সংবাদ কাঠামো ও পিআর কাঠামো

সংবাদ ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি লেখার নিয়ম

প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম

সংবাদ লেখার শৈলী এমন একটা জিনিস এটা প্রেস রিলিজ এর একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারণ প্রেস রিলিজও একপ্রকার সংবাদ, সেটা আমরা আগে বলেছি। এখন সংবাদ লেখার অআকখ না থাকলে এই বই অপূর্ণ থাকবে বোধ করে বিষয়টি সংক্ষেপে সংযোজন করলাম।

সংবাদ ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলতে গেলে প্রায় একই কাঠামোতে লিখা হয়। ক্ষেত্র বিশেষে ব্যতিক্রম বাদ দিয়ে এটুকু বলা যায়। দুটো ক্ষেত্রেই পাঠকের মনের খোরাক, জানার যে ইচ্ছে তার মধ্যে যেসব প্রশ্ন থাকে সেগুলোর উত্তর দিয়ে সাজাতে হয় খবর বা খবর বিজ্ঞপ্তি।

সংবাদ লিখনের আরেক নাম সংবাদ শৈলী। এটা কোনো এক কালে পদ্য কলেবরে বা ছন্দে ছন্দে লেখা হলেও আজকাল বিশ্বজুড়ে গদ্য লিখন রীতিতে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। সংবাদের একদিকে পদ্ধতিগত কাঠামো রয়েছে অন্যদিকে রয়েছে নীতিগত নির্দেশনা।
গণমাধ্যমের সংবাদ লিখন শুধুমাত্র শব্দ ও বাক্যের পরিবেশনা নয়। এটা স্কুলের লেখা গরু সংক্রান্ত প্রবন্ধ রচনা কিংবা ভাব সম্প্রসারনের মতো ব্যাপারও নয়। একটি লেখনীর মাধ্যমে সংবাদকে একটি কাঠামোভূক্ত গল্প আকারে উপস্থাপন করে দায়িত্বশীলতার সহিত তথ্যসূত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পেশ করতে হয়। তবেই তা সংবাদ হয়ে উঠে।

প্রেস রিলিজ লেখার ক্ষেত্রে সংবাদের নিয়মটি অনুসরণ করা হয়। সংবাদের স্বাদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মধ্যে না আসলে তাতে পাঠকের বিশ্বাসের ঢেঁকুর উপরে উঠেনা। তাই এমনটা করতে হয়।
আমরা সবাই জানি, একটি সংবাদের ভেতর ৬টি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই থাকতে হয়।
১. কি ঘটেছে? বা আপনি কি বিষয়ে জানাতে চান?
২. কে ঘটিয়েছে? বা আপনি কার বিষয়ে জানাতে চান?
৩. কখন ঘটিয়েছে ? বা আপনি যা জানাতে চান তার সময় কখন? ( হবে বা হয়েছে)
৪. কোথায় ঘটিয়েছে?  বা আপনি যা জানাতে চান তার স্থানের নাম?
৫. কেন ঘটিয়েছে? বা আপনার দাবীর যৌক্তিকতা বা কারণ?
৬. ঘটনার ফল কি হয়েছে? বা ঘটনার কারণে কি ভাল বা মন্দ হয়েছে অথবা সর্বশেষ অবস্থা কি?

সূচনা মূল সংবাদটি সংক্ষেপে এ অংশে লিখতে হয়। সংক্ষেপ করার সূত্রটি হলো ‘ষড় ক’। ইংরেজীতে বলে 5ডবিউ1এইচ (5W1H)।
তারপর আসে ঘটনার পটভূমি। ঘটনার সূত্রপাতও সংবাদের পটভূমিতে উল্লেখ করা হতে পারে, এর পেছনের কার্যকারণ, ক্ষয়ক্ষতি বা ফলাফল এই পর্বে উল্লেখ থাকে এসব তথ্য দ্বারা পাঠকের আরো পিপাসা নিবারণ করা হয়। ঘটনার খুঁটিনাটি বিষয়ের সাথে কিছু পার্শ্ব ঘটনার সম্পর্ক ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহও থাকে। থাকতে পারে প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ ও মন্তব্য।

পিআর এর ক্ষেত্রে এই অংশ থাকে, ঘটনা বা পন্যের বিবরণ ও কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্য। সংবাদের শেষ অংশে থাকে অন্যান্য দূর্বল স্বাক্ষ্য, পেছনের কোনো সূত্রধর। পিআর এর ক্ষেত্রে এখানে কিছু প্রয়োজনীয় যোগাযোগ তথ্য দেয়া হয়। কখনো কখনো সেগুলো বার্তা সম্পাদক ধরেন আবার কখনো ধরেন না। এটা একান্ত তার মর্জি। তবে ঐচ্ছিক কিছু তথ্য এখানে থাকতে পারে। দশটা পত্রিকার ভেতর যদি দুটো পত্রিকাও সেটা প্রকাশ করে তবে আপনার প্রতিষ্ঠান বা পন্যের ওইটুকু তথ্য মুক্ত আকাশে, ক্লাউডে বা ইন্টারনেটে চলে গেল। হয়তো সেটা কাজে লাগতেও পারে।

সংবাদ  বা প্রেস রিলিজ কাঠামোটি মূলত নিন্মরুপ
শিরোনাম: যথার্থ (উপরে ডেক থাকতে পারে নিচে সোলডার)
সূচনা বা লিড: ২২-২৫ শব্দে প্রধান প্রশ্নগুলির উত্তর জানা যায়। ষড় ক।
সূচনার বিস্তার: সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়। যেগুলো প্রথম উত্তরগুলোকে পূর্ণতা পায়।
পটভূমি: তথ্য, ঘটনার বিবরণ, কার্যকরণ, সাক্ষ্য, মন্ত্যব্য ইত্যাদি। এখানে পাঠকের জানার তৃষ্ণা নিবৃত হয়।
প্রধান খুঁটিনাটি বিষয়:  কিছু ইঙ্গিত, পেছনের ঘটনা ও অন্যান্য যদি প্রয়োজন মনে হয়।
সব ঘটনা কিন্তু সংবাদ হতে পারেনা। কোনো কোনো ঘটনাই কেবল সংবাদ হতে পারে। আপনার কোম্পানীর সব বিষয় পিআর হতে পারেনা কিছু কিছু বিষয়মাত্র পিআর হওয়ার বৈশিষ্ঠ্য রাখে।

কোনটি সংবাদ কোনটি সংবাদ নয়
প্রথমদিকে অন্যসব দেশের সংবাদ প্রত্রের মতো আমাদের দেশেও রসাত্মক ও হালকা বিনোদন জাতীয় সংবাদের চাহিদা ও ছড়াছড়ি ছিলো। ব্যক্তিগত প্রেমপিরীতি বিষয়ক সংবাদে জনতা রস খুজে পেতো। পরবর্তীতে সমসাময়িক নানাচিত্র ও মানুষের জীবনযাত্রার নানাদিক ফুটে উঠে সংবাদপত্রে।

কোন ঘটনাকে সংবাদ হয়ে উঠতে হলে কিছু অত্যাবশ্যকীয় বৈশিষ্ট্য

১. নৈকট্য
কতটা কাছাকাছি সময়ে ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা দূরে ঘটলে স্থানীয় পাঠকের কাছে সংবাদমূল্য কম থাকে। পাঠকের অবস্থানের চেয়ে কতটা কাছে সেটাও সংবাদের মূল্য ঠিক করে। ফিজির ব্যাংক ডাকাতির চেয়ে আপনার কাছে ভারতের ট্রেন ডাকাতির সংবাদ বেশী উপভোগ্য হতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে আপনার অবস্থানের উপর ঘটনাটা আপনার জন্য কতটা সংবাদ হয়ে উঠলো তা ঠিক হয়ে থাকে। যেমন আফ্রিকায় সড়ক দূর্ঘটনায় ৫০ জনের মৃত্যের চেয়ে ঢাকায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু আপনার জন্য বড় সংবাদ। কিন্তু দুটো ঘটনা এক স্থানে হলে তখন মৃতের সংখ্যার উপর সংবাদের গুরুত্ব নির্ভর করতো।

২: সময়:
কোন সময় ঘটেছে: তার উপরও গুরুত্ব ঠিক হয়। যেমন একটি ছিনতাই রাতের ২টায় হলো আরেকটি দুপুর ২টায় হলো। যেহেতু দুপুর ২টায় ছিনতাই সরাসরি হয়না। তাই খবর হিসেবে দুপুর ২টার ছিনতাই রাত ২টার ছিনতাইকে টপকে যেতে পারে। সময়ের সবচেয়ে বড়ো হিস্যা হলো ১ মাস আগে ১০ টা গরু চুরি হয়ে হয়েছে মধুপুর গ্রামে আর গতকাল চুরি হয়েছে ২টা। এখানে সংবাদ হবে ২টা গরু চুরি। কারণ সময়ের নৈকট্য। ঘটনা ঘটার পর যত সময় অতিবাহিত হবে ততই এর সংবাদ মূল্য কমতে থাকে। প্রেস রিলিজ এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

৩: পাঠকের স্বার্থ ও আগ্রহ:
এটা হলো সব নিউজ ও প্রেস রিলিজ এর শেষ কথা। পাঠকের আগ্রহ ও স্বার্থ জড়িত থাকলে খুব হালকা বিষয়ও সংবাদ হয়ে উঠতে পারে। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নিয়ে নিউজ না হলেও আমাদের দেশে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হরহামেশা নিউজ হয় এবং হবে। কোনো একদিন সেদেশের মসজিদে হামলা হয়েছে সেখানে নিহত হয়েছে বাংলাদেশী এবং মুসলিম। তাতে সহানূভূতি দেখিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা। আর তিনি হয়ে উঠেছেন আমাদের পরিচিত মুখ তথাপি আমাদের পাঠকের আগ্রহের বস্তু। এভাবেও দূরদেশের দূরতম সংবাদ হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ।
অবশ্য প্রেস রিলিজের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। এখানে আবুল খায়ের এর ডেউটিনের আফ্রিকায় চালান গেলে পিআর হতেই পারে।

৪: ব্যক্তি ও স্থানের গুরুত্ব:
ব্যক্তির গুরুত্ব সংবাদ ঠিক হয়। যেমন যেকোনো ব্যক্তির বিয়ের খবর সংবাদ হয়নি। কিন্তু অভিনেত্রী শমী কায়সোরের বিবাহ সংবাদ হিসেবে গণমাধ্যমে এসেছে। পরিচিত ব্যক্তির ছোট ঘটনাও সংবাদ হয়। অপরিচিত ব্যক্তির বড় ঘটনাও হয়না। কারণ তার ব্যাপারে জানার জন্য পাঠকের আগ্রহ থাকে না। অনুরুপ ভাবে কখনো কখনো বিভিন্ন ঘটনার কারণে কিছু স্থান বিখ্যাত হয়ে যায় বা কিছু প্রতিষ্ঠান তখন দেখা যায় পাঠক এসব বিষয়ে জানতে চাচ্ছে। এসব কারণে ওইসব প্রতিষ্ঠান ও স্থানের উপর সংবাদ প্রকাশের প্রবণতা বেড়ে যায়। যেমন ধরুন, রামু, হাটহাজারী, টেকনাফ, (কয়লাখনির জায়গাটার নাম কি যেন?) ইত্যাদি।

৫: ফলাফল ও অস্বাভাবিকতা বা যা সচারাচর ঘটে না:
বিচিত্র যেকোনো ঘটনা সংবাদ হয়ে উঠতে পারে। যেমন ৮০ বছরের পাত্রীকে বিয়ে করলেন ১০৫ বছরের পাত্র। ১ দিনের জন্য ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে ১৬ বছরের কিশোরী
মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও হাসপাতালে বিয়ে। যেসব ঘটনা সচরাচর ঘটেনা। তা যখন ঘটে তখন তা হয়ে উঠে সংবাদ। এখানে অন্যকোনো নিয়ম খাটেনা। এমনকি এসব সংবাদ উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও বৈচিত্র থাকে। সংবাদের কাঠামোতে ফেলে এই তথ্যকে সংবাদ বানানো যায়না।
প্রেস রিলিজের ক্ষেত্রেও কিন্তু এরকম চমক লাগানোর সুযোগ থাকে। সেক্ষত্রে আপনার অফারটি যদি সেরকম হয়। যেমন ৫০% দামে যদি কেউ মোটর বাইক দেয়। কিংবা ফ্রি বই কেনার সুযোগ। তখন সেটাকে নিশ্চই অলংকার দিয়ে পেশ করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ দেখে নেয়া ভাল।

তারপরও সংবাদ লিখতে যে বিষয়গুলো খেয়াল করতে হয়।
১. ৬টি প্রশ্নের উত্তর সূচনায় থাকবে। অন্তত ৪টি প্রশ্নের উত্তর হলেও।
২. অপ্রয়োজনীয় অবাঞ্চিত ও দ্বৈত তথ্য পরিহার করতে হবে।
৩. অল্পকথায় বেশী বোঝাতে হবে। তথ্যের সূত্র উল্লেখ করতে হবে।
৪. অযথা লম্বা করে পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ও বিরক্তি ঘটানো যাবেনা।

ভুলত্রুটি
বর্তমানে যারা অনলাইনে সংবাদপত্র চালান এমনকি প্রিন্টিং মিডিয়াতেও ভুলের ছড়াছড়ি দেখা যায়। যারা প্রেস রিলিজ লিখবেন। তাদের প্রতি অনুরোধ। ভুলত্রুটি এড়ানোর জন্য কতিপয় পরামর্শ
১. মনে রাখবেন, শুধু জামা পরা ‘র’ দিয়ে সব সবপড়া ‘ড়’ দিয়ে। যেমন কানপড়া, পানি পড়া বই পড়া ইত্যাদি। বেশীরভাগ এখানে ভুল করেন কিনা? আজই বাংলা একাডেমী কতৃক বাংলা বানানের নিয়ম বইটি ক্রয় করুন। দাম ২০ টাকা।
২. অনেকে একই শব্দের দ্বৈততা ব্যবহার করেন, যেমন বিচারকমন্ডলীবৃন্দ, আমি খুব নামকরা একজন উপস্থাপিকার প্রতিটি অনুষ্ঠানে এই ভুল শব্দচয়ন শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। অনেকে নিউজ কিংবা পিআরেও লিখেন। এখানে মন্ডলী এবং বৃন্দ একই শব্দ। এটা দুবার কেন বলতে হবে। আরো জানতে হায়াৎ মাহমুদের ‘‘বাংলা লেখার নিয়ম’’ বইটি পড়তে পারেন। কাজে লাগবে।
৩. বানানের ভুলের কথা বললে আলাদা একটা বই হয়ে যাবে। বাংলা একাডেমীর বানান অভিধান কিনতে পারেন। চাইলে কোনো সফটওয়ার ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ৭দিন ১ ঘন্টা করে সময় দিয়ে শিখে নিতে পারলে সারা বছরের নানা কাজে আসবে। বাংলা বানান শেখার কথা বলছি। সিদ্ধান্ত আপনার প্রতিদিন কাজ করার সময় ৩০ মিনিট করে বেশী সময় খরচা করবেন নাকি ৭ দিনে ৭ ঘন্টা খরচ করে প্রতিদিন সময় সেভ করবেন। আর যদি আরো ৭ দিন সময় খরচ করে পেশাদার টাইপরাইটিং শিখেন। মানে বিজয়ে টাইপ করলে এই সমস্যা আরো কমে যাবে।
৫. হাতের কাছে যতই ইন্টারনেট আর ফেসবুক থাকুক। একটি দৈনিক পত্রিকা নিয়মিত বাসায় রাখুন। শুধুমাত্র ১ সপ্তাহ রাখলে টের পাবেন প্রতিদিন কত দরকারী তথ্য মিস করেন। কারণ আপনার অনলাইন আপনাকে তা দেখায়না এখানে পৃষ্ঠা উল্টিয়ে দেখার সুযোগ নেই বলে। আপনি উদ্যোক্তা মার্কেটার পিআরও যাই হোন পত্রিকা রাখুন এবং অন্তত একটি বিষয়ভিত্তিক ম্যাগাজিন রাখুন। মানে যে বিষয়ে আপনি কাজ করেন। প্রতিদিনের একটু একটু তথ্য আপনাকে এগিয়ে রাখবে। শুধু তাই নয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন দেখেও আপনি দেশের ব্যবসা, পণ্য, ভোক্তার রুচির গতি প্রকৃতি টের পাবেন। বিজ্ঞাপনের ভাষা বুঝতে পারবেন। কোনো একদিন হয়তো পেয়ে যাবেন আপনি খুজছেন এমন একটা পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন।
জানেনতো, ভারতের জনপ্রিয় টিভি শো মীরাক্কেল এর মীর আফসার আলীর জীবন বদয়ে গিয়েছে পত্রিকার একটা ছেড়া পাতা থেকে। ভারতে এবং বাংলাদেশে লন্ড্রী দোকানে কাপড় ইস্ত্রী করতে দিলে আনার সময় একটুকরো খবরের কাগজে মুড়ে দেয়। এরকম একটা খবরের কাগজে রেডিও উপস্থাপক হওয়ার বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে যোগাযোগ করে আজ আফসার আলী জনপ্রিয় উপস্থাপক।

লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন

আরো জানতে সংগ্রহ করুন: জাহাঙ্গীর আলম শোভনের বই: প্রেস রিলিজ গাইড লাইনস

বইটির অনলাইন লিংকস: https://www.rokomari.com/book/211928/press-release-guidelines