ই-কমার্স সেক্টরের পরিধি বৃদ্ধিতে করনীয়
বাংলাদেশে ই-কমার্সের বাজার আকৃতি বা মার্কেট সাইজ অনলাইন লেনদেন ১৬ হাজার কোটি টাকা। আর ক্যাশ অন ডেলিভারী যদি মটো বাজারের ৭০% হয় তাহলে মোট বাজার হবে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশী। বাংলাদেশের খুচরা বাজারের (রিটেইল মার্কেট) বর্তমান আকার সম্পর্কে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। একটি সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশের রিটেইল মার্কেটের সাইজ ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। কিন্তু বাস্তবে এটা এর ১০ গুন বেশী হবে। কেননা খুচরা বাজারের খুব কম লেনদেন ট্র্যাক করা যায় এমনকি বাংলাদেশের সুপার মার্কেটের চেয়ে বেশী বেচাকেনা হয় রাস্তার খোলা দোকানে।
অপরদিকে, আরেকটি সূত্রে ই-কমার্স সেক্টরের বাজার শেয়ার ৩.৮% উল্লেখ করা হয়েছে। একটি বিষয় খেয়াল করা যাক। যদি রিটেইল মার্কেট ২ লক্ষ কোটি টাকা আর ই-কমার্স ৪০ হাজার কোটি টাকা হয় তাহলে মার্কেট শেয়ার হবে ২০%। কিন্তু এটা হওয়ার সুযোগ নেই কেননা এখনো ১০% ক্রেতাও অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে না। যারা করে তারা আবার তাদের মোট খুচরা ব্যয়ের একটা ছোট অংশ করে থাকে। যদি ধরি বাংলাদেশের খুচরা বাজারে ই-কমার্সের অংশ বর্তমানে মোটামুটি ৫% থেকে ১০% এর মধ্যে রয়েছে। এখানে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়না আবার যেসব তথ্য পাওয়া যায় সেগুলো একটির সাথে অন্যটি ম্যাচ করে না। যাই হোক আমরা ই-কমার্সের বাজার বৃদ্ধিতে করনীয় নিয়ে আলোচনা করব।
১. প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরী
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও আইসিটি বিভাগ ছাড়াও আন্তজাতিক সংস্থা She Trade, FNF এর সাথে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ যাবত ১০ হাজার তরুনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। যাদের ৪৬ শতাংশ নারী। এরা বেশীরভাগই উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে কেউ কেউ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু এই সুযোগ গ্রামের দিকে প্রসারিত হয়নি। প্রশিক্ষণ পরবর্তী ফলোআপ রাখা হয়না।
২. মেলা ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
ই-ক্যাব বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ও মহিলা অধিদপ্তরের সাথে যৌথভাবে ই-কমার্স মেলা আয়োজন করছে। ২০২১ সালে ভার্চুয়াল ডিজিটাল ওয়াল্ডে প্রায় একশ এর মতো স্টল বরাদ্দ নিয়েছে ই-কমার্স সেক্টর। এখানে সমস্যা হলো ই-কমার্স বিষয়ক মেলাগুলো পণ্য সেবা কেন্দ্রীক না হয়ে শুধু প্রদর্শণী কেন্দ্রিক হয় ফলে এগুলোতে কাংখিত সফলতা আসেনা। বিশেষ করে ক্রেতার আস্থার সংকট কাটাতে ভূমিকা রাখতে পারে না।
৩. পণ্য ও সেবার পরিধি বৃদ্ধি
বর্তমানে দেশে ই-কমার্সের মাধ্যমে বেশী বিক্রি হচ্ছে গ্যাজেট, পোশাক ও বই। সাম্প্রতিক সময়ে করোনার কারণে নিত্যপণ্য এবং ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর বেচাবিক্রিও বেড়েছে। পণ্য ও সেবা বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছর ই-ক্যাবের সহযোগিতায় আয়োজন করে অনলাইন আমমেলা। এতে প্রায় ১৫২ হাজার কেজী আম বিক্রি হয়। যা আসলে সংখ্যা বা পরিমানের দিক থেকে উল্লেখযোগ্য নয়। কারণ ঢাকা শহরে অন্তত ২০ লক্ষ পরিবার বাস করে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর সাথে যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করে অনলাইন কুরবানি হাট। পেমেন্ট জটিলতা ও আস্থার সংকট এর কারণে এখানে সফলতা কম।
করোনার সময় নিত্যপণ্য ও খাবার পরিবহনে সর্বোচ্চ ৩০০% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। অনেকে এই বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও এটা আমরা যদি পাকিস্তান বা ভিয়েতনামের সাথে মিলাই তাহলে তাদের ৫০%ও আমরা পারিনা। দুটো দেশে সেসময়ে খাদ্যপণ্যে ৭০০% প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
৪. অর্থ সংযোগ
ই-কমার্স সেক্টরে ব্যাংক ঋণ ও বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে ব্যাপট ঘাটতি রয়েছে। ব্যাংকের ঋণনীতি ই-কমার্সের অনুকুলে নয়। বিনিয়োগকারীরাও এই খাতে কিছু দূর্ঘটনার পর কিছুটা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। সূতরাং এখানে কয়েকটি ভাল ঘটনা থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি নেতিবাচক। করোনাকালীন প্রবৃদ্ধির পর যে আশা করা হয়েছে সে তুলনায় বিনিয়োগ এসেছে যৎসামান্য।
৫. দেশের প্রত্যন্ত অঞ্ছলে ই-কমার্সের ব্যাপ্তি
বাংলাদেশের ৭০ ভাগ মানুষ এখনো গ্রামে বসবাস করে। এবং আমাদের ভোগ্যপন্যের একটা বিরাট অংশ গ্রামে উৎপাদিত হয়। ফলে গ্রাম ও শহরের সংযোগ জরুরী। অনলাইনের মাধ্যমে এই সংযোগ ত্বরান্বিত হলে ই-কমার্স দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিস্তৃতি লাভ করবে। বর্তমানে ২৩% গ্রামীণ ক্রেতা অনলাইনে কেনাকাটা করে। এখানে ফেসবুক পেইজ খুলে প্রতারণা এবং ভূইফোড় ই-কমার্সের মানহীন পণ্য বিক্রি ক্রেতার আস্থা তৈরীতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। এখন আসলে কোয়ালিটি ই-ককমার্সের দিকে নজর দেয়ার সময় এসেছে।
এই সময়ে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন
১. ট্রেড লাইসেন্স:
ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্স বিজনেস ক্যাটাগরি যুক্ত করতে হবে এবং স্বল্প ফিতে ট্রেড লাইসেন্স করার সুযোগ থাকতে হবে। অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য বাণিজ্যিক এলাকায় অফিস স্থাপন এবং বাড়ীভাড়ার বাধ্যকতা থাকা বাস্তবসম্মত হবেনা।
২. প্রান্তিক সেবা:
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে জেলা ভিত্তিক ওয়ার হাউজ স্থাপন করে। অনলাইন উদ্যোক্তাদের সেবাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ার একটি প্রস্তাব ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে। উক্ত প্রস্তা্বটি বাস্তবায়িত হলে সেবার মান উন্নত হবে এবং ই-কমার্সের পরিধি বাড়বে।
৪. ক্রসবর্ডার ই-কমার্স:
ক্রসবর্ডার ই-কমার্সের ক্ষেত্রে পণ্য শিপমেন্ট প্রক্রিয়া, শিপমেন্ট খরচ ক্রস বর্ডার ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রেরিত পণ্যকে রফতানী পন্যের আওতায় বিবেচনা করা জরুরী হয়ে পড়েছে। এটা না হলে ক্রস বর্ডার ই-কমার্সখাতে বিদ্যমান ৭৪% প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে না।
৩. বৈদেশিক বিনিয়োগ
যেহেতু ই-কমার্স একটি ক্রমবিকাশমান খাত তাই এই খাতে বিদেশী বিনিয়োগের সুযোগ ও পরিধি দিন দিন বেড়ে চলেছে। শুধু বিদেশী বিনিয়োগ নয় এই খাতে দেশী বিনিয়োগও এখনো পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে সাপ্লাইচেইন উন্নয়ন ও গ্রামীণ পণ্য শহরে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন।
এজন্য এই খাতে ব্যাপক সরকারী বেসরকারী ও বিদেশী বিনিয়োগ প্রয়োজন। যেমন-
ক. এখনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে পন্য ডেলিভারী দিতে পারবে এরকম কোনো সাপ্লাইচেইন গড়ে উঠেনি।
খ. এখনো গ্রামের কৃষকের পণ্য শহুরে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেবে এমন কোনো বৃহদাকার প্লাটফরম গড়ে উঠেনি।
গ. এখনো গ্রামীণ নারীদের হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের পণ্য বিক্রির আলাদা, একক ও স্বয়ং সম্পূর্ণ কোনো মার্কেটপ্লেস গড়ে উঠেনি।
ঘ. অনলাইন পেমেন্ট নিয়ে ক্রেতাদের আস্থা বাড়াতে SCROW সিস্টেম চালু হয়নি।
বর্তমান বৈদেশিক বিনিয়োগের নীতিমালার ক্ষেত্রে ই-ক্যাব দেশের স্বার্থ ও দেশীয় উদ্যোক্তাদের কথা বিবেচনা করে নিন্মলিখিত প্রস্তাব পেশ করে আসছে। কারণ বর্তমান নীতিমালায় দেশীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়নি বরং শর্তবিহীন বিদেশী বিনিয়োগ এর অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাই এই মুহুর্তে শর্ত বা নীতিমালা পরিবর্তন না করলে যেকোনো বিদেশী বিনিয়োগ স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য হুমকি তৈরী হয়েছে।
আমরা জানি বিদেশী বিনিয়োগ দেশে ৪ ভাবে হতে পারে।
ক. দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে বিদেশী প্রতিষ্ঠান ক্রয় করতে পারে।
খ. বিদেশী প্রতিষ্ঠান সরাসরি বিদেশী ব্রান্ড নামে দেশে ব্যবসা চালু করতে পারে।
গ. বিদেশী বিনিয়োগকারী সরাসরি দেশে কোনো কোম্পানী খুলতে পারে।
ঘ. দেশীয় প্রতিষ্ঠানে বিদেশী বিনিয়োগকারী আংশিক বিনিয়োগ করতে পারে।
বর্তমানে বিদেশী বিনিয়োগ উন্মুক্ত থাকায় ক,খ ও গ উপায়ে বিদেশী বিনিয়োগ হচ্ছে এতে করে দেশীয় উদ্যোক্তারা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।
প্রথমত, তারা বিদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সাথে অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখী হচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, ব্যবসার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেড়ে গেছে ফলে তারা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারছেনা।
তৃতীয়ত, তারা যখন বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য দেশী বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শরনাপন্ন হচ্ছে তখন তারা অসম প্রতিযোগিতার কারণে বিনিয়োগকারীরকে আস্থার জায়গা দেখাতে পারছেনা।
চতুর্থত: দেশীয় ক্ষুদ্র মাঝারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কাজ শিখে কর্মীরা বিদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছে। ফলে ছোট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা সাময়িক সমস্যায় পড়ছে।
বর্তমানে ২০০ থেকে ৫০০ ক্ষুদ্র উদ্যোগ দেশী বিদেশী বিনিয়োগ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে বিদেশী বিনিয়োগ আসায় তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলো বিকাশের পথ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
ই-কমার্স খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনুমোদনে ডিজিটাল কমার্স নীতিমালায় অনুচ্ছেদ ১.২ ও ৩.৬.৭ এ ই-
ক্যাবের সংশোধনী প্রস্তাবসমূহ:
অনুচ্ছেদ ১.২
২৬) মার্কেট প্লেস ভিত্তিক ডিজিটাল কমার্স (Market Place Based Digital Commerce) মার্কেটপ্লেস ভিত্তিক ডিজিটাল কমার্স অর্থ কোনো ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান কতৃক মার্চেন্ট বা বিক্রেতানির্ভর ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক্স নেটওয়ার্ক (তথ্যপ্রযুক্তি প্লাটফর্ম) ব্যবহার করে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে পন্য বা সেবা ক্রয় বা বিক্রয়।
২৭) ইনভেন্টরী ভিত্তিক ডিজিটাল কমামর্স (Inventory Based Digital Commerce)
ইনভেন্টরী ভিত্তিক ডিজিটাল কমার্স অর্থ কোনো ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান যার ক্রয়-বিক্রয়যোগ্য পন্য বা সেবার ইনভেন্টরীর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এরুপ প্রতিষ্ঠান কতৃক ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক্স নেটওয়ার্ক (তথ্য প্রযুক্তির প্লাটফরম) ব্যবহার করে ভোক্তার নিকট পন্য বা সেবা সরাসরি বিক্রয়।
অনুচ্ছেদ ৩.৬.৭
ডিজিটাল কমার্সখাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে-
ইনভেন্টরী ভিত্তিক ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে বিদেশী মালিকানায় ৫০% এর বেশী বিনিয়োগ করা যাবেনা। মার্কেট প্লেস ভিত্তিক ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে নিন্মলিখিত শর্তসাপেক্ষে ১০০% বিদেশী বিনিয়োগ করা যাবে।
শর্তসমূহ:
ক) মার্কেটপ্লেস এর বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানসমূহকে বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত হতে হবে। একক কোনো বিক্রেতা বা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মার্কেট প্লেস এর মোট বিক্রির ২৫% এর বেশী নিয়ন্ত্রন করতে পারবেনা।
খ) মার্কেটপ্লেস এর প্রোডাক্টস শিপিং বা ডেলিভারী স্থানীয়ভাবে নিবন্ধনকৃত ও মালিকানাধীন কোম্পানীদ্বারা পরিচালনা করতে হবে। মার্কেটপ্লেস নিজে কোনো ডেলিভারী বা লজিস্টিক কোম্পানীতে বিনিয়োগ করতে পারবেনা।
গ) মার্কেটপ্লেস ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কোনো নির্দিষ্ট বিক্রেতাকে শুধুমাত্র তারসাথে কাজ করতে বা শুধুমাত্র তার কাছে পণ্য বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারবেনা।
ঘ) প্রতিষ্ঠানের সর্বমোট বেতনভাতার নূন্যতম ৯৫% স্থানীয় বাংলাদেশী নাগরিকদের প্রদান করতে হবে।
ঙ) সকল ধরনের ডেটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হোস্ট করতে হবে।
এই প্রবৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে ই-কমার্সের শেয়ার খুচরা বাজারে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। কিন্তু এই বাজার বৃদ্ধির উপায় খুজতে হবে। পাশাপাশি প্রচলিত দোকানীরা বিষয়টিকে তাদের জন্য একটি হুমকি হিসেবে দেখছে সে বিষয়টিকে এড্রেস করতে হবে।
লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন
তথ্য: লেখকের নিজস্ব অনুসন্ধান
ছবি: পিক্সেল
