প্রশংসিত বাংলাদেশীগণ
২০১৭ সালের প্রশংসিত বাংলাদেশীগণ। যাদের মধ্যে অনেক প্রবাসীও রয়েছেন।

প্রশংসিত বাংলাদেশীগণ: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ২০১৭

প্রশংসিত বাংলাদেশীগণ: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ২০১৭

নিজের কাজে সফল ৪০ বাংলাদেশী একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। গত ৪ মার্চ ২০১৭ দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর বিশেষ সংখ্যায় সমাজ ও পেশাগত কাজে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন এমন ৪০ জন বাংলাদেশীকে নিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। এর মধে রয়েছেন- ব্রিটিশএমপি রোশনারা আলী, সালমান একাডেমীর সালমান খান, ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা জাওয়াদ করীম, ব্যরিস্টার সারা হোসেন, অপেরা শিল্পী মনিকা ইউনুস, ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ড. নীনা আহমেদ, কর্নেল নাজমা বেগম, গলফ খেলোয়াড সিদ্দিকুর রহমান, সাতশৃঙ্গ বিজয়ী ওয়াসফিয়া নাজনীন।

পুরো প্রতিবেদন এর চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।

  • ডাশাফি আহমেদ: বাঙালি সার্জনের ভার্চুয়াল চমক : বাঙালি সার্জন ডা. শাফি আহমেদ গুগল গ্লাস ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার সম্প্রচার ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের পারসন অব দ্য ইয়ার সম্মানে ভূষিত হন।
  • শাহনাজপারভীন : নিজের পেশায় অনবদ্য ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু ও প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা অর্জনে অবদান রাখায় বিশ্বসেরা শিক্ষক-২০১৭ (গ্লোবাল টিচার প্রাইজ) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহনাজ পারভীন।
  • পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার : পুলিশ সপ্তাহ প্যারেডে প্রথম নারী হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাস গড়েন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার।
  •  তাসমিন মাহফুজ : যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউএইচএজি টিভি চ্যানেলের সংবাদ উপস্থাপিকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসমিন মাহফুজ। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নারী সাংবাদিকদের সম্মানজনক পুরস্কার গ্রাসিয়া অ্যাওয়ার্ড জিতে সাড়া ফেলেছেন।
  • জাহাঙ্গীর আলম শোভন:‘দেখবো বাংলাদেশ, গড়বো বাংলাদেশ’— এ স্লোগান নিয়ে পায়ে হেঁটে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছেছেন ই-কমার্স ও বিজনেস কনসালটেন্ট অনলাইন লেখক ও সমাজকর্মী জাহাঙ্গীর আলম শোভন।  গত বছর ১২ ফ্রেব্রুয়ারী থেকে ২৮ মার্চ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেন। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ছিলো তার সহযোগী, পৃষ্ঠপোশকতায় tour.com.bd, ট্র্যাকিং সহযোগিতায় dinratri.com. তার এই সফরকে নিয়ে ১৯২ পৃষ্ঠার এক অনবদ্য বই প্রকাশ করেছে সাহিত্যদেশ। বইটি ২০১৭ সালের বইমেলায় শেষের দিকে প্রকাশিত হয়।
  • সামিয়া ফাগুন : প্রত্যেক কংগ্রেসম্যানের এলাকা থেকে সেরা একজন বাছাই করে মোট ৪৩৫ জনের মধ্যে চিত্রকর্মের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এদের মধ্য থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জনের আঁকা চিত্র নির্বাচিত হয়। সব ছবি নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটাল ভিজিটর সেন্টারের কংগ্রেসনাল অডিটরিয়ামে। সেরা দশে বাংলাদেশি সামিয়া ফাগুনের চিত্রটিও স্থান পায়
  • সাহিদা আক্তার স্বর্ণা: সাহিদা আক্তার স্বর্ণার বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিংদীঘি গ্রামে। বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করে চলেছেন তিনি। যেখানেই শোনেন বাল্যবিবাহ দেওয়া হচ্ছে সেখানেই ছুটে আসেন তিনি।
  •  এস এম মহিউদ্দিন মোনেম : আব্দুল মোনেম লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম। এ ছাড়া বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং কোম্পানি সার্ভিসইঞ্জিন লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালে বিশ্বের সেরা ১০০ আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে আইএওপি। তালিকায় রাইজিং স্টার হিসেবে স্থান পেয়েছে তার আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান সার্ভিসইঞ্জিন বিপিও।
  • সেলিম শাহরিয়ার আর দীপঙ্কর তালুকদারসেলিম শাহরিয়ার আর দীপঙ্কর তালুকদার। তিন মিলিয়ন ডলারের পদার্থবিজ্ঞানের ব্রেক থ্রু পুরস্কার পাচ্ছে মহাকর্ষ তরঙ্গ টিম। আর সেখানেই আমাদের দেশের দুই বিজ্ঞানীর নাম তারকার মতোই জ্বলজ্বল করছে।
  •  গোলাম ফারুক  : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক গোলাম ফারুক। ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সেরা। এ ছাড়া গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম আপওয়ার্কের বিবেচনায় গোটা বিশ্বের লক্ষাধিক ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মধ্যে গোলাম ফারুক অর্জন করে নিয়েছিলেন দ্বিতীয় স্থান। এ ছাড়াও লোগো ডিজাইনার ও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানটিও গোলাম ফারুকের।
  • খোন্দকার সিদ্দিক রব্বানী : তিনি প্রফেসর ড. খোন্দকার সিদ্দিক-ই রব্বানী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন। দীর্ঘদিনের গবেষণায় তিনি তরুণদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ভাবন করেছেন একটির পর একটি নানাবিধ আবিষ্কার। হৃদযন্ত্রের ওঠা-নামা পর্যবেক্ষণ করার জন্য তার দলের উদ্ভাবিত কম্পিউটারাইজড ইসিজি মেশিনটি মাত্র সাত ইঞ্চির।
  • আর্চবিশপডিরোজারিও: এর আগে এমন সম্মান কখনো আসেনি। ভ্যাটিকেন সিটির পোপ ফ্রান্সিস এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছিলেন গত বছর। তিনি ১৭ জন আর্চবিশপকে কার্ডিনাল হিসেবে নাম ঘোষণা করেন। যার মধ্যে বাংলাদেশের আর্চবিশপ ডিরোজারিওকে কার্ডিনাল হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্যাথলিকমণ্ডলীতে এটা অনেক বড় অর্জন। ইতিহাসে এই প্রথম কেউ বাংলাদেশ থেকে কার্ডিনাল পদের অধিকারী হলেন।
  • খুলনা শিপইয়ার্ড: গত বছর খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত প্রথমবারের মতো বিশাল আয়তনের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে। ৮ শতাধিক কোটি টাকা ব্যয়ে ‘লার্জ পেট্রোল ক্রাফট-এলপিসি’ নির্মিত দুটির মধ্যে একটি উদ্বোধন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ-ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি। এটি দৈর্ঘ্যে ২১০ ফুট ও ৩০ ফুট প্রস্থ।
  • মুঞ্জারীন মাহবুবা অবনী : ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি ২০১৬’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের আহ্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী মুঞ্জারীন মাহবুবা অবনী মিস মেসেন্যাট বিউটি নির্বাচিত হয়েছেন। চীনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি ২০১৬’-তে তিনি চ্যাম্পিয়নের মুকুট ছিনিয়ে আনতে পারেননি। তবে ব্যর্থতা তাকে পুরোপুরি নিরাশ করেনি। ৬০ জনের মধ্যে তার অবস্থান হয়েছে ৮ম। একই সঙ্গে তিনি ‘অফিশিয়াল শান্তিদূত’ মনোনীত হয়েছেন।
  • পারমিতা মিত্র: পারমিতা মিত্র প্রথম বাঙালি হিসেবে আমেরিকার মিসিসিপি স্টেটসে ২০১৩-এর সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালেও তিনি ‘মিসিসিপি টিন’ খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন। মিস আমেরিকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি অভিবাসী পারমিতা মিত্র।
  •  ওসামা বিন নূর : মানুষের জীবন মান উন্নয়নে দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকা রাখায় ২০১৬ সালের ‘দ্য কুইন্স ইয়াং লিডারস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশের ওসামা বিন নূর। দেশের তরুণ সমাজের জীবন পরিবর্তন বিষয়ক উদ্যোগ গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
  • প্রিয়াঙ্কা ইয়োশিকাওয়া : নানা প্রতিকূলতার মাঝে মিস ওয়ার্ল্ড জাপান ২০১৬-  নিজের অবস্থান শীর্ষে তুলে ধরেছেন মিশ্র বর্ণের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী প্রিয়াঙ্কা ইয়োশিকাওয়া।
  • মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি: মিস আয়ারল্যান্ড খ্যাত বাংলাদেশের মেয়ে মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি জিতেছেন ‘মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল ২০১৬’ খেতাব। একজন মিডিয়াকর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশকে আলোচনায় এনেছেন প্রিয়তি। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন কবে বড় হবেন আর কবে গরিবদের পাশে দাঁড়াবেন। সে লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেন প্রিয়তি।
  • রুশনারাআলী : ২০১৬ সালে ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলীকে বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে যে কজন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
  • সওগাত নাজবিন খান : জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)-এর সমর্থনে কাজ করছেন এমন ১৭ তরুণ নেতার তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি মেয়ে সওগাত নাজবিন খান। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়।
  • নাদিয়া শাহ : ব্রিটেনের ক্যামডেন কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচিত নারী মেয়র নাদিয়া শাহ। প্রথম মুসলিম নারী মেয়রও তিনি। ক্যামডেনে জন্ম নেওয়া নাদিয়ার পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়।
  • কর্নেল ডানাজমা বেগম : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে একটি কনটিনজেন্টের নারী কমান্ডার কর্নেল ডা. নাজমা বেগম। ১৯৬৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন নাজমা বেগম। নাজমা বেগমের নামের সঙ্গে এমবিবিএস ছাড়াও যুক্ত এমপিএইচ (বিবিএসএম), সিসিইউ, সি-অল্ট্রি (ইউএসএ), ডিএমএইউডি, পিএইচডি (ইউএসএ) ডিগ্রি।
  •  ওয়াসফিয়া নাজরীন : বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন গত বছর সাত শৃঙ্গ জয় করেন। একে একে তিনি জয় করেন আফ্রিকার কিলিমানজারো, দক্ষিণ আমেরিকার আকোনকাগুয়া, অ্যান্টার্কটিকার ভিনসন ম্যাসিফ, ইউরোপের মাউন্ট এলব্রুস এবং উত্তর আমেরিকার ডেনালি চূড়া এবং কারস্তেনস পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে ওয়াসফিয়ার সাত শৃঙ্গ জয় পূর্ণ হয়।
  • মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : ১২তম দক্ষিণ এশীয় বা এসএ গেমসে বাংলাদেশের জন্য ভারোত্তোলনে প্রথম সোনার পদক এনে দিয়েছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। ভারতের গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠানরত এসএ গেমসে মেয়েদের ৬৩ কেজি ওজনের শ্রেণিতে সোনা জিতেছেন মিস আক্তার।
  • রোকসানা বেগম : আন্তর্জাতিক কিক বক্সিংয়ের ৪৮-৫০ ক্যাটাগরিতে তৃতীয় হিসেবে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন ব্রিটিশ বাঙালি তরুণী রোকসানা বেগম। প্রভাবশালী ১০০ ব্রিটিশ বাঙালির ‘পাওয়ার হান্ড্রেট’ তালিকায়ও রয়েছে তার নাম। ‘পূর্ব লন্ডনে আর পাঁচজন বাঙালি মেয়ের মতোই বেড়ে ওঠা রোখসানার।
  • সুদর্শন দাস: পুরো ২৫ দিন তবলা বাজিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির বিশ্বজয় এনে দেওয়া নায়ক বাংলাদেশের সুদর্শন দাস।  যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই তবলা বিশারদ তবলা বাজিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছেন।  বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরতে একটানা ৫৬০ ঘণ্টা তবলা বাজিয়ে এখন হইচই ফেলে দিয়েছেন গোটা বিশ্বে।
  • গলফার সিদ্দিকুর রহমান : বাংলাদেশের স্বনামধন্য গলফ খেলোয়াড় বা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে তিনি প্রথম বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদ হিসেবে সরাসরি অংশগ্রহণ করার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম গলফার হিসেবে জয় করেছেন এশিয়ান ট্যুর শিরোপা। তার ক্রীড়া নৈপুণ্যের জন্য কলকাতার ‘এই সময়’ পত্রিকা বাংলার টাইগার উডস নামে অভিহিত করে।
  •  মার্গারিটা (রিতামামুন : রিও অলিম্পিকে এবারের আসরে রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে সোনাজয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্গারিটা (রিতা) মামুন। এর আগে রিদমিক জ