজিক পর্যটন নামে বিশেষ ব্যবসা শাখার অনুমোদন দিতে হবে। এলাকার তরুনরা অলাভজনক পর্যটন সেবার মাধ্যমে সামাজিক পর্যটনে অবদান রাখবে।
৪) সামাজিক পর্যটনের মাধ্যমে নতুন নতুন এলাকায় পর্যটন প্রসারিত হবে। এক এলাকার সংগঠন অন্য এলাকার সংগঠনকে সহযোগিতা করবে।
ঙ) কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম ও অন্যান্য বিশেষ পর্যটন
১) কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম বাস্তবায়নে সকল ধরনের সামাজিক সংগঠন ও এনজিওকে সম্পৃক্ত করে এবং এগিয়ে আনতে হবে।
২) সাামাজিক পর্যটন, অর্থপূর্ণ পর্যটন, দায়িত্বশীল পর্যটন, গ্রীণ ট্যুরিজম, হালাল পর্যটন, জীবনমূখী পর্যটন ইত্যাদি ধারণার আলোকে একেকটি এলাকায় একেক ধরনের পর্যটনকে বিকশিত করতে হবে।
যেমন, সিলেটে হালাল ট্যুরিজম, সুন্দরবনে গ্রীণ ট্যুরিজম, সেন্টমার্টিনে ক্লিন ট্যুরিজম, তেঁতুলিয়া জীবনমুখী পর্যটন ইত্যাদি।
৩) সরকারের পর্যটন বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের পর্যটন ও পর্যটনের বিভিন্ন শাখায় অবদানে পুরষ্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪) বিদেশী এনজিও ও দাতা সংস্থাগুলোকে পর্যটন ভিত্তিক কাজের সাথে যুক্ত করতে হবে।
৫) সামাজিক পর্যটনের আওতায় দেশ-বিদেশ থেকে অবানিজ্যিক পর্যটকদের আগমন নিশ্চিত করতে হবে।
৬) গ্রীণ ট্যুরিজম, ইকো ট্যুরিজম ও অ্যাগ্রো ট্যুরিজম এর আওতায় পর্যটনকে জনপ্রিয় করতে হবে।
চ) পর্যটন ও সূভ্যেনির
১) প্রতিটি পর্যটন এলাকায় বিদেশী পণ্যের উপর বাড়তি শুল্ক ধার্যকরণ ও দেশীয় পণ্যে বিক্রিতে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
২) জেলা পণ্য ছাড়াও প্রতিটি এলাকার জন্য এক বা একাধিক পণ্যকে সূভ্যেনির হিসেবে ঘোষনা করতে হবে এবং জাতীয় হিসেবে একটি সম্মিলিত স্যুভিনির পণ্যের তালিকা প্রকাশ ও প্রতিবছর হালনাগাদ করতে হবে।
৩) হোটেল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রেস্টুরেন্ট বন্দর ও কাউন্টারে ১০০ ভাগ দেশীয় স্যুভেনির শপ স্থাপন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৪) সরকারী ভবনের নকশা তৈরীতে ট্যারাকোটোসহ দেশীয় সংস্কৃতির প্রতিফলন বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং পর্যটন এলাকায় সরকারী ও বেসরকারী সকল ভবনের জন্য এই তথ্য বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৫) সূভেনির উন্নয়ন ও গবেষনায় বিশেষ বরাদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।
ছ) আন্তজাতিক প্রচারণা ও কনটেন্ট
১) বাংলাদেশ ও দেশের পর্যটনকে তুলে ধরতে বিশ্বের প্রথম ১০০টি ভাষায় ১০০টি ওয়েবসাইট তৈরী করতে হবে যা একটি ডোমেইন দ্বারা পরিচালিত হবে।
২) দেশের ইতিবাচক বিষয়সমূ নিয়মিত তুলে ধরতে হবে। বিদেশী লেখকদের বাংলাদেশ সংক্রান্ত লেখাসমূহ এক জায়গায় এনে প্রচার করতে হবে।
৩) দেশের ইতিবাচক ব্রান্ডিং এর জন্য বেকারত্বের হার কমিয়ে অপরাধ প্রবণতা দূর করতে হবে।
৪) দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উন্নয়নের জন্য সরকারের গৃহিত পদক্ষেপসমূহ নিয়মিত বিদেশী সংস্থা, মিশন ও মিডিয়ার কাছে তুলে ধরতে হবে।
৫) দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটনকে তুলে ধরতে মুদ্রিত ও ওয়েব ফরম্যাটে মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রকাশ করতে হবে। সরকারকে যেমন উদ্যোগ নিতে হবে তেমনি একই কাজ প্রাইভেট সেক্টর থেকে করার জন্য প্রয়োজনীয়, পরিবেশ, অনুপ্রেরণা, নীতি সহযোগিতা ও অন্যান্য সহযোগিতা করতে হবে।
৬) একেকটি পর্যটন এলাকাকে একটি সংস্কৃতি, একটি খাবার, একটি খেলা, একটি আইকন এবং একটি মূল পর্যটন গন্তব্য দিয়ে সাজিয়ে সেভাবে প্রমোট করতে হবে।
জ) বাংলাদেশের ভিসা
১) বিদেশীদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা সহজ করতে হবে। ভিসা ফি যৌক্তিক করতে হবে। ফি যাই হোকনা কেন সম্ভব হলে আমেরিকা ও কানাডার মতো আবেদনকারীকে ১০ বছরের ভিসা দেয়া যায় কিনা? অন্তত ১ বছরের ভিসা হলেও একসাথে দিতে হবে।
২) ভিসা প্রক্রিয়া ও আবেদনপ্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন ও অনঅ্যারাইভাল ভিসা বাড়াতে হবে। আবেদনের কম সময়ে সাড়া দিতে হবে।
৩) অন্যদেশ কি নথি নেয় সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা কি নথি নেব সেটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ পর্যটকের ব্যাংক তথ্য দেখার আদ্যৌ কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। ভিসার বিষয়গুলো যেমন হতে পারে।
৪) ভিসা ক্যাটাগরি নিজেদের মতো করে সাজাতে হবে। ২/১টা ক্যাটাগরি বেশী থাকতে পারে। যেমন ক) হলিডে ট্যুর খ) সোস্যাল ট্যুর গ) ব্যুরোক্রেট, ঘ) বিশেষঞ্জ ঙ) বিশেষ
৫) বিভিন্ন দেশে দূতাবাসের উপর চাপ কমাতে এবং সেবা দ্রুত করতে প্রাইভেট কোম্পানীর হাতেও ভিসা সেবা ছেড়ে দেয়া যায়। তাদেরকে একটি নির্দেশনা দেয়া থাকবে। এবং তারা একটি নির্দিষ্ঠ ও বাড়তি ফি নির্ধারণ করবে।
৬) স্টিকার ভিসার পাশাপাশি অনলাইন ভিসা থাকা দরকার। ভিসা আবেদনকারী ঠিক করবে স্টিকার নাকি অনলাইন নেবে।
বিভিন্ন দেশ ও এলাকার ক্ষেত্রে ভিসা নীতিতে কিছুটা পার্থক্য রেখে তাদের সম্মানে সাজানো যায়।
ঝ) অন্যান্য
১) প্রতিটি পর্যটন এলাকায় বিশেষ করে পর্যটন প্রধান ২৬টি জেলায় একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্টা করতে হবে। যেখানে পর্যটন নির্ভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হবে।
২) পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বিমান মন্ত্রণালয়কে আলাদা করতে হবে। দেশের ৮টি বিভাগে ৮টি পর্যটন বোর্ড গঠন করতে হবে।
৩) পর্যটন খাতে নিয়োগের ক্ষেত্রে হোটেল ও ট্যুরিজম খাত থেকে পাসকরা ছাত্রদের জন্য আলাদা পর্যটন বিসিএস ক্যাডার চালু করতে হবে। পর্যটন খাতে অন্য শিক্ষাখাতের কর্
