Animel Firm

কৃষি ভিসায় ইউরোপ যাওয়ার সুযোগ

কৃষি ভিসায় ইউরোপ যাওয়ার সুযোগ

মজার একটা তথ্য দিয়ে লেখাটা শুরু করি? আচ্চা বলুনতো বাংলাদেশ কি ধরনের দেশ।

ঠিক বলেছেন বাংলাদেশে কৃষি প্রধান দেশ। আগের চেয়ে কৃষির উপর নির্ভরশীলতা কমলেও এখনো প্রতিটি মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল আর জীবিকার জন্যও এখনো বেশীরভাগ মানুষ কৃষিতে নির্ভরশীল।

তাহলে এর সাথে মিলিয়ে আমি কয়েকটা প্রশ্ন করি, তাহলে বোঝা যাবে মজার তথ্য কেন বললাম।

১) আমাদের দেশে কতজন মানুষ কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকেন?

২) আমাদের দেশ কতটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আছে?

৩) আমাদের দেশের কতজন কৃষকের কৃষিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত?

৪) আমাদের বিদেশগামী শ্রমিকদের কতজন কৃষি কাজে যায়?

৫) আমাদের বিদেশগামী শ্রমিকদের কতজনের কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ আছে?

এবার আপনি অবাক হবেন, আমাদের দেশের লোকজন যারা পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশে যেতে চায়। সেসব দেশে এখনো ব্যাপক কৃষি শ্রমিকের চাহিদা। এমনকি ইউরোপ ও আমেরিকাতে রয়েছে প্রচর মৌসুমী শ্রমিকের চাহিদা। কিন্তু আমাদের দেশের শ্রমিকেরা সেখানে যেতে পারে না। কেন যেতে পারে না শুনবেন?

১) তাদের কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেই এবং তারা সঠিক অভিজ্ঞতা দেখাতে পারে না।

২) তারা জানেও না কৃষি বিষয়ে উন্নত দেশে শ্রমিকের অভাব রয়েছে। তাই সেভাবে নিজেকে তৈরী করতে হবে।

৩) তারা ভাষা জানে না, না ইংরেজী না যেদেশে যেতে চান সেদেশের ভাষা।

৪) তারা সরাসরি নিজেরা ইন্টারনেটে সার্চ দেয় না। নিজেরা আবেদন করে না। দালালের পেছনে ঘোরে।

৫) তারা কোনো দেশে মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে যাওয়ার পর আর ফিরে আসে না। অথচ তারা যদি কয়দিন চাকরি করে ফিরে আসে। তাহলে তারা প্রতিবছরই যেতে পারবে।

এবার মুল আলোচনায় যাওয়া যাক-  আমরা জানবো,

বর্তমানে ইউরোপের কোন কোন দেশে বাংলাদেশ থেকে কৃষি কাজে ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোন দেশে কৃষির জন্য কত দিনের প্রশিক্ষণ? কোন লেবেলের প্রশিক্ষণ, কাদের দ্বারা প্রশিক্ষণ এবং কত দিনের কৃষি কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়? প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা ছাড়া, ভাষা ও অন্যান্য কি কি শর্ত রয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো এই লেখায়।

ইউরোপে বাংলাদেশ থেকে কৃষি কাজে যাওয়ার সুযোগ আছে—তবে এটি “স্থায়ী চাকরি” নয়, বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই Seasonal Work Permit (মৌসুমি শ্রমিক ভিসা) এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।

 ইউরোপে কৃষি শ্রমিক নেওয়ার মূল কাঠামো

ইউরোপীয় ইউনিয়নে কৃষি খাতে বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে—যাকে বলা হয় Seasonal Workers Directive। এই ব্যবস্থায় শ্রমিকরা অস্থায়ীভাবে (৩–৯ মাস) কাজ করতে পারে, কাজ শেষে নিজ দেশে ফিরে যেতে হয় এবং নিয়োগকর্তা (Employer) থেকেই ভিসা প্রসেস শুরু হয়।  অর্থাৎ, আপনি নিজে আবেদন করে চাকরি পাবেন না, আগে চাকরির অফার লাগবে।

 ইউরোপের যেসব দেশে কৃষি কাজের সুযোগ বেশি

ইতালি (Italy)

ইটালিতে মৌসুমী প্রোগ্রাম: Decreto Flussi থাকে। যার সময়: ৩–৯ মাস হতে পারে। যেমন  জলপাই, আঙুর, ফল সংগ্রহ ইত্যাদি কাজে। বিগত ২০২৫ সালে প্রায় ৯৩,০০০+ মৌসুমি ভিসার চাহিদা ছিল। এগুলো তারা ইউরোপের অন্যান্য দেশে থাকা বিদেশী শিক্ষার্থীদের দ্বারা পুরণ করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশীদের সুযোগ দিলে দেখা যাবে তারা অবৈধভাবে থেকে যেতে চায়। অথচ তারা যদি দালালকে লাখ লাখ টাকা দিয়ে না যায় আর যতদিনের পারমিট রয়েছে ততদিন থেকে চলে আসে বা অন্য দেশে যায় এবং পরে আবার ইটালী যায়। কোনো একসময় ইটালী বা অন্য ইউরোপীয় দেশে কাজের সুযোগ এমনিতে সৃষ্টি হবে। তা না করে অনেকে অবৈধ হয়ে ইটালীর পথে প্রান্তরে থেকে জীবনকে ঝুকির মধ্যে ফেলে দেয়।

স্পেন (Spain)

স্পেনে এই  প্রোগ্রামের নাম  GECCO।  সময় বছরে সর্বোচ্চ ৯ মাস। মূল কাজ হলো স্ট্রবেরি, সাইট্রাস ফল সংগ্রহ। এগুলো সাধারণত গ্রুপ ভিত্তিক নিয়োগ (collective hiring) থার্ড পাটি নিয়োগ হয়ে থাকে। তবে স্পেনের ভিসার জন্য এই কাজে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন হয় এবং ভাষা জানা থাকলে কাজ পাওয়ার সহায়ক হয়।

কেউ যদি সঠিক খরচ ভিসা ও বিমান ভাড়া মানে দালালের লাখ লাখ টাকা বাদ দিয়ে মুল থরচটা দিয়ে যায়। তাহলে ৩ থেকে ৬ মাস কাজ করলেও পোষায়। এবং সময়মতো ফিরে এসে গুডবুকে নাম তুলতে পারলে। পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে লিগ্যাল পথে গিয়ে সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। শুধু চোখ কান খোলা রাখতে হয় আর সচেতন থাকতে হয়।

ফ্রান্স (France)

মনে রাখতে হবে এমন দেশে উন্নত প্রযুক্তির কারণে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে চাষবাষের সময় বেশী শ্রমিক লাগে না। শুধু কিছু কিছু পাকা ফসল মেশিনে না তুলে হাতে তুলতে হয়। কেবল তখনি তাদের ব্যাপক শ্রমিক দরকার হয়। ফ্রান্সে এ ধরনের ভিসা হয়  ৩–৬ মাসের কাজের জন্য। এখানে মুল কাজ  আঙুর বাগান, কৃষি খামারে হয়ে থাকে। একবার কোনো জায়গায় কাজ করলে সে খানে পুনরায় আসার সুযোগ থাকে।

এসব কাজের সুযোগগুলো গ্রামের দিকে থাকে বলে কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন এখানে জীবন যাত্রার ব্যয় কম। মানে শহরে হলে যেমন বাড়ি ভাড়া, খাওয়া ও যাতায়াত খরচ বেশী থাকে এখানে তেমনটা নয়। তাছাড়া কখনো কখনো কর্মস্থলে থাকার ব্যবস্থাও থাকে। অনেক কৃষকের বড় বড় বাড়ি থাকে সেখানে মৌসুমী শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা থাকে। কারো কারো ফার্ম হাউজেও থাকা যায়।

জার্মানি (Germany)

ইউরোপের দেশগুলো শীত প্রধান হওয়ার কারণে এখানে মৌসুম অল্পস্থায়ী হয়। মাসে সামারে এখানে চাষবাস হয় অন্যসময় বরফ পড়ে থাকে। জার্মানি মুলত স্ট্রবেরী চাষের জন্য বিখ্যাত। এছাড়া  asparagus, harvesting হয়। সাধারণত ৯০ দিনের জন্য তাদের শ্রমিক দরকার হয়। তবে মুল সিজন ৬ মাসের। ফসল তোলার জন্যই তারা শ্রুমিক ডাকে। সময়টা হলো মার্চ–অক্টোবর মৌসুম

তবে এসব অনেক দেশে যাওয়ার জন্য অনেক সময় বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কারণ এখান থেকে দালাল, আদম ব্যবসায়ী ট্রাভেল এজেন্সি ও অসাধু রিকুটিং এজেন্সির লোকেরা ভুল লোকদের পাঠায়, নকল নথি বানাও আর মানুষের সাথে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণা করে। একারণে ভিসা দিতে চায় না। সেক্ষেত্রে বিকল্প হলো, যারা ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যদেশে আছে। বিশেষ করে ইউরোপে স্টুডেন্ট হিসেবে আছে বা মধ্যপ্রাচ্যে কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। কাজের অভিজ্ঞতা ও প্রমাণক রয়েছে। তারা যে দেশে রয়েছে সেদেশ থেকে আবেদন করলে ভিসা পাওয়া সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

পোল্যান্ড (Poland)

শান্ত, সুন্দর ও শীত প্রধান দেশ পোল্যান্ডে কৃষি কাজের সময় সর্বোচ্চ ৯ মাস। এখানে কৃষি, বাগান, ফসল সংগ্রহ কাজে শ্রমিক দরকার হয়। তারা  Seasonal Work Permit (Type S) ভিসা টাইপ দিয়ে শ্রমিক নিয়ে থাকেন।

আমাদের দেশে দালালেরা অনেক সময় লোকদের পাসপোর্ট নিয়ে তাদের নামে ভুয়া কাগজ বানিয়ে তাদেরকে পাঠাতে চেষ্টা করে। তাই সতর্ক থাকা উচিৎ। সবচেয়ে ভাল হয় নিজে খবর নিয়ে নিজে নিজে চেষ্টা করা। আপনি অনলাইনে চাকরির আবেদন করবেন। এখানে ১শ কোম্পানীতে আবেদন করে ৯৯ বার ব্যর্থ হওয়ার মাঝে হারানোর কিছু নেই। আছে অভিজ্ঞতা। কিন্তু দালালকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে মাসের পর মাস বসে থেকে শেষে অবৈধ কিংবা ভুলভাবে বিদেশ যাওয়া কিংবা প্রতারণার শিকার হওয়ার মাঝে কোনো গৌরব নেই।

লিথুয়ানিয়া (Lithuania)

ছোট দেশ লিথুয়ানিয়া। কিন্তু এখানে কিছু কৃষি, খামার ও মৎস্য কাজের সুযোগ রয়েছে। মূলত সময়: ৬ মাসের জন্য কৃষি ভিসা + ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন বা পাওয়া গেলেও। যারা ভাষা ও অন্য কাজের দক্ষতা রয়েছে তারা চাইলে ভিন্ন কাজ ঠিক করে থেকে যেতে পারবেন। এমনকি একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্স করেও থাকার সুযোগ রয়েছে।

আপনি যদি ৩ লাখ খরচ করে কৃষি ভিসায় গিয়ে পরে ১০ লাখ খরচ করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সেটা অবৈধভাবে যাওয়া বা থাকার চেয়ে ভাল নয়কি। আমি এটা উদাহরণ হিসেবে দিলাম। তবে যেদেশে যাবেন সে দেশের সম্পর্কে বিস্তারিত অবশ্যই খোজ খবর নিয়ে যাবেন।

অন্যান্য

কৃষি ও horticulture কাজ বেলজিয়াম যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি শীত প্রধান ও বরফের দেশ। গ্রীস্মকাল খুব সীমিত। ভিসা টাইপ ২ রকমের হয়। Long stay D + seasonal permit। পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড এসব দেশেও সুযোগ আছে, তবে তুলনামূলক কম।

 প্রশিক্ষণ (Training)

 ইউরোপের কৃষি কাজের জন্য ফরমাল প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক হলেও মুলত সিজনাল কাজের জন্য বাধ্যতামূলক নয় তবে বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।  এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে “basic training” থাকলে সুবিধা পাওয়া যায়। ফসল সংগ্রহ (Harvesting), গ্রীনহাউস কাজ, প্যাকেজিং, সেফটি ইত্যাদি বিষয়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমে|যাদী প্রশিক্ষণ থাকলে ভাল। বাংলাদেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সরকারীভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এছাড়া বেসরকারিভাবে NGO / Training Center ও Recruiting Agency প্রশিক্ষণ দেয়।

 অভিজ্ঞতা (Experience) – কতটুকু প্রয়োজন?

কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতাকে গণ্য করা হয়। কাজ হেসেবে কখনো ৬ মাসের অভিজ্ঞতাও গ্রহণ করে। কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ছাড়াও হয় কিন্তু থাকলে অগ্রাধিকার। বিশেষ করে বাংলাদেশীদের ক্ষেত্রে সত্যিকার অভিজ্ঞতা যার সনদ, ছবি, ভিডিও এবং তার কথা ও কাজের মধ্যে প্রমাণিত হয় এরকম হলে ভিষা ও ইমিগ্রেশনে সুবিধা হয়।

আবার ভূয়া কাগজ, ফেক ছবি, বানানো ভিডিও এসব দিয়ে মিথ্যা অভিজ্ঞতা প্রমাণ করার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হয়ে থাকে।

 কী ধরনের অভিজ্ঞতা হলে ভাল:

কৃষি: ধানচাষ, সবজি চাষ, ভূট্টা চাষ, স্ট্রবেরী চাষ, ফল চাষ, ফসল সংগ্রহ ও মাঠে কাজের অভিজ্ঞতা

লাইভ স্টক: গরু পালন, ভেড়া পালন, মুরগী পালন, দুধ প্রক্রিয়াকরণ, মাংস প্রক্রিয়াকরণ, ঘাষ চাষ ও তৈরী

 

 ভাষাগত যোগ্যতা

সব দেশে বাধ্যতামূলক না হলেও আমি বলব বাংলাদেশীদের জন্য এটা বেশী জরুরী। আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা এটাতে বেড়ে যাবে। প্রথমত আপনি যদি কৃষি কাজ শিখে বিদেশ যেতে চান। তাহলে যে ৬ মাস প্রশিক্ষণ নিবেন যে ৬ মাস আপনি রাতে বা সন্ধ্যায় ৪-৬ ঘন্টা সময় দিয়ে ইংরেজী শিখেন। আর যে ৬ মাস আপনি কাজ করবেন অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য কোনো ফার্মে সে সময়টাতে যে দেশে যাবেন সে দেশের ভাষা শিখুন। ২টি বিদেশী ভাষা আপনাকে ২ গুন এগিয়ে রাখবে।

কারণ বিদেশ যাওয়ার জন্য আপনার Basic English (A1–A2) থাকলে ভালো বা এটা দরকার হবে এ্ং কিছু দেশ যেমন, জার্মানি → Basic German,  ফ্রান্স → Basic French দরকার হবে। বিশেষ করে  “Yes/No বুঝতে পারা”। নিজের পরিচয় দিতে পারে, কাজের নির্দেশনা বুঝতে পারা এবং যে কাজগুলো আপনি করবেন সে কাজের বিভিন্ন জিনিসের নাম ও নির্দেশনা স্থানীয় ভাষায় শেখা জরুরী। আজকাল ইউটিউবে এগুলো শেখা যায়। যা সুযোগটা ৩০ বছর আগে ছিলো না।

 তবে মনে রাখতে হবে কিছু ক্ষেত্রে আপানার  আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে। যা কিছু দেশে প্রমাণ লাগে। অনেক দেশে স্বাস্থ্যবীমাটা থাকা জরুরী হয়।  শীতের দেশে কাজ খুবই শারীরিকভাবে কঠিন। প্রতিদিন ৮–১২ ঘণ্টা কাজ করা শ্রমসাধ্য। আবহাওয়া (ঠান্ডা/গরম) কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তবে আমাদের দেশের শ্রমিকেরা মানিয়ে নেয়। 

 কিভাবে আবেদন করবেন (Step-by-step)

  1. দেশ নির্বাচন করুন

  2. বৈধ Employer খুঁজুন

  3. Job offer সংগ্রহ করুন

  4. Employer Work Permit Apply করবে

  5. Embassy-তে Visa Apply

  6. ভিসা পেলে ভ্রমণ

আরো মনে রাখতে হবে, ইউরোপে কৃষি কাজ মেশিনভিত্তিক, নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে এবং টাইম ম্যানেজমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ।