Steve Jobs (স্টিভ জবস)
- পরিচালক: ড্যানি বয়েল
- ইন্ডাস্ট্রি: হলিউড
- প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান: ইউনিভার্সাল পিকচার্স
- কাস্টিং:
- মাইকেল ফাসবেন্ডার (স্টিভ জবস)
- কেট উইন্সলেট (জোয়ানা হফম্যান)
- সেথ রোজেন (স্টিভ ওজনিয়াক)
- জেফ ড্যানিয়েলস (জন স্কালি)
- মাইকেল স্টুলবার্গ, ক্যাথরিন ওয়াটারস্টন
কাহিনীর সংক্ষেপ
চলচ্চিত্রটি তিনটি প্রধান প্রযুক্তি উন্মোচন–১৯৮৪ সালের ম্যাকিনটোশ, ১৯৮৮ সালের নেক্সট, এবং ১৯৯৮ সালের আইম্যাক–এই সময়কালকে কেন্দ্র করে নির্মিত। প্রতিটি সময়ের পটভূমিতে উঠে আসে স্টিভ জবসের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক, কন্যা লিসার সঙ্গে দূরত্ব, এবং পেশাগত চাপের মধ্যে তার দ্বিধা ও সংকট।
অভিনয় ও চরিত্রায়ণ
- মাইকেল ফাসবেন্ডার পুরো ছবিজুড়ে একজন আত্মবিশ্বাসী, অহংকারী, কিন্তু জেদি স্বপ্নদর্শী রূপে জবসকে রূপায়ণ করেছেন।
- কেট উইন্সলেট একজন সহানুভূতিশীল ও বাস্তববাদী চরিত্র ‘জোয়ানা হফম্যান’ হয়ে জবসের নৈতিক আয়না হিসেবে কাজ করেছেন।
- সেথ রোজেন ওজনিয়াক চরিত্রে সংযত ও আবেগময় সংলাপে উজ্জ্বল।
চিত্রনাট্য ও সংলাপ
- অ্যারন সরকিনের লেখা স্ক্রিপ্ট গতি ও যুক্তির দারুণ মিশেল।
- সংলাপগুলো নাটকীয় এবং ঘন, যা চরিত্রের গভীরতা প্রকাশ করে।
- নিউ ইয়র্ক টাইমস বলেছিল: “This is a film more about language than legacy.”
কারিগরি দিক
- সম্পাদনা: তিনটি সময়কাল নিখুঁতভাবে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- আলোকসজ্জা ও ক্যামেরা: প্রতিটি সময়কে আলাদা আবহে তুলে ধরেছে।
- সাউন্ড ডিজাইন: থেমে থেমে অনুরণিত আবহ সংগীত চরিত্রের মনস্তত্ত্ব তুলে ধরে।
দুর্বলতা
- প্রচুর সংলাপনির্ভর হওয়ায় অনেক দর্শকের কাছে ‘জটিল’ বা ‘ক্লান্তিকর’ মনে হতে পারে।
- অ্যাপল বা প্রযুক্তি সম্পর্কে আগ্রহ না থাকলে সংলাপের বহু অংশ অর্থহীন মনে হতে পারে।
- চরিত্রের অতীতের বহু ঘটনা অনুপস্থিত থাকায় কিছুটা অসম্পূর্ণতা রয়ে যায়।
শিক্ষণীয় দিক
- সাফল্য মানেই ভালো মানুষ হওয়া নয়; পথ কঠিন, তবু নিজের আদর্শে অটল থাকাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
- সম্পর্ক ও স্বপ্নের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে না পারলে সাফল্য অসম্পূর্ণ থাকে।
- স্টিভ জবস যেমন বলেছিলেন, “It’s not binary. You can be decent and gifted at the same time. Or neither.”
এই সিনেমা যুক্তিতে স্পর্শ করে। সস্তা আবেগ দেখিয়ে চোখে জল আনার চেষ্টা নেই—বরং প্রশ্ন তোলে, চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। যারা মনস্তাত্ত্বিক গঠন, ব্যতিক্রমী গল্প ও চমৎকার অভিনয়ের ছবি খোঁজেন, তাঁদের জন্য এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
তথ্য: ইন্টারনেট, সম্পাদনা: এআই, ছবি: PhotoFunia

