dr Younus
মাননীয় প্রধান উপদেষ্ঠা, আপনি কি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কান্ডারী হবেন?

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পক্ষে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে খোলা চিঠি

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পক্ষে অন্তবর্তীকালীন সরকারের  প্রধান উপদেষ্ঠা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে খোলা চিঠি

জনাব প্রধান উপদেষ্ঠা

আপনার জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মধ্য দিয়ে বিশ্ব একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। আপনার হাত ধরে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে নতুন স্বাধীনতার সুফল পাওয়ার কাফিলায়। তিন শুণ্যের পৃথিবী গড়ার আপনার স্বপ্নের বাস্তবায়নে আমাদেরকে তৈরী করতে হবে উদ্যোক্তা। তাই উদ্যোক্তা বান্ধব হতে হবে পৃথিবীকে এবং দেশকে।

আমাদের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সম্পদ আমাদের তরুন সমাজ। আর অতীতের সকল উদাহরণ থেকে বের হয়ে ওরা নিজেরা নিজেদের নেতা হতে শিখেছে। কারো ডাক দেয়ার জন্য বসে না থাকার অভ্যাস অর্জন করেছে। কোনো রোল মডেল ছাড়া নিজেদের চলার পথ ঠিক করা ওরা শিখে গেছে। সূতরাং এমন প্রয়োজন ওদের বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করা এবং বৈশ্বিক বিচারে ওদেরকে দক্ষ করে তোলা।

 

দেশকে উদ্যোক্তা বান্ধব করার জন্য আমাদের প্রথমে জানতে হবে বর্তমানে উদ্যোক্তাদের কি কি বাঁধা রয়েছে। এসব বাঁধা অপসারণ এর জন্য কি কি করতে হবে এবং আর কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে একটি উদ্যোক্তা বান্ধব অর্থনীতির দেশে নতুন নতুন উদ্যোগ বিকশিত হবে। তরুনরা নেতৃত্ব দিয়ে নতুন নতুন স্বপ্নের বীজ বুনবে। আপনি বলেছেন প্রতিটি মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়।

আজ তরুনদের উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন পূরণে আপনি যদি ব্যর্থ হোন তাহলে এদেশের মানুষের আর কোনো আশার জায়গা তাকবেনা।

তাই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে এই খোলা চিঠি আপনার নিকট প্রেরণ করছি। উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে আমি যেসব বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা এখানে তুলে ধরেছি। হয়তো আরো অনেক বিষয় এখানে প্রথমবার উঠে আসবেনা। সেজন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে প্রস্তাব ও পরামর্শ আহবান করা যেতে পারে। কিন্তু সমস্যা ও জরুরী করনীয়গুলো এখানে তুলে ধরছি যাতে করে সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে নিতে পারে। ধারাবাহিকভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরছি।

বর্তমানে উদ্যোক্তা বিকাশে কি ধরনের বাঁধা রয়েছে? এবং সেগুলো অপসারণে করনীয়।

 

ক) উদ্যোক্তার সামাজিক স্বীকৃতি

১। একজন উদ্যোক্তা তার পণ্য বা সেবা দিয়ে বিবেচনা করা হয়। উদ্যোক্তা হিসেবে চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানসিকতাকে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। এটা সামাজিক সমস্যা। আমরা মুরগী ব্যবসায়ীকে ‘‘ওই মুরগীওয়ালা’’ ডাকি। আমাদের ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ক্যাটাগরি বা শ্রেণী লেখা থাকে। কিন্তু একজন উদ্যোক্তা শুধু পণ্য-সেবার শ্রেণী দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি কোন ধরনের উদ্যোক্তা সেটাও ট্রেড লাইসেন্সএ থাকা প্রয়োজন। যেমন- ছাত্র উদ্যোক্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, একক উদ্যোক্তা, যৌথ উদ্যোক্তা। এছাড়া উদ্যোগের উদ্দেশ্যও থাকা উচিৎ। যাতে করে উদ্যোক্তা নিজে এবং তার সেবাগ্রহীতারা সচেতন থাকেন।

২। পরিবার ও সমাজে এখনো উদ্যোক্তাকে ঝূঁকিপূর্ণ মনে করে মা বাবা সন্তানদের ব্যবসার বদলে চাকরী করতে উদ্বুদ্ধ করেন। শিক্ষকও তাই। কারণ একজন শিক্ষক নিজেই চাকরীজীবি। তাই মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বা নবম শ্রেণী থেকে ক্লাসে অতিথি শিক্ষক হিসেবে উদ্যোক্তাদেরকে যুক্ত করতে হবে। এলাকার সফল ব্যবসায়ীদেরকে মাসে ১ দিন শ্রেণীতে পাঠদানের সুযোগ করে দিতে হবে।

 

খ) ঋণ ও বিনিয়োগ পেতে সমস্যা

আমাদের বর্তমান ব্যাংক ঋণের নীতি কতটা সেকেলে সেটা আপনার চেয়ে কেউ ভাল জানে না। আপনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যার মোকাবিল করেছেন তাতে এই সমস্যাটি আপনার চেয়ে আর কেউ ভালো জানে না। তাই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ঋণের জন্য এই কাঠামোটি আমূল পরিবর্তন করা দরকার।

১) ব্যবসা ঋণ পাওয়ার জন্য দোকান বাধ্যতামূলক থাকা, বাণিজ্যিক ভবনে অফিস থাকা এই শর্তগুলো তুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে এগুলো ভিন্ন ক্যাটাগরি করা যেতে পারে। যাদের কর্মাশিয়াল স্পেস রয়েছে তারা ‘‘সি’’ ক্যাটাগরি। যাদের অফিস রয়েছে তারা ‘‘ও’’ ক্যাটাগরি। যাদের ফ্যাক্টরী রয়েছে তারা ‘এফ’’। যাদের শোরুম আছে তারা ‘‘এস’’। যাদের দোকান আছে তারা ‘‘ডি’’ যাদের ওয়ার হাউজ আছে তারা ‘‘ডব্লিও’’। যাদের জমি রয়েছে তারা ‘‘এল’’। যারা নিজ বাসায় ব্যবসা করে তারা ‘‘এ’’। বা ভিন্নভাবে হতে পারে। কিন্তু সবার জন্য সুযোগ উন্মুক্ত করা প্রয়োজন।

২) ঋণ পাওয়ার জন্য জামানত হতে পারে একটি শর্ত। কিন্তু এর অনেকগুলো বিকল্প রাখতে হবে। প্রথম বিকল্প হতে পারে তার বিজনেস বা ব্যক্তিগত হিসেবে ব্যাংক লেনদেন এর তথ্য। দ্বিতীয় বিকল্প হবে তার অন্য ব্যবসার সাফল্য। তৃতীয় বিকল্প হতে পারে দল গঠন। অথ্যাৎ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ৫ থেকে ২৫ জনের দলগঠন করে বা সমিতি নাম দিয়ে তার মাধ্যমে ঋণ নিতে পারে। এবং চতুর্থ বিকল্প হতে পারে কনসালটেন্ট। কোনো উদ্যোক্তার যদি আরেকজন সফল উদ্যোক্তা পরামর্শক হিসেবে থাকে। সেটাও ঋণ পাওয়ার একটা যোগ্যতা হতে পারে।

৩) প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্টানে এবং ব্যবসায়ী সমিতিতে ঋণ পাওয়ার আগে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ সেবা চালু করতে হবে। এবং ঋণ পাওয়ার পরে কনসালটেন্সির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে ঋণের সঠিক ব্যবহার করা যায়।

৪) ঋণকে বিভিন্ন ক্যাটাগরি করে প্রক্রিয়া সহজ এবং একইভাবে জবাবদিহিমূলক করা যেতে পারে। যেমন ‘‘অভিন্ন প্রবাহ ঋণ’’ এই ঋণ গ্রহণকারী একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাবে। আবার ‘‘অংশীদারিত্ব ঋণ’’ এই ঋণগ্রহীতা তার আত্মীয় বা বন্ধু থেকে ঋণের কিছু অংশ নিবে বাকী অংশ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান দিবে।

৫) ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে এরকম নতুন ও সহজ নানা বিষয় যুক্ত করা যেতে পারে। যেমন কৃষি ঋণের কিস্তি প্রথম মাস থেকে পরিশোদযোগ্য হওয়া ঠিক নয়। এছাড়া ট্রেডিং ব্যবসার ক্ষেত্রে ‘‘সমযোতা ঋণ’’ চালু করা যেতে পারে। এই ঋণের শর্ত হবে। একজন ট্রেডার্স ৬ মাস ধরে নিয়মিত একটি ব্যাংক হিসেবে টাকা জমা করবেন। বছরের প্রথম ৬ মাসে তিনি যতটাকা জমা করবেন। পরের ৬ মাসের জন্য তিনি তার ৩ গুণ ঋণ পাবেন। এই প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তা প্রথমে ১ ভাগ ঋণ শোধ করে ফেলল। এবং তারা ব্যবসার ধারাবাহিকতা দ্বারা তিনি নিজেও উন্নতি করবেন। ঋণ পরিশোধেও সহায়ক হবে।

৬) ব্যাংক খাতে ক্ষুদ্রঋণ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করা প্রয়োজন। এবং দলভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ অন্যান্য ব্যাংকেও চালু করা উচিত। ঋণের টাকা সংগ্রহের জন্য ডাক বিভাগে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করা যেতে পারে।

৭) স্টার্টআপ বিনিয়োগ আইসিটি মন্ত্রণালয় এর সাথে সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের থাকা উচিৎ। প্রয়োজনে সেখানে কোনো ব্যাংককে যুক্ত করা যেতে পারে। স্টার্টআপ বিনিয়োগ নীতিমালা সহজ করতে হবে। এবং স্ট্যার্টআপ বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য তরুনদের দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে।

গ) ট্রেড লাইসেন্স

বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স আেইন ও পলিসি উদ্যোক্তা উন্নয়নের একটি বড় বাঁধা। বর্তমান নীতি পরিবর্তন করে ট্রেড লাইসেন্স নীতি পলিসি সহজ করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

১) ট্রেড লাইসেন্স ফি যুক্তিযুক্ত করতে হবে। সবার জন্য না কমালেও লাইসেন্স ক্যাটাগরি অনুসারে ‘‘এ’’ ‘‘বি’’ ‘‘সি’’ করে হলে শিথিল করতে হবে। সময়মতো ট্রেড লাইসেন্স না করালে জরিমানার বিধান রহিত করতে হবে।

২) ছাত্র উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, আবাসিক উদ্যোক্তা (যারা নিজের ঘরে বসে ব্যবসা করে), কৃষি উদ্যোক্তা, বিশেষভাবে সক্ষম ও তৃতীয় লিঙ্গের উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫০% কমাতে হবে।

৪) ট্রেড লাইসেন্স এর সব ক্যাটাগরিতে ‘‘সরেজমিন তদন্ত’’ রাখা যাবে না। এর ফলে দূর্নীতির পথ সুগম হয়। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য রেফারেন্স বা সুপারিশ পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে। সুপারিশকারী হবেন এমন একজন ব্যক্তি যার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা রয়েছে অথবা কোনো গণ্যমাণ্য বিশিষ্ঠ ব্যক্তি। গণ্যমাণ্য ও বিশিষ্ঠ ব্যক্তির সংজ্ঞা কি হবে। তার বিস্তারিত নীতিমালায় থাকবে।

৫) যারা ঘরভাড়ার চুক্তি জমা দিবে না। তাদের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি জমা নেয়া যেতে পারে অথবা বাড়িওয়ালার সম্মতিপত্র।

 

ঘ) শিক্ষা ও ক্যারিকুলাম

১)  শ্রেণী থেকে অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ঐচ্ছিক এবং ব্যবসায় শিক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক হিসেবে ‘‘ব্যবসায় উদ্যোগ: প্রস্তুতি, পরিকল্পনা ও সূচনা’’ নামে বিষয় যোগ করতে হবে। এখানে একাডেমিক এর সাথে মৌখিক, ব্যবহারিক ও এসাইনমেন্ট যুক্ত করতে হবে।

২) ব্যবসায় শিক্ষার মোট ক্লাসের ২০% পেশাদার উদ্যোক্তাদের দিয়ে করাতে হবে। তাদেরকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষ তাদেরকে চাইলে ক্লাস হিসেবে সম্মানি দিতে পারবেন। তাদের কি যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। তা নীতিমালায় বিস্তারিত থাকবে।

৩) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘‘উদ্যোক্তা সংঘ’’ বা এন্টারপ্রেনার্স ক্লাব থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন মেলা অনুষ্ঠিত হবে সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের পণ্য সেবার পসরা সাজাবে।

৪) শ্রেণী পাঠদানের পাশাপাশি ব্যবহারিক থেকে ২০-২৫ নাম্বার যুক্ত করতে হবে। এই নাম্বার পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীকে কোনো ব্যবসায়ির সাথে পূর্ণকালীন হলে ৭ দিন, অর্ধকালীন হলে ১৫ দিন, মাঝে মধ্যে হলে ১ থেকে ৩ মাস। মোট কথা ৫০ ঘন্টা কোনো ব্যবসায়ীর সাথে সময় দিতে হবে বা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হবে। অথবা নিজেরা কয়েকজন মিলে কোনো ব্যবসা পরিচালনা করবে। এটা এলাকার কোনো মেলায়ও হতে পারে। নিজস্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে সময়সীমা কমপক্ষে ৩ দিন হতে হবে। হয়তো একটা মেলায় ৩ দিন অংশ নেবে অথবা ১ দিন করে ৩টি মেলায় অংশ নিবে। প্রয়োজনে স্কুল কতৃপক্ষ মেলার আয়োজন করবে। তাদের পরিবারের ব্যবসা রয়েছে তারা তাতে সময় দিলেও তা গণ্য করা হবে। মোট কথা ব্যবহারিক যুক্ত করতে হবে। উদ্যোক্তা ক্লাবে যোগ দিতে ব্যবসা বিভাগের শিক্ষার্থীদের বাধ্যতা থাকবে অন্যদের ক্ষেত্রে হবে ঐচ্ছিক। উদ্যোক্তা ক্লাবগুলোকে সরকার পুরষ্কার দেবে এখানে অভিভাবক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি তাদেরকে বিনিয়োগ করতে পারবে।

 

ঙ) উদ্যোক্তাদের জন্য অগ্রাধিকার সেবা

আমাদের দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যে পরিমাণ চাপ নিয়ে একা একা কাজ করেন। তাতে তাদেরকে নিজের, ব্যবসার এবং পরিবারের প্রয়োজনে বিভিন্ন সেবাকেন্ত্রে যেতে হয়। এসব জায়গায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়। যাতে তাদের ব্যবসার ক্ষতি হয়। এজন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের জন্য অগ্রাধিকার সেবা দিতে হবে। যেমন ব্যাংক, থানা, স্থানীয় সরকার কার্যালয়, ট্যাক্স অফিস, ভ্যাট অফিস ইত্যাদি।

চ) ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রসঙ্গ

বর্তমান ভ্যাট ও ট্যাক্স পদ্ধতি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে করে একজন কর কর্মকর্তা একজন ব্যক্তিকে চাইলে ফাসাতে পারে আবার চাইলে তাকে অনৈতিকভাবে সুবিধা দিয়ে করফাঁকির রাস্তা করে দিতে পারে। এই পদ্ধতিটি আমূল পাল্টাতে হবে। দেশের কর ব্যবস্থা আমুল না পাল্টালে সরকারের উদ্যোক্তা বান্ধব সকল কর্মসূচী ব্যর্থ হতে পারে। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলাদাভাবে উপস্থাপনের প্রয়োজন রয়েছ্। প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত নীতিমালা ও নির্দেশিকা দেয়া সম্ভব। এবং সংশ্লিষ্ঠ খাতের উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে পরিকল্পনা তৈরী করে দ্রুত উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরী করা জরুরী হয়ে পড়েছে। তবে দেশের প্রচলিত কাঠামোতে সংষ্কার করা খুব কঠিন। তাই কাঠামো পরিবর্তন করা জরুরী।

ধন্যবাদান্তে

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

বাংলাদেশের একজন নাগরিক।