আইসিটি খাতের জন্য চাই বাস্তবমুখী ও যথাযথ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
– জাহাঙ্গীর আলম শোভন
কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা দেখেছি। প্রাইভেট সেক্টরের সাথে যতই আলোচনা হোকনা কেন এবং যতই পরার্শ দেয়া হয়েছে সবকিছুকে সরকারের কিছু নীতি পলিসির সাথে মেলানোর চেষ্টা করে গ্রহণ করা হয়েছে বা বাদ দেয়া হয়েছে। দিনশেষে দেখা গিয়েছে যেসব প্রজেক্ট নিয়ে বাগাড়ম্বর করা যায়, বেশী কথা বলা যায় এবং বেশী টাকা খরচ করা যায় সেগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকৃত, প্রয়োজনীয় ও কার্যকর উদ্যোগের বেশীরভাগই হয়তো শুরুতে বাদ দেয়া হয়েছে অথবা এমনভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে যে, তা কোনো কাজে আসেনি।
আইসিটি খাতের উদ্যোগগুলো হতে হবে প্রয়োজনীয়, উপকারী, যথার্থ ও সময়োপোযোগী। প্রয়োজন নেই এমন উদ্যোগ থেকে যেমন বের হয়ে আসতে হবে তেমনি নামকাওয়াস্তে ডিজিটাল, আসলে পিডিএফ ডিজিটাল এ ধরনের কাজগুলো সঠিকভাবে করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় একটি কাজকে বার বার করে রাষ্ট্রের অর্থক্ষতি সংগঠন করা হয়। সেটাও বন্ধ করতে হবে। চলমান যেসব প্রকল্প রয়েছে সেগুলোকে পর্যালোচনা করে সত্যিকার ফলদায়ী করে তুলতে হবে।
ক) ধারণা গত পরিবর্তন চাই
১) ডিজিটাল কমার্স নয়: ইকমার্স
২) কম্পিউটার কোনো শিক্ষা এটা একটা টুল বা যন্ত্র: কম্পিউটার প্রোগ্রামিং জানা হলো কম্পিউটার শিক্ষা
৩) ফ্রিল্যান্সিং কোনো কাজ বা দক্ষতা নয় এটা একটা মাধ্যম ও ইন্ডাস্ট্রি: যেকোনো আইটি দক্ষতা অর্জন করলে ফ্রিল্যান্সিং ফরম্যাটে অর্থ উপার্জন সম্ভব।
এভাবে আরো নানা বিষয় রয়েছে। যা আলাদা একটি লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।
খ) সরকারী ডিজিটাল অবকাঠমো পূর্নবিন্যাস
১) সরকারী বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সেবাগুলো পুরোমাত্রায় ডিজিটাল নয়। এগুলো হয়তো পুরোমাত্রায় ডিজিটাল করতে হবে অথবা জনগনের জন্য সহজ করতে হবে। যেমন পুলিশের পোর্টাল বন্ধ থাকলে ডিজি করা যায়না, সুরক্ষা বন্ধ বলে অনেকদিন ধরে তথ্য হালনাগাদ করা যাচ্ছে না। তাছাড়া বিভিন্ন নথি যেগুলো অনেক সময় কপি পেস্ট করা দরকার হয় সেগুলো স্ক্যান বা পিডিএফ মুডে থাকে যা আসলে সফ্ট কটি বলা যেতে পারে কিন্তু ডিজিটাল নয়।
২) যেসব পোর্টাল থেকে সরাসরি সেবা দেয়া হয়। সেগুলো বার বার তৈরী না করে একবার এবং একক করা উচিৎ। যেমন বিভিন্ন স্থানীয় সরকার কতৃপক্ষের আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ট্রেড লাইসেন্স দেয়া হয়। যা হতে পারতো সারা বাংলাদেশে একটি মাত্র পোর্টাল।
৩) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সেবা ডিজিটাল করা হলেও এখনো ১০০ ভাগ কার্যকর নয়। বিশেষ করে কোনো ভুলত্রুটি সংশোধন করতে গেলে সে বছরের পর বছর ঝুলে থাকতে হয়।
৪) দেশ ডিজিটাল করার ঘোষণা দিলেও এখনো সব কিছু পুরনো আমলের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মাঝখানে শুধু ডিজিটাল ডিভাইস যুক্ত করা হয়েছে। যেমন এখনো বিভিন্ন বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাটিফিকেট তুলতে গেলে সেই পুরনো পদ্ধতি নানা নথিপত্র দেখাতে হয়। সরাসরি যেতে হয় যা এই যুগে কিছুতেই কাম্য নয়।
গ) ভুল সংশোধন
১) দেশে সরকার কতৃক তৈরীকৃত জনগনের বিভিন্ন নথি ও তথ্যে যে পরিমাণ ভুল রয়েছে তাতে ‘‘ভুলে ভরা বঙ্গদেশ’’ বললেও কম হবে। সম্ভবত এমন কোনো নাগরিক নেই যার হয়তো এনআইডিতে বা পাসপোর্টে বা সার্টিফিকিটে বা জমির দলিলে কোনো একটা বা একাধিক তথ্য ভুল নেই। হয়তো নামের ভুল নয়তো বাবা মায়ের নাম, হয়তো জন্মতারিখ নয়তো ঠিকানা। আর এগুলো জন্য যে মানুষ কি পরিমাণ ভোগান্তিতে আছে তা বলার বাইরে। এজন্য সরকারের ভুলের জন্য জনগন থেকে সেবামূল্য গ্রহণ করা থেকে সরে আসতে হবে।
২) যেকোনো নথি তৈরীতে বা তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে একাধিক ধাপে যাচাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে তথ্যগ্রহণ ও নথি তৈরী পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে হবে।
৩) নথি তৈরীর সময় বা তথ্য গ্রহণের সময় ভুল হলে কি হবে সেজন্য কিছুদিন তা সংশোধনের সুযোগ রাখতে হবে। এবং অবহেলা ও ইচ্ছাজনিত ভুলের জন্য শাস্তি বা জরিমানার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪) আগামী বছরের শুরু থেকে ১ বছর সময় দিয়ে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় নাগরিকদের যার যেখানে তথ্য ভুল আছে তা বিনামূল্যে সংশোধন করার সুযোগ দিতে হবে।
৫) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন পদ্ধতি অনলাইনে আনতে হবে।
৬) সরকারী সেবাসমূহের ক্ষেত্রে জনগনের জন্য সংশোধনমূলক কাজে আইসিটি উদ্যোক্তাদের নিবন্ধিত করে সংযুক্ত করতে হবে।
৭) ভূমিসেবায় ভুল সংশোধনে সরাসরি জনগনকে সুযোগ দিতে হবে। প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে।
৮) সরকারী কর্মকর্তাদের ভুলের দায় জনগনের উপর দেয়া যাবে না।
ঘ) জীবনমূখী ও কার্যকর আইসিটি মাস্টারপ্লান
১) বিভিন্ন সময় বিচ্ছিন্নভাবে আইসিটি উদ্যোগ গ্রহণ না করে। তথ্য প্রযুক্তির দ্বারা মানুষের জীবনকে কিভাবে সুন্দর, সহজ ও স্বাচ্ছন্দময় করা যায় সে ধরনের পদক্ষেপ ও অবকাঠানো তৈরী দ্বিবার্ষিক প্ররিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এবং সেগুলো ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।
২) আইসিটি খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। এবং অগ্রাধিকারকে প্রাধান্য দিতে হবে। এই মুহুর্তে কয়েকটি জাতীয় পোর্টাল অতি প্রয়োজন। প্রথম মানবসম্পদ পোর্টাল, যেখানে চাকরী ও কর্মসংস্থান সংকান্ত সকল তথ্য থাকবে। দ্বিতীয়ত, বিজনেস পোর্টাল, যেখানে ব্যবসা বাণিজ্য সংক্রান্ত সকল পক্ষ যুক্ত থাকবে। তৃতীয়ত ভূমি পোর্টাল যেখানে দেশের সকল জমি ও সম্পদ এবং তাদের মালিকেরা যুক্ত থাকবে এসব উদ্যোগ দূর্নীতি কমাতেও ভূমিকা রাখবে।
৩) এছাড়া বিয়ে রেজিস্ট্র, রোগের ইতিহাস সংক্রান্ত মেডিক্যাল হিস্ট্রি, অপরাধ তথ্য ইত্যাদি পোর্টাল দরকার। সবগুলো পোর্টাল আর জাতীয় পরিচয়পত্রের পোর্টাল এর সাথে যুক্ত থাকবে।
৪) পোটালগুলোতে কিছু তথ্য মুক্ত এবং কিছু তথ্য গোপন থাকবে গোপন তথ্যগুলো সবার জন্য নয়। আবার মুক্ত তথ্য কিন্তু খুললেই পাওয়া যাবে এমন নয়। তবে নির্দিষ্ঠ ফি, পরিমাণ দ্বারা সীমাবদ্ধ এবং তথ্যগ্রহণকারীর পরিচয় সংরক্ষণ সাপেক্ষে সেসব কিছু তথ্য বিনিময় করা যেতে পারে।
ঙ) প্রকল্প পর্যালোচনা
সরকারী প্রায় সব প্রকল্পের অবস্থা ‘‘ছেড়ে দে মা কাইন্দা বাঁচি’’। এসব প্রকল্প এখনি কোনো টা বন্ধ করতে হবে কোনোটাকে ঢেলে সাজাতে হবে। আবার কোনোটাকে সংশোধন করতে হবে। তাই প্রকল্পগুলো ToR ঢেলে সাজিয়ে নতুন করে বরাদ্ধ ও শুরু করতে হবে।
চ) আইসিটি খাতের কাজ বরাদ্ধ
১) বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আইসিটি খাতের কাজ বরাদ্ধ করার ক্ষেত্রে শর্তগুলো এমনভাবে দেয়া হয় যাতে ২/৩ টি কোম্পানীকে কাজ বরাদ্ধ দেয়া যায়। এখানে কাজের আগের শর্ত শিথিল করে কাজের কোয়ালিটির ক্ষেত্রে শর্ত কঠিন করতে হবে।
২) পূর্বের অভিযুক্ত কোম্পানীগুলোকে কালোতালিকা ভূক্ত করতে হবে। এবং নতুন কোনো কাজে অনিয়ম ও দূর্বলতা হলে সে নতুন কোম্পানীকেও কালো তালিকা বা শ্যাডো তালিকাভূক্ত করতে হবে। কালো তালিকা ও শ্যাডো তালিকার মধ্যে পার্থক্য হবে। কালো তালিকাভূক্ত কোম্পানী কখনো আর কাজের জন্য আবেদন করতে পারবে না। আর শ্যাডো তালিকাভূক্ত কোম্পানীর ক্ষেত্রে নীতি হবে তারা পরবর্তী কাজটির জন্য মোট কাজের ২৫% বা ৩০% অর্থ জামানত রেখে কাজ পেতে পারে।
৩) কোন কাজটি দেশের জন্য দরকার কোনটি দরকার এ বিবেচনা করে কাজের তালিকা ও অগ্রাধিকার তৈরীর জন্য একটি দক্ষ ও উচচ পর্যায়ের কমিটি রাখতে হবে। যাতে সরকারী প্রতিনিধি ছাড়াও প্রাইভেট সেক্টরের বিশেষজ্ঞরা যুক্ত হতে পারে।
৪) সব দপ্তরের সফটওয়ার অভিন্ন হওয়ার জন্য সকল মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি ‘‘আইসিটি সমন্বয় কমিটি’’ গঠন করতে হবে।
৫) প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্ষমতা অনুযায়ী ক্যাটাগরি ভূক্ত করতে হবে। ক’ শ্রেণী বার্ষিক কত টাকার কাজ পাবে, খ শ্রেণী কত টাকা কাজ পাবে এবং নতুন কোম্পানী কত টাকার কাজ পাবে এটা পরীক্ষামুলকভাবে ১ বছরের ঠিক করে কাজ করা যেতে পারে
৬) কাজ বরাদ্ধের একটি নীতিমালা থাকবে এবং এটা বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিবছর সংশোধন ও পরিবর্তন হবে।
ছ) সরকারী চাকুরীতে আইসিটি
১) আইসিটি খাতের সরকারী কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা শ্রেণী বা বিসিএসে ‘‘আইসিটি ক্যাডার’’ চালু করতে হবে। তাহলে তারা শুধুমাত্র আইসিটি বিভাগে কাজ করতে বা অন্য বিভাগের আইসিটি পদে কাজ করবে।
২) সরকারী চাকুরিতে কিছু চাকরী সরকারী না দিয়ে বেসরকারী খাতের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা যেতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে।
৩) আইসিটি ক্যাডার, আইসিটি পোস্ট ও আইসিটি বিভাগের বদলীর ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম থাকতে হবে। প্রয়োজনে সরকারী চাকরীতে পোস্টগুলোকে বদলী স্পর্শকারিতার উপর ক্যাটাগরি করতে হবে। তারপর আইসিটির টেকনিক্যাল পোস্টগুলোকে অতি স্পর্শকারত পদ (অসপ) ক্যাটাগরিতে রাখতে হবে। যার মানে হবে এগুলো সহজে বদলি করা যাবে না।
৪) কিছু চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাসায় বা দেশে বিদেশে বসে কাজ করার অনুমতি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ঝামেলা এড়াতে কিছু পোস্টকে সরfসরি সরকারী নিয়োগ না দিয়ে বেসরকারী নিয়োগকারী সংস্থা থেকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগের বিধান করতে হবে।
জ) আইসিটি শিক্ষা
১) সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে দেশে গোটা বিশেক বিশেষ করে বৃহত্তর জেলা ভিত্তিক আইসিটি কলেজ স্থাপন করতে হবে। যাতে ৯ম শ্রেণী থেকে শুরু করে স্নাতক ও পরবর্তীতে মাস্টার্স থাকবে। শুধু মাত্র আইসিটি ভিত্তিক বিষয়ে পাঠদান করবে। ১০টি বা বিভাগীয় শহরে ১ টি করে কলেজও যদি প্রতিষ্ঠা করা যায় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কারিগরি শিক্ষার্বোড এর বর্তমান কাঠামোর বাইরে বাস্তবায়ন করা যায়। তাহলে এটি অনেক বেশী অবদান রাখবে।
২) আইসিটি শিক্ষাকে ঢেলে সাজাতে হবে। তারপর এই বিষয়ে প্রতিবছর ১ হাজার শিক্ষার্থীকে শর্তসাপেক্ষে স্কলারশিপ দেয়া হবে। তারমধ্যে ১০০ জনকে দেয়া ১০০% বৃত্তি। শর্ত থাকবে তারা কমপক্ষে ১০ বছর সরকারকে সেবা দেবে। কেউ যদি বিদেশ কোনো সুযোগ পেয়ে চলে যায় তাহলে তাকে পরবর্তীতে ৪ জনের স্কলারশিপ এর খরচ বহন করতে হবে।
৩) একাদশ শ্রেণীতে মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ছাড়াও আইসিটি শাখা চালু করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মগুলো শিথিল করতে হবে। এখানে বেতনভূক্ত নিয়মিত শিক্ষকের পরিবর্তে সম্মানি ভূক্ত, ক্লাসভিত্তিক অনিয়মিত বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ও মেন্টর নিয়োগের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৪) বিভিন্ন কলেজ ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ৬ মাসের কোর্স ও ১ বছরের ডিপ্লোমা চালু করতে হবে। এতে করে বেকার সমস্যার সমাধান হবে। যেমন- ই-কমার্স, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই-ট্যুরিজম, অনলাইন ফার্মেসী ম্যানেজমেন্ট, ইআরপি, কল সেন্টার, কাস্টমার সাপোর্ট ম্যানেজমেন্ট, সিআরএম, প্লাটফর্ম ইকোনমি ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটপ্লেস ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
৫) এসব কোর্স সাধারণ স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় চালুর অনুমতি দিতে হবে। আইসিটি বিভাগের গাইড লাইন মোতাবেক পরিচালিত হতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড এর বর্তমান নিয়ম শিথিল করে। প্রতিটি বিভাগের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও শুধুমাত্র একজন কো-অডিনেটর নিয়োগ দিয়ে বাদবাকী প্রশিক্ষকদের একটি যোগ্যতার মাপকাঠি অনুযায়ী নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করবে।
৭) এসএসসি পরীক্ষার পর ৩ মাসের ট্রেনিং এবং এসএসসি পরীক্ষার পর ৬ মাসের কোর্স এমনকি স্নাতক এর ১ বছরের পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমার সুযোগ সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে।
৭) ১ বছর এবং তার নিচের আইসিটি কোর্সেক কারিগরি শিক্ষার্বোর্যড এর বাইরে এনে আইসিটি বিভাগ একটি আলাদা উপ-বিভাগ খুলে তার অধীনে পরিচালনা করা যেতে পারে।
ঝ) ট্রেড লাইসেন্স
১। সারা বাংলাদেশের সমস্ত সংস্থার ট্রেড লাইসেন্স একই পোর্টাল এর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। এতে করে আইসিটি ভিত্তিক সমস্ত উদ্যোগকে চিহ্নিত ও অন্তভূক্ত করা সহজ হবে।
২। বর্তমান ট্রেড লাইসেন্স অ্যাক্ট ২০১৬ সংশোধন করে ট্রেড লাইসেন্স নাম ও ফি আইন থেকে বাদ দিয়ে বিধিতে অন্তভূক্ত করতে হবে। এবং আইসিটি খাতের শতাধিক ব্যবসাসহ মোট ৫শ নতুন উদ্যোগের স্বীকৃতি ও লাইসেন্স ফি দ্রুত নির্ধারণ করতে হবে।
৩। ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ফরম বা লাইসেন্সে ব্যবস্যা কাট্যাগরি ছাড়াও ‘‘প
