জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে সিঙ্গাপুরকে কি ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হবে?

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে সিঙ্গাপুরকে কি ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হবে?

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে সিঙ্গাপুরকে কি ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হবে?

সিঙ্গাপুর এশিয়ার একটি দ্বীপ ও নগর রাষ্ট্র। দেশটির স্বাধীনতার পর থেকে ব্যাপক ভূমি পুনরুদ্ধার প্রকল্পের ফলে এর সম্মিলিত এলাকা প্রায় ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। এটির বিশ্বের যেকোনো দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব রয়েছে। সিঙ্গাপুরের মূল ভূখণ্ড এর প্রশাসনিক সীমানার ভেতরে আরও বেশ কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ অবস্থিত। যেমন- জুরং দ্বীপ, পুলাউ তেকোং, পুলাউ উবিন ও সেন্তোসা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বড়। পেদ্রা ব্রাংকা নামের দ্বীপটি সিঙ্গাপুর থেকে সবচেয়ে বেশি দূরত্বে অবস্থিত। বেশিরভাগ এলাকা সমুদ্র সমতল থেকে ১৫ মিটারের চেয়ে মধ্যে। সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ।

সিঙ্গাপুরের ৪টি দাপ্তরিক ভাষা রয়েছে। এগুলি হল: ইংরেজি, মালয়, চীনা মান্দারিন এবং তামিল। সাধারণ ভাষা হিসেবে এখানে ইংরেজিই প্রচলিত। এছাড়াও ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও সরকারি কর্মকাণ্ডে প্রধানত ইংরেজিই ব্যবহৃত হয়। দেশটি বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক এ এই দেশ বিশ্বে ৮ম স্থানে রয়েছে। এশীয় অঞ্চলে যা সর্বোচ্চ। যেকোনো সমস্যা সমাধানে সরকার দ্রুত তৎপর। বিরোধী দল কোনো বাঁধা সৃষ্টি করে না। দূর্ণীতিমুক্ত দেশ বলা যায়।

সিঙ্গাপুর তার ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ুগত কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। নিচে প্রধান সমস্যা এবং সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরা হলো—

সিঙ্গাপুরের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রধান সমস্যা

১. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় প্লাবন

সিঙ্গাপুর একটি নিম্নাঞ্চলীয় দ্বীপ-রাষ্ট্র, যার গড় উচ্চতা মাত্র ১৫ মিটার এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে গলিত হিমবাহ ও সমুদ্রের তাপীয় সম্প্রসারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা সিঙ্গাপুরকে ভবিষ্যতে প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা সিঙ্গাপুরের নিচু এলাকাগুলোকে কিছুটা প্লাবিত করতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

১। উন্নত বাঁধ ও উপকূলীয় প্রতিরক্ষা: সিঙ্গাপুর সরকার ইতোমধ্যে S$১০০ বিলিয়ন বরাদ্দ করেছে উচ্চ বাঁধ (sea wall), জলাধার ও পাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য।
২। “পোল্ডার” প্রযুক্তি: নেদারল্যান্ডসের মতো, সিঙ্গাপুরও নিচু এলাকা পুনরুদ্ধার ও জল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য পোল্ডার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
৩। কৃত্রিম দ্বীপ: দীর্ঘমেয়াদে উন্নত ভূমি পুনরুদ্ধার (land reclamation) ও কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হতে পারে।
৪। কলোনী: তৃতীয় কোনো দেশে ভূমি ক্রয় করে কলোনী বানিয়ে রাখতে পারে। এজন্য তাদের পছন্দ মালয়েশিয়া। অনেক সিঙ্গাপুরের নাগরিকের মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম রয়েছে।
৫। ইটালীর ভেনিস শহরের আদলে একটি মডেল দ্বীপ গড়ে তোলা যেতে পারে। কিন্তু এখানে সমূদ্রের ঢেউ একটি সমস্যা। তাই এই শহরে সবকিছু আসলো দ্বিতীয় তলা থেকে শুরু হবে। কোনো গাড়ি থাকবেনা থাকবে শুধু নৌকা। সবকিছু নোনা রোধক হবে। এই শহর পৃথিবীকে সতর্ক হওয়ার বার্তা দিবে।

৬। পৃথিবীর বিশাল বিশাল জাহাজগুলোতে আস্ত শহর রয়েছে। সিঙ্গাপুরের নগর ব্যবস্থায় সবকিছুই বৈদ্যুতিক এবং  আমদানী করা। গোটা সিঙ্গাপুরটাই একটা জাহাজের মতো। একটি পাকা বাড়ি ৯৯ বছরের জন্য তৈরী হয়। একটি জাহাজও ১শ বছর টেকে। তাই জাহাজের মতো করে কিছু ভাসমান সিটি তৈরী করা যায়। বিশেষ করে শপিং মল ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোকে ভাসমান শহরে নিয়ে যাওয়া যায়।

২. তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও নগর তাপদ্বীপ (Urban Heat Island Effect)

গত ৫০ বছরে সিঙ্গাপুরের গড় তাপমাত্রা ১.১°C বেড়েছে, যা বিশ্বব্যাপী গড় উষ্ণতা বৃদ্ধির চেয়েও বেশি।
শহরের উচ্চমাত্রার কংক্রিট ও অ্যাসফল্টের ব্যবহার, গাড়ির ধোঁয়া, এয়ার কন্ডিশনারের উষ্ণ বাতাস ইত্যাদির কারণে তাপমাত্রা আরও বেশি বাড়ছে।

সম্ভাব্য সমাধান:

১। সবুজ ভবন ও ছাদবাগান: “Green Mark” উদ্যোগের আওতায় বিল্ডিংয়ের ছাদে গাছপালা রোপণ বাধ্যতামূলক করা হলে যা তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করবে। এর জন্য বিদেশী শ্রমিকদের কাজ করানো যাবে। এবং Green SME চালু করে তৃতীয় পক্ষকে ছাদ বাগান করার সুযোগ দেয়া যেতে পারে। এসব চাষ হবে ১০০% ক্যামিকেল ও রাসায়নিক সার মুক্ত। নগরের ময়লা থেকে তৈরী করা যাবে জৈব সার।
২। বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন: “One Million Trees Movement” প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ লাখ গাছ রোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৫০ লাখ মানুষের জন্য ১০ লাখ গাছ কম হয়ে যায়। অন্তত জনপ্রতি ২টি গাছ থাকবে। একটি সরকারের একটি জনগনের। ছাদকৃষি ছাড়াও জানালার পাশে ফ্লোর বা নিচতলার ছাদ সমান্তরাল কার্নিশ বানিয়ে প্রতি পরিবারের জন্য যতটা সদস্য ততটা গাছ লাগানোর নিয়ম চালু করা যেতে পারে।

৩। শীতল পৃষ্ঠতল প্রযুক্তি: সিঙ্গাপুরে বিশেষ প্রতিফলিত রঙ ও উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সূর্যালোক প্রতিফলিত করে তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া কালো ও গভীর রং এর পরিবর্তে হালকা ও সাদারং ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। আবাসিক এলাকা বা ভবনের নিচে ড্রেনেজ পদ্ধতিতে পানি জমিয়ে মাছ চাষ করা যেতে পারে। ভবনগুলোর নিচ তলা পার্কিং, রাস্তা ও বাগান বাদ দিয়ে রাস্তা সংলগ্ন ড্রেনেজ এর মতো জলাশয় করে মাছ চাষ করা যেতে পারে। তবে এর পানি চলমান রাখতে হবে। যাতে মশা না হয়। এতে করে মাছের চাহিদা পুরণ হবে এবং শহর শীতল থাকবে। তবে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

৩. ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সিঙ্গাপুরে অপ্রত্যাশিত ভারী বর্ষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নগর এলাকায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি করছে।
শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে আবাসন ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন অনুযায়ী তৈরি, কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে তা অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে কখনো যদিও এখনো তা অতিমাত্রায় হয়নি।

সম্ভাব্য সমাধান:

* উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা: “Active, Beautiful, Clean Waters (ABC Waters)” প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও জলাধার তৈরি করা হচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তা কমছে।
* প্লাবন-প্রতিরোধী স্থাপনা: ভবিষ্যতের অবকাঠামো তৈরিতে প্লাবন প্রতিরোধী ডিজাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

*  পানি ধারণের সক্ষমতা বৃদ্ধি: সিঙ্গাপুর বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য উন্নত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলেছে।
* পানি সংকট ও সুপেয় পানির চাহিদা বৃদ্ধি। সিঙ্গাপুরের নিজস্ব পানির উৎস কম, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের পরিবর্তনশীলতা ও দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম পানির নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

সম্ভাব্য সমাধান:

*  “NEWater” প্রযুক্তি: সিঙ্গাপুর তার নিজস্ব পুনর্ব্যবহৃত পানির ব্যবস্থা (NEWater) গড়ে তুলেছে, যা ব্যবহৃত পানিকে পরিশোধন করে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।
* লবণাক্ত পানি পরিশোধন (Desalination): সিঙ্গাপুরে লবণাক্ত পানি পরিশোধনের জন্য পাঁচটি প্ল্যান্ট রয়েছে, যা সুপেয় পানির চাহিদা মেটাতে সহায়তা করছে।
* বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ: শহরের মধ্যে থাকা জলাধারগুলোকে উন্নত করা হচ্ছে, যাতে পানি ধরে রাখা যায়। সে বৃষ্টির পানিগুলোকে প্রাথমিক ফিল্টারের পর ব্যবহার্য পানিতে রুপান্তর করা যেতে পারে।

সমূদ্রের পানিকে শোধনের জন্য প্রাকৃতিক কিছু উৎস তৈরী করা যেতে পারে। যেমন সমূদ্রের পানি কত ফুট দূরত্বে কি ধরনের মাটির মধ্য দিয়ে গড়ালে তা শোধিত হয়ে খাবার উপযোগী হয়। সেভাবে প্রাকৃতিক বালিকূপ তৈরী করা যেতে পারে। যেখানে বর্তমান মাটি সরিয়ে সমূদ্রের পানি প্রাকৃতিক ভাবে ফিল্টার হবে এমন বালিতে ভরাট করে তার নিচে টিউবওয়েলের মতো পাইপ দিয়ে সুপেয় পানি বের করা যেতে পারে।

৫. জীববৈচিত্র্যের হ্রাস ও পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়া

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও নগরায়ণের ফলে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  কিছু প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সম্ভাব্য সমাধান:

* “Ecological Corridors” তৈরি: বন্যপ্রাণীর চলাচলের জন্য গাছপালা ও সংযোগকারী পরিবেশ বান্ধব করিডোর তৈরি করা হচ্ছে। শহরের ভেতরে এক বন থেকে অন্য বনে প্রাণীতের চলাচলের জন্য লিংকওয়ে তৈরী করা যেতে পারে। লিংকওয়েগুলো সড়কের নিচে থাকবে। লিংকওয়ের জায়গায় সড়ক কিছু উঁচু হয়ে নিজ দিয়ে গ্রাণীদের জায়গা করে দেবে।
*  ন্যাচারাল রিজার্ভ ও উদ্যান বৃদ্ধি: পরিবেশ সংরক্ষণে বেশি সংখ্যক জাতীয় উদ্যান ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। তার সাথে ‘‘Green Corridors” নাম দিয়ে উপকূলের ২০ ফুট এলাকারে সম্পূর্ণ সবুজ বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কৃত্রিম ভাবে নোনাজল সহনশীল গাছ বা ম্যানগ্রোভ রোপন করা যেতে পারে।

*  কৃত্রিম প্রবাল প্রাচীর (Artificial Coral Reefs): সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষার জন্য কৃত্রিম প্রবাল চাষ শুরু করা হয়েছে। সমূদ্রের স্রোত ও বালির প্রবাহ গবেষণা করে কিছু জায়গায় যেন দ্বীপ তৈরী হয় সেজন্য ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

* উপকূলীয় এলাকায় সমূদ্রের পানির একটু নিচে বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করা যায়। যাতে করে ভূমির উপর চাপ কমে আসে।

অন্যান্য

সিঙ্গাপুর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত নীতি গ্রহণ করছে।
তবে দীর্ঘমেয়াদে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে টেকসই নগর পরিকল্পনা, সবুজায়ন, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

অর্থনৈতিক কলোনী

সিঙ্গাপুর চাইলে অন্যকোনো দেশে তাদের নিজস্ব একটা পরীক্ষামূলক কলোনী তৈরী করতে পারে। যেখানে লোকেরা কোনো দেশের একটি শহর বা দ্বীপকে লিজ নিয়ে সেখানে সিঙ্গাপুরের ১ লাখ লোকের জন্য সিঙ্গাপুরের সকল সুযোগ সুবিধা ও আইনি কাঠামোর মধ্যে একটি শহর তৈরী করবে। এ ধরনের ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ হলে ভাল। তবে প্রতিবেশী দেশ না হলেও দূরদেশেও করা যায়। কেননা আমেরিকার একটা রাজ্য থেকে অন্য রাজ্য অনেক দূরে। ভারতের মুল ভূখন্ড থেকে আন্দামান দ্বীপ অনেক দূরে। বৃটিশদের নিয়ন্ত্রণে এখনো অন্য মহাদেশে তাদের দ্বীপ রাষ্ট্র রয়েছে। সূতরাং এটি অবাস্তব কিছু নয়। এতে এখানকার নাগরিকদের যেমন অবকাশ কাটানোর সুযোগ তৈরী হবে তেমনি সংশ্লিষ্ঠ দেশটিও উন্নত হবে। বিশেষ করে  অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরী করার জন্য এটা ভাল হবে। তবে ভূমি অবশ্যই স্থায়ী ভাবে হস্তান্তর হবে। এর বিনিময়ে আগামী ১০০ বছর একটি বিশেষ কর সে দেশকে দিতে পারে সিঙ্গাপুর। যা সেখানকার নাগরিকদের কাছ থেকে নেয়া হবে।

সিঙ্গাপুর প্রশাসন সমুদ্রতলের মাটি, পর্বত ও অন্যান্য দেশ থেকে মাটি সংগ্রহ করে দেশটির স্থলভাগের আয়তন বৃদ্ধি করে চলেছেন। ১৯৬০-এর দশকে দেশটির আয়তন ছিল প্রায় ৫৮২ বর্গকিলোমিটার, বর্তমান এটি ৬৯৯ বর্গকিলোমিটার এবং ২০৩৩ সাল নাগাদ এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে আরও ১০০ বর্গকিলোমিটার। এটি একটি ভাল উদ্যোগ। ব্যয়বহুল হলেও স্থায়ী সমাধান। তবে অন্যান্য বিকল্পগুলোও ভাবা যেতে পারে। এতে বৈচিত্র ও সুযোগ দুটোই বেড়ে যাবে।

ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে এআই দ্বারা সাজানো হয়েছে সাথে আমার নিজস্ব আইডিয়াগুলো যোগ করা হয়েছে।  জাহাঙ্গীর আলম শোভন| ছবি : পিক্সেল থেকে নেয়া এবং কিছু সম্পাদিত।