ডিমড এক্সপোর্ট (Deemed Export) বা রপ্তানিগণ্য: কী এবং কেন?

ডিমড এক্সপোর্ট (Deemed Export) বা রপ্তানিগণ্য: কী এবং কেন?

ডিমড এক্সপোর্ট (Deemed Export) বা রপ্তানিগণ্য: কী এবং কেন?

ডিমড এক্সপোর্ট বা রপ্তানিগণ্য হলো এমন একটি ব্যবসায়িক ধারণা, যেখানে পণ্য বা সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রি হলেও তা রপ্তানির সমতুল্য বিবেচিত হয়। অর্থাৎ, এই ধরনের লেনদেন আন্তর্জাতিক রপ্তানির মতোই নীতিমালার আওতায় আসে এবং রপ্তানিকারকদের মতোই বিভিন্ন সুবিধা প্রাপ্ত হয়।

কোন কোন ক্ষেত্রে Deemed Export প্রযোজ্য হয়?

বাংলাদেশে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিমড এক্সপোর্ট প্রযোজ্য হতে পারে:

  1. রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (EPZ) পণ্য সরবরাহ: যখন কোনো স্থানীয় প্রতিষ্ঠান EPZ-এ অবস্থিত রপ্তানিমুখী কোম্পানিকে কাঁচামাল বা যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে।

  2. বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (SEZ) পণ্য সরবরাহ: SEZ-এ অবস্থিত রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানে পণ্য বা সেবা সরবরাহ।

  3. আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্য পণ্য বা সেবা সরবরাহ: যেমন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকল্পে পণ্য বা সেবা প্রদান।

  4. সরকারি প্রকল্পে পণ্য সরবরাহ: যেখানে প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক অর্থায়নে পরিচালিত হয়।

ডিমড এক্সপোর্টের সুবিধাসমূহ

  • রপ্তানি প্রণোদনা: নগদ সহায়তা, কর রেয়াত, ডিউটি ড্র-ব্যাক ইত্যাদি সুবিধা প্রাপ্তি।

  • ভ্যাট ও শুল্ক ছাড়: রপ্তানির মতোই ভ্যাট ও শুল্কে ছাড় পাওয়া।

  • আর্থিক সহায়তা: ব্যাংক থেকে রপ্তানিকারকদের মতোই সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি।

ডিমড এক্সপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী

  • চুক্তিপত্র: ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বৈধ চুক্তি থাকতে হবে।

  • প্রমাণপত্র: পণ্য সরবরাহের প্রমাণ, যেমন চালান, রসিদ ইত্যাদি।

  • নথিপত্র: প্রয়োজনীয় কর ও শুল্ক সংক্রান্ত নথি।

  • অনুমোদন: প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply