students australia
students australia

অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধ অভিবাসন

অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধ অভিবাসন: স্বপ্ন, বাস্তবতা ও জীবনের ঝুঁকি

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম উন্নত এবং সমৃদ্ধ দেশ। শক্তিশালী অর্থনীতি, উচ্চ জীবনযাত্রার মান এবং সামাজিক নিরাপত্তার কারণে প্রতি বছর  উন্নয়রশীল ও দরিদ্র দেশ থেকে লাখো মানুষ অস্ট্রেলিয়াতে বৈধ ও অবৈধভাবে যাওয়ার পথ খোঁজে। তবে বৈধ পথে ভিসা পাওয়ার কঠিন শর্ত থাকার কারণ বেশীরভাগ মানুষ তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে না। ফলে তারা  অবৈধ পথ বেছে নেন, সেগুলো কখনো কখনো  জীবনের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আমরা আজকে এই বিষয়ে কিছু প্রাথমিক তথ্য দিয়ে বাংলাভাষী পাঠকদের  এই বিষয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

মানুষ কেন অবৈধভাবে অস্ট্রেলিয়া যেতে চায়?

অবৈধ অভিবাসনের পেছনে মূলত কয়েকটি প্রধান কারণ কাজ করে:

উন্নত জীবনের হাতছানি: অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং উচ্চ মজুরির আশায় নিম্ন আয়ের দেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্য বদলাতে চায়।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত: যুদ্ধবিগ্রহ, জাতিগত নিপীড়ন বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে বাঁচতে অনেকে দেশ ছাড়েন।

ভুল তথ্য ও দালালের প্রতারণা: মানবপাচারকারী বা দালালরা অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে মিথ্যা এবং অতিরঞ্জিত রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে।

বৈধ ভিসার জটিলতা: অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আইন অত্যন্ত কঠোর। অনেকের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা বা আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তারা সহজ কিন্তু অবৈধ পথ বেছে নেন।

তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কারণ হলো, এখানকার মানুষের জনঘনত্ব, সামাজিক নিরাপত্তার অভাব, পরিশ্রমের কমমূল্য এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো সন্তানদের ভবিষ্যত নিরপত্তা। কারণ কেউ তাদের সন্তানকে অনিরাপদ পৃথিবীতে বেড়ে উঠতে দিতে চায় না। এখন কেন বাংলাদেশ এত অনিরাপদ সেটা নিয়ে অন্য লেখায় আলোচনা করা যাবে। এখানে তুলে ধরতে চাই যে কতটা অনিরাপদ এবং কেন মানুষ অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে যেতে চায়। গুগল এআই যে তথ্যগুলো বিভিন্ন পত্রিকা থেকে নিয়ে বিশ্লষণ করে দিয়েছে। সেগুলো নিন্মরুপ

লাদেশে প্রতিদিন গড়ে অপমৃত্যুর সংখ্যা বেশ উদ্বেগজনক, যার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে আত্মহত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা এবং খুন। ২০২৪-২৫ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০০ জনের বেশি মানুষ অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হচ্ছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর, রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন গবেষণার তথ্যমতে, অপমৃত্যুর দৈনিক গড় চিত্র নিচে দেওয়া হলো:
 আত্মহত্যা:: ২০২৩ সালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৬ জন আত্মহত্যা করেছেন । তবে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২০২৪ সাল পর্যন্ত গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ জন আত্মহত্যা করেছেন ।

সড়ক দূর্ঘটনা: ২০২৫ সালে বাংলাদেশে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৯,১১১ জন নিহত হয়েছেন।  এই সংখ্যা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। 

খুন: পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৩,৪৩২টি খুনের ঘটনা ঘটে। ২০২৫-এর তথ্য: ২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ২,৯১১টি হত্যা মামলা হয়েছে, যা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ জন খুন নির্দেশ করে। 

যদি আত্মহত্যা (৪০-৫৬), সড়ক দুর্ঘটনা (২৫) এবং খুন (১১)-এর মত প্রধান অস্বাভাবিক মৃত্যুর সংখ্যাগুলো একসাথে বিবেচনা করা হয়, তবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫ থেকে ৯০ জনের বেশি মানুষের অপমৃত্যু হচ্ছে (শুধুমাত্র এই তিনটি ক্যাটাগরি মিলিয়ে)। এছাড়া রয়েছে পুলিশ হেফাজনে মুত্যু ও নিয়োজ এর ঘটনা। বাংলাদেশে শুধুমাত্র ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১৯০০ মানুষ অভিযোগ করেছেন যে, আইন শৃংখলা বাহিনীর পরিচয়ে তাদের স্বজনদের তুলে নেয়া হয়েছে যারা আর ফিরে আসেনি। যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ১২শ এমন পরিবারকে সনাক্ত করেছেন তাদের হারিয়ে সদস্যের শেষ পরিণতি জানা গেছে।
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
গুগল এর এআই বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে,

বাংলাদেশে পুলিশ ও কারা হেফাজতে মৃত্যু এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোতে হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং অন্যান্য প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের ঘটনা ২০২৩-২০২৪ এবং এর আগের ২০২০-২০২২ সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
বচেয়ে বেশি হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটা বছরগুলোর চিত্র:

২০২৩-২০২৪ (উচ্চ ঝুঁকি):  আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে কারা হেফাজতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়, যেখানে ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬৫। ২০২৩ সালে পুলিশ হেফাজতে অন্তত ১৩ জন এবং ডিবি পুলিশের হেফাজতে ৩ জনের মৃত্যু হয়। মনে রাখতে হবে এখানে শুধু যাদের তথ্য জানা গেছে। প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশী হতে পারে।

২০২২: ২০২২ সালে ৪৪ জনের বেশি মানুষ পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মারা গেছে বলে একাধিক গোয়েন্দা তথ্য ও মানবাধিকার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে । এরমধ্যে যারা গুম হয়েছে কিন্তু তাদের লাশ খুঁজে পায়নি। তাদের কথা নিশ্চই হিসেবে ধরা হয়নি। পরিবার হয়তো তাদের ফেরার অপেক্ষায় ছিল। এই অপেক্ষমান তালিকার কিছু লোক আয়নাঘরে থাকলেও বাকীদের ভাগ্যে কিন্তুু মৃত্যই জুটেছে। 

এবার আসি ঘনত্বে,  যেকেউ হিসেব করে দেখতে পারেন, বাংলাদেশের ঘনত্ব অনুসারে পৃথিবীর সব মানুষকে যদি আমেরিকায় পূণবাসন বা সেটেল করা হয়। তাহলে সেখানকার ৩৬% জায়গা খালি থেকে যাবে। এমনকি যদি এই হিসেব থেকে আলাস্কাকে বাদ দেয়া হয় তাতেও আরো ২২% জায়গা খালি থাকবে। তাহলে ব্যাপারটা বোঝা যায় বাংলাদেশের মানুষ কি বাস্তবতায় বসবাস করে?

আমি এই বিষয়টি এজন্য আলোকপাত করেছি যে, সারাবিশ্বে হয়তো মানুষ ভাবে বাংলাদেশের মানুষ কেন এত ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে বিদেশ যেতে চায়। এটাকি তাদের অনিয়ম প্রবলণতা নাকি নেহায়েত বোকামি?

কি কি উপায়ে মানুষ অবৈধভাবে অষ্ট্রেলিয়ায় যায়?

সাধারণত দুটি প্রধান উপায়ে মানুষ অবৈধভাবে অস্ট্রেলিয়া প্রবেশের চেষ্টা করে:

সাগরপথে নৌকায়: ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়া থেকে ছোট ও জরাজীর্ণ নৌকায় করে দীর্ঘ বিপজ্জনক সমুদ্র পাড়ি দিয়ে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করা। এদের বেশীরভাগ ধরা পড়ে আবার অনেকে নৌকাডুবে প্রাণও হারায়। শুধু তাই নয় অনেক সময় দালালেরা তাদেরকে অস্ট্রেলিয়ার কথা বলে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াতে নিয়ে জিম্মি করে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। শুধু তাই নয়। এক দালাল টাকা আদায় করে অন্য দালালের কাছে বেচে দেয়। কাউকে আবার হত্যাও করা হয়। এই চক্করে কত পরিবার যে, নিস্ব ও সর্বশান্ত হয়েছে। তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

ভিসার শর্ত লঙ্ঘন: বৈধ পর্যটক (Tourist) বা ছাত্র ভিসায় অস্ট্রেলিয়া ঢুকে পরে আর দেশে না ফিরে সেখানে থেকে যাওয়া (Overstay)। এর মধ্যে ৩ ধরনের লোক রয়েছে। প্রথমত যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল তথ্য দিয়ে সেখানে যায় এবং গিয়ে থেকে যায়। আরেকধরনের লোক হলো তারা যাওয়ার পর তাদের লক্ষ্য বদল করে।

ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে থেকে গেলে সুবিধা ও অসুবিধা

অনেকে মনে করেন ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে থেকে যাওয়া সহজ, কিন্তু এর বাস্তবতা বেশ রূঢ়।

সুবিধা (সাময়িক):

প্রাথমিকভাবে দেশটিতে প্রবেশের একটি বৈধ সুযোগ পাওয়া যায়। শুরুতে কিছুদিন আত্মীয় বা পরিচিতদের সহায়তায় লুকিয়ে ছোটখাটো কাজ করা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু আসলে নিজ দেশে বা গরিব দেশে সম্মান ও বৈধতার চেয়ে ধনী দেশে অবৈধভাবে থাকা নিরাপদ ও গৌরবের হয় না। তাছাড়া তারা বৈধতার জন্য অপেক্ষ করতে করতে অনেক সময় চলে যায়। দেশে ভাই বোনের বিয়েতে আসেনা, মা বাবার মৃত্যুতে আসতে পারে না। স্ত্রী সন্তান থাকলে তাদের সাথে সুখ দু:খ বিনিময় করতে আসতে পারে না। সেজন্য অনেকে আবার কম বয়সে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে বলে। সেক্ষেত্রে আবার ধৈয্য ও মনোবল থাকে না।

অসুবিধা (দীর্ঘমেয়াদী):

অবৈধ স্ট্যাটাস: ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দিন থেকেই ব্যক্তি “Unlawful Non-citizen” হিসেবে গণ্য হন। যেকোনো সময় গ্রেপ্তার এবং বহিষ্কারের (Deportation) ঝুঁকি থাকে।

কাজের সীমাবদ্ধতা: বৈধ কাজের অনুমতি না থাকায় খুব কম বেতনে এবং অত্যন্ত পরিশ্রমের কাজ করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা অবৈধ কর্মীদের বেতন না দিয়ে ভয়ভীতি দেখান।

চিকিৎসা ও সরকারি সুবিধা: অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা (Medicare) বা অন্য কোনো সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না।

মানসিক চাপ: ধরা পড়ার ভয়ে সবসময় আত্মগোপন করে থাকতে হয়, যা প্রচণ্ড মানসিক উদ্বেগের সৃষ্টি করে।

তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা: যদি কেউ অবৈধভাবে থাকার পর ধরা পড়ে বা নিজে থেকে ফিরে যেতে চায়, তবে তাকে সাধারণত আগামী ৩ বছর অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

সাগরপাড়ি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কারণ ও ঝুঁকি

সাগরপাড়ি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টা করাকে পৃথিবীর অন্যতম বিপজ্জনক যাত্রা বলা হয়।

কেন মানুষ এই পথ বেছে নেয়?

যাদের কাছে কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা নেই, মূলত তারাই চরম হতাশায় পড়ে সমুদ্রপথ বেছে নেয়। তারা মনে করে অস্ট্রেলিয়ার জলসীমায় পৌঁছাতে পারলে তারা ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ (Asylum) পাবে।

ঝুঁকি কতটুকু?

প্রাণহানি: উত্তাল সমুদ্র এবং জরাজীর্ণ নৌকার কারণে পথিমধ্যে নৌকাডুবি হয়ে মৃত্যুর হার অত্যন্ত বেশি। গত কয়েক দশকে কয়েক হাজার মানুষ এই পথে সাগরে সলিল সমাধি লাভ করেছেন।

পাচারকারীদের নির্যাতন: মানবপাচারকারীরা নৌকায় গাদাগাদি করে মানুষ তোলে এবং মাঝপথে খাবার বা পানির সংকটে মানুষকে ফেলে যায়।

কঠোর আইন: অস্ট্রেলিয়া সরকার ‘Operation Sovereign Borders’ নামক কঠোর নীতি মেনে চলে। এর আওতায় সমুদ্রপথে আসা কোনো নৌকাকেই এখন আর অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে ঢুকতে দেওয়া হয় না।

গিয়ে পৌঁছার পরবর্তী ধাপগুলো কী কী?

যদি কেউ অলৌকিকভাবে সমুদ্রে বেঁচে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম হন, তবে বর্তমান আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হয়:

আটক ও শনাক্তকরণ: পৌঁছানোর সাথে সাথেই বর্ডার ফোর্স তাদের আটক করে এবং পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করে।

অফশোর প্রসেসিং (Offshore Processing): অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান নীতি অনুযায়ী, অবৈধভাবে আসা ব্যক্তিদের অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে রাখা হয় না। তাদের নাউরু (Nauru) বা পাপুয়া নিউ গিনির মতো ডিটেনশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আশ্রয় আবেদন যাচাই: সেখানে থাকাকালীন তাদের আশ্রয়ের আবেদন যাচাই করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি কয়েক বছর পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।

প্রত্যাবাসন: যদি প্রমান হয় যে সেই ব্যক্তি আসলেই বিপদে নেই বরং অর্থনৈতিক কারণে এসেছেন, তবে তাকে জোরপূর্বক তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

স্থায়ী বসবাসের সুযোগ নেই: বর্তমান আইনে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে আসা ব্যক্তিদের অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের কোনো সুযোগ