জুলাই

জুলাই সনদ ও তার ভবিষ্যৎ

জুলাই সনদ: গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রতিফলন?

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন একপর্যায়ে সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা করে। এই অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত হয় “জুলাই সনদ”, যা রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি সংস্কারমূলক দলিল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই প্রবন্ধে জুলাই সনদের উদ্দেশ্য, ধারাগুলো, সম্ভাব্য সুবিধাসমূহ, ঐক্যমত্যের বিষয়সমূহ, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং অন্যান্য বিবেচ্য বিষয়সমূহ বিশ্লেষণ করা হবে।

 জুলাই সনদ কী?

জুলাই সনদ হলো একটি প্রস্তাবিত রাজনৈতিক সনদ, যেখানে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে ঐকমত্য হওয়া সংস্কার প্রস্তাবসমূহের তালিকা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটি রাজনৈতিক দলসমূহের সাক্ষরের মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবসমূহের মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা, এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণ। Wikipedia

জুলাই সনদের উদ্দেশ্য

জুলাই সনদের মূল উদ্দেশ্য হলো:

  • রাজনৈতিক সংস্কার: দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ করা।

  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও তার সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

  • মানবাধিকার রক্ষা: সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা।

  • দুর্নীতি দমন: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় দুর্নীতির অবসান ঘটানো।

  • গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণ: নির্বাচন কমিশন, সংসদ, বিচার বিভাগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বায়ত্তশাসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

জুলাই সনদের ধারাগুলো কী কী?

জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো:

  • গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি: রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাবসমূহ গ্রহণ।

  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

  • দুর্নীতি দমন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।

  • মানবাধিকার রক্ষা: সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা।

  • গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণ: নির্বাচন কমিশন, সংসদ, বিচার বিভাগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বায়ত্তশাসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

 জুলাই সনদের ফলে কি সুবিধা হবে?

জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ অর্জিত হতে পারে:

  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে ঐকমত্যের মাধ্যমে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

  • আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠা: আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও তার সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত হবে, যা জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করবে।

  • দুর্নীতি মুক্ত সমাজ: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।

  • মানবাধিকার সুরক্ষা: সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, যা সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

  • গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণ: নির্বাচন কমিশন, সংসদ, বিচার বিভাগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করবে।

 কোন কোন বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে?

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিম্নলিখিত বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে:

  • দুর্নীতি দমন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।

  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

  • মানবাধিকার রক্ষা: সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা।

  • গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণ: নির্বাচন কমিশন, সংসদ, বিচার বিভাগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বায়ত্তশাসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

বাস্তবায়ন কাঠামো কি ঠিক হয়েছে?

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে কিছু মতবিরোধ রয়েছে। কিছু দল মনে করেন যে, সনদের আইনি ভিত্তি থাকা উচিত এবং এটি সংসদে পাস হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, কিছু দল মনে করেন যে, এটি একটি রাজনৈতিক ঐকমত্যের দলিল হিসেবে কার্যকর হবে। বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো প্রণয়নের চেষ্টা করছে। The Daily Ittefaq

 অন্যান্য বিবেচ্য বিষয়সমূহ

জুলাই সনদের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন:

  • আইনি বাধ্যবাধকতা: সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা।

  • রাজনৈতিক ঐকমত্য: সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

  • জনসচেতনতা: জনগণের মধ্যে সনদের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

  • পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন: সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা।

 

কেন জুলাই সনদ ব্যর্থ হতে পারে?

ক) প্রয়োজন ছিল সংবিধান স্থগিত করে জুলাই সনদের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করে নতুন সরকার গঠন করে সংষ্কার কার্যক্রম চালানো। যেহেতু তা হয়নি। বর্তমান সংবিধান অনুসারে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার বাধ্য নয়।

খ) বাংলাদেশের মুল আইন ও প্রশাসনিক কাঠামোতে সমস্যা বা ব্রিটিশ আমলের ব্যবস্থা থাকায় সরকারের বেশীরভাগ কর্মসূচী সফল হয় না। শুধু যেসব ইস্যুতে কয়েকগন বেশী খরচ করে দূর্নীতির সুযোগ দেয়া হয়। সেগুলো সফল হয়। যেহেতু এখানে টাকা পয়সার ব্যাপার নেই। কেউ এটা বাস্তবায়ন করবে না।

গ) যেহেতু রাষ্ট্র সংষ্কারে বিষয়গুলো নির্দিষ্ট নয় এবং এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমতের অভাব আছে। তাই প্রথম মতানৈক্যের কারণে এটা বাস্তবায়নে যে সরকার নির্বাচনে জিতে আসবে তাদের অনীহা থাকবে। অথবা বাস্তবায়ন করতে গেলে অন্য দলের অসহযোগিতার কারণে বাঁধাগ্রস্থ হতে পারে। অথবা অনৈক্যের অযুহাতে বাস্তবায়ন ঝুলে যেতে পারে।

তাহলে করনীয় কি?

ক) রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিশ্চিত করে সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বানাতে হবে।

খ) সংবিধান স্থগিত করে বর্তমান সরকার পদত্যাগ করে নতুন অন্তবর্তী সরকার গঠন করতে হবে।

গ) সকল দলের খোলা জায়গায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। সকল দপ্তরে গণমত কাউন্সিল গঠন করে। যেকোনো বিষয়ে জনগনকে সরাসরি মত প্রকাশ ও শুনানীর মাধ্যমে তা যাচাই করার সুযোগ দিতে হবে।

ঘ) যেহেতু সোস্যাল মিডিয়ার যুগ তাই সরকারের সকল দপ্তরে সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সেকশন করে লোক নিয়োগ দিতে হবে। যারা বেসরকারীভাবে বেতন বা কাজ হিসেবে চাকরি করবে। তাদের মধ্যে থাকবে ফটোগ্রাফার, ওয়েবডিজাইনার, গ্রাফিক ডিজাইনার, ভিডিও এডিটর, ভয়েস আর্টিষ্ট, লেখক ও উপস্থাপক। যে দপ্তরে যে পরিমাণ প্রয়োজন।

সরকার যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে তার সুবিধা ও বিস্তারিত প্রথমে কনটেন্ট এর মাধ্যমে জনগনকে জানিয়ে জনমত গঠন করতে হবে।

ঙ) প্রতিটি দপ্তরে নিজস্ব অভিযোগ সেকশন করে। জনগনের অভিযোগ গ্রহণ করে তাৎক্ষনিক সমাধান করতে হবে।

চ) সংশ্লিষ্ঠ সকল পক্ষকে যুক্ত করে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের অধীনে ১১৭৭টি আইনের জন্য ১১৭৭টি কমিটি গঠন করে সেগুলো সংশোধন এর উদ্যোগ নিতে হবে। এবং নতুন আইনগুলোর জন্য আরো কমিটি করতে হবে।

কমিটির রুপরেখা মোট- কমবেশী ১৫ জন

সরকারী কর্মকর্তা – ২/৩ জন

পেশাদার লেখক বা সাহিত্যিক বা সম্পাদক- ২/৩ জন

ছাত্র- শিক্ষক – ২/৩ জন

মুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী, ধর্মনেতা- ২/৩জন

আইনজীবি ২/৩ জন

রাজনীতিবিদ ও স্থানীয় প্রতিনিধি ২/৩ জন

অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও সশস্ত্রবাহিনী সদস্য- ২/৩ জন

সংশোধন প্রক্রিয়া : পুরনো আইন সংশোধন এর ক্ষেত্রে

প্রথম ১৫ দিন: সংশোধন এর নোটিশ জারি করা এবং জনগন ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সকল পর্যায়ের কর্মরতদের পরামর্শ লিখিত জমা দিতে বলা এবং জমা নেয়া। এবং এই সময়ের মধ্যে এই বিষয়ে কলাম, নিউজ ও অন্য দেশের নমুনা সংগ্রহ করা।  সংশোধন এর জন্য একটি নীতি তৈরী করা।

দ্বিতীয় ১৫ দিন: সকল মতামত একীভূত করে একটি খসড়া প্রকাশ করা।

তৃতীয় ১৫ দিন: খসড়া নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে শুনানীর আয়োজন করা। কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ। যেটির জন্য যেখানে প্রয়োজন। বিশেষ করে গণমত কাউন্সিল ও শুনানী বিভাগের মাধ্যমে অবশ্যই করতে হবে। সর্বনিন্ম হবে- জেলা পর্যায়।

চতুর্থ ১৫ দিন: মতামতের আলোকে দ্বিতীয় খসড়া প্রস্তুত করা।

পঞ্চম ১৫ দিন: দ্বিতীয় খসড়া প্রকাশ করে মতামত চাওয়া

ষষ্ঠ ১৫ দিন: সর্বশেষ একটি মত বিনিময় সভা করে চূড়ান্ত করে।

মোট সময় = ৯০ দিন।

সংশোধন প্রক্রিয়া : নতুন আইন তৈরীর ক্ষেত্রে

প্রথম ১৫ দিন:  আইনের জন্য মতামত চেয়ে নোটিশ জারি করা এবং জনগন ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সকল পর্যায়ের কর্মরতদের পরামর্শ লিখিত জমা দিতে বলা এবং জমা নেয়া। এবং এই সময়ের মধ্যে এই বিষয়ে কলাম, নিউজ ও অন্য দেশের নমুনা সংগ্রহ করা।  সংশোধন এর জন্য একটি নীতি তৈরী করা। মতামতটি অবশ্যই একটি ছকের মাধ্যমে নিতে হবে। এর মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগ ও জনগনের সংশ্লিষ্ঠ অংশের সাথে বসে কি ধরনের অপরাধ ও সমস্যার জন্য আইনটি হবে সেগুলো লিপিবদ্ধ করা।

দ্বিতীয় ১৫ দিন: সকল মতামত একীভূত করে একটি খসড়া তৈরী ও প্রকাশ করা।

তৃতীয় ১৫ দিন: খসড়া নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে শুনানীর আয়োজন করা। কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ। যেটির জন্য যেখানে প্রয়োজন। বিশেষ করে গণমত কাউন্সিল ও শুনানী বিভাগের মাধ্যমে অবশ্যই করতে হবে। সর্বনিন্ম হবে- জেলা পর্যায়।

চতুর্থ ১৫ দিন: মতামতের আলোকে দ্বিতীয় খসড়া প্রস্তুত করা।

পঞ্চম ১৫ দিন: দ্বিতীয় খসড়া প্রকাশ করে মতামত চাওয়া। ওয়েবসাইটে মতামতা চাওয়া।

ষষ্ঠ ১৫ দিন: তৃতীয় খসড়া প্রস্তুত করে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ঠদের মতামত গ্রহণ করা।

সপ্তম ১৫ দিন: সংশ্লিষ্ঠদের মতামত নিয়ে চতুর্থ খসড়া প্রকাশ করে অনলাইন মতামত গ্রহণ করা।

অস্টম ১৫ দিন: চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো।

মো সময় = ১২০ দিন।

*** সবার আগে আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ১টি নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। যাতে কেন আইনগুলো পরিবর্তন হবে? কোন কোন জায়গায় পরিবর্তন আসবে। কিভাবে আসবে সে বিষয়গুলো পরিষ্কার করতে হবে। যাতে করে যারা মতামত দিবে তারা ঠিকভাবে মতামত দিতে পারে।

*** মতামতগুলো সমন্বয় করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০/১২ জনের শিক্ষার্থীকে স্বেচ্চাসেবক বা ইন্টার্ণ হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

বাংলাশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত হওয়ায় এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য বৃদ্ধি পায়। তবে, এর সফল বাস্তবায়নের জন্য আইনি ভিত্তি, রাজনৈতিক ঐকমত্য, জনগণের সমর্থন এবং কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো প্রয়োজন। যদি এসব বিষয় সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে