Gov Services

ট্রেড লাইসেন্স প্রসঙ্গ

ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া বিষয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশে একটি ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া মোটেও সহজ কাজ নয় আবার খুব সহজ। আপনি নিজে সঠিক নিয়মে এটি পেতে চাইলে আছে নানা নিয়মের ক্যাচাল। কিন্তু কোনো তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে পেতে চাইলে শুধু আবশ্যিক নথিগুলো দিতে পারলেই কাজ হয়ে যাবে। তাই এটি একদিকে সহজ ও অন্যদিকে জটিল।

আমার প্রশ্ন হলো, যদি এটি সহজ করা যায় তাহলে করে দিন। প্রয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে দিন।

আর যদি কঠিন করতে হয়। তাহলে যারা  এটি গ্রহণ করবে তাদেরকে সেটি জানান অথবা আন অফিসিয়াল দালালের বদলে অফিসিয়াল সেবা এজেন্ট নিয়োগ দেন।

একজন উদ্যোক্তাকে লাইসেন্স পেতে সাধারণত পাঁচ থেকে সাত কার্যদিবস ব্যয় করতে হয়। আবার সচেতনতার অভাবে  অনেক নতুন উদ্যোক্তা লাইসেন্স না নিয়েই ব্যবসা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে তিন থেকে পনেরো বছর পর্যন্ত লাইসেন্স সংগ্রহ করেন না ।

 স্থানীয় সরকার বনাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক সমন্বয়হীনতা রয়েছে। বাণিজ্য পরিচালনার এই মৌলিক অনুমতি পত্রটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় না দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে থাকে । এই কাঠামোর নিজস্ব কিছু যৌক্তিকতা ও ফলাফল রয়েছে।

সুবিধা:

স্থানীয় পর্যায়ে লাইসেন্স প্রদানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এটি স্থানীয় সরকারকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শনাক্তকরণ ও তদারকির সুযোগ দেয় এবং পৌর এলাকার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে কর আদায়ের একটি বৈধ কাঠামো তৈরি করে । এটি স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তৈরি করে।

অসুবিধা ও চ্যালেঞ্জ:

এই ব্যবস্থার প্রধান অসুবিধা হল অসমন্বিত ও জটিল প্রক্রিয়া। ব্যবসা শুরু করতে গেলে একজন উদ্যোক্তাকে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), আরজেএসসি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (আমদানি/রপ্তানি লাইসেন্সের জন্য) এবং স্থানীয় সরকারের একাধিক দপ্তরে ছুটতে হয় । এই বিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া ব্যবসা করার খরচ ও সময় বাড়ায়। পাশাপাশি, লাইসেন্স নিতে গিয়ে অনেকে অপ্রয়োজনীয় নথি চাওয়া ও হয়রানির শিকার হন । বার্ষিক লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়াও একটি বড় ভোগান্তির কারণ, যা ঘুষের সুযোগ তৈরি করে ।

সমাধানের পথ:

বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা এই সমস্যার সমাধানে একটি একক ও সমন্বিত অনলাইন ব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দিয়েছেন । পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের (বিল্ড) প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের আদলে একটি “প্রাথমিক ব্যবসা নিবন্ধন” পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে, যা একটি মাত্র কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সব ধরনের ব্যবসার জন্য ইস্যু করা হবে । সম্প্রতি চালু হওয়া বাংলাবিজ পোর্টাল এই ধারণা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে, যেখানে একবারে পাঁচটি সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে । পাশাপাশি, লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা, যা নবায়নের ঝামেলা ও খরচ কমাবে ।

ব্যবসায়ীদের সচেতনতা ও জ্ঞান: একটি বড় ফাঁক

ট্রেড লাইসেন্সধারী বা সম্ভাব্য উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক জ্ঞান ও সচেতনতার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই সমস্যা প্রকট। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী উদ্যোক্তা ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেননি, তাদের ৫৯%ই এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অনিশ্চিত ছিলেন । শিক্ষার নিম্নস্তর এবং গ্রামীণ এলাকায় বসবাসের সাথে এই অনিশ্চয়তা সরাসরি সম্পর্কিত । অল্প বয়সী ও ছোট পরিসরের ব্যবসায়ীরাও লাইসেন্সের গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে কম সচেতন ।

অপরদিকে, ট্রেড লাইসেন্স পেলেই যে ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে, তা নয়। অনেকে ব্যবসার প্রকৃতি (যেমন: উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আমদানি লাইসেন্সের ভুল ধরন ব্যবহার করলে) সঠিকভাবে চিহ্নিত না করে লাইসেন্স নেন, যা পরবর্তীতে কর পুনঃনির্ধারণ ও জরিমানার ঝুঁকি তৈরি করে । এছাড়াও, অনেকে জেনেশুনে বা অজ্ঞতাবশত লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ব্যবসা চালিয়ে যান, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া, মালামাল বাজেয়াপ্ত করা এমনকি জেলও হতে পারে ।

বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থাপনা বর্তমানে এক জটিল ও সমস্যাজর্জরিত অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যে ব্যবস্থাটি ব্যবসা পরিচালনার সহায়ক হওয়া উচিত, সেটি উল্টো উদ্যোক্তাদের জন্য বাধা ও হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রতিবেদনে বর্তমান ব্যবস্থার সমস্যা চিহ্নিত করে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও উদ্যোক্তাবান্ধব ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিস্তারিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হলো।

বর্তমান ব্যবস্থার সমস্যা বিশ্লেষণ

১. ইচ্ছাকৃত জটিলতা ও অনিয়মের সুযোগ

বর্তমান ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থায় এমন কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে যা মূলত অনিয়ম করার সুযোগ তৈরি করে। যেমন:

  • শুধুমাত্র বাণিজ্যিক এলাকা ও ভবনে ব্যবসার জন্য লাইসেন্স প্রদানের বিধান

  • অথচ ঢাকা শহরের প্রায় ৫০% ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আবাসিক এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে

  • এই অসঙ্গতির ফলে ব্যবসায়ীরা বিকল্প ব্যবস্থায় বাধ্য হচ্ছেন

২. ভিজিট ও যাচাই-বাছাইয়ের সমস্যা

সরেজমিনে ভিজিট করে লাইসেন্স ইস্যুর বর্তমান বিধান বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। অফিসারদের সময় না থাকায় এবং অফিসের কাজের চাপ দেখিয়ে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে:

  • ভিজিট করতে এক মাস সময় লাগার অজুহাত

  • “বাড়তি টাকা” দিয়ে কাজ করানোর চাপ

  • বাড়িওয়ালার দলিল না থাকলেও অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স প্রদান

প্রস্তাবিত সংস্কার পরিকল্পনা

১. লাইসেন্সের শ্রেণিবিন্যাস ও ক্যাটাগরি

প্রস্তাবনা ১: দ্বি-স্তরীয় ব্যবসা শ্রেণিবিন্যাস

ট্রেড লাইসেন্সকে দুইটি প্রধান ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যেতে পারে:

ক) ফরমাল ব্যবসা:

  • সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে পরিচালিত ব্যবসা

  • বাণিজ্যিক এলাকা ও ভবন প্রয়োজন

  • বাড়ি ভাড়ার চুক্তি বাধ্যতামূলক

খ) নন-ফরমাল ব্যবসা:

  • আবাসিক এলাকায় পরিচালিত ক্ষুদ্র ব্যবসা

  • বাড়ি ভাড়ার চুক্তি ও বাণিজ্যিক এলাকার শর্ত শিথিল

  • সহজ শর্তে লাইসেন্স প্রদান

২. লাইসেন্স মেয়াদ ও নবায়ন পদ্ধতি সংস্কার

প্রস্তাবনা ২: নমনীয় লাইসেন্স ব্যবস্থাপনা

  • ৫ বছরের জন্য লাইসেন্স প্রদানের প্রচলিত সুবিধা বহাল রেখে মাসিক জরিমানার ব্যবস্থা বাতিল

  • ব্যবসা স্থগিত ও বন্ধের জন্য পৃথক ফর্ম চালু

  • নির্ধারিত ফি (১০০-৫০০ টাকা) এর মাধ্যমে স্থগিত/বন্ধ প্রক্রিয়া সম্পন্ন

  • নবায়নের সময় বিগত বছরের জন্য মাত্র ২৫% ফি নেওয়ার ব্যবস্থা

৩. ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ফি নির্ধারণ

প্রস্তাবনা ৩: আধুনিক ব্যবসা অন্তর্ভুক্তিকরণ

  • গত ১০ বছরে উদ্ভূত ৫০০+ নতুন ব্যবসার ধরন আইনে যুক্ত করা

  • প্রতিটি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ফি নির্ধারণ

  • নিম্নোক্ত উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০% ফি ছাড়:

    • ছাত্র উদ্যোক্তা

    • নারী উদ্যোক্তা

    • তৃতীয় লিঙ্গের উদ্যোক্তা

৪. তথ্যসমৃদ্ধ লাইসেন্স ফরম্যাট

প্রস্তাবনা ৪: গ্রেডভিত্তিক লাইসেন্স ব্যবস্থা

লাইসেন্স ফর্মে নিম্নলিখিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার ব্যবস্থা:

তথ্য শিরোনাম প্রয়োগ পরামর্শ
*** ব্যবসার ধরণ ক) তিন তারকা চিহ্নিত বিষয়গুলো অবশ্যই থাকতে হবে
*** পণ্য/সেবার ধরণ খ) এক তারকা চিহ্নিত সব থাকলে সেটাকে ফরমাল বা “এ” শাখায় অন্তর্ভুক্ত
*** রেভিনিউ মডেল গ) দুই তারকা চিহ্নিতগুলো থাকলে তাকে শাখা “বি” তে অন্তর্ভুক্ত
*** পেমেন্ট মুড ঘ) শুধুমাত্র তিন তারকাগুলো থাকলে তাকে শাখা “সি” তে অন্তর্ভুক্ত
** পেইড আপ ক্যাপিটেল
** রানিং ক্যাপিটেল
** বার্ষিক ধারণাকৃত লেনদেন
* টিআইএন নং
* বিআইএন নং
* ভবন/ এলাকা
* বাড়ি ভাড়ার চুক্তি
* সরেজমিন পর্যবেক্ষণ

৫. সাময়িক লাইসেন্স প্রবর্তন

প্রস্তাবনা ৫: ত্বরিত ব্যবসা শুরু

  • ভেরিফিকেশন, ভাড়ার দলিল ও টিআইএন ছাড়াই ৩ মাসের সাময়িক সনদ প্রদান

  • সাময়িক সনদের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্ট খোলা ও ব্যবসা শুরুর সুযোগ

  • পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্সের জন্য সময় ও প্রক্রিয়া সহজ

৬. ভিজিট ও ভেরিফিকেশন ব্যবস্থার আউটসোর্সিং

প্রস্তাবনা ৬: বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ

সরেজমিন ভিজিট ও ভেরিফিকেশন বেসরকারি খাতে হস্তান্তর:

  • স্থানীয় সরকার কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভিজিট করবে

  • সরকারি নীতিমালা অনুসরণ বাধ্যতামূলক

  • গ্রাহকের কাছ থেকে সরাসরি ফি নেওয়া (মূল লাইসেন্স ফি-র ১০-২০%)

  • অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল

সুবিধাসমূহ:

  • সরকারের খরচ হ্রাস

  • দ্রুত ও উন্নত সেবা

  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি

  • সেবা খাতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি

৭. দ্বিভাষিক লাইসেন্স ফরম্যাট

প্রস্তাবনা ৭: ভাষাগত সহজীকরণ

  • প্রতিটি ট্রেড লাইসেন্স ফাইলে পাশাপাশি দুই পাতা সংযুক্ত

  • প্রথম পাতা বাংলায়, দ্বিতীয় পাতা ইংরেজিতে

  • ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়েও একই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন

৮. আইন ও বিধির পুনর্বিন্যাস

প্রস্তাবনা ৮: নমনীয় ও হালনাগাদযোগ্য কাঠামো

  • মূল আইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত রাখা

  • লাইসেন্সের শাখা, ক্যাটাগরি, গ্রেড ও ফি বিধিতে অন্তর্ভুক্ত

  • বিধি সহজে সংশোধনের সুযোগ রাখা

  • সময়ের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত হালনাগাদের ব্যবস্থা

প্রস্তাবিত সংস্কারের প্রত্যাশিত ফলাফল

১. উদ্যোক্তাদের জন্য সুফল

  • লাইসেন্স প্রাপ্তির সময় ও খরচ হ্রাস

  • হয়রানি ও অনিয়মের সুযোগ কমে যাওয়া

  • নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহ

  • নারী, ছাত্র ও তৃতীয় লিঙ্গের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা

২. সরকারের জন্য সুফল

  • রাজস্ব আহরণের স্বচ্ছ পদ্ধতি

  • প্রশাসনিক খরচ হ্রাস

  • বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে সেবার মান বৃদ্ধি

  • প্রকৃত উদ্যোক্তা শনাক্তকরণ

৩. অর্থনৈতিক সুফল

  • আনুষ্ঠানিক খাতে নতুন ব্যবসা অন্তর্ভুক্তি

  • জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধি

  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি

  • বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি

বাস্তবায়ন কৌশল

পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন

প্রথম পর্যায় (৩ মাস):

  • আইন ও বিধি সংশোধনের খসড়া প্রণয়ন

  • অংশীজনদের সাথে মতবিনিময়

দ্বিতীয় পর্যায় (৬ মাস):

  • বেসরকারি খাতের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন

  • লাইসেন্স ফরম্যাট ও সফটওয়্যার হালনাগাদ

তৃতীয় পর্যায় (৩ মাস):

  • পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন

  • প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ ও সংশোধন

চতুর্থ পর্যায়:

  • দেশব্যাপী সম্প্রসারণ

ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসা করার পরিবেশকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও উদ্যোক্তাবান্ধব করা সম্ভব। প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ উদ্যোক্তারা হয়রানি ও অনিয়ম থেকে মুক্তি পাবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করবে।