জাহাঙ্গীর আলম শোভন: মুক্তচিন্তার এক প্রতিভা
জাহাঙ্গীর আলম শোভন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশে সাহিত্য, ভ্রমণ, ই-কমার্স এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি শুধু একজন, উদ্যোক্তা, একজন সমাজসেবক এবং নীতি প্রণয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবেও সুপরিচিত। পারিবারিক শিপিং ব্যবসার মাধ্যমে তার উদ্যোক্তা জীবনের হাতেখড়ি।
লেখক জীবন
জাহাঙ্গীর আলম শোভনের লেখনি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তার মৌলিক ১৪টি বইসহ ১৮টি বই প্রকাশিত হয়েছে, যা ভ্রমণ, আত্মোন্নয়ন, এবং সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে লেখা। তার ভ্রমণভিত্তিক বই পায়ে হেঁটে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। তিনি হাজারেরও বেশি নিবন্ধ এবং ব্লগ লিখেছেন, যা বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। তার রচনাগুলির মধ্যে আত্মোন্নয়নমূলক লেখা যেমন নিজেকে গড়ে তুলতে এবং ফোকলোর বিষয়ক বই লোকজীবনের আয়না উল্লেখযোগ্য।
ভ্রমণ ও সামাজিক উদ্যোগ
জাহাঙ্গীর আলম শোভনের জীবনের একটি অনন্য অধ্যায় হলো তার ২০১৬ সালের তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২৭৬ কিমি দীর্ঘ পদযাত্রা। এ ভ্রমণ তার ভ্রমণপিপাসু মানসিকতা এবং সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রতিফলন। তিনি নিয়মিতভাবে সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ পরিষ্কার অভিযান, ফেনীতে ৪০ কিমি হাঁটার আয়োজন, এবং রক্তদান কর্মসূচির মতো সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পেশাগত ও নীতি প্রণয়নে ভূমিকা
তিনি ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন জাতীয় নীতি প্রণয়ন কমিটিতে সক্রিয় সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ডিজিটাল কমার্স গাইডলাইন, এসডিজি বাস্তবায়ন কৌশল, এবং ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স নীতি প্রণয়নে তার পরামর্শ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
স্বীকৃতি ও পুরস্কার
তার কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৩ সালের “স্মার্ট বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড”, ২০২১ সালের “ডিজিটাল বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড”, এবং ২০১৯ সালের “ই-কমার্স কন্টেন্ট রাইটার অফ দ্য ইয়ার”। ২০১৭ সালে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন তাকে ৪০ জন প্রশংসিত বাংলাদেশির একজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল। এছাড়া উত্তরণ এসএমই প্লাটফর্ম তাকে ২০২৩ সালে এসএমই পদকে ভূষিত করে।
( চ্যাট জিপিটি অবলম্বনে)
