সাম্প্রতিক ইস্যু: মিরশ্বরাই ভারতীয় ইকোনমিক জোনকে সামরিক ইকোনমিক জোন ঘোষণা করা।
মিরশ্বরাই ইকোনমিক জোন (বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকা) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলগুলোর একটি। এটি একদিকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও গভীর সমুদ্রপথের কাছে, অন্যদিকে ভারত সীমান্ত (ত্রিপুরা দিক) থেকে কমবেশী ২০ কিমি দূরে, এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম করিডোরের ওপর অবস্থিত। অর্থাৎ এটি একসাথে অর্থনৈতিক করিডোর + উপকূলীয় অঞ্চল + সীমান্তসংলগ্ন এলাকা — যা এটিকে বানায় অত্যন্ত সম্ভাবনাময়, আবার অত্যন্ত সংবেদনশীল।
মিরশ্বরাই ইকোনমিক জোনে অন্য সরকার বিদেশী কোম্পানীকে অসম চুক্তিতে জমি দিয়েছে। তাতে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল ১০০%। এইপ্রক্রিয়া দেশের চিকেন নেক এর গলা কেটে শুধু চামড়াটা ঝুলিয়ে রাখল। সীমান্তের ৫ মিনিটের দূরত্বে তথা অন্যদেশের পকেটের মধ্যে আপনি আপনার দেশের সামরিক ড্রোন ফ্যাক্টরী বানানোর সিদ্ধান্ত কি ঝূকিপূর্ণ নয়? আসুন আমরা বিষয়টি ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করি।
ইকোনমিক জোন এর সুবিধা ও অসুবিধা
সুবিধা
১. ট্রানজিট ও লজিস্টিক শক্তি
- সমুদ্রবন্দর + মহাসড়ক + রেল — তিনটাই কাছে
- রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য আদর্শ
২. আঞ্চলিক বাণিজ্য হাব হওয়ার সুযোগ
- ভারত (বিশেষত উত্তর-পূর্ব), নেপাল, ভুটানে পণ্য সরবরাহের গেটওয়ে হতে পারে
- BIMSTEC করিডোরে বড় ভূমিকা
৩. কর্মসংস্থান ও নগরায়ণ
- পরিকল্পিত শিল্পশহর গড়ে উঠলে ঢাকা নির্ভরতা কমবে
৪. কৌশলগত শিল্প বসানোর সুযোগ
- জাহাজ নির্মাণ, ভারী শিল্প, জ্বালানি, ইঞ্জিনিয়ারিং—এসব বড় জায়গা চায়, যা এখানে সম্ভব
অসুবিধা / ঝুঁকি
১. সীমান্তের নিকটতা
- যুদ্ধ না হলেও সংকটকালে প্রথম সারির টার্গেট হতে পারে
- গোয়েন্দা নজরদারির ঝুঁকি বেশি
২. উপকূলীয় দুর্বলতা
- সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা
- জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রপৃষ্ঠ উঁচু হলে শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
৩. অতিরিক্ত ঘন শিল্পায়ন
- পরিবেশ ধ্বংস + জনসংখ্যা চাপ + নিরাপত্তা জটিলতা
ভারতীয় কোম্পানি / ভারত–সম্পর্কিত শিল্প স্থাপন: সম্ভাবনা ও ঝুঁকি
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, এখানে মনে রাখতে হবে কোম্পানি ভারতীয় হওয়া বা প্রতিবেশী দেশের শিল্প হওয়া আপাত দৃষ্টিতে ইতিবাচক। কিন্তু মনে রাখতে হবে এর বিনিময়ে একই শর্তে ভারতীয় ভূখন্ডে বাংলাদেশের একটি কৃষি প্রকল্প হলেও থাকতে পারতো। সবচেয়ে ভাল হয় ভারতেও বাংলাদেশের এমন শিল্প প্রকল্প থাকবে প্রায় একই এলাকায়। হয়তো শিল্পগুলোর মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন ভারতে হতো সিমেন্ট কারখানা বাংলাদেশে হতো জাহাজ কারখানা। তাহলে বিষয়টা সমস্বার্থের ও সমতার হতো।
কিন্তু তা না হয়ে ব্যাপারটা অনেকগুলো সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। যেমন-
ক) ভারতে বর্তমানে হিন্দুত্ববাদী এবং মুসলিম বিদ্বেষী মোদি সরকার। এই মোদি হাজার হাজার মুসলিম হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত এবং বর্তমানেও মুসলিম হত্যা চালাচ্ছে তার দল।
খ) শুধু মুসলিম নয় ভারতের অন্যান্য রাজ্য বিশেষ করে বিজেপী সরকার বাঙালী ও বাংলাদেশী বিদ্বেষীও বটে। তারা বাঙালীদের নাগরিকত্ব বাতিল করে বাংলাদেশে পাঠাতে চাচ্ছে আবার বাংলাদেশী সন্দেহে প্রতিনিয়ত ভারতীয় বাঙালীদের হত্যা করছে।
গ) বাংলাদেশের পলাতক আসামীদের তারা আশ্রয় দেয় এবং ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী কাজ ও অপরাধ সংগঠনের সুযোগ করে দেয়। যা স্পষ্টত বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরাতার অংশ।
ঘ) সারাবছর ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা বাংলাদেশীদের সীমান্তে গুলি করে হত্যা করে। সীমান্তে অবৈধ পারাপার ২ দেশের নাগরিক করলেও মারা যায় শুধু বাংলাদেশের মানুষ। যা কোনো বন্ধু প্রতীম রাষ্ট্রের নমূনাতো নয়ই। বরং এটাকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে অমানবিক সীমান্ত।
ঙ) মিরশ্বরাইতে যে আদানী গ্রুপকে জমি দেয়া হয়েছে। তারা আবার রাজনৈতিকভাবে বিজেপির ঘনিষ্ঠ এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক। সূতরাং এখানেও ঝুঁকির ব্যাপারটা বোঝা যায়।
চ) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ হলে কি হবে সে প্রসঙ্গ বাদ দিলেও আমাদের মনে রাখতে হবে। ভারতের উগ্র গোষ্ঠী এবং গোদি মিডিয়া এলাকা নিয়ে আগ্রাসী বক্তব্য দেয়। তারা বলতে চায় এই এলাকাটি বাংলাদেশের চিকেন নেক তাই এটি দখল করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর আলাদা করা হলে বাংলাদেশকে দখল করা সহজ হবে।
এই অবস্থায় এখানে ভারতীয় কোম্পানীকে জমি দেয়া মানে চিকেন নেক অর্ধেক দখলে দেয়ার শামিল। এটা হাই–রিস্ক জিওপলিটিকাল সিনারিও। তবুও আমরা নিরপেক্ষভাবে এর সুবিধা ও অসুবিধা তুলে ধরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরতে চাই।
সম্ভাব্য সুবিধা
১. ভারতের “সেভেন সিস্টার্স” (উত্তর–পূর্ব রাজ্যগুলো) বাজার
- ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়—এগুলোতে পণ্য পাঠাতে খরচ কম
- বাংলাদেশ হয়ে গেলে পরিবহন দূরত্ব কমে তাদের জন্য।
- ভারতীয় বিনিয়োগ হলে হয়তো ভারত তাদের জন্য ট্যাক্স সুবিধাও দেবে।
২. আঞ্চলিক সাপ্লাই চেইন
- ভারতীয় কাঁচামাল → বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত → সমুদ্রপথে রপ্তানি
- দুই দেশের শিল্প একে অন্যের উপর নির্ভরশীল হলে যুদ্ধ সম্ভাবনা কমেও যেতে পারে
বড় ঝুঁকি
১. অর্থনৈতিক নির্ভরতা → কৌশলগত চাপ
যদি শিল্পাঞ্চলের বড় অংশ ভারতীয় নিয়ন্ত্রণে যায়:
- সংকটকালে তারা প্রভাব খাটাতে পারে
- সরবরাহ বন্ধ, শ্রমিক সরানো, বিনিয়োগ প্রত্যাহার—এসব হতে পারে চাপের হাতিয়ার
২. গোয়েন্দা ও নজরদারি ঝুঁকি
- সীমান্তের কাছে বড় বিদেশি শিল্প = সেনা চলাচল, অবকাঠামো, জ্বালানি স্থাপনা পর্যবেক্ষণের সুযোগ
- শ্রমিকের নামে সৈন্য সমাবেশ করাও তাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে।
৩. “চিকেন নেক” ধরনের উগ্র রাজনৈতিক বক্তব্য
যদিও বাস্তবে দখল করা খুব কঠিন — কারণ: আন্তর্জাতিক আইন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কিন্তু মনে রাখতে হবে কৌশলগত প্রভাব দখলের চেয়ে কম খারাপ নয়। কারণ দখল হলে আপনি প্রতিরোধ প্রতিবাদ করতে পারবেন। কিন্তু দখল ছাড়া চুক্তি বা এক ধরনের অনুমতির মাধ্যমে আপনার ভূমি তাদের হাতে গেলে কার্যত কিছু করার থাকবেনা এবং করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
পরিস্থিতিটা এক ধরনের হাইব্রিড যুদ্ধ অবস্থা তৈরী করার দিকে যাচ্ছিল। (অর্থনৈতিক চাপ, ভেতরের অস্থিরতা উস্কানি, তথ্যযুদ্ধ) — এগুলোর ঝুঁকি বাড়ে। কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে পিলখানা হত্যাকান্ডের সময় আমাদের সেনাবাহিনী দেশের রাজধানীর ভেতরে নিজেদের লোকদেরকে উদ্ধার করার সাহস পায়নি। ভারতীয় বাহিনীর হামলার ভয়ে, যেটা সে সময়ের সেনাপ্রধান নিজে বলেছেন। সেখানে ওখানে ভারতীয় শিল্প, স্থাপনা, যন্ত্র, মানব, এক্সেস, দখলিত্ব সব বহাল থাকলে বাংলাদেশ নিরাপত্তার দিক থেকে দূর্বল হয়ে যাবে। এবং পরবর্তীতে ভারতীয় নানাবিধ চাপের মুখে পড়ে যাবে। আর নিরাপত্তার কারণে চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মাধ্যমে শুধু চিকেন নেক বা চট্ট্রগাম ফেণী নয় পুরো দেশ ভারতের অলিখিত দখলে থাকবে। তাই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
ঠিক একই কারণে সেখান থেকে ভারতীয় অর্থনৈতিক জোন বা আদানী গ্রুপের জন্য বরাদ্ধকৃত জমি যেকোনো মূল্যে প্রত্যাহার করতে হবে। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল বটে। কিন্তু সেখানে ‘‘সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা কতটা সঠিক এবার তা নিয়ে বিশ্লেষণ করতে চাই।
সীমান্তের ১৫ মিনিট দূরে সামরিক শিল্পাঞ্চল – কতটা নিরাপদ?
সামরিক শিল্প মানে সেখানে সামরিক সরঞ্জাম তৈরী হবে। আপনি বিদেশী সীমান্তের কাছে কেন সামরিক সরঞ্জাম শিল্প বানাবেন। আপনার মনে রাখা উচিৎ
ক) ১৯৭১ সালে ভারত স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশকে মাত্র কয়েকদিন সরাসরি সহযোগিতা করার পর তারা পাকিস্তানীদের সকল অস্ত্র এমনকি শহর বন্দরেও ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে।
খ) কিছুদিন পর পর ভারতের বিভিন্ন গোষ্ঠি বাংলাদেশকে ক্রমাগত হুমকি দেয়।
গ) ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা প্রায় সময় বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশের জমি থেকে ফসল কেটে নিয়ে যায়, গরু ছাগল ধরে নিয়ে যায় এমনকি মানুষ ধরে নিয়ে হত্যা করার ঘটনাতো নিয়মিতই ঘটছে। পত্রিকা খুললে বা গুগলে সার্চ দিলে এসব তথ্য পাওয়া যাবে।
ঘ) যে এলাকায় এই জোন। সেখানে খোদ ফেনী নদী থেকে আন্তজাতিক নিয়মের লংঘন করে পানি তুলে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
ঙ) অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রয়োজন থাকলেও ভারতে বাংলাদেশীদের কাজ করা, বিনিয়োগ করা ও জমি কেনার কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে ভারতীয়দের বাংলাদেশে সব সুযোগ আছে। এমন অসম সুবিধা বন্ধুত্বের বার্তা বহন করে না।
চ) বর্তমানে নতুন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে বাংলাদেশীদের ভিসা না দেয়া, হেনস্থা করা এবং ভারতীয় মিডিয়াতে বাংলাদেশ বিরোধী মিথ্যা প্রচারণা।
এই অবস্থায় ঝুঁকি
স্বাভাবিক অবস্থার ঝুঁকি
১. গোয়েন্দা নজরদারী ও শক্তিবৃদ্ধি
২. কৌশলগত দখল
৩. স্পর্শকাতর স্থান বিদেশের দখলে থাকায় যেকোনো বিষয়ে দরকষাকষির সুযোগ কমে যাওয়া।
স্পর্শকাতর অবস্থার ঝুঁকি
১. ভারত দ্রুত সীমান্তে সেনা মোতায়েন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারবে।
২. গোয়েন্দা তথ্য থাকার কারণে প্রতিগ্রহণমুলক পদক্ষেপ সহজ হয়ে যাবে।
৩. পরিস্থিতি খারাপ সামরিক সরঞ্জাম জোন দখল করা সহজ হবে।
৪. অল্প কিছু সময়ও যদি দখলে রাখতে পারে সরঞ্জাম সরাসরি সীমান্ত দিয়ে লুটে নিয়ে যেতে পারে।
৫. দূরত্ব কম হওয়ার কারণে কাজটি এমনভাবে করা সম্ভব। রাতের আধাঁরে লুট করে নিয়ে গেলে প্রমাণও রাখা যাবে না।
শিল্প + সামরিক + লোকালয় = বড় মানবিক ঝুঁকিতো রয়েছে। এখন বলা হতে পারে এখানে অন্যান্য দেশের প্রকল্প থাকবে তাই ভারত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারবেনা। কিন্তু মনে রাখতে হবে সব সময় একই পরিস্থিতি নাও থাকতে পারে।
সরকার শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স, আন্ডারগ্রাউন্ড বা হার্ডেনড স্ট্রাকচার সাথে ডিকয় ও ছদ্ম অবকাঠামো দিয়ে নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে পারে। কিন্তু মনে রাখতে হবে সীমান্তের নৈকট্যের কাছে এসব ব্যবস্থা খুব বেশী কার্যকর হবে না।
আমার ব্যক্তিগত প্রস্তাব হলো আন্তজাতিক সামরিক মহড়া বা প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন। আসুন সেটাতে কি সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে সেগুলো আলোচনা করা যাক।
আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হলে
সুবিধা
১. কৌশলগত গুরুত্ব বাড়বে
- বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা খেলোয়াড় হিসেবে উঠে আসবে
- বিভিন্ন বন্ধুপ্রতীম দেশের সেনারা সারা বছর এখানে অবস্থান করবে।
- একই জায়গায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে।
- যখন বিদেশী সেনারা থাকবেনা তখন দেশীয় সেনা, পুলিশ, প্যারামিলিটারী ও সাধারণ নাগরিকদেরও কিছু প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে।
- রানওয়ে, বন্দর, যোগাযোগ—সব উন্নত হবে
অসুবিধা
- এক পক্ষের সাথে বেশি মহড়া হলে অন্য পক্ষের সন্দেহ হবে। কিন্তু এটা আসলে সবক্ষেত্রেই হবে এবং এখানে সবকিছুতে স্বচ্চতা, নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা থাকলে তা কোনো বড় সমস্যা নয়।
- সামরিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা, গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, শব্দ দূষণ, জলদূষণ এর মতো সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা বাংলাদেশের সব জায়গায় হতে পারে। কারণ পুরো বাংলাদেশ লোকালয়। এখানে খালি জায়গা এবং একদিকে সমূদ্র হওয়াতে অন্য এলাকার চেয়ে বেশী নিরাপদ।
- আন্তর্জাতিক সামরিক কেন্দ্র হলে শত্রুপক্ষের নজরে থাকবে। এটা খুব স্বাভাবিক সেটা সব ক্ষেত্রে থাকবে। তবুও একটা আন্তজাতিক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মালিক হওয়া জরুরী।
তবে
বাংলাদেশের প্রয়োজন বিবেচনায় এখানে
কৌশলগতভাবে সহায়ক এমন প্রকল্পও হতে পারে, যেমন জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত. ভারী ইঞ্জিনিয়ারিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম, রেল/বন্দর সরঞ্জাম উৎপাদন, ডুয়াল-ইউজ প্রযুক্তি (বেসামরিক + প্রতিরক্ষা), পুরোপুরি বিদেশি নিয়ন্ত্রণে না দিয়ে, যৌথ উদ্যোগ, বাংলাদেশি মালিকানার প্রাধান্য, নিরাপত্তা স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক থাকবে।
ভৌগলিক ও জলবায়ু বিবেচনায় এটাকে দক্ষিণ এশিয়ার শিল্প-লজিস্টিক হাব ও বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্য ক
