স্থানীয় সরকার গতিশীলতা ও উন্নয়ন বিষয়ক নাগরিক পরামর্শ
– জাহাঙ্গীর আলম শোভন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামের অন্যতম প্রধান, গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য অংশ স্থানীয় সরকার। বলা যায় রাষ্ট্র পরিচালনার মহাসড়ক হলো স্থানীয় সরকার। দেশের উন্নয়ন, ভবিষ্যত এবং প্রশাসনিক গতিশীলতার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিকাঠামোতে যেসব উদ্যোগ ও পরিবর্তন দরকার সেগুলো তুলে ধরা হলো
রাষ্ট্র পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংযোজন প্রস্তাব
পরিচ্ছেদ ১: প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নীতি
১) দেশের বড় গ্রামগুলোকে ভেঙ্গে ছোট ছোট নামের গ্রাম করতে হবে। শহরেও বড় এলাকাগুলোর মধ্যে ছোট এলাকা বানাতে হবে।
২) একই নামে পাশাপাশি একাধিক রাস্তার ক্ষেত্রে। এক নামে একটি রাস্তা রেখে বাকী রাস্তাগুলোর নতুন নাম নাম দিতে হবে।
৩) একই নামে একাধিক গ্রাম, ইউপি, উপজেলা রয়েছে তাদের নাম বদলাতে হবে। এজন্য একটি নীতিমালা তৈরী করতে হবে।
৪) নতুন নামের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারক, মনীষী, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবক ও জুলাই যোদ্ধাদের এলাকাভিত্তিক নামের প্রাধান্য দিতে হবে।
৫) জীবন দিয়ে সততার সাথে দায়িত্বপালনকারী সরকারী চাকুরেদের নামও যুক্ত করা যেতে পারে।
৬) নাম পরিবর্তনের জন্য একটি নীতিমালা তৈরী করতে হবে। এবং গণশুনানীর মাধ্যমে নতুন নাম রাখতে হবে।
৭) বড় ইউনিয়, উপজেলা ও জেলাকে ভাঙতে হবে।
৮) ১২-১৬টি বিভাগ, ৭২ থেকে ৯৬ টি জেলা ৬শর মতো উপজেলা তৈরী হবে যা প্রশাসনিক কাজে সহজ হবে।
৯) কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লার ৩ জেলাকে নিয়ে হবে। তবে মুল কুমিল্লা জেলাকে ৩ ভাগ করে একটিকে ময়নামতি জেলা করা যেতে পারে। নোয়াখালী সংলগ্ন উপজেলাগুলো নিয়ে কমলাংক নামে আলাদা জেলা হতে পারে। ঢাকার নিকটবর্তী জেলাগুলোতে নিয়ে হতে দাউদকান্দি বা মেঘনাকান্দি জেলা। শুধু নদীর নামে জেলা হলে নানা কনফিউশন তৈরী হতে পারে।
১০) জেলার নামে বিভাগের নাম না দিয়ে অন্য নামে দেয়া বেশী সহজ ও সুবিধাজনক।
১১) ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বেশকিছু জেলাকে ভাগ করে ২ বা ৩ জেলা বানাতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা জেলা ৪টি জেলা হওয়ার দাবীদার। এবং
১৩) নোয়াখালী বিভাগ করার জন্য নোয়াখালীর ৩ জেলা নিয়ে বিভাগ হতে পারে। সাথে গণশুণানীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলাকে ৩ ভাগ করে দক্ষিণ ও মধ্য অংশকে চট্টগ্রাম বিভাগের সাথে রেখে উত্তর অংশকে নোয়াখালী বিভাগের সাথে যুক্ত করা যেতে পারে। এবং নোয়াখালীর সাথে লাগানো জেলাকেও কুমিল্লার নতুন জেলাকে নোয়াখালী বিভাগের সাথে যুক্ত করা যেতে পারে। এতে নোয়াখালী বিভাগে জেলার সংখ্যা ৫টি হবে।
১৪) ঢাকা জেলাকে ৪ ভাগে ভাগ করলে নতুন নামগুলো জাহাঙ্গীর নগর, চিশতী নগর (ইসলাম খান চিশতীর নামে) ও শেরনগর (শেরশাহর নামে) রাখা যায়।
১৫) ঢাকা থেকে রাজধানী সরিয়ে আরিচা ঘাটের দিকে নিয়ে সেখানে নতুন ঢাকাকে পরিকল্পিত রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যা আমি প্রস্তাবনায় উল্লেখ করেছি। নতুন রাজধানীর নাম হবে জাহানগড় Jahangar (সম্রাট জাহাঙ্গীরের নাম থেকে অংশ নিয়ে আর পুরনো আমলের একটা শব্দ দিয়ে)
বাংলাদেশের উন্নয়ন বিকেন্দ্রীকরণের দফাসমূহ
✔ বিভাগভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
✔ জেলা পর্যায়ে শিল্পাঞ্চল ও বিশ্ববিদ্যালয়
✔ স্থানীয় সরকারের নিজস্ব রাজস্ব সংগ্রহ ক্ষমতা
✔ মন্ত্রণালয়ের কিছু শাখা বিভাগীয় শহরে স্থানান্তর
✔ স্বাস্থ্য ও শিক্ষার বড় প্রতিষ্ঠান ঢাকার বাইরে
✔ বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা
✔ উপজেলা পর্যায়ে প্রাক বা প্রাথমিক আদালত প্রতিষ্ঠা
✔ বিভাগ ভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রি উন্নয়ন
✔ জেলা ভিত্তিক কারখানা
✔ উপজেলা ভিত্তিক রপ্তানী পণ্য
✔ ইউনিয়ন ভিত্তিক কৃষি পণ্য
✔ ইউনিয়ন ভিত্তিক কুটির পণ্য
✔ গ্রাম ভিত্তিক যৌথ খামার
✔ চর বা দ্বীপ কেন্দ্রীক পর্যটন, পূণবাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন
প্রস্তাবিত বিভাগ ১২ বিভাগ
| বিভাগ | অন্তর্ভুক্ত জেলা |
| ঢাকা বিভাগ | ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ |
| ফরিদপুর বিভাগ | ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী |
| ময়মনসিংহ বিভাগ | ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর |
| চট্টগ্রাম বিভাগ | চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান |
| কুমিল্লা বিভাগ | কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর |
| নোয়াখালী বিভাগ | নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর |
| সিলেট বিভাগ | সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ |
| বরিশাল বিভাগ | বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা |
| খুলনা বিভাগ | খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল |
| যশোর বিভাগ | যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা |
| রাজশাহী বিভাগ | রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, |
| রংপুর-বিভাগ | রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, |
| বগুড়া বিভাগ | বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ |
বিভাগীয় পর্যায়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ এর নীতি
ক) একটি সচিবালয়ে সকল বিভাগীয় দপ্তরের অফিস থাকবে। তবে কিছু কিছু আলাদা হতে পারে। যেমন তথ্য মন্ত্রণালয় বিভাগীয় প্রেস কাউন্সিল ভবনে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভাগী ট্রেড টাওয়ারে, আইন মন্ত্রণালয়ে বিভাগীয় হাইকোর্ট বিল্ডিং এ।
খ) তার আগে নতুন সংবিধান আইন করে কি কাজ কিভাবে বিভাগীয় পর্যায় সম্পাদন করা হবে। তার নীতি তৈরী করতে হবে।
গ) কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য বিভাগীয় ছায়া সংসদ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। যা আমার প্রশাসন ও রাজনীতি অংশে দেয়া রয়েছে।
বিভাজন:
| ক্রম | মন্ত্রণালয় | বিভাগীয় সচিবালয় | প্রয়োজনীয় জনবল | মন্তব্য |
| ১ | কৃষি মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন ও সমন্বয়ের জন্য |
| ২ | বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন | শুধুমাত্র দপ্তর | ১০–১২ | বিভাগীয় পরযটন বোর্ড |
| ৩ | বাণিজ্য মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ৪০–৪৫ | অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরও থাকবে। |
| ৪ | সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ৪০–৫০ | সড়ক/সেতুর প্রকল্প বাস্তবায়ন |
| ৫ | সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ৫-৭ জন | সাধারণত কেন্দ্রীয় কার্যক্রমে |
| ৬ | প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় | না | — | কৌশলগত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ |
| ৭ | খাদ্য মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২৫–৩০ | খাদ্য নিরাপত্তা ও স্টক ব্যবস্থাপনা |
| ৮ | শিক্ষা মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ৫০–৬০ | বিভাগীয় শিক্ষা ও পুস্তক বোর্ড |
| ৯ | পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় | না | — | আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় |
| ১০ | স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ | হ্যাঁ | ৪০–৬০ | স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ |
| ১১ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০-৩০ জন | বিভাগীয় পুলিশ দপ্তর |
| ১২ | গৃহায়ন ও গণপূর্ত | হ্যাঁ | ২৫–৩০ | অবকাঠামো/গৃহায়ন প্রকল্প |
| ১৩ | শিল্প মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ১৪ | তথ্য ও সম্প্রচার | হাঁ | ১৫-২৫ | বিভাগীয় মিডিয়া কাউন্সিল থাকবে |
| ১৫ | বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ১০–১৫ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ১৬ | শ্রম ও কর্মসংস্থান | হ্যাঁ | ৩০–৪০ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ১৭ | আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক | হ্যাঁ | ৩০–৪০ | বিভাগীয় হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠা হবে |
| ১৮ | ভূমি মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ৮০–১০০ | ভূমি ব্যবস্থাপনা/রেজিস্ট্রি |
| ১৯ | স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় | হ্যাঁ | ৮০–১০০ | স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম |
| ২০ | পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ১৫-২০ | কৌশল পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় |
| ২১ | দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ | হ্যাঁ | ৩০–৩৫ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ২২ | নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২৫–৩০ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ২৩ | সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | সমাজ সহায়তা কার্যক্রম |
| ২৪ | মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | নারী ও শিশু উন্নয়ন |
| ২৫ | পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ২৬ | যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | যুব/ক্রীড়া উন্নয়ন |
| ২৭ | মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ১০-১৫ | ঐতিহাসিক/প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় |
| ২৮ | প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান | হ্যাঁ | ২০–২৫ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ২৯ | রেলপথ মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ২০–৩০ | সংখ্যা বিভাগ অনুযায়ী কমবেশী |
| ৩০ | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় | হ্যাঁ | ১৫–২০ | রিসার্চ/আইটি সমন্বয় |
পরিচ্ছেদ ২: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মান উন্নয়ন
ক) কাঠামো পূণবিন্যাস
১) ইউনিয়ন পরিষদে নিকটতম পরাজিত প্রতিদন্ধি ৩০% ভোট পেয়ে পরাজিত প্রতিদন্ধিকে ইউনিয়ন পরিষদ এর একটি ছায়া পরিষদ হিসেবে ‘‘পরামর্শ সভা’’য় স্থান দিতে হবে। তারা কোনো বেতন ভাতা প্রাপ্ত হবে না। এবং তাদের পরামর্শ মানতে পরিষদ বাধ্য থাকবেনা। তবে এর মাধ্যমে তাদেরকে স্থানীয় সরকার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে ভোটার বা নাগরিকদের মতামতকে সম্মানিত করা হবে।
২) উপজেলা পরিষদে নিকটতম পরাজিত প্রতিদন্ধি ৩০% ভোট পেয়ে পরাজিত প্রতিদন্ধিকে ইউনিয়ন পরিষদ এর একটি ছায়া পরিষদ হিসেবে ‘‘পরামর্শ সভা’’য় স্থান দিতে হবে। তারা কোনো বেতন ভাতা প্রাপ্ত হবে না। এবং তাদের পরামর্শ মানতে পরিষদ বাধ্য থাকবেনা। তবে এর মাধ্যমে তাদেরকে স্থানীয় সরকার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে ভোটার বা নাগরিকদের মতামতকে সম্মানিত করা হবে।
৩) সংসদ নির্বাচনের নিকটতম পরাজিত প্রতিদন্ধি ৩০% ভোট পেয়ে পরাজিত প্রতিদন্ধিকে বিভাগীয় ছায়া পরিষদ সদস্য হিসেবে স্থান দিতে হবে। তারা কোনো বেতন ভাতা প্রাপ্ত হবে না। এবং তাদের পরামর্শ মানতে পরিষদ বাধ্য থাকবেনা। তবে এর মাধ্যমে তাদেরকে স্থানীয় সরকার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে ভোটার বা নাগরিকদের মতামতকে সম্মানিত করা হবে।
৪) ইউনিয়ন পরিষদে জনসংখ্যা ও আয়ের উপর ভিত্তি করে একাধিক সহকারী নিয়োগ। এমনকি একটি নীতিমালার আলোকে ডেপুটি সহকারী পরিষদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিয়োগের বিধান চালু করতে হবে। তা না হলে পূর্বের মতো পরিষদ অফিসে জনগনের ভোগান্তি বাড়তেই থাকবে।
৫) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরামর্শের জন্য একটি নাগরিক পরিষদ গঠন করতে হবে। যাতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধি থাকবে। নাগরিক পরিষদ এর সদস্যরা মূলদ এই পরিষদ নির্বাচন করবে। এই পরিষদ চেয়ারম্যানকে বিভিন্ন পরামর্শ দিবে। এলাকার উন্নয়নে কোনো বিষয়ের নামকরণে চেয়ারম্যান নাগরিক পরিষদ এর সভা ঢেকে পরামর্শ নিতে পারবেন। একজন মেম্বার হবেন এই পরিষদের সম্পাদক।
কারা নাগরিক পরিষদ এর সদস্য হবে
* এলাকার সকল আগ্রহী গ্রাজুয়েট নাগরিক, যারা এলাকায় বসবাস করেন বা নিয়মিত যাতায়াত করেন।
* পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন ব্যক্তিগণ
* নির্বাচনে ১০% এর বেশী ভোট পেয়েছেন এমন ব্যক্তিগণ
* মুক্তিযোদ্ধা, মসজিদের ইমাম এবং মন্দিরের পুরোহিত
* সরকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যারা একটি নির্দিষ্ট গ্রেড এ ছিলেন।
* সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ শিক্ষক
* একটি নির্দিষ্ট অংকের বেশী যারা করপ্রদান করেন।
* পরামর্শক সভার সকল সদস্য ও পরিষদ এর সকল সদস্য
* শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাতা ও অভিভাবক সদস্যবৃন্দ।
নাগরিক পরিষদ এর কাঠামো
* সভাপতি : ১ জন, পরিষদ চেয়ারম্যান
* সহ-সভাপতি ৩ জন: সিনিয়র নাগরিক, গ্রাজুয়েট নাগরিক ও ধর্মীয় নেতা ( অন্তত ১ জন নারী হবেন)
* সাধারণ সম্পাদক: ১ জন: পরিষদ সদস্য
* সহ সাধারণ সম্পাদক: ২ জন: ১ জন নারী সদস্য, ১ জন পরামর্শ সভার সদস্য
* নির্বাহী সদস্যগণ: ১৪ জন।
প্রথমে সকল সাধারণ সদস্যদের ভোটে বিভন্ন ক্যাটাগরি থেকে নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হবেন। তারপর নির্ব
