আলতু সমিতির ফালতু লোকেরা
এক ছিল আলতু সমিতি চলছিল গমাগম
কিছু লোক বুঝল বুঝি টাকা রমারম।
তারপরেতে আরো লোকে আসল দখল নিতে।
বলল যেন তাদের পাতে সোনা রুপা দিতে।
তাদের কথা বলছি শোনো প্রতিটা যেন ছ্যাছড়া
লাজ লজ্জা ধার ধারে না কেন যেমন তারা।
সুনীতি কুমার
নীতিপাড়ার সুনীতিকুমার নীতির বাক্য বলে
মিষ্টি কথায় লোক ভোলায় ছলে বলে কৌশলে।
নীতির নামে কুটনামী তার পাড়ার লোকের জানা
অনেক ঘরের উঠোনই তার মাড়ানো মানা।
যার নাই নীতির বালাই নীতির দোকান তার
নীতির কথাই তার মুখে যেন আসে বার বার।
সামাল পাড়ার আলাম
সালাম পাড়ার আলাম মিয়া চলতে ফিরতে ভাব
কায়দা জানে শুধু কেবল আদবের অভাব।
নিজের নাই বুদ্ধি বিবেক ধার করা সব পাওয়ার
মুখে বলে জনসেবা আসলে ধান্ধা খাওয়ার।
লোককে কিভাবে সম্মান দিবে নাইতো জানা তার
লোকের কাছে সম্মান চায় সেইতো বারে বার।
হাসির নামে হাসমত
হাসমত যার নাম রেখেছে গীর্জার পুরোহিত
হাসির কোনো লেশ নেই, সে যে বিপরীত।
লেবাসে তার বুজর্গ ভাবে ভেতরে শয়তান
যেদলে যোগ দেয় সে দল খান খান।
উপস্থিত হলে সুশ্রী হারায় যেকোনো সভার
নিজেকে সে ভাল মানুষ বলে বার বার।
ইংরেজীতে নাম
ইংরেজী নাম তার কূটনামিতে পাকা
কানের কাছে কাঠি করে সময় পেলে ফাঁকা।
লজ্জা শরম বন্ধক রাখা লোকের কানই ঘর
আপন তার কেউ নেই সবে করেছে পর।
৭ জনের দল পাকিয়ে হাম্বা ডাকই সার।
নিজেকে অনেক বড় নেতা বলে বার বার।
ঘোড়ার নামে নাম
ঘোড়ার নামে মিল থাকলেও কাজে কিন্তু ফারাক
এখানে এক কথা ওই খানে আরেক
সবার সাথে মিলিয়ে বুঝাতে চায় ভদ্রতা
যদিও সবাই জেনে তার আসল শঠতা
একপাশে তার চিটার অন্যপাশে বাটপার
তারপরেও নিজেকে ফেরেশতা কয় বার বার।
ফুলের নামে নাম
ফুল মানেই সুন্দর নয়, ধুতরা ফুলও তাই
ফুলের নামে বাজার তোলার সেদিন আর নাই।
লোভের টানে চোরের সাথে দোস্তি গলায় গলায়
চোরের বলে বলীয়ান নিজের কলার ফোলায়
একবার দোষ ভুল হলে, দোষ হয় তিনবারে
ভবিষ্যতে ভাল হবে এমন বলে দিনবারে।
জানোয়ার নাম
ভেতরে যার হিংসা বিদ্বেষ বাইরে তার ছলা
এমন করে যায়না ঢাকা, কালো মনের কলা।
যে থালে তার ভাত-তরকারী সেটাই কুরে ফুটা
যদি কেউ দেয় আশা একটা আধটু ঝুটা।
গর্বে করে বলে গুন নোংরামী করতে পারা
এভাবে নিজের ভাল নিজে মারছে সারা।
৭ জনের পরিচয় দিলাম বুঝলে বুঝপাতা
না বুঝলে তরমুজ আর মসলা- তেজপতা
-জাহাঙ্গীর আলম শোভন

