digital Public services

পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী

সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: একটি অনিবার্য বাস্তবতা ও সম্ভাবনার দিগন্ত

ভূমিকা: নীরব চালকের ক্লান্ত হাত ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

বাংলাদেশের সড়কপথে প্রতিদিন লাখো পরিবহন শ্রমিক তাদের জীবন বাজি রেখে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। পণ্যবাহী ট্রাকের চালক থেকে শুরু করে শহরের ব্যস্ততম সড়কে বাস-সিএনজি চালানো তরুণ সহকারী—প্রত্যেকের কপালে জড়ানো থাকে অনিশ্চয়তার ঘাম। একটি পণ্য সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলে অর্থনীতি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি একটি সড়ক দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিক নিহত বা আহত হলে তার পরিবার হয়ে পড়ে অসহায়। দুর্ঘটনায় চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা থেকে শুরু করে কর্মক্ষম বয়সে মৃত্যুবরণ করলে পরিবারের ভরণপোষণ—কোনো নিশ্চয়তাই নেই এসব শ্রমিকের জন্য।

অথচ এই শ্রমিকদের শ্রমের ওপরই নির্ভর করে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থার প্রায় পুরো কাঠামো। তারা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন, শারীরিক ও মানসিক নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন, অথচ তাদের জন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। প্রবীণ বয়সে যখন আর গাড়ি চালাতে পারেন না, তখন উপায় থাকে না বললেই চলে। ফলে পরিবহন খাতের এই বিপুল জনগোষ্ঠী দিনের পর দিন অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছে। সরকার যদি তাদের জন্য একটি সমন্বিত কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করে, তবে তা শুধু শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করবে না, বরং সড়ক পরিবহন খাতে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে। আর এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের অর্থায়ন হতে পারে বাণিজ্যিক যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ফি ও বার্ষিক বীমা ফি-এর মাধ্যমে।

প্রথম অধ্যায়: বর্তমান বাস্তবতা—যেখানে চাঁদাবাজির টাকা শ্রমিকের কাজে লাগে না

বাংলাদেশের সড়কপথে পরিবহন শ্রমিকদের ‘কল্যাণে’ নামে বিভিন্ন সংগঠন, মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে নিয়মিত অর্থ তোলা হয়। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ‘চাঁদা’, প্রতি ঈদে ‘ঈদ বোনাস’, এমনকি নতুন গাড়ি নামলে পৃথক ‘ওয়েলকাম ফি’—এসবের কোনো শেষ নেই। এই তহবিল কোথায় যায়, কাদের পকেটে জমা হয়—তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই। বিশেষ সুবিধাভোগীদের পকেট ভারী ছাড়া এই অর্থের কোনো ইতিবাচক প্রভাব সাধারণ শ্রমিকের জীবনে পড়ে না।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর ডাকা ধর্মঘটে পুরো দেশের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, ফিটনেস ফি বৃদ্ধি, নতুন আইন প্রণয়ন—এসব ইস্যুতে হরতাল-অবরোধ করে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। ফলে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যেমন ব্যাহত হয়, তেমনি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই ধর্মঘটের ডাক কি আসলে সাধারণ শ্রমিকের কল্যাণে দেয়া হয়, নাকি স্বার্থান্বেষী মহলের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য?

দ্বিতীয় অধ্যায়: বিদেশের দৃষ্টান্ত—যেখানে শ্রমিকরা রাষ্ট্রের অংশীদার

বিশ্বের বহু দেশে পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। সেসব দেশের মডেল থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে পারে।

ভারতের মডেল: মোটর ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স সোশ্যাল সিকিউরিটি স্কিম

ভারতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প পরিচালনা করে। ২০১৯ সালে ভারত সরকার ‘মোটর ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করে, যার আওতায় প্রতিটি বাণিজ্যিক যানবাহনের রেজিস্ট্রেশনের সময় একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি নেওয়া হয়। এই তহবিল থেকে শ্রমিকদের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে ১০ লাখ রুপি, স্থায়ী অক্ষমতায় ৫ লাখ রুপি, এবং চিকিৎসা খরচ বাবদ ১ লাখ রুপি পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া ৬০ বছর বয়সে অবসরে গেলে মাসিক পেনশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

জাপানের মডেল: ট্রাক অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণ তহবিল

জাপানে ট্রাক ও বাস চালকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি জমা পড়ে। এই তহবিল থেকে চালকদের বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা, বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং প্রদান করা হয়। এছাড়া চালকদের কর্মঘণ্টা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ক্লান্তিজনিত দুর্ঘটনা রোধ করা হয়। জাপানের আইন অনুযায়ী কোনো ট্রাক বা বাস চালক একটানা ৪ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে পারেন না, এবং ৩০ মিনিটের বাধ্যতামূলক বিশ্রাম নিতে হয়।

জার্মানির মডেল: বাধ্যতামূলক পেশাগত বীমা

জার্মানিতে প্রতিটি পেশার জন্য আলাদা ‘প্রফেশনাল অ্যাক্সিডেন্ট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড’ রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ‘বেরুফসগেনোসেনশ্যাফট ফুর ফাহরজয়গহাল্টুং’ নামে একটি সংস্থা কাজ করে। প্রতিটি বাণিজ্যিক যানের মালিককে এই তহবিলে বার্ষিক চাঁদা দিতে হয়। এই তহবিল থেকে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা, পেশাগত রোগব্যাধি, পুনর্বাসন ও প্রশিক্ষণের সব খরচ বহন করা হয়। এমনকি কোনো শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে মারা গেলে তার পরিবার пожизненный পেনশন পায়।

তৃতীয় অধ্যায়: বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত মডেল—একটি সমন্বিত কাঠামো

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি সমন্বিত ও কার্যকর মডেল তৈরি করা যেতে পারে, যা নিম্নলিখিত উপাদানগুলো নিয়ে গঠিত হবে:

ক. অর্থায়নের উৎস:

১. যানবাহন রেজিস্ট্রেশন ফি: প্রতিটি বাণিজ্যিক যানবাহনের (বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ট্যাংকলরি, সিএনজি ইত্যাদি) রেজিস্ট্রেশনের সময় একটি নির্দিষ্ট হারে কল্যাণ তহবিলে জমা রাখা বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। এই ফি যানবাহনের ধারণক্ষমতা ও ধরণভেদে ভিন্ন হতে পারে।

২. বার্ষিক বীমা ফি: বাণিজ্যিক যানবাহনের ফিটনেস নবায়নের সময় একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বীমা ফি আদায় করা যেতে পারে। এই বীমা শুধু যানবাহনের জন্য নয়; বরং চালক ও সহকারীদের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে।

৩. সরকারি অনুদান: প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার একটি অনুদান দিয়ে তহবিল গঠনে সহায়তা করতে পারে, অথবা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের থেকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

খ. কল্যাণ সুবিধাসমূহ:

১. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ও অক্ষমতা বীমা: কোনো শ্রমিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে এককালীন অনুদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

২. চিকিৎসা সহায়তা: দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকের চিকিৎসার সম্পূর্ণ বা আংশিক খরচ বহন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পেশাগত রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা।

৩. অবসরকালীন ভাতা: নির্দিষ্ট বয়স (যেমন ৬০ বা ৬৫ বছর) অতিক্রম করলে মাসিক পেনশন প্রদান, যাতে কর্মক্ষম বয়স শেষেও শ্রমিকেরা সসম্মানে জীবনযাপন করতে পারেন।

৪. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন: বর্তমান চালক ও সহকারীদের জন্য আধুনিক যানবাহন চালনা, সড়ক নিরাপত্তা, প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। এছাড়া অবসরের পর বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য পুনর্বাসন প্রশিক্ষণ।

৫. মাতৃত্বকালীন সুবিধা: পরিবহন খাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা।

চতুর্থ অধ্যায়: সুবিধা ও সম্ভাবনা—শ্রমিক, সরকার ও জনগণের ত্রিমুখী লাভ

এই কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে একাধিক স্তরে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে:

শ্রমিকের জন্য সুবিধা: প্রথমবারের মতো পরিবহন শ্রমিকরা পাবেন একটি নিশ্চিত সামাজিক নিরাপত্তা। দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর পর তাদের পরিবার অসহায় হয়ে পড়বে না। অবসর জীবনে পেনশনের নিশ্চয়তা থাকলে তারা সঞ্চয়ের জন্য মানসিক চাপমুক্ত থাকবেন। এতে তাদের কাজের প্রতি মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়বে।

সরকারের জন্য সুবিধা: শ্রমিকদের কল্যাণে সরকার এগিয়ে এলে তারা স্বাভাবিকভাবেই সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন এবং সমর্থন দেবেন। বর্তমানে বিভিন্ন ইস্যুতে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো ধর্মঘট ডেকে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেয়। কিন্তু যখন শ্রমিকরা বুঝতে পারবেন যে তাদের কল্যাণ সরকার নিশ্চিত করছে, তখন তারা ধর্মঘটের মতো কর্মসূচিতে সায় দেবেন না। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমবে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

জনগণের জন্য সুবিধা: ধর্মঘট কমলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে। পণ্য পরিবহন ঠিকঠাক থাকলে বাজারদর স্থিতিশীল থাকবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, প্রশিক্ষিত ও স্বাস্থ্যবান চালকের সংখ্যা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমবে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের একটি বড় সমস্যার সমাধান করবে।

পঞ্চম অধ্যায়: চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়নের পথ—সততা ও স্বচ্ছতার অপরিহার্যতা

যেকোনো বড় উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদেরও কিছু প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে:

চাঁদাবাজি বন্ধের চ্যালেঞ্জ: সড়কপথে বিভিন্ন সংগঠনের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে না পারলে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া সুবিধার কোনো মূল্য থাকবে না, কারণ শ্রমিকরা তখনও তাদের আয়ের একটা বড় অংশ সংগঠনের নেতাদের দিতে বাধ্য থাকবেন।

তহবিলের স্বচ্ছতা: এই তহবিলের টাকা যাতে দুর্নীতি বা অপচয়ের শিকার না হয়, তার জন্য একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এবং একটি স্বাধীন অডিট বোর্ড গঠন করা যেতে পারে।

সব শ্রমিককে অন্তর্ভুক্তি: অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন এমন অনেক শ্রমিক রয়েছেন, যাদের নিবন্ধন নেই। তাদের এই ব্যবস্থার আওতায় আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তির ব্যবহার করে (যেমন বায়োমেট্রিক নিবন্ধন) সকল শ্রমিককে একটি ডাটাবেজের আওতায় আনা যেতে পারে।

মালিকদের সহযোগিতা: যানবাহন মালিকদের মধ্যে অনেকেই অতিরিক্ত ফি দিতে অনীহা প্রকাশ করতে পারেন। তাদের বুঝাতে হবে যে এটি খরচ নয়, বরং বিনিয়োগ। সুশৃঙ্খল ও সুস্থ চালক পেলে তাদের ব্যবসাও লাভজনক হবে।

উপসংহার: একটি অংশীদারিত্বমূলক ভবিষ্যতের স্বপ্ন

সড়ক পরিবহন খাত বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করতে হলে এর মূল চালিকাশক্তি—পরিবহন শ্রমিকদের—প্রতি দায়বদ্ধ হতে হবে। একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কেবল তাদের ব্যক্তিগত জীবনে সুরক্ষা দেবে না, বরং গোটা পরিবহন ব্যবস্থাকে করবে অধিকতর স্থিতিশীল ও নিরাপদ। সরকারের জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ—শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আস্থা অর্জনের, এবং অস্থির রাজনৈতিক ধর্মঘটের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার।

বিদেশের মডেল আমাদের দেখায় যে, এটি সম্ভব। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মতো প্রতিবেশী রাজ্যও যদি তাদের পরিবহন শ্রমিকদের জন্য পেনশন ও বীমার ব্যবস্থা করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেন পারবে না? শুধু প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—সড়কপথে চাঁদাবাজি বন্ধের কঠোর পদক্ষেপ। যদি আমরা এই কাঠামো তৈরি করতে পারি, তবে একদিন হয়তো কোনো বাসচালক নির্ভার মনে বলবেন—’আমার পেনশন আছে, আমার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত’। আর সেই দিনটিই হবে আমাদের সড়ক পরিবহন খাতের প্রকৃত রূপান্তরের দিন।