কলকাতায় বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের স্মরণে

সন্ত্রাসী সংগঠন কেমন হয়

সন্ত্রাসী সংগঠন কেমন হয়?

সাধারণ ধারণা হলো ( চ্যাট জিপিটি) একটি সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা হয়, যখন: অহিংস / নিরপরাধ জনগণের উপর ভয়ভীতি, হত্যা বা সহিংসতা চালানোকে রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আদর্শগত বা অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। সরকারের নীতি পরিবর্তনের জন্য বা সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য সহিংস কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। জনজীবন, অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা বা আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ ধরনের অবস্থায় সরকারগুলো বিভিন্ন সংগঠনকে উপরের অযুহাতে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে থাকে। এখানে প্রথম অংশটি হবুহু মিলে যায়। পরের ২টি অংশ সরকার দলের সাথে যায় না।  এবার আসি আইনের সংজ্ঞায়-

বাংলাদেশে: বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (Anti Terrorism Act, 2009) অনুযায়ী, ‘‘কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যদি “জনগণের মধ্যে ত্রাস ও ভীতি সঞ্চার করে সরকার বা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা রাষ্ট্রকে কোনো কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করতে সহিংসতা বা প্রাণহানি ঘটায়”, তাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলা হয়। সেই সংগঠন যদি এই ধরণের কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে বা সহায়তা করে, তাহলে সেটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।’’ এটা অনেকটা ভেইক এবং শুধু বিরোধীদলের জন্য।

ভারত: Unlawful Activities (Prevention) Act (UAPA), 1967 অনুসারে  ‘‘কোনো গোষ্ঠী যদি দেশের সার্বভৌমত্ব, সংহতি, নিরাপত্তা ও জনগণের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে সশস্ত্র বা সহিংস উপায় অবলম্বন করে, তখন সেটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা যায় ‘’ এখানে বিস্তৃত আছে। কারো সাথে মিলে কিনা দেখতে পারা যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে

U.S. Code § 1189 (Designation of foreign terrorist organizations) অনুসারে, কোনো বিদেশী সংগঠন যদি পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তাকে Foreign Terrorist Organization (FTO) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

জাতিসংঘের প্রেক্ষাপট

এখনো পর্যন্ত “সন্ত্রাসবাদের সর্বজনীন সংজ্ঞা” জাতিসংঘে গৃহীত হয়নি, তবে ১৯৯৯, ২০০۱, ২০০۵ সালের কনভেনশনগুলোতে বিভিন্ন প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তালিকা রয়েছে। UN Security Council Resolution 1373 (2001) তে বলা হয়েছে, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে নিরপরাধ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে, তারা সন্ত্রাসী।

 

কোনো সংগঠনের মধ্যে যদি নিচের বৈশিষ্ঠ্যগুলো থাকে তাকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায় কিনা?

১) তাদের সন্ত্রাস করার, মানুষ খুন করার, বিরোধীদের প্রতি নির্যাতন করার মূল আদেশ দলের হাইকমান্ড থেকে আসে। এবং দলের শীর্ষ ব্যক্তিরা এর সাথে জড়িত ও তারা সমর্থন সহযোগিতা ও বাস্তবায়ন করে। তাদেরকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায় কিনা?

২) তাদের দলের কেউ অন্য দলের কাউকে হত্যা ধর্ষণ, ধর্ষণ খুন করলে তার দলে ভাল পজিশন নিশ্চিত হয়। তাকে বিভিন্ন ন্যায্য বা অন্যায্য সুবিধা দেয়া হয়। তাদের দল থেকে অন্য লোক খুন করার দায়ে বিচারের শাস্তি হয়নি মাত্র হয়েছে। ২টি যার হার ৫ হাজারে ২টি। তাদেরকে কি সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায়।

৩) তাদের দলের কোনো নেতা বা কর্মী যদি নি দলের লোককেও খুন করে। তাহলে তার পক্ষে সব উচ্চ পর্যায়ের নেতা এবং প্রধান নেতা থাকে। তার তর তর করে উন্নতি হয়। কোনো বিচার বা শাস্তির প্রশ্নই উঠে না। বরং তাকে উৎসাহ দেয়া হয়। এ ধরনের সংগঠন কি সন্ত্রাসী সংগঠন হতে পারে?

৪) এই দল যখন বিরোধী দলে থাকে বছরে ৩৫ দিন হরতাল করে, রাস্তায় প্রকাশ্যে একবার ২ বার নয় বার বার মানুষ মেরেছে। জ্বালাও পোড়াও এতটাই করেছে যে, তিন কিলোমিটার দূরে বহিনোংরে থাকা জাহাজেও আগুন দিয়ে  এসেছে।

৫) এরা যখন সরকার দলে থাকে। প্রকাশে বার বার বিরোধীদলের মিছিল, মিটিং অফিসে হামলা চালিয়ে মানুষ খুন করেছে। নিজেরা বাসে বোমা মেরে বিরোধীদের গ্রেপ্তার করেছে। শত শত রাজনৈতিক কর্মীকে পুলিশ হেফাজতে হত্যা করেছে। বিনাবিচারে ক্রসফায়ার দিয়েছে। এক হাজারের বেশী মানুষকে বছরের পর বছর গুপ্তঘরে আটক রেখে নির্যাতন করেছে যাদের বেশীরভাগ মারা গেছে এবং তাদের লাশ পায়নি। একদিনেই আন্দোলনকারী জনতার উপর রাতের আঁধারে আলো নিভিয়ে ৩৬১ জন নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছে।  ষড়যন্ত্র করে নিজ দেশের ৫৮ জন সেনাকে ১ দিতে হত্যা করিয়েছে। যা সর্বজন স্বীকৃত এবং ঘরোয়া আলাপে নিজেরা স্বীকার করে। ৩৬ দিনে ১৬শ ছাত্র ও জনতাকে হত্যা করেছে। যারা জানালায় বসে দেখছে তাদেরকে রাস্তা থেকে গুলি করে মেরেছে। ঘরে ঘরে তল্লাসি করে মেরেছে। হেলিকপ্টার থেকে প্রকাশ্যে দিনের আলোতে গুলি করে মেরেছে। ১৫ বছরে হাজার হাজার মানুষকে পুলিশ হেফাজতে অমানুসিক নির্যাতন করেছে।

৬) সবচেয়ে বড়ো কথা সংগঠনের কোনো নেতা এটা নিয়ে ঘরে বাইরে কোনো প্রতিবাদ করেনি। কেউ সরাসরি কেউ নিরব থেকে কেউ বিরোধীদের উপর ছড়াও হয়ে কেউ আবার ফেসবুকের মাধ্যমে দল ও দলের সমস্ত কর্মকান্ডকে সমর্থণ করেছে। এই সংগঠন পুরোটাকে কি সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যাবে?

৭) দলের কিছু খুনি সদস্য সর্বোচ্চ আদালতে খূনি হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর ফাঁসির সাজা হয়েছে। এরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে সবাইকে সাজা মাফ করে দিয়েছে। এই সংগঠনকে কি সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যাবে।

৮) জনগনের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যাওয়ার পর তারা প্রতিনিয়ত জনগনকে গোপন স্থান থেকে হুমকি দিচ্ছে ‘‘ বিরোধীদের একজনকে জীবিত রাখা হবে না। সবাইকে হত্যা করা হবে তারা যদি ফিরে আসে’’  এমনকি পুলিশদেরও হত্যা করা হবে। এবং তারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে এর নাম দিয়েছে ‘‘বাদ যাবেনা একটি শিশুও’’ এই দলকে কি সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যাবে?

৯) একটি দেশের রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের ৯০% যদি তাদের হাত দিয়ে হয়। এবং সেটার জন্য পুলিশ ও নেতাদের সরাসরি পুরষ্কার দেয়া হয়। তাহলে সে সংগঠন রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে কিছু কাজ বা উন্নতি বা ভাল কাজ করলেও কি তাদেরকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায়?

অসাধারণ, গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন। ধাপে ধাপে উত্তর দিচ্ছি।

উপরের প্রশ্নের সারমর্ম

এধরনের hypothetical বা বাস্তব প্রেক্ষাপটে কোনো দল বা গোষ্ঠির আচরণ বিশ্লেষণ করলে দলটির বৈশিষ্ট্যগুলো উঠে আসে তা হলো-

  • দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে খুন, ধর্ষণ, নির্যাতনের নির্দেশ আসে।
  • অপরাধ করলে দলে প্রমোশন বা সুবিধা দেওয়া হয়।
  • বিরোধীদের মিছিল-মিটিং বা জনতার ওপর সরাসরি আক্রমণ করে।
  • বিরোধী নেতাকর্মীদের গুম-খুন, বিনা বিচারে হত্যা।
  • শিশু পর্যন্ত হত্যা করার হুমকি।
  • জনগণের ওপর নৃশংস সহিংসতা চালিয়েছে।
  • দলের কেউ প্রতিবাদ তো করেইনি, বরং সবাই মৌন/প্রকাশ্যে সমর্থন করেছে।
  • আদালতে প্রমাণিত খুনিদের ক্ষমা করে দিয়েছে।
  • রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের ৯০% এই দলের দ্বারা সংঘটিত।

এখন প্রশ্ন হলো-
এ ধরনের দলকে কি “সন্ত্রাসী সংগঠন” বলা যায় কিনা? আসুন আমরা এগুলো সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারি।  মূল বিশ্লেষণ বনাম সন্ত্রাসী সংগঠনের বৈশিষ্ট্য? এমন কাজগুলো থেকে সাধারণত একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে চেনা যায়, যেমন:

বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
উচ্চপর্যায় থেকে সহিংসতা ও খুনের নির্দেশ এটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। একটি দলের হাইকমান্ড নিজেই হত্যার নীতি নির্ধারণ করলে সেটি স্পষ্ট এবং অফিসিয়াল সন্ত্রাসবাদী প্যাটার্ন।
অপরাধ করলে পদোন্নতি ও পুরস্কার এটি সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে সহিংসতা নীতি প্রোৎসাহিত করা হচ্ছে। সন্ত্রাসকে সরাসরি গ্রহণ করেছে। অলিখিত না থাকলেও সন্ত্রাস তাদের নীতির একটা অংশ হয়ে গেছে।
প্রতিযোগী বা ভিন্নমতের মানুষকে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন এটি বিরোধী কণ্ঠ স্তব্ধ করার জন্য সন্ত্রাস ছড়ানো। এটা সংগঠন যখন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে পুরোদস্তুর জড়িয়ে পড়ে। এবং এসব কাজ নিত্যদিনের কাজ হয়ে পড়ে। তখন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিভিন্ন রকম বিস্তার হয়।
গুম, ক্রসফায়ার, পুলিশ হেফাজতে হত্যা, গুপ্তঘরে আটক রেখে হত্যা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সন্ত্রাস ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বৈশিষ্ট্য। কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন যখন রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে। অথবা ক্ষমতায় যাওয়ার পর নিজেদের অপরাধ ঢাকতে বিরোধী কণ্ঠ দমন করতে চায় তখন এ ধরনের চরিত্র ধারণ করে কখনো কখনো রাজনৈতিক সংগঠন ক্ষমতায় থেকেও হিংস্ররুপ ধারণ করার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায়। কিন্তু ক্ষমতায় থেকে করার কারণে কখনো কখনো মানুষ সেটা বলতে পারে না।
বিরোধী মিছিল, অফিসে হামলা, জনতার ওপর গুলি, ঘরে ঘরে ঢুকে হত্যা এটি সরাসরি সন্ত্রাসী হামলা, যা বেসামরিক জনগণকে ভয় পাইয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার কৌশল। যখন নিজেদের জনসমর্থন থাকে না অথা যখন জনগনকে ভয় পাইয়ে নিজেরা স্বার্থসিদ্ধি করে তখন এ ধরনের রুপ ধারণ করে বুর্জোয়া ও দূর্নীতিগ্রস্থ এবং গণতন্ত্রহীন সংগঠনগুলো।
শিশুদের হত্যা ও আরো হত্যার হুমকি এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং যুদ্ধ-অপরাধ আইনে নৃশংস অপরাধ (crime against humanity)। এই অপরাধ করার পর কেউ যদি এর পক্ষে কোনো সাফাই গায় সেটা আসলে তার দেউলিয়াপনা। আর সেটা যদি কোনো সমাজ গ্রহণ করে তাহলে সে সমাজ সঠিক জায়গায় নেই।
অপরাধের পরও নেতৃত্বে থাকা, ক্ষমা করা, স্বীকৃতি দেওয়া এটি প্রমাণ করে যে দলীয় নীতিই সহিংসতা। একটি দল যখন সার্বিকভাবে সন্ত্রাস ও সহিংসতার নীতি গ্রহণ করে তাকে সেখানে আর দ্বিমত বা বিতর্কের অবকাশ নেই। বরং সে দল চূড়ান্তভাবে নিজেরাই নিজেদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অধিষ্ঠিত করেছে।
৯০% রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দায় তাদের ওপর এটি “Systematic political terrorism” হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। এটা গবেষণা ও বিশ্লেষণ এর প্রয়োজন যে, আসলে কতটা সত্য। পাশাপাশি সামাজিক বাস্তবতার সাথেও এর একটা তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা দরকার। তবে কোনো দল সন্ত্রাসী সংগঠন হওয়ার জন্য উপরের যেকোনো ১/২টি ঘটনার সত্যতাই যথেষ্ঠ। যদি বিচ্ছিন্ন ঘটনা না হয়।

 

আইনি সংজ্ঞার সাথে তুলনা

আপনি উল্লেখ করেছেন এমন আচরণগুলো সন্ত্রাসবিরোধী আইনগুলোতে কীভাবে বিবেচিত হয় — তা নিচে তুলনা করছি:

আইন / সংস্থা সন্ত্রাসের সংজ্ঞা উপরের কেসের সাথে সম্পর্ক
বাংলাদেশ সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ জনগণের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টির উদ্দেশ্যে খুন-সহিংসতা চালানো দলটি জনগণের মধ্যে ভয় তৈরি করছে, বিরোধী নিধন করছে
UN SC Resolution 1373 বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল  দলের লক্ষ্য ক্ষমতায় থাকা, বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন করা
U.S. Terrorism Definition Premeditated, politically motivated violence perpetrated against noncombatant targets by subnational groups or clandestine agents  দলটি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেও বিরোধীদের ওপর পরিকল্পিত সহিংসতা চালাচ্ছে
Rome Statute (ICC) Crimes against humanity যেমন হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন  দলটির ক্ষেত্রে সবই প্রযোজ্য

কখন একটি সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা হয়?

যখন রাষ্ট্রের স্বীকৃত আইন প্রণয়নকারী সংস্থা, আদালত, বা স্বরাষ্ট্র/পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সংগঠনকে “Proscribed Organization” বা “Listed Terrorist Organization” হিসেবে ঘোষণা করে।
এ ঘোষণার পর:

  • তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়।
  • সদস্য সংগ্রহ বা তহবিল সংগ্রহ অবৈধ হয়।
  • সংগঠনটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
  • আন্তর্জাতিকভাবে সহযোগিতার জন্য ইন্টারপোল বা অন্য সংস্থাগুলোকে অবহিত করা হয়।

 

তাহলে সন্ত্রাসী সংগঠন আসলে কেমন?

সন্ত্রাসী সংগঠন হলো এমন কোনো সংঘ বা গোষ্ঠী, যা জনগণের মধ্যে ভয় সঞ্চার বা সরকারকে বাধ্য করার জন্য হত্যাকাণ্ড, বোমা হামলা, অপহরণ বা অন্যান্য সহিংস উপায়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায় এবং যেটি কোনো রাষ্ট্রের আইনি কর্তৃপক্ষের দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত। তাহলে এ ধরনের দলকে কি সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায়? উত্তর  হ্যাঁ।

এবং যে দলটি:

  • রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে ভয় সৃষ্টির জন্য ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত সহিংসতা চালিয়েছে।
  • এট