সরকারি খাসজমি বন্দোবস্ত পেতে
বাংলাদেশে ভূমি একটি সীমিত সম্পদ। ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এসব পরিবারের পুনর্বাসন ও ভূমি অধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার ‘খাসজমি’ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জমির বন্দোবস্ত প্রদান করে থাকে। খাসজমি সংক্রান্ত নীতিমালা ও আইনি কাঠামো সময়ানুযায়ী সংশোধিত হয়েছে। নিম্নে খাসজমির পূর্ণাঙ্গ ধারণা, শ্রেণিবিন্যাস, বন্দোবস্তের যোগ্যতা, অগ্রাধিকার ক্রম, প্রক্রিয়ার ধাপ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দরখাস্তের নমুনা বিস্তারিতভাবে উপস্থাপিত হলো।
খাসজমির সংজ্ঞা (Definition of Khas Land)
কোনো জমি যখন আইনত সরকারের হাতে ন্যস্ত হয় (vested), এবং সেই জমি সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে — যেখানে সরকার প্রণীত পদ্ধতি অনুসারে উক্ত জমিতে স্থায়ী বা অস্থায়ী বন্দোবস্ত দিতে পারে কিংবা অন্য কোনো সরকারি কাজে ব্যবহার করতে পারে — তখন সেই জমিকে ‘খাসজমি’ বলে।
সহজ ভাষায়: সরকারি তহবিলের অধীনস্থ বা রেকর্ডে সরাসরি সরকারের নামে থাকা ও সরকারের পূর্ণ মালিকানাধীন ভূমিই খাসজমি। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি যদি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় বা যার মালিকানা সরকারি দখলে আসে, সেটিও খাসজমিতে পরিণত হয়।
খাসজমির শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Khas Land)
১৯৮৭ সালের ‘খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা’ প্রবর্তিত হয়। এ নীতিমালায় সর্বাধিক খাসজমি ভূমিহীনদের মধ্যে বন্দোবস্তের ব্যবস্থা রাখা হয়। পরে নীতিমালার সংশোধনী আনা হয় ১৯৯৭ সালে, এবং তৎকালীন সময়ে খাসজমিকে প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়:
কৃষি খাসজমি (Agricultural Khas Land)
এসব জমি মূলত কৃষিকাজের উপযোগী এবং ভূমিহীন কৃষক পরিবারের মধ্যে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। আবাদি জমি, পতিত কৃষিজমি, যেখানে ফসল উৎপাদন সম্ভব — এসবই এ শ্রেণির অন্তর্গত।
অকৃষি খাসজমি (Non-agricultural Khas Land)
অকৃষি খাসজমি তিনটি উপশ্রেণিতে বিভক্ত:
ক) বাণিজ্যিক বাগান ও চাষের জমি
যেমন — চা বাগান, রাবার বাগান, চিংড়ি চাষের জমি (গর্ত বা পুকুরসহ)।
খ) সর্বসাধারণের ব্যবহার্য জমি
যেমন — রাস্তা, খাল, নদীঘাট, বিল, পার্ক, পাবলিক সুবিধার জমি।
গ) জেগে ওঠা চরের জমি
নদী বা সাগরে ভাঙন ও গঠনের ফলে নতুন সৃষ্ট চরাঞ্চল, যা সরকারি তালিকাভুক্ত এবং এখনো কারও ব্যক্তি মালিকানায় যায়নি।
খাসজমি বন্দোবস্তের অধিকারী ব্যক্তি ও পরিবার (Eligibility for Khas Land Settlement)
কৃষি খাসজমির বন্দোবস্ত সাধারণত ভূমিহীন কৃষিনির্ভর পরিবার পায়। কিন্তু ‘ভূমিহীন’ কাদের বলা হবে, তা নীতিমালায় স্পষ্ট করে বলা আছে।
‘ভূমিহীন পরিবার’-এর সংজ্ঞা (Definition of Landless Family)
নিম্নবর্ণিত দুই ধরণের পরিবার ভূমিহীন হিসেবে গণ্য হবে:
| ক্রম | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| ক | পরিবারের কোনো বসতবাড়ি নেই এবং কোনো কৃষিজমি নেই, কিন্তু পরিবারটি সম্পূর্ণভাবে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। |
| খ | পরিবারের ১০ শতাংশ পর্যন্ত বসতবাড়ি আছে কিন্তু কোনো কৃষিযোগ্য জমি নেই, এবং পরিবারটি কৃষিনির্ভর। |
দৃষ্টান্ত: একটি পরিবারের যদি মাত্র ৫ শতাংশ জমিতে ঘর থাকে, কিন্তু তার ওপর ফসল উৎপাদনের মতো জমি না থাকে, এবং সংসার চলে ক্ষেতমজুরি বা অন্যের জমিতে চাষ করে — তবে সেই পরিবার ভূমিহীন শ্রেণিভুক্ত।
উপজেলাভিত্তিক সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতা
একটি উপজেলায় ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। কিন্তু:
-
সব পরিবারকে একসঙ্গে জমি দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ উপজেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ খাসজমি নাও থাকতে পারে।
-
খাসজমি থাকলেও অনেক জমি দেওয়ানি আদালতে মামলামোকদ্দমায় জড়িত থাকায় বন্দোবস্ত দেওয়া যায় না।
-
সব শ্রেণির খাসজমি (যেমন: পাবলিক ব্যবহারের জমি) বন্দোবস্তের আওতায় পড়ে না।
তাই সরকার একটি অগ্রাধিকার ক্রম (Priority Order) নির্ধারণ করে দিয়েছে।
খাসজমি বন্দোবস্ত পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ক্রম (Priority Order)
নিম্নরূপ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভূমিহীন পরিবারসমূহ কৃষি খাসজমি পাবে (এ তালিকায় ১ নং সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, ৬ নং সর্বনিম্ন):
| অগ্রাধিকার | পরিবারের শ্রেণি |
|---|---|
| ১ | দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। |
| ২ | নদীভাঙা পরিবার (যার সমস্ত জমি নদীতে বিলীন হয়েছে)। |
| ৩ | সক্ষম পুত্রসহ বিধবা বা স্বামীপরিত্যক্তা কৃষিনির্ভর পরিবার। |
| ৪ | যাদের কৃষিজমি নেই এবং বাস্তুভিটা (বাড়ির জমি) নেই। |
| ৫ | সরকারি অধিগ্রহণের ফলে ভূমিহীন হয়েছে এমন পরিবার। |
| ৬ | যাদের ১০ শতাংশ পর্যন্ত বসতবাড়ি আছে, কিন্তু কৃষিজমি নেই এবং কৃষিনির্ভর। |
উল্লেখ্য: একই অগ্রাধিকার স্তরে একাধিক পরিবার থাকলে, উপজেলা কমিটি বয়স, সদস্য সংখ্যা বা প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
অকৃষি খাসজমির দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্তের বিধান (Long-term Settlement of Non-agricultural Khas Land)
অকৃষি খাসজমির ক্ষেত্রে সাধারণত আবাসন, ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত (লিজ) দেওয়া হয়। নিম্নে পদ্ধতিগত ধারাবিবরণী দেওয়া হলো:
দরখাস্ত দাখিল
সরকারি অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত পেতে প্রার্থীকে ৫ (পাঁচ) টাকার কোর্ট ফি দিয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বরাবর লিখিত দরখাস্ত করতে হবে। দরখাস্তের সঙ্গে একটি অঙ্গিকারনামা (অ্যাফিডেভিট) জমা দিতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকে — “প্রার্থীত জমি যে উদ্দেশ্যে বন্দোবস্ত চাওয়া হয়েছে, সেই উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো কাজে জমি ব্যবহার করা হবে না।”
প্রক্রিয়াকরণের জন্য উপজেলায় প্রেরণ
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় আবেদনপত্রটি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করে।
সরেজমিন তদন্ত, মাপ ও নথি সৃজন
উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিনে জমি পরিমাপ, তদন্ত ও নীতিমালার শর্তাবলি যাচাই করেন। যদি জমি বন্দোবস্তের উপযোগী হয়, তবে:
-
কেস নথি সৃজন করা হয়।
-
জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
-
স্কেচ ম্যাপ, রেন্ট রোল (খাজনার তালিকা) প্রস্তুত করা হয়।
প্রস্তাব প্রেরণ
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
যাচাই ও অনুমোদন
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রস্তাবটি যথাযথ কিনা পরীক্ষা করে অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। ভূমি মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে চূড়ান্ত বন্দোবস্তের আদেশ জারি হয়।
মেয়াদ: অকৃষি খাসজমির বন্দোবস্ত সাধারণত ৯৯ বছর পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে (নীতিমালা অনুযায়ী), যা নবায়নযোগ্য।
কৃষি খাসজমির স্থায়ী বন্দোবস্তের পদ্ধতি (Procedure for Permanent Settlement of Agricultural Khas Land)
কৃষি খাসজমির স্থায়ী বন্দোবস্তের জন্য নিচের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়:
আবেদন জমা
যেকোনো ভূমিহীন পরিবার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-ক) দরখাস্ত দাখিল করতে পারে। আবেদনের সঙ্গে নিচের কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
| ক্রম | প্রয়োজনীয় দলিল |
|---|---|
| ১ | সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার বা চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত ০২ কপি ফটো। |
| ২ | স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ। |
| ৩ | (ঐচ্ছিক) মুক্তিযোদ্ধা সনদ, নদীভাঙনের প্রমাণ বা বিধবা/পরিত্যক্তার সনদ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে। |
উপজেলা কমিটির যাচাই
উপজেলা কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি (সদস্য: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কৃষি কর্মকর্তা, ও অন্যান্য) প্রাপ্ত আবেদনপত্রসমূহ যাচাই-বাছাই করে। তারপর:
-
প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে।
-
জমি বরাদ্দের পরিমাণ নির্ধারণ করে (সাধারণত পরিবারপ্রতি ০.৫০ একর থেকে ২ একর, নীতিমালা অনুযায়ী)।
কেস রেকর্ড সৃজন ও প্রেরণ
যাচাই শেষে ২১ দিনের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বন্দোবস্তের ‘কেস রেকর্ড’ তৈরি করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রেরণ করেন। পরবর্তী ২১ দিনের মধ্যে তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।
অনুমোদন ও রেকর্ড সংশোধন
জেলা প্রশাসক প্রস্তাব অনুমোদন করলে এবং ভূমি মন্ত্রণালয় (প্রয়োজনে) নিষ্পত্তি করলে, অনুমোদিত প্রস্তাব জেলা থেকে ফেরত দেওয়া হয়।
চূড়ান্ত বন্দোবস্ত (কবুলিয়ত ও খতিয়ান)
অনুমোদন পাওয়ার পর:
-
বন্দোবস্তপ্রাপক ১ (এক) টাকা সেলামী প্রদান করেন (স্মারক মূল্য)।
-
তার অনুকূলে কবুলিয়ত সম্পাদন করা হয় (যে দলিলে বন্দোবস্তের শর্ত স্বীকার করা হয়)।
-
নামে খতিয়ান খোলা হয় এবং জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
শর্ত: এই জমি বন্দোবস্তগ্রহীতা নিজে চাষ করবেন, বর্গাদার দেবেন না এবং কোনোক্রমে হস্তান্তর (বিক্রয়, দান, লিজ) করতে পারবেন না। অন্যথায় সরকার বিনা মূল্যে জমি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে।
দরখাস্ত ফরমের পূর্ণাঙ্গ নমুনা ও শপথনামা (Sample Application Points and Affidavit)
খাসজমি বন্দোবস্তের আবেদন ফরমটি সরকারি নির্দেশনায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উত্তর ধারণ করবে। দরখাস্তকারীকে এসব পয়েন্ট অনুসারে তথ্য দিতে হবে।
দরখাস্তকারীর শ্রেণি (প্রযোজ্য একটি টিক চিহ্ন দিন)
| ক্রম | শ্রেণির বর্ণনা |
|---|---|
| ১ | দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার |
| ২ | নদীভাঙা পরিবার (সম্পূর্ণ জমি বিলীন) |
| ৩ | সক্ষম পুত্রসহ বিধবা বা স্বামীপরিত্যক্তা পরিবার |
| ৪ | কৃষিজমিহীন ও বাস্তুভিটাহীন পরিবার |
| ৫ | অনধিক ০.১০ একর বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষিজমি নেই এবং কৃষিনির্ভর |
| ৬ | সরকারি অধিগ্রহণের ফলে ভূমিহীন হয়েছে এমন পরিবার |
ভূমিহীন শ্রেণির পক্ষে দাখিলকৃত কাগজপত্র (নমুনা তালিকা)
১. যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র (যদি প্রযোজ্য)।
২. ইউনিয়ন চেয়ারম্যান/পৌর চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের সনদপত্র (ভূমিহীনতা ও বাসস্থানের)।
৩. অন্যান্য (নদীভাঙনের দলিল, বিধবা সনদ, অধিগ্রহণের আদেশ ইত্যাদি)।
পরিবার ও ব্যক্তির তথ্যের বিবরণী (নিচের প্রতিটি পয়েন্ট পূরণ করতে হবে)
২। দরখাস্তকারী পরিবার প্রধানের নাম ও বয়স:
নাম: ……………………. বয়স: ………………….
৩। পিতার নাম/স্বামীর নাম: ……………………. জীবিত/মৃত: ……………….
৪। জন্মস্থান ও ঠিকানা:
গ্রাম: ……………… ইউনিয়ন: ……………… উপজেলা: ……………… জেলা: ……………….
৫। পরিবার প্রধানের স্ত্রী/স্বামীর নাম: ……………………. বয়স: ………………
৬। পরিবারের সদস্যদের তালিকা (টেবিল আকারে):
| ক্রমিক | নাম | বয়স | সম্পর্ক | কি করেন | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | |||||
| ২ |
৭। নিজের বসতবাড়ির বিবরণ:
(জমির পরিমাণ, দলিলের তথ্য, ঘরের ধরন)
৮। নিজের বসতবাড়ি না থাকলে বর্তমান বাসস্থানের বিবরণ:
যেখানে বাস করেন (ভাড়া বাসা, আত্মীয়ের বাড়ি, সরকারি আশ্রয় ইত্যাদি)
৯। পূর্বে কোনো খাস কৃষিজমি পেয়ে থাকলে তার বিবরণ:
(কখন, কোথায়, কতটুকু পেয়েছিলেন, এখনো দখলে আছে কিনা)
১০। যে খাসজমির জন্য দরখাস্ত করছেন, তার বিবরণ:
মৌজার নাম, এস টি কাঠা নং, আনুমানিক আয়তন
১১। নদীভাঙা পরিবার হলে:
কবে, কোথায়, কীভাবে নদীভাঙন হয়েছিল; পিতা/আত্মীয়ের দলিল থাকলে তার স্পষ্ট বিবরণ (প্রয়োজনে পৃথক কাগজ)
১২। পরিবারে কেউ শহীদ বা পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা হলে:
পূর্ণ পরিচয়, কোন ইউনিট, কোন সেক্টর, কীভাবে শহীদ/পঙ্গু হয়েছেন; প্রমাণসহ বিবরণ
১৩। দরখাস্তকারীর দখলে অন্য কোনো খাসজমি থাকলে:
কোন জমি, কতদিন ধরে, কীভাবে দখলে এনেছেন; জমির বর্তমান অবস্থা (ফসলি/পতিত)
১৪। বিশেষ কোনো খাসজমি পাওয়ার কারণ:
(যেমন: ওই জমির পাশে তাঁর জমি ছিল, নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত হয়ে ওই এলাকায় আশ্রয়)
১৫। প্রার্থিত জায়গা বন্দোবস্ত দেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প মৌজা:
২/৩টি মৌজার নাম ক্রমান্বয়ে উল্লেখ করতে হবে।
১. ………………… ২. ………………… ৩. …………………
১৬। দরখাস্তকারী সম্পর্কে দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা:
(যাঁরা তাঁর সততা ও ভূমিহীনতা নিশ্চিত করতে পারেন)
১ নাম: ………….. ঠিকানা: …………..
২ নাম: ………….. ঠিকানা: …………..
