The Pursuit of Happyness (দ্য পারস্যুট অব হ্যাপিনেস)
পরিচালক: গ্যাব্রিয়েল মুচ্চিনো
ইন্ডাস্ট্রি: হলিউড (আমেরিকান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি)
প্রোডাকশন হাউজ: কলাম্বিয়া পিকচার্স, রেলাটিভিটি মিডিয়া, এসকেপ আর্টিস্টস
কাস্টিং: উইল স্মিথ (ক্রিস গার্ডনার), জেডেন স্মিথ (ক্রিস্টোফার), থ্যান্ডি নিউটন (লিন্ডা), ব্রায়ান হাও, ড্যান কাস্টেলানেটা প্রমুখ।
কাহিনী সংক্ষেপ
১৯৮০-এর দশকের শুরুর সান ফ্রান্সিসকোতে ক্রিস গার্ডনার একজন মেডিকেল ডিভাইস সেলসম্যান। অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব ও পারিবারিক টানাপোড়েনে তার জীবন ক্রমেই জটিল হতে থাকে। চাকরির ব্যর্থ প্রচেষ্টা, ভাড়ার বাকি, সম্পর্কের ভাঙন—সব মিলিয়ে সে প্রায় পথে বসে যায়। তবুও ছেলেকে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই ছাড়ে না। একসময় সে একটি স্টক ব্রোকার ফার্মে বিনা বেতনের ইন্টার্নশিপ শুরু করে, যেখানে সফল হওয়া মানেই একটি চাকরি। আশ্রয়হীন রাত, গির্জার শেল্টারে আশ্রয়, স্টেশনের বাথরুমে ঘুম—সব কিছুর মধ্যেও তার ধৈর্য ও দৃঢ়তা হারায় না।
পটভূমি
এটি ক্রিস গার্ডনারের আত্মজীবনী অবলম্বনে নির্মিত, যেখানে বাস্তব জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। আমেরিকান ড্রিম-এর ধারণা এখানে সামাজিক বাস্তবতার সাথে মিশে গেছে।
শক্তিশালী দিক
উইল স্মিথের অভিনয় ছবির প্রাণ। তার মুখভঙ্গি, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা, আর চোখের গভীর দুঃখের প্রকাশ—সব মিলিয়ে চরিত্রটি একেবারে জীবন্ত। The New York Times একে বর্ণনা করেছিল “a performance of quiet fire”—যেখানে আবেগের প্রকাশ সংযত হলেও প্রভাব প্রবল।
জেডেন স্মিথের সরলতা ও স্বতঃস্ফূর্ত সংলাপ ছবিকে আরও মানবিক করেছে। গ্যাব্রিয়েল মুচ্চিনোর পরিচালনা বাস্তবতার ঘ্রাণ রাখে—অতিরিক্ত নাটকীয়তা নেই, বরং মুহূর্তগুলো ধীরে ধীরে জমে ওঠে।
সিনেমাটোগ্রাফি বিশেষভাবে প্রশংসনীয়, বিশেষ করে শহরের ভিড়, সান ফ্রান্সিসকোর শীতলতা ও রাতের নিঃসঙ্গতা ফুটিয়ে তোলা দৃশ্যগুলোতে। সাউন্ডট্র্যাক নরম কিন্তু আবেগঘন, যা কাহিনীর সাথে মিশে যায়।
দুর্বল দিক
ছবির গতি মাঝে মাঝে ধীর মনে হতে পারে, বিশেষ করে ইন্টার্নশিপ পর্যায়ের কিছু অংশ। তবে এ ধীরতা গল্পের চাপ ও সংগ্রামের গভীরতা বোঝাতে সাহায্য করে, তাই এটি খুব বড় সীমাবদ্ধতা নয়।
শিক্ষণীয় দিক
ধৈর্য, অধ্যবসায় ও নিজের উপর বিশ্বাস—এই তিনটি গুণ এখানে স্পষ্টভাবে উঠে আসে। জীবনের কষ্টকে সাময়িক ধাপ হিসেবে দেখা, এবং লক্ষ্য থেকে চোখ না সরানো—এ শিক্ষাটি সার্বজনীন। ক্রিস গার্ডনারের একটি সংলাপ মনে গেঁথে যায়—
“You got a dream, you gotta protect it. If you want something, go get it. Period.”
তথ্য: ইন্টারনেট, সম্পাদনা: এআই, ছবি: PhotoFunia

