প্রশ্নোত্তরে এনএসডিএ এর কতৃপক্ষের অধীনে এসটিপি অনুমোদন
বাংলাদেশের STP বলতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) কর্তৃক নিবন্ধিত বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে বোঝায়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি নীতিমালা মেনে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে এনএসডিএ-র অধীনে নিবন্ধিত বা STP হতে হলে নির্দিষ্ট কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
এ সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যায় না। তাই যারা আবেদন করবেন তাদের জন্য প্রশ্নোত্তরের আলোকে বিষয়টি তুলে থরা হলো। প্রশ্নোত্তরে যাওয়ার আগে প্রাথমিক তথ্য শেয়ার করা যাক। দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী (এসটিপি) রেজিস্ট্রেশন নির্দেশিকা, ২০২৪ (পরিমার্জিত-২০২৩)” এটি তৈরী করা হয়েছে। তাই নির্দেশিকার নাম্বারগুলো পাশে লিখে দেয়া হয়েছে।
১. নির্দেশিকার নাম ও লক্ষ্য: এই নির্দেশিকাটি “দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী (এসটিপি) রেজিস্ট্রেশন নির্দেশিকা, ২০২৪ (পরিমার্জিত-২০২৩)” নামে পরিচিত [২]। এর মূল লক্ষ্য হলো দক্ষতা প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করা, প্রশিক্ষণের জন্য একটি জাতীয় মানদণ্ড (BNQF) বজায় রাখা এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা [৩, ৫]।
২. রেজিস্ট্রেশনের ধরন: এসটিপি রেজিস্ট্রেশন মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে:
- স্থায়ী রেজিস্ট্রেশন: সাধারণ প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য [৯]।
- অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন: নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা বিশেষ প্রয়োজনে [৯]। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি, এনজিও এবং ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হয় [১০]।
৩. আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্তাবলি: একটি প্রতিষ্ঠানকে এসটিপি হিসেবে নিবন্ধিত হতে হলে নিম্নলিখিত ভৌত অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে:
- অবকাঠামো: পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হবে যেখানে শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব বা ওয়ার্কশপ, অফিস কক্ষ, লাইব্রেরি এবং টয়লেট সুবিধা বিদ্যমান [১২]।
- সরঞ্জাম: সংশ্লিষ্ট ট্রেডের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও টুলস থাকতে হবে [১৩]।
- জনবল: প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য দক্ষ এবং সার্টিফাইড ট্রেইনার (CBT&A লেভেল-৪ সম্পন্ন) থাকতে হবে [১৫]।
- আর্থিক সচ্ছলতা: প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা থাকতে হবে [৫]।
৪. আবেদন প্রক্রিয়া:
- অনলাইন আবেদন: রেজিস্ট্রেশনের জন্য ন্যাশনাল স্কিলস পোর্টালের (www.skillsportal.gov.bd) মাধ্যমে আবেদন করতে হয় [১৭]।
- পরিদর্শন: আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যাচাই করবেন [১৮]।
৫. রেজিস্ট্রেশন ফি: রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত ফি নিম্নরূপ:
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/এনজিও: নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা এবং নবায়নের জন্য ১,০০০ টাকা [১৬, ১৭]।
- সরকারি/আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান: নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা এবং নবায়নের জন্য ১,০০০ টাকা [১৬]।
৬. রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ ও নবায়ন:
- রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ সাধারণত ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত থাকে [২০]।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৩ মাস আগে নবায়নের জন্য আবেদন করতে হয় [২২]।
৭. অন্যান্য নিয়মাবলি:
- প্রশিক্ষণ অবশ্যই বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (BNQF) লেভেল ১ এবং ২ অনুযায়ী হতে হবে [৪]।
- প্রতিষ্ঠানের নাম বা মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ও প্রয়োজনীয় ফি প্রদান করতে হবে [২২]।
- যদি কোনো প্রতিষ্ঠান নির্দেশিকা পালনে ব্যর্থ হয়, তবে কর্তৃপক্ষ তার রেজিস্ট্রেশন স্থগিত বা বাতিল করতে পারে [২৪, ২৫]।
অস্থায়ী ও স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো কী কী?
উৎস অনুসারে, স্থায়ী (Standard) এবং অস্থায়ী (Provisional) রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- সংজ্ঞা ও প্রকৃতি:
- স্থায়ী প্রশিক্ষণ রেজিস্ট্রেশন: এটি সাধারণত নিয়মিত দক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রদান করা হয় [৯]।
- অস্থায়ী বা প্রভিশনাল রেজিস্ট্রেশন: এটি মূলত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা বিশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে (যেমন নতুন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে) প্রদান করা হয় [৯, ১৭]।
- রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ:
- স্থায়ী বা সাধারণ রেজিস্ট্রেশন: এই রেজিস্ট্রেশন সাধারণত ৩ (তিন) বছর মেয়াদের জন্য প্রদান করা হয় [১৬, ২০]।
- অস্থায়ী বা প্রভিশনাল রেজিস্ট্রেশন: এটি সাধারণত মাত্র ১ (এক) বছর মেয়াদের জন্য দেওয়া হয় [১৬, ১৭]।
- শর্তাবলি ও যোগ্যতা:
- স্থায়ী রেজিস্ট্রেশন: এই ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত সকল ভৌত অবকাঠামো (যেমন: নিজস্ব বা ভাড়ায় নেওয়া পর্যাপ্ত জায়গা, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব, অফিস), প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (টুলস ও ইকুইপমেন্ট) এবং সার্টিফাইড ট্রেইনার (CBT&A লেভেল-৪ সম্পন্ন) থাকা বাধ্যতামূলক [১২, ১৩, ১৫]।
- অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন: যেসব প্রতিষ্ঠান স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের সকল শর্ত এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ করতে পারেনি কিন্তু প্রশিক্ষণের সক্ষমতা রাখে, তাদের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই রেজিস্ট্রেশন বিবেচনা করা হতে পারে [৯, ১৭]।
- নবায়ন ও পরিবর্তন:
- স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩ মাস আগে নবায়নের আবেদন করতে হয় [২০, ২২]।
- অস্থায়ী বা প্রভিশনাল রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করে স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করতে হয় [১৭]।
মূলত, স্থায়িত্ব এবং মেয়াদের দিক থেকেই এই দুই ধরনের রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য বিদ্যমান [৯, ১৬, ১৭]।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামোর বিস্তারিত তালিকা কী?
উৎস অনুসারে, একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী (এসটিপি) হিসেবে নিবন্ধনের জন্য নিম্নলিখিত ভৌত অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা থাকা আবশ্যক:
১. মূল কক্ষ ও স্থানসমূহ: প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হবে এবং এতে নিচের কক্ষগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে [১২]:
- শ্রেণিকক্ষ: সাধারণ পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণিকক্ষ।
- ল্যাব বা ওয়ার্কশপ: সংশ্লিষ্ট ট্রেড বা কোর্সের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারিত ল্যাবরেটরি বা ওয়ার্কশপ।
- অফিস কক্ষ: প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অফিস রুম।
- লাইব্রেরি: প্রশিক্ষণার্থী ও প্রশিক্ষকদের ব্যবহারের জন্য লাইব্রেরি সুবিধা।
২. প্রয়োজনীয় জায়গা (ন্যূনতম): প্রতিষ্ঠানের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মেঝের মোট আয়তন নিম্নরূপ হতে হবে [১৬]:
- মেট্রোপলিটন এলাকা: ন্যূনতম ৩,০০০ (তিন হাজার) বর্গফুট।
- মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে: ন্যূনতম ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) বর্গফুট।
৩. স্যানিটেশন ও বিশেষ সুবিধা:
- টয়লেট সুবিধা: পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক এবং স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট থাকতে হবে [১২]।
- বিশেষ সুবিধা: মহিলা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ সুবিধা বা পৃথক ব্যবস্থার নিশ্চয়তা থাকতে হবে [১২]।
৪. সরঞ্জাম ও উপকরণ:
- টুলস ও ইকুইপমেন্ট: সংশ্লিষ্ট কোর্সের জন্য অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম থাকতে হবে [১৩]।
- প্রশিক্ষণ উপকরণ: মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, হোয়াইট বোর্ড এবং পর্যাপ্ত আসবাবপত্র (টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি) থাকতে হবে [১৪]।
৫. নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি:
- অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা: অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (Fire Extinguisher) এবং বালতিসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকতে হবে [১৪]।
- প্রাথমিক চিকিৎসা: জরুরি প্রয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামসহ ফার্স্ট এইড বক্স (First Aid Box) থাকতে হবে [১৪]।
- পরিবেশ: পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে [১২]।
নিবন্ধনের আবেদনের পর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন করে এই অবকাঠামোগত সুবিধাগুলো যাচাই করবেন [১৮]।
ট্রেইনারদের জন্য CBT&A লেভেল-৪ সার্টিফিকেশন থাকা কি বাধ্যতামূলক?
হ্যাঁ, দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী (এসটিপি) হিসেবে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ট্রেইনারদের জন্য CBT&A লেভেল-৪ (Methodology) সার্টিফিকেশন থাকা বাধ্যতামূলক [১৫]।
উৎস অনুসারে, ট্রেইনার বা ইন্সট্রাক্টরদের যোগ্যতার বিষয়ে নির্ধারিত নিয়মগুলো হলো:
- আবশ্যিক যোগ্যতা: ট্রেইনারদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সাবজেক্টে NTVQF লেভেল-৪ সার্টিফিকেটধারী হতে হবে এবং এর পাশাপাশি CBT&A লেভেল-৪ (Methodology) সম্পন্ন করতে হবে [১৫]।
- প্রয়োজনীয় সংখ্যা: প্রতিটি ট্রেড বা কোর্সের প্রশিক্ষণের জন্য কমপক্ষে ২ (দুই) জন করে ট্রেইনার থাকতে হবে [১৫]।
- অন্যান্য শর্ত: ট্রেইনারদের কারিগরি দক্ষতা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা/গ্রাজুয়েশন থাকার পাশাপাশি এই বিশেষ পেডাগোজি বা মেথডোলজি সার্টিফিকেট থাকা নিবন্ধনের জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত [১৫]।
এই সার্টিফিকেশন নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান এবং CBT&A পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয় [৩, ৯]।
প্রশিক্ষকদের জন্য ন্যূনতম কী ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা সার্টিফিকেশন প্রয়োজন?
উৎস অনুসারে, একজন প্রশিক্ষক বা ইন্সট্রাক্টরের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশনগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতক (Graduation) বা ডিপ্লোমা অথবা সমমানের কারিগরি বা পেশাদার ডিগ্রি থাকতে হবে [১৫]।
- শিল্পখাতে অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে অন্তত ৫ (পাঁচ) বছরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক [১৫]।
- কারিগরি সার্টিফিকেশন: প্রশিক্ষককে সংশ্লিষ্ট ট্রেড বা বিষয়ে অবশ্যই NTVQF লেভেল-৪ সার্টিফিকেটধারী হতে হবে [১৫]।
- মেথডোলজি সার্টিফিকেশন: প্রতিটি ট্রেডের বা কোর্সের জন্য নিযুক্ত প্রশিক্ষকদের মধ্যে অন্তত ২ (দুই) জনের CBT&A লেভেল-৪ (Methodology) সার্টিফিকেশন থাকা বাধ্যতামূলক [১৫]।
- প্রশিক্ষকের সংখ্যা: প্রতিটি ট্রেড বা কোর্সের সঠিক পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অন্তত ২ (দুই) জন করে ট্রেইনার বা ইন্সট্রাক্টর থাকা প্রয়োজন [১৫]।
মূলত, এই যোগ্যতাগুলো নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান এবং দক্ষতার সঠিক মূল্যায়ন (Assessment) বজায় রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে [৩, ১৫]।
অনলাইনে আবেদনের সময় কী কী নথিপত্র আপলোড করতে হবে?
উৎস অনুসারে, ন্যাশনাল স্কিলস পোর্টালের (www.skillsportal.gov.bd) মাধ্যমে অনলাইনে আবেদনের সময় যে সকল তথ্য ও নথিপত্র (Documents) আপলোড বা প্রদান করতে হবে, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তথ্য ও নথিপত্র:
- প্রতিষ্ঠানের ধরন (সরকারি/বেসরকারি/এনজিও/ইন্ডাস্ট্রি) অনুযায়ী নিবন্ধনের প্রমাণপত্র বা বৈধ দলিলাদি [১০, ১৮]।
- প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা এবং যোগাযোগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য [১৭]।
২. ভৌত অবকাঠামো সংক্রান্ত তথ্য:
- মেঝের আয়তন: প্রতিষ্ঠানের মোট আয়তনের প্রমাণ (মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩,০০০ এবং বাইরে ৫,০০০ বর্গফুট) [১৬]।
- কক্ষসমূহের বিবরণ: শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব বা ওয়ার্কশপ, অফিস কক্ষ, লাইব্রেরি এবং টয়লেটের বিবরণ ও ছবি [১২]।
৩. সরঞ্জাম ও উপকরণের তালিকা:
- যন্ত্রপাতির তালিকা: সংশ্লিষ্ট ট্রেড বা কোর্সের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদিত যন্ত্রপাতি বা টুলসের (Tools & Equipment) তালিকা [১৩]।
- প্রশিক্ষণ উপকরণ: মাল্টিমিডিয়া, হোয়াইট বোর্ড এবং আসবাবপত্রের বিবরণ [১৪]।
৪. প্রশিক্ষকদের (Trainers) নথিপত্র:
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রশিক্ষকদের স্নাতক বা ডিপ্লোমা পাশের সনদ [১৫]।
- অভিজ্ঞতার সনদ: সং