শাখা ও স্তরভিত্তিক রাজনৈতিক সিন্ডিকেট কাঠামো

শাখা ও স্তরভিত্তিক রাজনৈতিক সিন্ডিকেট কাঠামো

শাখা ও স্তরভিত্তিক রাজনৈতিক সিন্ডিকেট

যদি বাংলাদেশের জন্য এমন ১টি গোষ্ঠি বা দল বা জোট চিন্তা করি। যাদের প্রথমত- একটি মাদার অর্গানাইজেশন থাকবে যারা আসলে মূল দল কিন্তু তারা হবেএকটি অরাজনৈতিক সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন। যাদের ১টি রাজনৈতিক শাখা থাকবে। সে শাখার ছাত্র, শ্রমিক ও পেশাজীব উপশাখা থাকবে। তাদের ১টি থিংকট্যাংক ও গবেষণা ভিত্তিক শাখা থাকবে, তাদের ১টি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবি শাখা থাকবে, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি শাখা থাকবে। এবং প্রাথমিক শাখা হিসেবে প্রতিনিধি শাখা থাকবে। প্রতিটি শাখাতে আবার বিভিন্ন স্তর থাকবে এরকম একটি বহুমুখী দল গোষ্টি বা জোটের বিস্তারিত রুপরেখা কাল্পনিক নাম, কাল্পনিক শাখার নাম, উপশাখার কাল্পনিক ও বিভিন্ন স্তরের কাল্পনিক নামসহূ পুরো রুপরেখা তুলে ধরো। বিস্তারিত

নিচে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কল্পিত একটি বৃহৎ অরাজনৈতিক-মূলধারাভিত্তিক সামাজিক দল বা জোটের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো ও রূপরেখা তুলে ধরা হলো। এই দলটি সমাজকল্যাণ, রাজনীতি, গবেষণা, সংস্কৃতি, ও নেতৃত্ব তৈরির একটি অল-ইন-ওয়ান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

১। প্রধান সংগঠন: অভিভাবক সংগঠন (Mother Organization)

জাতীয় সমৃদ্ধি আন্দোলন  বা National Prosperity Movement (NPM)| স্লোগান: “জনগণের শক্তি, কল্যাণের অঙ্গীকার”| জাতীয় সমৃদ্ধি আন্দোলন  বা National Prosperity Movement (NPM)– এটি একটি অরাজনৈতিক সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন, যা পুরো কাঠামোর মূল কেন্দ্র।

প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ:

  • সামাজিক সমস্যা নিরসনে কাজ করা
  • দারিদ্র্য বিমোচন
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশে উন্নয়ন
  • দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম
  • ভবিষ্যতের জন্য নেতৃত্ব গড়ে তোলা
  • সামাজিক নিরাপত্ত শক্তিশালী করা
  • দেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা
  • তরুনদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা।

২. রাজনৈতিক দল: জন প্রতিনিধি পার্টি / People Representative Party (PRP) : প্রস্তাবিত নাম

* দলের মূলনীতি: দেশপ্রেম, একতা, সমৃদ্ধি ও মানবতা

* লোগো হিসেবে থাকবে অভ্যুত্থানের প্রতীক মুষ্ঠিবদ্ধ হাত। গাড়  হলুদের উপর সাদা

* দলের নির্বাচনী প্রতীক হবে : বজ্রমুষ্ঠি

* দলের প্রতাকা নিচে সবুজ লাইন ( তিন ভাগের এক ভাগ) মাঝে লাল সূর্য। ব্যাকগ্রাউন্ড হলুদ। তারমধ্যে সাধা বজ্রমুষ্ঠি।

অন্যান্য: গঠনতন্ত্র অনুসারে হবে।

৩। রাজনৈতিক দলের স্তর বিন্যাস

ক) প্রাক ধাপ: সহানুভূতিশীল ( Sympathizer)

এরা সমর্থক মাত্র,  সদস্য নয়, আগ্রহী জনসাধারণ বলা যায়। এদেরকে মূল্যায়ন, গণনা ও ট্র্যাক এর মধ্যে রাখতে হবে। কারণ এদের সংখ্যাই বেশী এবং এরাই ভোটে দলকে জিতাবে। এদের মতামত গ্রহণের ও তাদের সাথে যোগাযোগের জন্য দলের মধ্যে বিশেষ সেল বা দায়িত্বশীল থাকবে। যারা এলাকা ও খাত ভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে।

খ) প্রথম ধাপ: অনুসারী

দলের অনুসারী হতে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নেই, জন সভায় অংশ নেয়া, ফেসবুক গ্রুপে থাকা, গণ মিছিলে থাকা, দাবী দাওয়ায় একমত হওয়া ও নিয়মিত দলকে পরামর্শ, মতামত ও সমর্থ দেয়া।

গ) দ্বিতীয় ধাপ: সহকর্মী

এই ধাপে একটি ফরম পূরণ ও তথ্য দিয়ে সহকর্মী হিসেবে নিবন্ধিত হবে। অনুসারীদের মধ্য থেকে সহকর্মী হবে। অথবা সরাসরি সহকর্মী হতে পারবে।  একজনের জন্য অন্তত ১ জন সাংগঠনিক সদস্যের রেফারেন্স প্রয়োজন হবে।

ঘ) তৃতীয় ধাপ: পতাকাবাহী বা নিশানবাহক

এরা আসলে দলের কর্মী । এদের থাকবে গঠনতন্ত্র অনুসারে নির্দিষ্ঠ দায়িত্ব। এরা আবেদন করবে একটি মৌখিক, অনলাইন বা লিখিত পরীক্ষা দেবে। দলের ‘‘সদস্য কোলাবরেশন সেল’’ কতৃক সুপারিশকৃত ও স্থানীয় কমিটি কতৃক অনুমোদিত হওয়ার পর এই স্তরে আসবে। এই স্তরের ব্যক্তিদের জন্য ঐচ্ছিক চাঁদা থাকবে। তাদের বছরের পারফর্ম ডিজিটালী ট্রাক করা হবে। যেমন:

* সাযোমা পোস্ট: হ্যাশট্যাগ এর মাধ্যমে, বিকল্প হবে স্ক্রিনশর্ট

* অফিসে যাতায়াত: ডিজিটাল রেজিস্টার এর মাধ্যমে, বিকল্প হবে সেলফি

* সভা ও মিছিলে যাতায়াত: ডিজিটাল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে, বিকল্প হবে ছবি

* দলকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে: রেকড ও প্রমাণ থাকবে।

* দলবিরোধী কার্যক্রম, বা প্রতিদ্ধন্ধি দলের সাথে হাত না মেলানোর মাধ্যমে, প্রয়োজনে যাচাই করা হবে।

* এরা দলের পরিচয় বহন করবে।

এই পদে আসার জন্য কমপক্ষে ২ জন সাংগঠনিক সদস্যের সুপারিশ প্রয়োজন হবে।

ঙ) চতুর্থ ধাপ/ স্তর: সাংগঠনিক সদস্য (Organizing Member)  

এরা হচ্ছে দলের মূল সদস্য। এদের কর্মকান্ড দলের আদর্শের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে। এরা একটি প্রতিজ্ঞাপত্র পূরণ করে এবং কিছু শর্ত, জ্ঞান ও দক্ষতা প্রমাণের মাধ্যমে দলের নীতি আদর্শের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে দলের সাংগঠনিক সদস্যপদের জন্য আবেদন করবে এবং মনোনীত হলে দায়িত্ব পালন করবে। অথবা কর্ণধার বা কমিটি সদস্য দ্বারা সুপারিশকৃত হবে।

* এই সদস্যরা দলের পরিচয় ও দায়িত্ব বহন করবে।

* সরাসরি কেউ এই স্তরে যোগদান করতে পারবেনা।

* অন্যদল থেকে আসাদের বিষয়ে বিশেষ শর্ত থাকবে। যাচাই শেষে গ্রাহ্য মনে হলে বিশেষ অঙ্গীকার গ্রহণ করতে হবে।

* এই স্তরের সদস্যদের সকল তথ্য জমা থাকবে।

* তাদের বিভিন্ন দায়িত্বের ক্ষেত্রে বার্ষিক কেপিআই থাকবে। একটি কেপিআই এর বিকল্প আরেকটি থাকবে।  যেমন- কেউ যদি বছরে ৬০% প্রোগ্রামে উপস্থিত না থাকে তাহলে সে সামাজিক কাজে সময় দিবে।

* কেউ যদি প্রকাশ্যে দলের জন্য কাজ করতে না পারে তার রেফারেন্সে নতুন ২০ জন সহকর্মী বা ১০ জন পতাকাবাী বা ৫ জন সাংগঠনিক সদস্য যুক্ত করতে হবে।

* এখান থেকে শপথ ও নিয়ম ভঙ্গ করলে সদস্যপদ স্থগিত হয়ে যাবে বা ভোটাধিকার হারাবে।

অন্যান্য নিয়ম কানুন গঠনতন্ত্রে লেখা থাকবে।

চ) *  দায়িত্বশীল সদস্য/সক্রিয় সদস্য: (Active Member) : ৫ম স্তর

সাংগঠনিক সদস্যদের মধ্যে যারা কার্যকরি কমিটিতে থাকবেনা কিন্তু তাদেরকে বিভিন্ন দায়িত্বদেয়া হবে। তারা দলের কর্ণধার হিসেবে বিবেচিত হবে।  এটা কোনো স্তর নয়। কারণ এই গ্রুপে আসার জন্য বিশেষ কোনো প্রক্রিয়া নেই। কার্যকরি কমিটি যাকে মনে করবে আলোচনা ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে এই দায়িত্বে নিয়ে আসবে। এটাকে ৫ম স্তর বলা যায় আবার বলা যায় না। কারণ পরের ধাপে যাওয়া জন্য এখানে নাম থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তবে এখানে পারফর্মমেন্স করার সুযোগ থাকে বলে ‘‘ডিজিটাল পারফর্ম ইন্ডিকেটরে এরা এগিয়ে থাকবে।

ছ) * ষষ্ঠ স্তর: কার্যকরি পরিষদ ( Executive Council) 

* এদের সদস্য সংখ্যা গঠনতন্ত্র দ্বারা নির্ধারিত। এরা সাংগঠনিক সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হবেন। এবং সাংগঠনিক সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।

* তাদের পত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য গঠনতন্ত্র দ্বারা নির্ধারিত।

* এরা নির্দিষ্ঠ মেয়াদে শুধু এই স্তরে থাকতে পারবেন।

* এরা দল পরিচালনা করবেন।

জ) সপ্তম স্তর: সিদ্ধান্ত পরিষদ (Decision Council)

এটা হবে সর্বোচ্চ পর্যায়। এদেরকে নির্বাচন করা হবে কার্যকরি পরিষদ থেকে এবং উধ:তন সংগঠন থেকে । হয়তো উধতন সংগঠন সাংগঠনিক সদস্য ও কার্যকরি পরিষদ থেকে বাছাই করে কার্যকরি পরিষদকে সুপারিশ পাঠাবেন। পরিষদ সেখান থেকে চূড়ান্ত করবে। অথবা পরিষদ কয়েকজনের নামের তালিকা পাঠাবে উধতন সংগঠন তাদের তালিকা থেকে চূড়ান্ত করবে। কেন্ত্রীয় পর্যায়ে কার্যকরি পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের চূড়ান্ত করবে।  এনাদের পদ-পদবি গঠনতন্ত্র দ্বারা ঠিক হবে। এরা দল পরিচালনা করবেনা তবে নীতি নির্ধারণীমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৪। অঙ্গ সংগঠন (রাজনৈতিক দলের অধীনে)

ক) ছাত্র শাখা: ছাত্র  প্রতিনিধি সভা/ ‍Student Representative Council (SRC)

গ) নারী শাখা: নারী প্রতিনিধি সভা/ Women Representative Council (WRC)

গ) পেশাজীবি শাখা: পেশাজীবি প্রতিনিধি  সভা / Professional Representative Council (PRC)

ঘ) ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সভা/ Business Representative Council (BRC)

ঙ) শ্রমিক প্রতিনিধি সভা/ Labor Representative Council (LRC)

চ) যুব প্রতিনিথি সভা/ Youth Representative Council (YRC)

ছ) বিশেষ প্রতিনিধি সভা/ Special Representative Council (SPRC)

( বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের জন্য)

বিশেষ কমিটি:

অনুসারীদের নিয়ে অনুসারি কমিটি করা যায়। এজন্য গঠনতন্ত্রের বাইরে আলাদা একটা নীতিমালা থাকবে।  যারা অনুসারী হিসেবে ঠিক ভূমিকা রাখবে তারা পরে দলে যুক্ত হতে পারবে।

৫। পর্যায় ভিত্তিক কাঠামো (প্রতিটি  অঙ্গ সংগঠনের জন্য প্রযোজ্য):

অঙ্গ সংগঠন দলে নিয়ন্ত্রণ ও কাঠামোর মধ্যে থাকবে আলাদা অফিস থাকবেনা।  অঙ্গ সংগঠন গুলোর দলের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে। প্রতিটি কমিটির উপদেষ্ঠা সভাপতি নামে একটি পদ থাকবে যা কেন্দ্রীয় কমিটির ১ জন হবেন। একাধিক থাকলে উপদেষ্ঠা যুগ্ন সভাপতি থাকতে পারেন।

প্রতিটি পর্যায়ের একটি করে নাম থাকবে। থাকবে কমিটি ও সদস্য সংখ্যা। যেমন-

উপদেষ্ঠা পরিষদ: সংখ্যা নির্দিষ্ঠ নয়।

নীতি নির্ধারনী কমিটি- নীতিকন্দ্র: সংখ্যা প্রতি বছরের জন্য নীতিমালা দ্বারা নির্ধারিত হবে।

কেন্দ্রীয় কমিটি – জনকেন্দ্র: মোট কমিটি হবে ২৭ থেকে ৫১ জনের, সদস্য সংখ্যা কমিটির ১৩ গুণ

বিভাগীয় কমিটি -জনবিভাগ: কমিটি হবে ২৫ থেকে ৩৯ জনের, মোট সদস্য কমিটির ১২ গুণ

বৃহত্তর জেলা কমিটি -জনবৃহৎ: কমিটি হবে ২১-৩৩ জনের, মোট সদস্য কমিটির ১১ গুণ

জেলা কমিটি -জনজেলা: কমিটি হবে ১৯-৩১ জনের, মোট সদস্য কমিটির ১০ গুণ

সিটি কমিটি কমিটি- জনসিটি: কমিটি ১৭-২৯ জন, মোট সদস্য কমিটির ৯ গুণ

উপজেলা কমিটি (জনউপ): ১৫-২৭ জনের কমিটি, মোট সদস্য কমিটির ৮ গুণ

পৌরকমিটি- জনপৌর: ১৩-২১ জন, মোট সদস্য কমিটির ৭ গুণ

ইউনিয়ন কমিটি – জনইউনিয়ন: ১১ -১৯ জনের কমিটি, মোট সদস্য কমিটির ৬ গুণ

ওয়ার্ড কমিটি- জন ওয়ার্ড: ৯ থেকে ১৭  জনের কমিটি, মোট সদস্য হবে কমপক্ষে কমিটির ৫ গুন।

ব্লক কমিটি- জন বক্লক: ৭ থেকে ১৩ জনের কমিটি, মোট সদস্য কমিটির ৪ গুন।

ইউনিট কমিটি- জন ইউনিট: ৫ থেকে ১১ জনের কমিটি, মোট সদস্য হবে কমপক্ষে কমিটির ৩ গুন।

এখানে সদস্য বলতে সাংগঠনিক সদস্য বোঝাবে যারা কমিটি গঠনে ভোটধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

৬। সহযোগী সংগঠন: কোনো পেশা নয় বিভিন্ন গ্রুপ বা খাত ভিত্তিক ( মাতৃ সংগঠনের অধীনে)

সহযোগী সংগঠনগুলোর আলাদা কাঠামো থাকবে। এজন্য দল থেকে সহযোগী সংগঠন নীতিমালা তৈরী করা হবে। তা দিয়ে সহযোগী সংগঠনগুলো চলবে। তারা দলের রাজনৈতিক কর্মকান্ড নয় বরং তাদের সংশ্লিষ্ঠ কর্মকান্ড পরিচালনা করবে। তবে দলের সাথে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কর্মসূচীতে শামিল হতে পারবে। অফিস ক্ষেত্র বিশেষে আলাদা বা একসাথে হতে পারে।

১) সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি পরিষদ/ Cultural Representative Assembly (CRA)

২) ক্রীড়া প্রতিনিধি পরিষদ/ Sports Representative Assembly (SRA)

৩)  অভিভাবক প্রতিনিধি পরিষদ/ Cultural Representative Assembly (CRA)

৪)  প্রবাসী প্রতিনিধি পরিষদ/ NRB  Representative Assembly (NRA)

৫)  কিশোর প্রতিনিধি পরিষদ / Juvenile Representative Assembly (JRA)

৬)  সংখ্যালঘু প্রতিনিধি পরিষদ/ Minority  Representative Assembly (MRA)

৭) আইটি প্রতিনিধি পরিষদ/  IT Representative Assembly (IRA)

৭। ভাতৃপ্রতীম প্রতিষ্ঠান ( মাতৃ সংগঠনের অধীনে)

১. গবেষণার জন্য  থিংকট্যাংক: ( নাম ঠিক করতে হবে)

২. দক্ষতা উন্নয়নের জন্য- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট: ( নাম ঠিক করতে হবে)

৩. পলিসি ও ডায়লগ এর জন্য সুশীল সমাজ ফোরাম: ( নাম ঠিক করতে হবে)

৪. সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা: (নাম ঠিক করতে হবে)

ক) রক্তদান, পরিচ্ছন্নতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

খ) তরুণ স্বেচ্ছাসেবক দল (নাম: “অঙ্গীকার বাহিনী”)

ঘ) নারী ও শিশু সহায়তা ইউনিট (নাম: “প্রান্তিক আলো”)

গ) বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সহায়তা ইউনিট (নাম: “সহমর্মিতা”)

৫. শিশুকল্যাণ একাডেমী : নাম ঠিক করতে হবে।

৬. তৃতীয় লিঙ্গ উন্নয়ন সংস্থা: ( নাম ঠিক করতে হবে)

৭. প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা : ( নাম ঠিক করতে হবে)

৮। দলের অভ্যন্তরে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিশেষ সেল: (রাজনৈতিক দলের অধীনে)

যারা পর্দার অন্তরালে থেকে দলের বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।

১) তথ্য ও গবেষণা সেল

২) প্রচার ও প্রকাশনা সেল

৩) আইটি সেল

৪) বৈদেশিক যোগাযোগ সেল

৫) মিডিয়া ও জনসংযোগ সেল

৬) সমন্বয় সেল

৭) সাংগঠনিক সেল

খাত ভিত্তিক উপ কমিটি ( রাজনৈতিক দলের অধীনে)

 

বি:দ্র: অন্যান্য বিষয় দলের গঠনতন্ত্র অনুসারে নির্ধারিত হবে।

কেউ চাইলে একটি রাজনৈতিক দলের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দেয়া যাবে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে গুনগত মান আনার জন্য এ ধরনের কাঠামো চিন্তা করা হয়েছে।

লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন, ছবি: FreepiK