জাতীয় নাগরিক পার্টি

এখন এনসিপি’র কী করা উচিৎ

জাতীয় নাগরিক পার্টির এখন করনীয় কী?

বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (National Citizen Party – NCP) ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্র-যুব নেতৃত্বের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মূল ভিত্তি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের স্বৈরাচারবিরোধী গণজাগরণ। দলটির দাবি— এটি দেশের প্রথম “ছাত্র-নেতৃত্বাধীন” রাজনৈতিক দল, যার উদ্দেশ্য হলো দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গঠন ও নতুন সংবিধান প্রণয়ন। এর ঘোষণাপত্রে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ কমানো, জনসাধারণের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ, শ্রমিক-যুব-ছাত্রদের অধিকার রক্ষা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই তারা কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি, যুব ও শ্রমিক উইং গঠন করেছে এবং মাঠ পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো বিস্তারের চেষ্টা করছে। তবে অভিজ্ঞতার অভাব, তৃণমূল পর্যায়ে শক্ত ঘাঁটি না থাকা, পুরনো দলের প্রভাব এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও NCP নবপ্রজন্ম ও পরিবর্তনকামী জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে এবং নিজেকে ভবিষ্যতের বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে।

এনসিপির এই সময়ে কৌশল কি হওয়া উচিৎ

২০২৫সালের শেষে এনসিপির কৌশলগুলো কেমন হবে?

১) দলের সবাইকে মিডিয়াতে কথা বলতে না গিয়ে শুধু কয়েকজনকে নির্ধারণ করতে হবে। যাতে কেউ এমন কোনো কথা না বলে যাতে কোনো দল বা গোষ্টি নাখোশ হয়। এবং শুধু যে টপিকে তারা কথা বলতে চায়।

২)  রাজনীতি ছাড়াও অন্যান্য খাতে মনোযোগ দিতে হবে। যেমন ব্যবসা সংগঠন, পেশাজীবি সংগঠন ইত্যাদি।

৩) দলের মধ্যে খারাপ লোকদের পূণবাসন ঠেকাতে এবং যোগ্য লোকদের নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে। স্তরভিত্তিক সংগঠন কাঠামো খুব দরকার। সে অনুযায়ী গঠনতন্ত্র সাজাতে হবে। সদস্য স্তরভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে যদি মনে হয় এটা জামায়াতের সাথে মিলে যাবে। তাহলে অঙ্গ সংগঠন ভিত্তিক স্তরবিন্যাস করা যেতে পারে। যাতে মুল দলে আসার আগে সবাইকে অঙ্গ সংগঠনে পারফর্ম করে আসতে হবে। অথবা স্থানীয় কমিটি ভিত্তিক স্তরকাঠামো অনুসরণ করা যেতে পারে।

৪) জনসাধারণকে দলের সম্পৃক্ত করতে একটি প্যারালাল সংগঠন থাকা দরকার। সব মানুষ দল করবেনা । যারা দলের সাথে ‍যুক্ত হবে না। তাদের নিয়ে আলাদা এলাকাভিত্তিক উপ সংগঠন করা যেতে পারে।

৫) প্রথাগত রাজনৈতিক দলের মতো শো-ডাইন ও মিছিল করার চেয়ে এলাকাভিত্তিক ছোট ছোট ‘‘পাড়াসভা’’র মাধ্যমে মাস পিপলদের সাথে স্থানীয় নেতাদের মত বিনিময়ের সুযোগ করে দিতে পারে।

৬) দলের গবেষণা ও সমাজকল্যান সেল আরো শক্তিশালী করা দরকার।

৭)  তরুনদেরকে সেক্টর ভিত্তিক প্রশিক্ষণ যেমন যারা চাকুরী করবে তাদেরকে চাকুরির জন্য তৈরী করা, যারা ব্যবসা করবে তাদেরকে ব্যবসার জন্য তৈরী, যারা বিদেশ যাবে তাদেরকে বিদেশ যাওয়ার জন্য তৈরী করতে হবে। যা দীর্ঘমেয়াদে বিশেষ ফল দিবে।

৮) সমাজের গ্রহণযোগ্য কিছু লোককে সময় দিয়ে, কাউন্সেলিং করে, দলীয় যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দলের সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এই কৌশলটি সব দল ও সব দেশের জন্য খুব কাজের।

৯)  অন্তবর্তী সরকারের কি কি বিষয়ে সংষ্কার দরকার তার একটি গোছানো কাঠামো উপস্থাপন করা জরুরী বলে মনে করি।

১০)  সংসদে দুটি কক্ষ। একটির নাম হতে পারে ‘‘প্রতিনিধি সভা’’ একটি ‘‘গণসভা’’ এবং প্রতিনিধি সভা পিআর পদ্ধতিতে, গণসভা প্রচলিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করার বিষয়ে পুরো কাঠামোটি উপস্থাপন করা দরকার।  মনে রাখতে হবে প্রচলিত পদ্ধতির সমস্যা দূর করতে যেমন পিআর পদ্ধতি সহায়ক হবে। তেমনি পিআর এর সমস্যাগুলো দূর করতে শুধু নির্বাচন হবে পিআর পদ্ধতি বা সংসদ গঠিত হবে কিন্তু সরকার হবে সংখ্যাঘরিষ্টদের মতামতে।

১১) বিশাল সংখ্যক তরুন জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত ও রাজনীতি সচেতন করে তুলতে। তাদেরকে লিডারশীপ, সামাজিক কাজ, অর্থ ব্যবস্থাপনা, টিম ওয়ার্ক, পলিটিক্যিাল লিটারেসি, ইতিহাস ও রাজনৈতিক সংগঠন এসব বিষয়ে প্রশক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে নিয়মিত।

১২) ক্ষমতায় গেলে কিভাবে দেশ পরিচালিত হবে তার একটা ‘‘নতুন বাংলাদেশ রুপরেখা’’ বই আকারে উপস্থাপন করলে অনেকের কাছে ধোয়াশা কেটে যাবে। যদিও ইসলামপন্থী দলসমূহ তা নিয়ে বিতর্ক তৈরী করতে পারে। সেক্ষেত্রে বিতর্কিত বিষয়গুলো সাবধানে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

১৩) প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সংগঠন ও নেটওয়ার্ককে আরো স্মার্ট করা।

১৪) অন্যদল থেকে ভাল মানুষদের টার্গেট করে দলে ভেড়ানো যেতে পারে অথবা বাংলাদেশে প্রচুর নির্দলীয় ভাল মানুষ রয়েছে। তাদেরকে দলে নেয়া যেতে পারে।

বিশেষ ৩টি পরামর্শ

১৫) ২৬ এর নির্বাচনটা ঐক্যবদ্ধভাবে করা:

জুলাই সপক্ষের মাধ্যমে সবার রাজনৈতিক ভিত শক্তিশালী করতে একটি জোট গঠন করা।   আগামী নির্বাচন সকল জুলাই শক্তি একসাথে করা যেতে পারে। এটা একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। জুলাই শক্তি বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি সবাই অন্তত একটি নির্বাচন একসাথে করতে পারে। যার নাম হবে – জুলাই ঐক্যজোট। এই জোট সঠিক নির্বাচন, নিজেদের ঐক্য ও রাষ্ট সংষ্কারে একটি চুক্তি বা সনদে স্বাক্ষর করতে পারে। নির্বাচনের পর সরকারে কারা থাকবে কিভাবে থাকবে। সে বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত না করা। এবং জামায়াত সরকারের অংশ না হওয়া।

চুক্তিতে যে শর্তগুলো থাকতে পারে-

ক) আগামী নির্বাচন পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ দলগুলো একসাথে কাজ করবে ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

খ) দলগুলো নিজেদের মধ্যে আসন ভাগাভাগি করে নেবে। যেখানে একমত হবেনা সেখানে আলাদা নির্বাচন করবে। তবে প্রত্যেকের নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করবে। অনৈক্য নির্বাচন ১০% এর বেশী আসনে হবেনা।

গ) যে দল সরকার গঠন করবে। তার সাথে কোন দল সরকারে যাবে তা নির্বাচনের ফলাফল ও তখনকার আলোচনা ও ঐক্যমতের উপর নির্ভর করবে। কারা বিরোধী দলে থাকবে সেটাও নির্বাচন পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।

ঘ) নির্বাচনের পরে আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল আইন পরিবর্তন ও সংষ্কারের বিষয়ে ক্ষমতাসীন দল একমত হয়ে তা কার্যকর করতে হবে।

ঙ) সংষ্কার প্রক্রিয়া শুরু না হলে, সংষ্কার প্রক্রিয়া গতিশীল ও আশানরুপ না হলে। দলগুলো আনুষ্টানিক ভাবে জোট ভেঙ্গে দিতে পারবে।

চ) নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠন করে একসাথে কাজ করবে। কাজ করার জন্য একটি কর্মনীতি থাকবে। যাতে কোনো ভুল বোঝাবোঝি সৃষ্টি না হয়। এছাড়া কোনো ভুল বোঝাবোঝি সৃষ্টি হলে তা কমিটি কতৃক সমযোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।

ছ) একটি বার্তা পরিষ্কার করতে হবে সেটা এই চুক্তির উদ্দ্যেশ্য নিয়ে। যেহেতু দলীয় সরকার আসলে সংবিধানের কাজ করতে পারবেনা। যা অন্তবর্তী সুযোগ ছিল। যেহেতু অন্তবর্তী সরকার সংষ্কার করতে পারেনি। তাই দলীয় সরকার সংষ্কার করবে। তখণ সংষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ঐকমত্যের জন্য এই জোট গঠন করা হলো।

১৬) রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও অপসারণ ত্বরান্বিত করা

নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রপতি অপসারণ জরুরী। প্রথমত একটা অভ্যুত্থানের পর যাদের বিরুদ্ধে অভ্যুথ্থান হয়ে হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। তাদের অংশ ক্ষমতায় থাকতে পারে না। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একাধিকবার রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে আসছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এটা অবশ্যই হতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর শতাধিক দেশে ৪৫০টির বেশী অভ্যুত্থান হয়েছে। এরমধ্যে ২শটির বেশী গণ অভ্যুত্থান। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি অপসারিত হয়েছে, পালিয়ে গেছে বা খুন হয়েছে। সেখানে তাৎক্ষনিকভাবে অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়ে স্থায়ী অথবা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শপথ নিয়েছেন। বিষয়টি জরুরী।

তাই, এই বিষয়ে জনমত ও গণ আন্দোলন জোরদার করতে হবে। সব বিষয়ে নিয়ে একসাথে কথা না  একটি সমাধান হওয়ার পর আরেকটি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।

যা যা করা যেতে পারে:

ক) রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে কোনো সাংবিধানিক শুণ্যতা দেখা দেবেনা। এটা একটা ভুল ধারণা। কারণ পৃধিবীতে অভ্যুত্থানের পর শত শতবার রাষ্ট্রপতির পতন হয়েছে। এবং নির্বাচন ছাড়াই স্থায়ী অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হয়েছে। বাংলাদেশের এই ঘটনা কমপক্ষে ৪বার হয়েছে। অভ্যুত্থানের পর সংবিধানের দোহাই যদি কেউ দেয়। সে অবশ্যই অভ্যুত্থান বিরোধী। এটা যুক্তি সহ প্রকাশ করতে হবে। কলাম লিখতে হবে, ভিডিও কনটেন্ট বানাতে হবে, টকশোতে বলতে হবে।

খ) যারা রাষ্ট্রপতি অপসারণ চাইবেনা। তাদের সাথে বির্তকের মাধ্যমে তা পরিষ্কার করতে হবে।

খ) নতুন প্রজন্মের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে। সবাইকে একসাথে এগিয়ে এসে এটি বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

যদি এভাবে করা যেত

আমার দৃষ্টিতে এনসিপি বর্তমান ফরম্যাটে রাজনীতি করে যদি এভাবে করতে পারতো তাহলে এখন অনেক ভাল অবস্থায় থাকতো।

১) বৈষম্য বিরোধী নাগরিক আন্দোলন নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন তৈরী করে। তার সাথে সারা দেশের তৃণমূল পরর্যায়ের নাগরিকদের সম্পক্ত করে সারা দেশে  একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও সংগঠন ও জনমত তৈরী করা যেত। এতে সকল দল সহযোগিতা করতো।

২) তারপর নির্বাচনের ৬ মাস পূর্বে এই সংগঠনের রাজনৈতিক শাখা হিসেবে ‘‘জাতীয় নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করতো’’ সব প্রস্তুতি আগে নিয়ে ১ মাসের মধ্যে নিবন্ধন সম্ভব হতো। এতে অনেকগুলো সুবিধা হতো।

ক) সারাদেশে নেটওয়ার্ক তৈরী হতো তৃনমূল পর্যায়ে ছাত্র ও নাগরিকদের সাথে সম্পৃক্ততা তৈরী হতো।

খ) সবাই সংগঠন তৈরীর ব্যাপারে দক্ষ হয়ে উঠতো।

খ) কোনো প্রতিপক্ষ তৈরী হতো না।

গ) এই সংগঠনের ব্যানারে কেউ কোন ভুল করলে রাজনৈতিক সংগঠনে তাদের নেয়া হতো না। এবং রাজনৈতিক সংগঠনের দায় পড়তোনা।

ঘ) খুব দ্রুত একটি রাজনৈতিক সংগঠন গোছানো যেত। পৃথবীতে যেসব রাজনৈতিক সংগঠনের মাদার অর্গানাইজেশন রয়েছে তারা বেশ শক্তিশালী হয়ে থাকে।

সর্বশেষ

২০২৬ সালে যদি এনসিপি আলাদা নির্বাচন করে। এতে করে যদি তারা সরকার গঠন করবে তারা পর্যান্ত আসন না পায়। তাহলে তারা শক্তিশালী হবেনা এবং সংষ্কার করতে পারবেনা। এতে করে পতিত সন্ত্রাসী ও গনহত্যকারীরা ফিরে এসে আবার খুনের নেশায় মেতে উঠবে। এটা দেশের জন্য ভাল হবে না।

যদি বিএনপি নির্বাচিত হয়। তাহলে কম আসনের কারণে দূর্বল সরকার হবে। এবং তাদেরকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে ১ বছরের মধ্যে পতন করানোর সব পরিকল্পনা সেট হয়ে আছে।

যদি জামায়ত নির্বাচিত হয়। তাহলে কম আসনের কারণে দূর্বল সরকার হতে পারে। এবং তাদেরকে ক্ষমতায় বসতে দেয়া হবে কিনা? এটা নিয়ে নানারকম আশংকা রয়েছে।

যদি একটি যৌথ সরকার হয় নিন্মলিখিত শর্তের আলোকে

১) সরকার যে গঠন করুক। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। জোটভূক্ত দলগুলোকে নিয়ে একটি পরামর্শক সভা গঠন করতে হবে।

২) নির্বাচের পরে ১ বছরের মধ্যে মৌলিক সংষ্কারগুলো করতে হবে। এবং নতুন সংবিধান গ্রহণ করতে হবে।

৩) পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে সকল আইন কাটামো ও বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্ধা ধারাবাহিকভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।

যদি কোনো কারণে বিএনপি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারে। ততদিনে এনসিপি নিজেদেরকে সংগঠিত করে নিবে এবং পরের নির্বাচনে ভাল কিছু করবে। তখন জনগনও তাদের সাথে থাকবে।

ধন্যবাদান্তে- জাহাঙ্গীর আলম শোভন

তাই বিগত ১ বছরে আমি সরকারকে দেশের সংষ্কারের ৯০০ পৃষ্ঠায় যেসব পরামর্শ দিয়েছি। সেগুলোর গুগল লিংকও সাথে দিলাম।

https://tinyurl.com/2rvbr7w4
আপনি চাইলে আপনার খাত সংশ্লিষ্ঠ সরকারী দপ্তর, দলীয় প্রধান, রাজনৈতিক দলসমূহের ইশতেহার কমিটিকে এটি প্রেরণও করতে পারেন। ধন্যবাদ