আইসিটি খাতে রপ্তানী লক্ষ্যমাত্রা ও ক্রসবর্ডার ই-কমার্স

আইসিটি খাতে রপ্তানী লক্ষ্যমাত্রা ও ক্রসবর্ডার ই-কমার্স

আইসিটি খাতে রপ্তানী লক্ষ্যমাত্রা ও ক্রসবর্ডার ই-কমার্স

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লক্ষ্যমাত্রার ঘোষণা দেন। বিদেশে বাংলাদেশের আইসিটি পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। এজন্য খাতের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ করে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি তথ্যপ্রযুক্তি (আইটিইএস) খাতের রপ্তানি আয় ২০২২ ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার।  বাংলাদেশে উৎপাদন রপ্তানি বাড়ছে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) খাতে। ২০০৬ সালে খাতে রপ্তানি ছিলো ২১ মিলিয়ন ডলার যা ২০২৩ সালের জুলাইতে এসে দাঁড়িয়েছে দশমিক বিলিয়ন ডলারে । ২০২৮ সালে এটি ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।

সফটওয়্যার খাতের ওয়েবসাইট তৈরি ডিজাইন, মোবাইল অ্যাপস, গেমস, অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম, ভিওআইপি অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্রিপ্রেস, ডিজিটাল ডিজাইন, সাপোর্ট সেবা, কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন রপ্তানি বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের (২০২৩২৪) বাজেটে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০২২২৩ অর্থবছরে খাতে বরাদ্দ ছিলো হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ নতুন অর্থবছরে আইসিটি খাতে ৪৫২ কোটি টাকার বরাদ্দ বেশি রাখা হচ্ছে। তবে এই বরাদ্দ থেকে একটি বড় অংশ বিনিয়োগ হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তা খাতে এবং স্মার্ট গভর্মেন্ট বিনির্মাণে।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এর লিভারেজিং আইসিটি (এলআইসিটি) প্রকল্পের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ১৯৯৯২০০০ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ২৮ লাখ ( দশমিক মিলিয়ন) ডলারের সফটওয়্যার রপ্তানি হয়। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সফটওয়্যার রপ্তানি শুরু করে।

বর্তমান বছর ২০২৩-২৪ এ মোটের উপর ১০% এর মতো লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৭২ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।